নীল থাবায় রক্তাক্ত লজ্জা
বিজয়ের মাস এলে একটা অব্যক্ত ব্যাথা জানিনা কেন জানি খামচে ধরে। আমি ভালো বক্তা নই, আবার তথাকথিত কোন রাজনৈতিক দলের অনুসারীও নই। সেজন্যই হয়তো হাত পা ছুড়ে গলা কাঁপিয়ে মাঠ গরম করা কথাবার্তা আমার গলা কিংবা আঙ্গুল দিয়ে প্রসব হয়না।
যাইহোক পয়েন্টে আসি, শুনেছি আগামী দুমাস পর থেকে সম্ভবত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য্যক্রম শুরু হচ্ছে। আমার জানতে ইচ্ছে করে ২৫শে মার্চের কালো রাত্রী হতে যেই হায়েনার দল পাক বাহিনীর সাথে মিলিত হয়ে আমাদের ঘরবাড়ি লুট করেছে, লুট করেছে আমার মা বোনের সম্ভ্রম তাদের কি বিচারের আওতায় আনা হয়েছে?
হ্যাঁ, আমি বিহারীদের কথা বলছি। এক দল বিহারী সেই কালো রাতে মেতে উঠেছিলো ধ্বংসের আসরে, ৯টা মাস তারা পাকবাহিনীর দোসর হয়েই নিপীড়ন করেছে এদেশের মানুষকে। তাদের কি বিচারের আওতায় আনা হচ্ছে?
১৯৭১ সালের ২রা জুন তদানিন্তন পূর্বপাকিস্তানের গভর্নর লেঃ জেঃ টিক্কা খান “রাজাকার অর্ডিনেন্স ১৯৭১” জারি করে। কিন্তু তার বহু আগে সেই কালো রাত থেকেই তৎপর ছিলো এক দল বিহারী। অনেকেই আজ বাঙ্গালী পরিচয়ে আমাদের মাঝে মিশে গেছে। অনেকেই পেয়েছে নাগরীকত্ব ও ভোটাধিকার। তাদের খুঁজে বের করে সকল শ্রেনীর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা হলেই কেবল শান্তি পারে ৩০লক্ষ শহীদের আত্মা।
নীচে কিছু প্রামান্য তথ্য দেয়া হলো সেই ভয়াল কালো রাতের তান্ডবের।
একই বিষয় নিয়ে বিগত মার্চে আমুতে প্রথম পোষ্ট দিয়েছিলাম কিন্তু কোন তথ্য পাইনি।
(ছবি গুলো ঠিক মত আসছেনা ভেডু ভাইর চোখে পড়লে ঠিক করে দিয়েন, সেটা সম্ভব না হলে ব্লগার ভাইয়েরা ইমেজ গুলো আগে সেভ করে তার পর উইন্ডোজ থেকে পড়তে পারেন)


২) 
৩)
৪) 
৫)
৬)





উপরের দলিল গুলো আগে পড়েছিলাম। আমি কন্টিনিউ করতে পারিনা। এসব লোকের ঠিক কি শাস্তি হলে মনের ক্ষোভ মিটত জানিনা। কারন এদের কৃতকর্মের কাছে পৃথিবীর সব শাস্তি আমার নগন্য মনে হয়।
হুম, একই ফিলিংস আপু।

দলিলগুলো কোন একটা বই থেকে স্কেন করেছিলাম। আমুতেও দিয়েছিলাম অনেক আগে।
ওরে বাবুল লজ্জার ইতিহাস আর বারাইস না, বাল! নিজেরে ছাগলের চেয়ে অধম লাগতেছে
আমারো ছেম কেইছ
ধুরু দেশের শান্তি নষ্ট করতে চান!
আমাগো মত আম্পাব্লিক খালি মার্চে আর ডিসেম্বরেই ফাল্পারি, এতে শান্তির ক্ষতি হইবেক লয়
বিহারী গুলারে ফাসি দেওয়া উচিত। আমি ওগোরে দুই চোক্ষে দেখতারি না ।
সবগুলা না, কিছু কিছু জড়িত ছিলো। ঐগুলারে বিচারের আওতায় আনা উচিত
আপনার লেখা পড়ছি !! নিচের অংশ পড়িনাই !! আগে পইড়া শিক্ষা হইছে । কেডায় গিয়া আবার টিস্যু ভিজায়!!
আমার এতো দেশ প্রেম নাই !!
শিরোনামটা সুন্দর !!
হুম! লেখাটেখা ছাড়েন কিছু, বহুত দিন আপ্নের লেখা পড়িনা।
দলিল গুলো আগে পড়েছি।রাগে ক্ষোভে ঘৃণায় মন ভরে যায়।নিজের অপারাগতাকে করুণা হয়। আজো বিচার হলো না। এ লজ্ঝা আমাদের সকলের।
দেখা যাক, আরতো মাত্র মাস দুয়েক, যদি এবার আমাদের লজ্জার ইতিহাস একটু হলেও ঘোচে।
বিহারী মিহারী বুঝি না, যারাই যুদ্ধাপরাধী তাগোই বিচার চাই...
সহমত
সকল যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই...
একমত।
বিহারী বলে সবাইকে বিচারের আওতায় আনাটা ঠিক হবে না। এদের মাঝে একদল আছে যারা এই দেশে জন্মেছে এই দেশেই বড় হয়েছে, তারা এই দেশের নাগরিক। শুধু নামে নয়, তারা চেষ্টাও করছে। অন্যদিকে এমন কিছু আছে যারা এখনো পাকিস্তানের প্রতি অনুগত। সমস্যা এদের নিয়ে। এদের শেকড় ধরে কাটতে হবে। যুদ্ধাপরাধী সে বাঙ্গালী হোক আর বিহারী সবাইকে বিচারের আওতায় আনা উচিত।
সবাইকে নয় শধু মাত্র অপরাধীদের বিচার হওয়া উচিত।
সহমত জানালাম
সবাইকেই যুদ্ধাপরাধীদের আওতায় আনতে হবে, সবাইকেই... যেই হোক ।
অনেক বিহারী এখনও পাকিস্তান বলে গলা ফাটায়, দেখলে গুলি করতে ইচ্ছা করে।
এরা শুধু পাকিস্তানই বলেনা কথাও বলে উর্দুতে।

বাংলাদেশ পাকিস্তান ম্যাচ হলে তারা পাকিস্তানের সাপোর্টার।
এদের নাগরিকত্ব দিয়া কি লাভটা হইছে আইজো বুঝি নাই।
বিহারীতো বিহারী, বহুত বাঙ্গালী পাইছি বাংলাদেশ পাকিস্তান ম্যাচে পাকিস্তানরে সমর্থন দেয়। তখন হাসুম না কান্দুম বুঝিনা
হুম তখনি দুঃখ লাগে
সোহেল কাজী সুন্দর কৈরা ব্লগ লেখার তরিকা বাতলাইয়া একটা টিউটোরিয়াল দোন...
কমেন্টে কোটেশন লাগান ক্যাম্নে? আম্মো শিক্তে চাই :(
আমি নাদান লুকরে ভাই
উপ্রের কথাটা কোট করছি এই ভাবে

মন্তব্য করুন