ইউজার লগইন
ব্লগ
আত্মমগ্ন কথামালা- ১০
নিজেরে নিয়া বড়ই ত্যাক্ত আছি।
পরিবেশ পরিস্থিতি গ্রহনযোগ্যতা স্পেশালি গ্রহনযোগ্যতা না বুইঝাই কাজ ঘটায়া ফেলি। পরে সেইটার ফলাফল দেইখা মাথা যায় আউলায়া।
যাহ শালা, আইজকা থিকা কোনোখানে কুনু কিছু কইবার আগে নিজের গ্রহনযোগ্যতা লইয়া ভাবতে হইবো। এই ভাবনাটা সবার আগে মাস্ট। সবচাইতে ভালো হয় কুনু কথা ইত্যাদি না কইয়া চুপচাপ থাকা। সেইটাই কর্মু (আশারাখি কর্তে পার্মু) আগামী সময় গুলাতে।
এক্কেবারে চুপ, বোবার মত নিশ্চুপ, কব্বরের মতো নিশ্চুপ।
আমাদের সময়ের গান
জীবনমুখী গানের ধাক্কায় আমাদের গানের কাছে প্রত্যাশা বদলে গেলো, প্রতি সপ্তাহে নতুন নতুন ব্যান্ড আর তাদের এলবাম প্রকাশ নিয়ে চারু-পার্থ একটা র্যাপ গান করেছিলো , তবে সেটার প্রভাব শ্রোতাদের মানসিকতাকে তেমন পরিবর্তন করে নি সম্ভবত। আমাদের তারুণ্যে বাংলা গানের ধারাবাহিকতা বদলে দিলো সুমন-নচিকেতা-অঞ্জন।
ফিরে আসা
দীর্ঘদিন পর ফিরে এলাম
তোমাদের মাঝে।
ফিরে এলাম স্বরুপে
চিরটাকালের নির্জন একলা
এই আমি ফিরে এলাম
নির্জনতার রুপ নিয়ে।।
দীর্ঘদিন পর
ফিরে এসেছিলাম,
ভেবেছিলাম কেউ একজন
অন্তত কেউ একজন,
আমায় জিজ্ঞেস করবে
কোথায় ছিলে এতোদিন।
বুকের গভীরে জমিয়ে রাখা
অভিমান চেপে কেউ একজন
ঠোট ফুলিয়ে প্রশ্ন করবে
ভালো আছো তো?
আশ্চর্য!!!
আমার এই ফিরে আসাতে
কারো মাঝে কোনো উচ্ছ্বাস নেই।
আমার থাকা বা না থাকা
দুটোই যেনো আজ সমান।
অথচ যখন আমার যাবার সময় হয়নি
অথবা আমার যাবার সময়েরও
বহু বহুদিন আগে,
কোনো এক রমণী কিংবা
অন্তত কেউ একজন বলেছিল
আমায় ছাড়া তার পৃথিবী অসম্ভব।
অথচ এই আমার অনুপস্থিতিতেও
তার পৃথিবী সমধিক উজ্জ্বল,
আজও কি সেই একজন
অন্য কোনো কাংখিত বাহু ডোরে
খুজে ফেরে আমার উষ্ণতা ?
আত্মমগ্ন কথামালা ৯
মানুষ কি তার কামনা বাসনার উর্ধ্বে আদৌ যাইতে পারে?
আমার মনে হয় না। যতভাবেই চেষ্টা করা হউকনা কেন, মাইনষের ভিত্রে সুপ্তভাবে কামনা আর বাসনা নামের দুই ভাই কিংবা বইন (লিঙ্গভেদে!) বইসাই থাকে। সুযোগ পাইলেই চেহারা দেখায়া দেয়।
কাইল দুফুর বেলা সুন্দর একটা টাইম পাস করলাম অত্যন্ত পছন্দের কিছু মানুষগো লগে। শুধু দুঃখ থাইকা গেলো, পুরাটা টাইম পাস না করতে পারায়। ডিউটি কলড। কি আর করা।
সন্ধ্যার পর সেমি রাইতের দিকে আরো কিসু পছন্দের মাইনষের সাথে টাইম পাস করার সুযোগ হইলো। কিন্তু রাইত ঘনায়, টাইম দৌড়ায়। ভাল্লাগেনা।
রাস্তার সাইডে বইসা আড্ডাইতেছি আর হু হু কইরা বইয়া যাওয়া বাতাসের ছোঁয়া মাখতেছি এই টাইমে হঠাৎ কইরা মন খারাপ হইয়া গেলো। হুদাই। সেই জিনিস মাথার ভিত্রে এখনো বইসা বইসা টুংটাং কইরা একতারা বাজাইয়া যাইতেসে। এই মনখারাপের চাপেই কোনদিন জানি মইরা ফুটুস হইয়া থাকমু। বেল বেল বেল।
ছড়া ভাবলে ছড়া, কবিতা ভাবলে তা।
সূর্যের রঙ্গে লাজ রাঙ্গা মেঘ
শান্ত বিকাল বেলা
বন্ধু আমার বৃষ্টি গলে
রংধনুর হয়ে দেয় দোলা ।
আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে যায়
ঝরের নামটি নাই
এমনো দিনে বন্ধু
তোমায় কাছে চাই।
হয়নি বলা অনেক কথা
বন্ধু তোমার কানে
মেঘে ছোঁয়া চোখ দুটো আজ
অপলক তোমার পানে।
শূণ্যে ভাসি, শূণ্যে ভাসাই
তোমার নামটি আজ
বন্ধু, আজ দিলাম পড়িয়ে
ভালবাসার তাজ।
প্রতিক্ষা
এখনও থাকি সেই প্রত্যাশাই
যদি হয়ে যায় দেখা আবার দুজনার
কোন এক পথের বাকেঁ,
সেই যে সেদিন দেখে ছিলাম তোমাই পড়ন্ত এক বিকালে,
সূর্যটা যখন লাল টুকটুকে ছিলো,
তখনি আমার হৃদয়ে দোলা লাগে,
তখনি তোমাকে ভালো লাগা শুরু হয়,
তারপর বুঝতে পারি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি।
সেদিন অনেকক্ষন তোমাকে দেখেছিলাম অপলক দৃষ্টিতে।
আর অজানা এক অনুভূতি হৃদয়ের গহীন থেকে গহীনে নাড়া দিয়েছিলো।
বুঝতেই পারিনি সেদিন কতটা সময় কেটেছিলো।
আমি তখনি তোমাকে কিছু বলতে চেয়েছিলাম,
কিন্তু কি জানি একটা অজানা ভয়ে হৃদয় ধোক ধোক করছিলো,
তখনও ভাবছি আজ কিছু বলবই।
সব চিন্তাকে দূরে ঠেলে যখনি ভাবছি তোমার কাছে যাই,
তখনি,,,,,,,,,,তখনি,,,,,,,,,,,,, হঠাৎ,,,,,,,,,,,,,
তুমি কোথাই যেন হারিয়ে গেলে।
তোমাকে তারপর থেকে অনেক খোঁজেছি,
অনেক বার সেই খানে গিয়েছি,
এখনও যাই,
এখনও খোঁজি ।
রাধে শ্যাম
একদিন টিএসসির সামনে দাঁড়িয়ে আছি- বিকেল বেলা- এক অন্ধ গায়ক গান ধরলো দোতারা বাজিয়ে- তাতে সঙ্গত দিলো তার ছোটো ছেলে-একটা মিউজিক্যাল ফ্যামিলি বলা যায় তাদের সম্মিলনকে। স্ত্রী, কন্যা পূত্র এবং তিনি। এ চারজনের ব্যান্ড-
তিনি দোতারা বাজিয়ে গান ধরলেন
ও জীবন জীবন রে এ জীবন ছাড়িয়া রে গেলে আদর করবে কে জীবন রে।
পরিবেশের গুণে, কিংবা ছোটো ছেলেটার অত্যাধিক চড়া গলার স্কেলের কারণে গানটা মন স্পর্শ্ব করেছিলো- আমি গীটারে গান তুলতে পারতাম না, এখনও পারি না, কিন্তু চেষ্টা করে এই গানটা তুলতে পেরেছিলাম।
পরবর্তীতে অবশ্য নিজেও একটা লোকগীতি ধাঁচের গান লিখে সুর করে ফেললাম। লোকগীতির একটা ধুন আছে, গানের মাঝে কোথাও না কোথাও গায়কের কিংবা গীতিকারের পরিচিতি থাকে- এটা ছাড়াও হয়তো গান হয় কিন্তু ঐ পরিচিতিটা অনেকটা গানের উপরে নিজের জলছাপ বসানো।
বাজে বাঁশি বাজে বাঁশী দিবা নিশি সর্বনাশী
বিদায় স্বার্থপর পৃথিবীর কাছ থেকে॥
যদি চলে যাই বিদায় নিয়ে, এই পৃথিবীর কাছ থেকে। সমুদ্র কখনো কান্না করবে না আমার জন্য। তার জল ধারার একটুও ধার দেবেনা আমাকে। এই জল শুধু তার। আমার অশ্রুহীন হৃদয়ের কান্নায় তার মন গলে নোনতা পানি হয়ে পড়বে না। স্বার্থপর এ পৃথিবী। হয়ত বিদায় নিব এ পৃথিবী হতে। আমি জীবনানন্দ হতে চাই না। আমি চাই না তার মত এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে ফিরে আসতে। মানুষের উপর ই যে বর্বরতা গাংচিল শালিক তো কোন ছাড়। হারিয়ে যাব দূর কোন বাস্তবতায়, লীন হয়ে যাব মহাশূণ্যে।
জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা সিনেমার কবিতা অনুবাদ
বুকের ভেতর বিরহ শোক
সে তো বেঁচে থাকার উপযোগ
চোখের কোণায় স্বপ্নের ঝলক
সে তো বেঁচে থাকার উপযোগ
খোলা হাওয়া নাই বা হলে
নাই বা হলে উন্মাতাল ঢেউ
হৃদয় খুলে প্রতি পল বাঁচো
নতুন এর সাথে বেহুল নাচো
মনের গহীনে না পাওয়ার ক্ষোভ
জেনো, সে তো বেঁচে থাকার উপযোগ ।।
প্যাচাল : কিছু ভালো লাগেনা…..
ইদানিং কিছুই ভালো লাগেছ না। কিছুদিন ধরে আমাদের মিরপুর-বাঙলা কলেজ-কল্যাণপুর এলাকার রাস্তায় তুমুল কাটাকাটি-খুড়াখুিড় চলেছ, সকােল বাসা থেকে ফিটফাট হয়ে বের হলাম অফিসের উদ্দেশে বাসস্ট্যান্ড এ পৌছাতেই দেখি ধূলা-বালি দিয়া চমৎকার গোসল দিয়া ফেলছি, অথচ গত ১৫ দিন ধরে বাসায় পানি নাই, প্রতিদিন আমার জন্য বরাদ্দকৃত ২ মগ পানি দিয়া গোসল করতেছি।
।অফিস এ থাকা অবস্থায় বা বাসায় ফেরার পর মা-বৌ এর চিল্লা-চিিল্ল,হাউ-কাউ এর ঠেলায় ২/৩ দিন পরপর ওয়াসা অফিসের পানির ট্রলির ড্রাইভার কে পানির দামের অতিরিক্ত টিপস্ দিয়ে, ভাই-সোনা ডেকে এক ট্রলি পানি এনে জমায়ে রেখে টুকটুক করে কাজ চলছে। তাও সবসময় পাওয়া যায় না,পানির জন্য হাহাকার লেগেই আছে। এদিকে বাসায় ২ মাস এর ছোট্ট শিশু সহ আরোও ৩ থেকে ১২ বছরের ৪ টা ভাতিজা-ভাতিঝি, বয়স্ক মা-বাবা।
আপনারাই কন আর কত ভালো লাগবো?
কতিপয় ঘটনার গভীর অর্থ অনুসন্ধান
বিশেষ দ্রষ্টব্য - ১ : ইহা একটি ইয়ার্কি-মার্কা পোস্ট! যাহারা ইয়ার্কি পছন্দ করেন না তাহাদেরকে ইহা পাঠ না করিতে অনুরোধ করা হইলো!
বিশেষ দ্রষ্টব্য - ২ : পোস্টটি ব্লগের নারীকূলকে উৎসর্গকৃত। বিশেষ করে আজকের বার্থডে-গার্ল জয়িতা, এবং জেবীন, লীনা (দিলরুবা), তানবীরা, লীনা (ফেরেদৌস) সহ সেইসব পাষাণ নারীকূলের জন্য, যাদের সাথে পেচ্ছাপেচ্ছি করতে গেলেও ঝাড়ি খেতে হয়!!
----------------------------------------------------------------------------------------------------
যারা পথেঘাটে ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসেন (যেমন আমাদের মীর
) এবং চোখ-কান খোলা রেখে চলেন ( যেমন আমি
), তাদের চোখে যে কতো গল্প, কতো কাহিনী, কতো সুখ-দুঃখগাথা ধরা পড়ে তার ইয়ত্তা নাই। দুঃখের গল্প তো বলিই সবসময়, আজকে দু-একটা মজার ঘটনা বলি।
হাস্যময়ী মেয়েটা
মেয়েটারে আমি অনেক লাইক করি। আমি যখন আরিফ জেবতিকের কল্যাণে সামুতে ব্লগিং শুরু করি- তখন তার সাথে আমার পরিচয়। সেটা সরাসরি নয়। নেটে মানে ব্লগে। আমার লেখায় মাঝে- সাজে সে এসে কমেন্টস দিয়ে যেত। সে বা তারা তখন হিট ব্লগার। আমি নতুন, নাদান মানুষ। ব্লগিং বুঝার চেষ্টা করতেছি। সেসময় তার চমৎকার একটা প্রো-পিক ছিল। মেয়েটা বরাবরই লিখতো কম। কিন্তু প্রচুর কমেন্ট করতো। তার প্রায় সব লেখাতেই একটা দুঃখ দুঃখ ভাব থাকতো। তবে তাকে দেখলে সেটা বুঝা যেতো না একদম। সারাক্ষণ হাসতে থাকা মেয়েটা...।
আমি হয়তো মানুষ নই
আমি হয়তো মানুষ নই,
মানুষগুলো অন্যরকম।
মানুষগুলো ভালবেসে কাছে টানতে জানে,
ভালবাসার অভিনয় করে
ভালবাসাতে জানে
ভালবাসা শিখিয়ে দূরে ছুড়ে ফেলতে জানে।।
আমি হয়তো মানুষ নই,
মানুষ হলেতো আমার একটা বৃত্ত থাকতো,
সেই বৃত্তের একটা কেন্দ্র থাকতো
বৃত্তের পরিধি ঘিরে
ছোট বড় আরও কিছু
বৃত্ত থাকতো।
প্রয়োজনমতো বৃত্তগুলো ভাঙত
আর নতুন নতুন বৃত্ত গড়ে উঠতো।।
মানুষগুলো অন্যরকম
তারা নিজেদের বৃত্তে হাটতে জানে,
প্রয়োজনে অক্ষ বদলাতে জানে
এক বৃত্ত ছেড়ে অন্য বৃত্তে
হাটতে জানে।
আমি হয়তো মানুষ নই
মানুষ হলেতো আমারও
নতুন নতুন বৃত্ত হতো,
নতুন অক্ষ থাকতো ।
সেই একই পুরনো বৃত্তে
আমি হাটছি আর হাটছি,
আমি হয়তো মানুষ নই .।
ব্যালেন্স- মাইনাস
ইচ্ছে করে নিজেকে নিয়ে একটা আনন্দের ব্লগ লিখি, নিজের আনন্দের কথা সবাইকে বলি। শিশুদের মত চোখ ভিজিয়ে, ঠোঁট উল্টিয়ে প্রায়ই নিজেকে নিজে বলি, একদিন ঠিক পারব, একদিন ঈশ্বর অনেক আনন্দে জীবন ভরিয়ে দিবে। সেই একদিন আর আসে না। জীবন থেকে সময়গুলো চলেই যাচ্ছে। তবে অবস্থা কিছুটা বদলেছে। যেটুকুও নিজস্বতা ছিলো, কোথাও একটুকুও ভালোলাগা ছিলো বছর ঘুরে এসে দেখলাম সেটুকুও আর নেই। ব্যর্থ জীবনের কাসুন্দি গাইতে গিয়ে দেখেছি কাছের মানুষগুলোও দূরের হয়ে গেছে অথবা কাছের ভেবে যে অনুভূতিটা টের পেতাম সেটা হারিয়ে ফেলেছি। ব্যস্ত জীবনে সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত। ব্যর্থ মানুষদের কাসুন্দি শুনে সময় নষ্ট করার মত সময় কারো নেই। তবে জীবনের এই এক বছরে শিখেছি অনেক কিছু। আবেগ সর্বস্ব একজনের জন্য কঠিন বাস্তবতা বোঝার প্রয়োজন ছিলো ত অবশ্যই। কঠিন বিপদে মানুষ নাকি খড় কুটো আঁকড়ে ধরতে চায় কিন্তু সেই খড়কুটোটাও যখন পায় না তখন এটাই হয়ত সত্যি যে, ঈশ্
নামহীন কবিতা "শিলা"
শিলা,
চুপটি করে বস , কথাটা আমার শোন,
মূখটা কেন গোমরা তোমার ,
বলেছি বলে শিলা।
নামটি যে তোমার নাহার ,
জানতাম না আমি কিছুই তাহার,
জানতাম তুমি শিলা, সকাল সাঝের বেলা,
বসাতে শুধু ফেইসবুকেতে বন্ধুত্বেরই মেলা ।
রাগ করেনা লক্ষী সোনা ,
বলছি আবার,
শিলা নামটা তোমার ,
বলব না আমি আর
কি রাগ ভেঙ্গেছে,
তাই বলে কি হাসি পাচ্ছে,
হাসো তাহলে,
বাংলার পাচ থেকে মুখটাকে বানাও আকাশের ই চাঁদ।
এই তো কি সুন্দর যাচ্ছে দেখা তোমায়,
ঠিক যেন সুন্দরী ঐ পূর্ণীমার ই চাঁদ।
এই বার বলছি তোমায় শোন,
যাহাই বল আর তাহাই বল ,
বলবো না আমি নাহার,
শিলাই বলবো আমি আবার
শিলা শিলা শিলা
আফরিন নাহার শিলা ।
.
.
বন্ধু তোকে অনেক মিস করি । ।যেখানে থাকিস ভাল থাকিস আর আমাদের মনে রাখিস ।