ইউজার লগইন
ব্লগ
হুদাহুদাই ...... মোটেই নাহ!
আমার বন্ধুভাগ্য খুবই চমৎকার! কারুর জন্যে কিচ্ছু করতে না পারা, কিবা অনেক গুনী মানুষগুলোর ভিড়ে একদমই অকাজের আমি’টার ভাগ্যে অনেক সময় নিজেই অবাক হই। গৌতমের লেখাটা পড়ছিলাম, পড়ে লাগলো এই আন্তর্জালিক ক্ষেত্রের বন্ধুগুলো কি আষ্টেপৃষ্টেই না জড়িয়ে আছে জীবনের চলার পথে! এই মানুষগুলো কেবল কথার পিঠে কথা ছুড়ে দিয়েই নয়, কাজেও ধারেকাছেই থাকেন। হয়তো আমার গন্ডিটা ছোট্ট বলেই বলতে পারছি এমনটা।
কোন এক বিকেলে..[এলোমেলো কাব্যকথন!]
কোন এক বিকেলবেলায়..
চারদেয়ালের জীবন থেকে নেয়া একটু ছুটি..।
ঝরো হাওয়ায়;
উথাল পাতাল ভালোলাগা,
সীমাহীন উচ্ছ্বাস..।
একলা ছাদে,
গোধূলি আভার ছায়ায়..
কল্পনার তেপান্তরে,
সবুজ-ভেলভেট হাতে আঁকা জলছবি..
পটে তার..
স্বাধীনতার সোনালী সুরুজ,
রক্ত ঝরে লাল..।
চেনা শহরের ব্যাস্ত রাজপথ..
অগোছালো তরুণের দৃপ্ত পদক্ষেপ,
টি-শার্টে প্রিয় দেশটার তরে প্রার্থনা..
রিকশায় বসা আদুরে তরুণীর,
আলতো হাতে..
সবুজ পাতায় লাল গোলাপে;
দিবস-ওয়ারী চেতনার উদযাপন,
আর ভুলে যাওয়া ভালবাসা..।
সময়ের তালে..
বড় বেশি বদলে যাওয়া শহরটার,
কোন এক কোণে..
উদাসী বাতাসে;
প্রাণ আকুল করা,
পুরানো দিনের বাংলা গানের সুর..
আজ বিকেলের হাওয়া..যেন,
হৃদয় টাও দোলা দিয়ে যায়..
এলোমেলো ,ভাবনায়..
হাওয়ায় হাওয়ায়..।।
"তারা এদেশের সবুজ ধানের শীষে"
১
- কলেজে আমাকে নিয়ে একচোট হাসাহাসি হয়ে গেল । গাঁয়ের ছেলে আমি, লুঙি পড়েই স্কুলে যেতাম । গাঁয়ে পেন্টের চল হয়নি তখনো--আমার ছিলও না । সবার উৎসাহে চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হয়েছি । ওখানে লুঙ্গি চলবেনা । সমস্যা হয়ে গেল ! তো অগতির গতি বড়বু’কে খবর দে’য়া হলো । দূলা ভাই জাহাজী । বাড়ী আসার সময় অনেক জামা-কাপড় নিয়ে আসতেন । ফিরে যাবার সময় ওগুলো আর নিয়ে যেতেন না, সিন্দুকে তোলা থাকতো । বুবু ওখান থেকে দু’জোড়া শার্ট-পেন্ট ধরিয়ে দিয়ে বললেন, “ নে -- লম্বায়তো মা’শাল্লা তাল গাছ হয়ে গেছিস, কোমরে ঢিলে হতে পারে –বেল্ট কষে নিস’ । ‘কই পামুনে বেল্ট’! আমি নাকি স্বরে বললাম । বুবু একটু ভাবলেন, তারপর বললেন, ‘ ঈদের পা’জামা তোলা আছেনা তোর ? ওটার নেড় [ফিতা] বের করে নে । তার পর পরে দেখা, কেমুন লাগে দেখি’ ! অগত্যা কি আর করা!
আংশিক রঙীন - আংশিক ডিজিটাল "মুঘলে আযম" (২)
পঞ্চম দৃশ্যঃ
শহাজাদা সেলিম অতি অল্প সময়েই আনারকলির সহিত ফোনালাপে মত্ত হইয়া পড়িল। আনারকলির সহিত আলাপের জন্য সেলিম তাহার ফোনের "বন্ধু" প্যাকেজ খানা পাল্টাইয়া "প্রিয়" প্যাকেজ রুপান্তর করিল। ইহাতে কোনরূপ ঝামেলা ছাড়াই ৬০ মিনিট মাত্র ৫ টাকায় কথা বলিতে পারে।
সেই রাতেই সেলিম আনারকলি কে তাহার facebook এর ফ্রেন্ডলিস্ট যোগ করিয়া লইলো।
অতঃপর আনারকলির নানান এলবাম খুলিয়া খুলিয়া শাহজাদা দেখিতে লাগিলো। স্বল্প বসনা pic গুলির দিকে সেলিম তাকাইয়া তাকাইয়া lol ফেলিতে, থুক্কু লিখিতে লাগিলো কমেন্টে।
পাগলের দিনলিপি (আটাশ)
স্বাধীনতা তুমি..
স্বাধীনতা তুমি..
তীব্র শোকে স্তব্ধ প্রহর,
রক্তস্নাত জীর্ণ শহর..
অন্ধরাতের আঁধার চীরে;
রক্ত শপথ,
সূর্যোদয়ের গান..।
নীল আকাশে শ্বেতকপোত,
আর;
লাল সবুজের স্বর্গ স্বপন-
লক্ষ হৃদয়;
মুক্ত ভোরের বিজয়োল্লাস,
উচ্ছ্বসিত প্রাণ..।
শুভ জন্মদিন, সুপ্রিয়তম জন্মভূমি-
ভাল থেকো, আমার বাংলাদেশ..।
দেয়াল
বেশ কয়েক বছর আগে যখন প্রায় নি:সঙ্গ, সঙ্গী বলতে অন্তর্জালিক বন্ধু আর এলেমেলো ঘর, সে সময়ে হুট করে নিলামে কিনলাম গীটার। গীটার আর টিউনার কিনে মাঝে মাঝে গীটার বাজাই- পুরোনো আড্ডায় শোনা গানগুলো গাইতে চেষ্টা করি, একটা বিষয়ই বুঝলাম, আমাকে দিয়ে অন্য অনেক কিছুই হতে পারে কিন্তু গীটার বাজিয়ে গান গাওয়া সম্ভব হবে না, অতীতের কয়েকটা ছোটোখাটো গান বাজানোর অভিজ্ঞতা দিয়ে গান গাওয়া হয় না, তবে বুকের ভেতর অনেক কথার বাক-বাকুম, সে সময়ে এক প্রিয় বন্ধুর বিবাহবিচ্ছেদের সংবাদ পেয়ে প্রথম গান লেখা আর সুর করা। সে গানের শেষের অংশটুকু এখন মনে আছে, মুখ মনে নেই, অবশ্য ৬ বছরের ব্যবধানে গানের সুরের কোনো কোনো অংশ বাদ দিলে অধিকাংশই বিস্মৃত।
শিরোনামহীন
.......................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
বনলতার অসুখ
অনেকদিন স্বপ্ন দেখি না। কাল রাতে অদ্ভুত একটা স্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙ্গে গেল। সেই স্বপ্নের অধিকাংশই মুছে গেছে ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে।
*****
তবু স্বপ্নটাকে নিয়ে লিখতে ইচ্ছে করছে। আবার অর্থহীন স্বপ্নটাকে গুরুত্ব দিতে বারণ করছে আরেকটা মন।
*****
স্বার্থপরতার অলিগলি পেরিয়ে শীত কুয়াশার বেড়াজাল এড়িয়ে শেষরাতের স্বপ্নে ভেসে এলো- কাঁপানো জ্বর নিয়ে এলোচুলে বিছানায় শুয়ে বনলতার শরীর।
এত ছোট্ট স্বপ্ন আমি আর কখনোই দেখিনি।
ঋকের স্কুল
১.
বাংলাদেশের গণমাধ্যম বিশেষত ইলেকট্রনিক মিডিয়া অযথা নৃশংসতা প্রচার করে, ক্ষেত্রবিশেষে সেটার লাইভটেলিকাস্টও হয়। ২০০৯ এর ২৫শে ফেব্রুয়ারীর লাইভ টেলিকাস্টের প্রতিক্রিয়ায় অন্য সবার কি অবস্থা হয়েছিলো আমি জানি না, কিন্তু ঋকের ভেতরে ইউনিফর্ম ভীতি প্রবল হয়েছিলো। তখন রাস্তায় বন্দুক কাঁধে পুলিশ দেখলেও আমার টি-শার্টের নীচে মুখ লুকিয়ে রাখতো ও। পরবর্তী ২ বছরে ওর অবস্থার উন্নতি হয়েছে, এখন পুলিশ দেখলে আর ভয়ে নীল হয়ে যায় না, টি শার্টের নীচেও লুকায় না।
আত্মমগ্ন কথামালা- ৮
কোনো কিছু ভুইলা থাকার সবচাইতে ভালো উপায় হইলো নিজেরে ব্যস্ত কইরা ফেলা। মাথার ভিতর গাদা খানিক উলটা পালটা চিন্তা ভাবনা দৌড়াইতেছে বেশ কিছুদিন ধইরা। তার উপর কালকে বাংলাদেশের হাইরা যাওন। যতই ভাব ধইরা এই সেই ইত্যাদি বলতেছি, হাল্কা হাল্কা মন খারাপের ভাবটা যাইতেছে না। সো, সারাদিন নিজের অগোছালো ঘরটারে (কি কায়দা! নেট জগত এইভাবে ঘিরা ধরছে বুঝি নাই। এইখানে ঘর লিখতে গিয়া পয়লা লিখে ফেলছি ব্লগ
) আরো অগোছালো কর্লাম
তারপর সেইটারে নাম দিলাম ঘর গুছানি। প্রত্যেকবার ঘর গুছাইলে প্রায় আট-দশ কেজি ধুলা বাইর হয়। আর হাজার খানেক পুরানা স্মৃতিমাখা জিনিস খুইজা পাই। তখন গুছানি থামাইয়া স্মৃতি রোমন্থনে নামি। ভালাই লাগে। ফাইনালি ঘর থাকে আধা-গুছানি আধা-লন্ডভন্ড
আম্মু দেয় ঝাড়ি
সেই ঝাড়ি খাইয়া দৌড়ের উপ্রে বাকি কাজ সারি। ফলাফল?
ডায়েরীর একটি খালি পাতা ও অন্যান্য কথকতা..
আমি ডায়েরী লিখি, ছয় বছর হল কয়েকদিন আগে। কলেজে থাকতে ইন্টার লাইফে হঠাৎ খেয়ালে শুরু। ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৬-এ লেখা শুরু করে আর থামা হয়নি এই পাগলামির। আস্তে আস্তে দিনে দিনে পুরোই নেশার মত হয়ে গেছে আমার এই ডায়েরী লেখা। নিতান্তই সাধারণ, বিন্দুমাত্র সাহিত্যের ছোঁয়া ছাড়া একঘেয়ে প্রতিদিনকার দিনলিপি - মনের অজান্তেই কবে থেকে যেন আমার প্রতিদিনকার ধরাবাঁধা জীবনের অবিচ্ছেদ্দ অংশ হয়ে গিয়েছে। সকালে বা প্রায়-দুপুরে ঘুম থেকে উঠার পর থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত, কিছুই লেখার বাকি থাকেনা তাতে। এতটাই লম্বা বৃত্তান্তে ধুলো জমা ডায়েরীর গায় জমা থাকে আমার দিনগুলি, যে যখনি পড়তে ইচ্ছে হয় নিমেষে চোখের সামনে ভেসে উঠে এই কটা বছরে আমার জীবনের স্বপ্নের মত সুন্দর অথবা তীব্রতম কষ্টের একেকটা দিন। ডায়েরী ছাড়া কোথাও বেড়াতে গেলেও দিনগুলো জমা থাকে মুঠোফোনের নোট হয়ে অথবা কোন ছেঁড়া পাতায়, পড়ে ডায়েরীতে টুকে নেবো বলে। এতটা লম্বা সম
আশা গুলো আজ আলো হয়ে জ্বলে উঠে
কেমিস্ট্রি ক্লাস করছিলাম। হটাত বাংলাদেশের খেলার কথা মনে পড়লো।ক্লাসের কম্পিউটার দিয়ে গুগলে সার্চ করলাম। প্রথমেই লেখা 'Bangladesh lost by 2 runs'। বিশ্বাস করতে পারছিলাম না, কান্না আসছিল। অনেক চেষ্টা করে চোখের পানি আটকে রাখলাম।
বাসায় এসে আম্মুকে দেখলাম কাদছেন। আম্মু সাধারণত খেলা দেখেন না। আজকে দেখেছিলেন। আব্বু সারারাত জেগে খেলা দেখেছেন। প্রতিটা মানুষের বুকে তোমাদের জন্য এত ভালবাসা তারপরেও সাকিব তোমরা কাঁদছো কেনো? কাপ জিতিনি তো কি হয়েছে? খেলা তো আমরাই জিতেছি। তোমাদের পাশে আছি সবসময়। বাংলাদেশের হয়ে খেলা তোমাদের প্রতিটি ম্যাচের জন্য তোমাদেরকে স্যালুট। আমরা তোমাদের পাশে আছি.... শুধু জয়ের আনন্দে নয় , পরাজয়ের বেদনাতেও...............
'শত আশা শত আশা ......
কিছু পাবার আশায় স্বপ্নগুলো আজ সত্যির পথে
কিছু দেখাব বলে স্বপ্নগুলো আজ মুক্তির পথে
দুঃখ ব্যাথায় মুখটা যে নীল
যখন কেবল আমরা এসএসসি পাশ করলাম তখন আমাদের এক বন্ধু পড়াশুনা বাদ দিয়ে ফ্যামিলির কথা চিন্তা করে নেভীর সেইলরে জয়েন করলো। তিন মাস পরে পাসিং আউট শেষে যখন চিটাগাং আসলো তখন কেমন আছিস জিগেষ করলেই সে বলতো কি অবর্ননীয় দুঃখে আছি তা তোরা বুঝবি না। আমি তখন বুঝতাম না কিসের এত দুঃখ কিন্তু এখন বুঝি প্রত্যেক মানুষেরই নিজের একটা দুঃখবোধের জগৎ আছে যা একেক জনের কাছে তা একেক রকম।