ইউজার লগইন
ব্লগ
নিজের ঢোল নিজেই বাজানো।
এটা শেষ পর্যন্ত লেখা উচিত হয় নি মোটেও।
আমার কোনো জন্মগত প্রতিভা ছিলো না, এখনও নেই।
আমি বেড়ে উঠেছিলাম মফস্বলে, শান্ত-নি:স্তরঙ্গ মফস্বলে, যেখানে জীবনের গতি ছিলো অনেক স্থিমিত। মফস্বলে তখনও মহল্লাসংঘ বিদ্যমান ছিলো। মহল্লার মানুষের প্রতি আলাদা এক ধরণের অন্ধ সমর্পন তখনও মফস্বলে ছিলো। আশেপাশের মহল্লার ছেলেরা দল বেঁধে মারামারি করলেও সীমিত জনবলের আমাদের পকেট মহল্লার তেমন ঐতিহ্য ছিলো না। মাত্র ১২ পরিবারের একটি মহল্লায় অবশ্য তেমন দক্ষ লড়াকু সৈনিকও পাওয়া সম্ভব ছিলো না, আন্ত:মহল্লা কোন্দলের সুযোগ ছিলো না।
স্বভাব ও আভাব কবি এবং কাক বিষয়ক জটিলতা
যে কথাগুলো বলতে চাচ্ছি বা যে কথাগুলো লিখছি তা দেখলে অনেকেই আঁতকে উঠবেন, আবার কেউ কেউ ক্ষোভে দুঃখে হয়তো গালিবর্ষণও করতে পারেন। তবে এক শ্রেণী কিন্তু ঠিকই থাকবে তা আমি হলফ করেই বলতে পারি। যারা এই লেখা পড়ে ঠোঁটের কোণে যুদ্ধজয়ী হাসি ফুটিয়ে বলবেন- অবশেষ বোধোদয়।
প্রায়ই কেউ কেউ বলে থাকেন বাংলাদেশে নাকি যত কাক আছে তার চেয়ে কবির সংখ্যা ঢের বেশি। এর কারণ নাকি বাঙ্গালীর আবেগচিত্ত মন। সেদিন কে যেন আমাকে ব্যাঙ্গ করে শুনিয়েছিলো- -
কাব্য পঁচেছে কুষ্ঠ রোগেতে
কবিতা হয়েছে বাঁশি
আমার দেশে কাকের চাইতে
কবির সংখ্যা বেশি।
হৃৎপিন্ড আক্রান্ত: আশায়, অপেক্ষায়, উত্তেজনায়, শিহরণে অস্থির (সাময়িক পোস্ট)
সকালবেলা গিয়েছিলাম মিরপুর। ইনডোর স্টেডিয়ামে। রাস্তায় গাড়ি-ঘোড়া অনেক কম। মজার বিষয় হচ্ছে দোকান-পাটও দেখলাম অনেক জায়গায় খোলে নাই। মালিবাগ, মৌচাক, ওয়্যারলেস গেট, মগবাজার এলাকায়। বিজয় নগরের দিকেও। এক বন্ধু ফোন করে বললো, সুপারভাইজারকে বলে নাকি তাড়াতাড়ি বাসায় চলে যাবে আজ। সে সপ্তাহে পাঁচদিন নয়টা-পাঁচটা অফিস করা, তিনদিন ইভনিং এমবিএ আর দুইদিন স্পোকেন ইংলিশের ক্লাস করা সিরিয়াস ধরনের মানুষ। কিন্তু আজ তার তাড়াতাড়ি ছুটি চাই।
পাগলের দিনলিপি (সাতাশ)
................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
প্রার্থনা..
ও আল্লাহ!
তোমার সৃষ্টি সুবিশাল পৃথিবীতে
মাত্র ১৭ কোটি মানুষের ছোট্ট একটা দেশ, আমার প্রানপ্রিয় বাংলাদেশ।
সারা বছর জুড়ে একটা না একটা ঝামেলা লেগেই থাকে,তুমি তো জানোই!
আজ অনেক দিনের পর, এই ছোট্ট দেশটার মানুষ গুলা তোমার কাছে হাত তুলবে। তুমি না চাইলে, কিছুই তো হবে না। আর তুমি সাথে থাকলে, কে আছে আজ এই ছোট্ট দেশের বিশাল বিশাল হৃদয়ে মানুষ গুলার মন ভেঙ্গে দিবে?!
তোমার তো ঠিকই জানা, কিসে আজ এই ছোট্ট দেশের সবকটা মানুষ এক হয়ে হেসে উঠবে।
ও সর্বশক্তিমান,
২৫ হাজার ধুকধুক করা বুকের সাথে ১৭ কোটি মানুষের করজোড়ে প্রার্থনা।
সবুজের বুকে লাল পতাকা বুকে ধরা
১১ টা বাঘের বাচ্চার সাথে থাইকো তুমি,ঘাসের গালিচায় এক ফোঁটা অশ্রু যেন না ঝরে আজ।তুমি ওদের মান রাইখো, সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা সকল বাঙ্গালির এই ভালবাসার দাম রাইখো।
তুমি ই সর্বশক্তিমান।
তাই তোমার কাছেই আজ এই প্রার্থনা।
তীর্থযাত্রা
চলো করি তীর্থযাত্রা
খালি পায়ে পথে হেঁটে হেঁটে
নেশায় কেমন চুর হয়ে আছে সময়ের দেহ
টলতে টলতে এগিয়ে যাচ্ছে ঘড়ি..
এখনি সময়, এখনি মোক্ষম মুহূর্ত
চলো আমরা হাঁটবো সন্তর্পনে।
দেখবো চলো তীর্থের আলোকচ্ছটা
সেগুন কাঠের বার্নিশ তার্থিক কফিন
মরে আসা রোদ ফেলে আসা ঘর
আর শুকিয়ে যাওয়া যবের ক্ষেতও দেখবো চলো
মানুষ কালে কালে কত আকালে ফেলে গেছে মানুষেরে।
এসা হাঁটো তীর্থে যাবার পথে
একে একে কদমে কদমে
যেমন মাঠের মধ্যে মাঠ হয়েছে বিরান
জলের মধ্যে জল হয়েছে ডুবডুব
তেমনি আমরাও চলো হাঁটবো শিকড়বিহীন
মৃত কঙ্কালের এপিটাফ গুণে গুণে
আয়নার মানুষ
কিছুই গোপন ছিল না;
অবিমিশ্র ভাষণ, অনুভূতি।
তবু যেন প্রতিবিম্ব শুধু,
চির অস্পৃশ্য, চির অধরা।
আমি তাই
তুমি যাকে কখনো জানো নাই . . . .
অপারেশন দুরমুজ
ব্রেকিং নিউজঃ ২২ মার্চের ফাইনালে যে সকল বঙ্গসন্তান(?) পাকিস্তানকে সমর্থন করিবেন তাহাদের নাম নিবন্ধন চলিতেছে। অতি সত্বর আপনার নাম নিবন্ধন করুন এবং নিবন্ধনপত্র সর্বদা সঙ্গে রাখুন। নিবন্ধিত ব্যক্তি ব্যতীত কাহারো পরিধানে পাকি জার্সি, চিবুকে পাকি আলপনা বা হাতে পাকি পতাকা থাকিলে 'দুরমুজ কমিটি' তাহাদিগকে কিঞ্চিত আপ্যায়ন করিবে। মূল আহার কি তাহা অপ্রকাশিত থাকিলেও প্রারম্ভিক উপাদান (স্টার্টার) হইল বস্ত্রহরণ পরবর্তীতে চুতরার পাতা লেপন সহ হালকা ধোলাই... স্টক সীমিত... আগে আসিলে আগে পাইবেন!
পত্রপাঠ মাত্র উত্তর দিও
তুমি নাই বলে অক্ষর থাকে বেড়ে ওঠে গায়
আপন হতে পকেট ভরা খসড়া সময় নামে
অকপটে খেয়ে নেয় সবুজ মাঠময়
অসংখ্য নিরর্থ আচড় ভরা নকশায়
যা কিছু লেখা হয় তার ধারা বর্ণনায় সকল পাঠক
যা কিছু পঠিত হয় তার অভিসারে জগতের সকল দর্শক
যা কিছু দেখা হয় তার জন্য আবার অক্ষরেরা নামে
বেড়ে ওঠে গায়ে গায়!
কেবল একটা দেয়াল মাঝখানে নেমেছে চন্দ্রযান থেকে
মাত্র একটা ঠুনকো বিরতি
তারপর থেকে চলমান সকল বিকেল থমকে থাকে পায়ে
অক্ষরেরা মাড়িয়ে যায় পথের টাঙানো ম্যাপ
৩ পিস বোয়াল মাছ এবং নতুন ইতিহাস
আমার নতুন অফিসের একটা কাজ চলছে সিটি ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ে। ৫/৬ দিন আগে গুলশানের সে কার্যালয়ে যাই। পরিচয় হয় ব্যাংকের পিআরও ইয়াহিয়া ভাইয়ের সাথে। ভদ্রলোককে দেখে মনে পড়লো, তাকে আমি আগে থেকেই চিনতাম। যখন সিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ছিল দিলকুশায়। আমার এক বন্ধু কাজ করত সে অফিসে। সেই সুবাদে তার সাথে পরিচয়। সিটি ব্যাংকের সাথে আমাদের অফিসের কিছু কাজ হচ্ছে। এমডি/চেয়ারম্যানের ফ্লোরে কিছু ইনটেরিয়রের কাজ করছি আমরা। তার অংশ হিসাবে বেশ কিছু ছবি লাগানো হচ্ছে সেখানে। আর সেকারনেই সেই অফিসে যাওয়া আমার।
পাগলের দিনলিপি (ছাব্বিশ)
......................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
তবে তুমি চলে এলে প্রথম পাতায়
আমার খাতায় কতোগুলো পাতা আছে
কখনোই তারে গোনা হয় নাই আগে
এইবার প্রথম পাতা ধরে সবটারে গুনি।
গন্তব্য ছিলো না বলে আমাকে শোনালে
তটিনী / মুহাম্মাদ আমানুল্লাহ
তটিনী কিশোরী রাঙ্গা- করে বার বার ভুল,
ভাঙ্গে কুল- রাখে এলোমেলো খোলা চুল,
টিকালো নাকের 'পরে জ্বেলেছে মুক্তোর দীপ –শ্বেত নাকফুল।
তটিনী মানেনা ব্যাকরণ -শুধু অকারণ কবিতা ও কথা লিখে-
চিকন সুচারু দেহ সুপুরি গাছের মতো একেবারে লিকলিকে।
তটিনী মেলছে ডানা হৃদয়ে বাঁধছে দানা রমণের বিষ,
উড়ু উড়ু মন যখন তখন বাজে মুঠোফোন অহর্নিশ।
সাজছে প্রথম নারী- তটিনী পরছে শাড়ি, বাড়ি বাড়ি পই পই করে ফিরে,
রঙের বারতা মেখে ছুটছে সে এঁকেবেঁকে নোঙর বসাবে বুঝি শবরের তীরে।
তটিনী উতলা বেশ - খুলছে হৃদয়দেশ, যাদুর সকল জানালা কপাট-
জাতমান ভুলে চড়বে রতির শূলে তালিম নেবে সে প্রেম-প্রণয়ের পাঠ।
২১.০৩.২০১২ইং
চট্টগ্রাম।
এইবার কাপ চাই
আমগো কাপ নাই। চা খাওনের লাইগাও তো একখান কাপ দর্কার কি কন?
সেল্লিগা আশা কর্তেছি টাইগাররা এইবার এশিয়া কাপ খান রাইখা দিবো চা খাওনের লাইগা।
ইল্ডিয়ারে হারাই দিলো= বাস্তব
ছিলংকারেও হারাই দিলো=বাস্তব
ফাইনালে ফাকিস্টাংরে হারাই দিলো= ?
কুইঞ্চেন দেহি এডি স্বপন না বাস্তব?
আমার কাছে এডিও বাস্তব 
মাসকাবারী জোছনা
ও চাঁদ তোমার মাসকাবারী জোছনা আমায় দাও
গৃহস্হলীর চাতাল ছূঁয়ে হেঁসেলখানা
দিয়াশলাই নাই উনুনখানা জ্বালিয়ে দিয়ে যাও ।
ও চাঁদ তোমার মাসকাবারী জোছনা যদি দিতে
ছড়িয়ে দিতাম আটপৌরে ফিকে চা-তে
আগুন বাজার, মাসকাবারী লিষ্টি হাতে
ভাতের হাড়ি ক্ষুধার জ্বালা
চড়ুই ছানা ঘুলঘুলিতে
বারান্দাভর আমের আচার শুকিয়ে দিয়ে যাও ।।
ও চাঁদ তোমার মাসকাবারী জোছনা বেঁচে
মাস্ত জুয়াড়ীর জুয়ার আসর মাতিয়ে দেব
মধ্যরাতে মদ্য মাতাল নিশিপদ্ম
তার আঁচলে স্বর্ণচাঁপা ফুল ফুটাব।
মাসকাবারী জোছনা নেব তোমার কাছে
আরোও নেব, আর যা আছে
রুগ্ন শিশুর দুধের বাটি ভরিয়ে দেব
আমারতো নেই কানাকড়ি, ভাঙ্গাচোরা
শেষ ট্রেনেতে তাই চেপেছি, ছন্নছাড়া
বিষন্নতার শহর ছেড়ে
‘ভৃত্য হবার দায়, হায় এড়াই কিসে’
পৃথিবীর সবকিছু ক্রমে কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠছে। আমরা যারা সাধারণ মানুষ, এক্কেবারে খাঁটি চাঁপাই'এর আম; তাদের জন্য। যারা সাধারণের স্তর থেকে উপরে উঠেছেন, তাদের জন্য আবার সবকিছু সহজ। সাবলীল ও মসৃণ।
বিষয়টা অনেকটা ব্যংকক-সিঙ্গাপুর-হংকং'এর ট্রাফিক ব্যবস্থার মতো। আমি নিজে এসব জায়গায় কখনো যাই নি। মানুষের মুখে শুনেছি। সেখানে অপেক্ষাকৃত কম যান চলাচলকারী রাস্তা দিয়ে চলতে হলে বেশি পয়সা গোনা লাগে। যাদের সে সামর্থ্য নেই, তারা যানজটে আটকে থাকে। আমাদেরও আজ সেই দশা।
উল্লিখিত জায়গাগুলো বাংলাদেশের চেয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উন্নত। তার মানে আমাদেরও জাতিগত উন্নতি ঘটছে। কারণ আমাদের গরীবরা প্রতিদিন আরো গরীব হচ্ছে। আর ধনীরা প্রতিদিন আরো ধনী। পয়সা নাই, ফাঁকে যাও। পয়সা আছে, আরাম নাও।