ইউজার লগইন
ব্লগ
হাবিজাবি পংক্তি১
নীলবর্ণ সুড়ঙ্গে হারায় সৌর লিরিক।
*
যেখানে লুকানো ছিলো তারাদের জমাট আলো,
সেখানে কৃষ্ণগহ্বরের হাতছানিতে জেগে ওঠা একাধিক বৃক্ষশাখা
কোলাহলে মেতেছে।
*
কালো পাখি আলো চোখে উড়ে গেছে সাগরের দিকে
ফেননিভ ঢেউয়ে চেপে বাতাসটা গেছে পিছে পিছে।
কানপাশা
.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।।।.।.।।।।।।।.।.।।।।।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।।।।।.।।।
.।.।..।।।।।।।।।।.।.।।।.।.।.।.।.।।।.।.।.।.।.।.।।।।।।।.।।.।.।।।.।।।।।।।।.।.।.।.।.।।

.।.।।.।।।।।।।.।.।।।।।।।.।।।।।।।।।।।।।.।।।।।.।.।।।।..।।.।।।।।।।.।।।.।।।।।.।।.।।।।
।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।.।।।।।।.।।.।.।.।।.।।।।।।।।।।।।।।.।।।।।।।।।।।।।।।.।।.।।।
.।।।.।।।.।।।.।।।.।।।.।।।.।।।.।।।।।।।।।।।।।।।.।।.।।।।।।.।।।।।.।।।।।.।।।.।।.।।.।।.।।।।।
নজর না কাড়া তোমাতেই নাকি আমায় বেশি মানায়!
একান ওকান হয়ে সবখান থেকেই শুনতে পাই,
আহামরি সবকিছুতেই থাকি স্বাচ্ছন্দ্যহীন
বোধকরি তাই হয়ে গেছে অভ্যস্ততা তোমাতেই।
হতবাক হয়ে স্মৃতি হাতঁড়েও পাইনা সে দিনক্ষন
কি করে কবেই বা এসে ছিলে এতোটা কাছে
সমুত্থান
ঝরাপাতার ঋতু শেষ হয়ে এলো
নতুন বৈশাখে তান্ডব চাই ।
ভুলে গিয়ে জরাগ্রস্থ জীবনের কথা
(যেখানে মাথা নুয়ে কেঁপেছিলাম
বেতসলতার মত - অনাবশ্যক আবেগে )
আবার লন্ডভন্ড করে দিতে চাই দশদিক !
ঈশাণ কোনে মেঘ দেখে আজও
উচ্ছসিত হয়ে উঠি প্রদীপ্ত সুখে ।
তবে কি পূর্ব পুরুষের সংগ্রামরত রক্ত প্রবাহ
বয়ে চলেছি যুগের পর যুগ ?
তবে কি এখনও প্রজ্বলিত বিপ্লবের বহ্নিশিখা ?!
শোণিত আকাশ বজ্রের হুংকারে
জানান দেবে সেই মন্ত্র ?
যেখানে মৃত্যু মানে দৃপ্ত বেঁচে থাকা !
তবে এসো আলিঙ্গন করি সেই তেজস্বী অগ্নিকে
পুড়িয়ে ফেলে রাজকীয় আলস্য
হয়ে উঠি একবিংশের নতুন মৌমাছি ।
অনুকাব্যে নববর্ষ
# ১ #
আজি নববর্ষে;
মাতো সবে হর্ষে,
কর সুখ গান..
ধুয়ে মুছে যাক যত,
রাগ - দুঃখ - মান!
# ২ #
রঙ ঢং আদিখ্যেতা,
একদিন-ই বাঙালি..
কর ক্যানে কাউ কাউ?!
গরু নাকি?
যাও দূরে,
মাঠে গিয়া ঘাস খাও..
# ৩ #
বৈশাখেরই রঙ্গে;
ভিজুক হৃদয় স্বর্গসুখে,
কালবোশেখির সঙ্গে..
# ৪ #
পাঞ্জাবী আর সাদার মাঝে লালচে শাড়ি,
পান্তা গরম আর ইলিশে;
লোক দেখানোর বাড়াবাড়ি..
# ৫ #
কালবোশেখির হাওয়ায়..
যাক ভেসে যাক;
দুঃখ সকল,
দিনের আসা যাওয়ায়..
# ৬ #
আর কোন দিন নাই তো খবর,
একটা দিন-ই বাঙ্গালি..
রঙ ঢঙ্গে-তে পান্তা ইলিশ,
বাঙ্গালি নাম ভাঙ্গালি..
# ৭ #
তপ্ত হৃদয়
পথ চেয়ে রয়
ইশান কোণের পানে,
আসবে ধেয়ে কালবোশেখি
বর্ষবরণ গানে..
স্বস্তি মিলুক বৃষ্টিধারায় স্নিগ্ধ শীতল স্নানে,
বছর জুড়েই যাক রয়ে রেশ শান্তি থাকুক প্রাণে..
# শুভ নববর্ষ #
একটি গান আর একটি মুভি, দুটি কথা..
#
আমার একটা অনেক পুরান অভ্যাস হল,
হঠাৎ করেই কোন একটা গানের লুপের ভেতর আটকা পড়ে যাই।
একই গান শুনে যাই দিন থেকে রাত, রাত থেকে দিন। ক্রমাগত, বলা চলে বিরামহীন!
ইদানিং, একটা গানেই আটক ছিলাম অনেক দিন। এখনও আছি, কিছু টা।
যাই হোক, অতঃপর মিফতাহ জামানের অতঃপরের খপ্পর থেকে কিছুটা হলেও রেহাই মিলেছে।
কাহিনী আর কিছুই না, এ নিঊ ক্রাশ ইন মাই ওয়ার্ল্ড অফ মিউজিক।
বিশ্বকাপ ক্রিকেট উপলক্ষে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের 'স্কুল অফ লাইফ' এর ভক্ত নয়,
এমন মানুষ বোধহয় কমই আছে।
তা, সেই মিউজিক ভিডিওটার মিউজিক কম্পোজিশন করেছিল অদিত।
সেই, অদিতের নতুন ডাবল সিডির এ্যালবাম ' অদিত ফিচারিং ফ্যাটম্যানজ ইঙ্ক' বাজারে আসতেই কিনে আনতে দেরি হয়নি। কেনা হলেও একবার শুনেই এতদিন ডুবে ছিলাম সেই অতঃপর-এ।
কাল থেকে, এই এলব্যাম এর একটা গান এক কথায় পাগল করে দিচ্ছে। মাথা অলরেডি পুরাই আওলাইয়া দিয়েছে।
পেরেশান.........
কি বলা যায় আজকের দিনটাকে এক কথায় অসাধারন একটা দিন আবার ক্লান্তিকর একটা অলস সময় পার। যেভাবেই বলি না কেনো দিনটা কাটলো দারুন। কারন খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠলাম গোসল করে নামায পড়লাম। পিসিতে বসি নাই। হালকা বিসিএসের পড়া পড়লাম যদিও সাধারন জ্ঞান আর বাংলা এই দুইটা জিনিস পড়তেই ভালো লাগে। ইংরেজী যা দেখি মন হয় পারি তাই পড়ি না আর অংক করতে গা জ্বালা করে। বাকী থাকলো দৈনন্দিন বিজ্ঞান সেইটাতো একদিন পড়লেই পারা যায়। তবে শাবনুরের মতো আমারো মন বসে না পড়ার টেবিলে খাটে ফ্লোরে কোথাও না। তাই পড়তে বসলেই এমবিএ নিয়ে ভাবি একটু টিভিটা ছাড়ি মন চাইলে চা বানাই অফুরন্ত সময় সকালে। তারপর আজকে ছিলো মেকাপ ক্লাস। কিন্তু ব্যাগ নিয়ে বের হয়েই মনটা হলো উদাস। সংগী হবার কথা ছিলো আদনানের। আদনান দিলো ডায়লগ এরকম কতো মেকাপ ক্লাসরে পেকাপ করে থুয়ে আসলাম, বাসায় যায়া আমার মতো ঘুমান। কিন্তু আমি একটা নীতি ফলো করি যদি একবার বাসা থেকে বের হলে আর বাসা
কোনো খবর নাই !?
আহারে কতদিন ধইর্যা অপেক্ষা কইর্যা আছি আমরা বন্ধু থেকে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে কিছু একটা করা হইবো, কত্ত
হইবো ।
কিন্তু এখন দেখি কিছুই হইলোনা।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে কোনো পোস্ট ও নাই(ল্যামপোস্ট বুঝানো হয় নাই)।
সবাই কি ঘুমাইয়া গেলো নাকি?

আমরা বন্ধু ব্লগে আইছিলাম ভালু ভালু লেখকগো
লেখা পড়তাম
। আমি আবার ভালু লেখা পড়তে ভালু পাই। কিন্তু এখন দেখি ব্লগ জমাইয়্যা রাখার দায়িত্ব আমার উপরই পড়লো
। গত ৭ দিনে ৫ টা হাবিজাবি পোষ্ট দিলাম । নিজেতো ভালু লেখা লিখতে পারিনা। তাই হাবিজাবি লিইখ্যা ব্লগ এর পাতা ভরাইয়া দিতাছি । তবুও যদি এই মানহীন লেখা দেইখ্যা ভালু লেখকেরা ব্লগ জমাইতে আগাইয়্যা আসে। আর এই ফাকে আমিও কিছু ভালু লেখা পড়বার পারতাম
।
চৈত্রের শেষ বেলায়..[এলোমেলো কাব্যকথন]
চৈত্রের শেষ সাঁঝ..
দূরে ..
মেঘের গায়ে হারিয়ে গেছে,
রক্ত রবির আভা..।
ঝিরঝিরে হাওয়া; ছুঁয়ে যায় এলোচুল,
হেসে উঠে প্রাণ..।
মেঘ করে আসছে খুব..
পেঁজা তুলোর মত মেঘ যত,
আঁধারে ঢেকে যাক নীলাকাশ..।
প্রকৃতির উন্মাতাল সুর;
যাক দুলিয়ে সকল হৃদয়,
কালবোশেখির তালে ..।
আরও একবার..
অপেক্ষায়,
পথ চাওয়া..
আকাশপানে..।
চিরচেনা ছবির খাতা,
বদলে যাক ঝড়ের গানে..।
ঝড় আসুক,
বা;
না আসুক -
তবুও,
কাল বৈশাখ..।
[ অফটপিকঃ বছর দুয়েক আগের এক চৈত্রের সাঁঝে লেখা কিছু এলোমেলো লাইন। কিন্তু মনের ভেতর আজও এই দৃশ্যকল্প বেশ চেনা চেনাই লাগছে। আজ আরও এক চৈত্রের শেষ দিনের শুরুতে এসে মনে হচ্ছে, আজও হয়তো বিকেল শেষে বুকের ভেতর এইসব কথামালাই খেলা করে যাবে। এই কথকতা আজও যদি অচেনা সুরে চেনা গান অথবা চেনা সুরের অচেনা গান হয়ে ফিরে আসে, কি ই বা যায় আসবে তাতে! আনন্দম! ]
পান্তা ভাতের রেসিপি ।
সামনেই পহেলা বৈশাখ । পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে আপনাদের সবার জন্য আজ পেশ করলাম পান্তা ভাতের রেসিপি।
---------------------------------------------------------------------------------------------------------
উপকরনঃ ২৫০ গ্রাম চাল, ১০ কাপ পানি। কাঁচা পেয়াজ - পরিমান মতন , কাঁচা লঙ্কা - স্বাদ বুঝে , লবন - আন্দাজ মতো।
রান্নার প্রনালীঃ
একটি পাত্রে চাল ধুয়ে ২ কাপ পানি দিয়ে চুলার উপর বসিয়ে দিন। দেখুন গ্যাস আছে কি না । গ্যাস থাকলে মনে করে চুলা জ্বালান । তারপর কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন ।
কয়েক মিনিট পর হাড়ি থেকে চাল তুলে টিপি দিয়ে দেখুন সিদ্ধ হয়েছে কি না । সিদ্ধ হলে বুঝবেন তা "ভাত" হয়ে গেছে। এবার ভাত থেকে বাড়তি পানি ঝরিয়ে নিন। (মাড় গলিয়ে নেয়া যাকে বলে)
ভাত ঠান্ডা হলে তাতে বাকী ৮ কাপ পানি ঢেলে শুকনো, ঠান্ডা জায়গায় ঢেকে রাখুন।
দুর্্যোগ, দুর্বিপাক, কেলেঙ্কারি...
১।
পরশুদিন আমার ক্যামেরা হাত থেকে পড়ে গিয়ে আর কাজ করছে না। সেটার ঝামেলাটা কী বুঝার জন্যে তখন তখনই আই ডি বি নিয়ে যাচ্ছি। যাওয়ার পথে এক বন্ধুর সাথে দেখা করে যাবো, ওকে ইন ডোর স্টেডিয়ামের সামনে দাঁড়াতে বলেছি। হেঁটে হেঁটে যাচ্ছি। হঠাত দেখি এক সিকিউরিটি গার্ড আমাকে হাত দিয়ে ফুটপাথ থেকে নেমে যেতে বলছে। অন্য সময় আমি গার্ড বা পুলিশের কথায় খুব একটা পাত্তা না দিলেও কী মনে করে যেন তখনই ফুটপাথ ছেড়ে দিলাম, আর তখনই একটা ইট এসে ধুপুস করে নিচে পড়লো। উপরে তাকিয়ে দেখি নতুন বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে।
২।
সাম্প্রতিক সৃজনশীল প্রশ্ন-১
নীচের উদ্দীপকটি পড়ে নীচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও
বহুদিন আগে এক রাজার এক মন্ত্রী ছিলেন। তিনি একবার অবৈধ টাকা সরাইবার সময় হাতেনাতে ধরা পড়িয়া যান। কিন্তু পূর্ব পরিকল্পনা থাকায় তিনি অনর্গল মিথ্যা বলিলেও ধরা পড়েন নাই। তিনি প্রতি ক্ষেত্রে একই রকম জবাব দেয়ায় ঐ অবৈধ টাকা নিয়া প্রজাদের মধ্যে কোনো সন্দেহের সৃষ্টি হবার অবকাশ হয় নাই(গোপন কথা- মন্ত্রীর বুদ্ধির কারণে রাজা ধরা পড়েন নাই বলে রাজা তাকে পুরষ্কৃত করিয়াছিলেন। )
প্রশ্ন-১ঃ
ক)কালো বিড়াল কি?
খ)উক্ত ঘটনার সাথে বর্তমানের কোন ঘটনার মিল খুঁজে পাওয়া যায়?
গ) সৃজনশীল জ্ঞানের অভাবই এপিএস এর ধরা পড়ার মূল কারণ।
দিন সারা দিন শেষে
শরীরটা ভালো না তাই রাতজেগে লেখাটা কেমন হবে তা আমার জানা নাই। তারপর লেখার আগে ফেসবুকে একটা নোট পড়ে মেজাজ খারাপ। এক বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ বাংলা নববর্ষ নিয়ে নসিহত দিলো তার বাল ফালানো যুক্তি শুনে মনে হইলো হালার পো ফেসবুক ইউস করে কেন?
আবোলতাবোল এবং ভীষণ হ-য-ব-র-ল
ভাটারা ইউনিয়ন ঢাকা থেকে খুব বেশি দূরের কোনো জায়গা না। ১৫-২০ কিলো হবে বড়জোর। আমার যাওয়া-আসা করতে ভালোই লাগে। জ্যামধূলিময় প্রেমিকার বুকে আমি চুলে আঙুল দিয়ে বিলি কাটার মতো করে ঘুরে বেড়াই। কি হবে একটা জীবন যাপন করে? প্রতিদিন সকালে সংশয়টা আমার মনের ভেতর সরকারী কর্মচারীদের মতো একটা টিফিন ক্যারিয়ার হাতে এসে চেয়ার-টেবিল পরিস্কার করে নিয়ে বসে। তারপর আমি গ্যারেজে গিয়ে চোক টেনে ধরে প্রিয় কপ্টারে কিক দিই। মিনিট দু'য়েক চোকটা টেনে ধরে থাকি। কপ্টারের এঞ্জিন গরম হয়। মেলমিনকে নিয়ে গেছে বাড়িতে। তারপর থেকে নতুন সঙ্গী হয়েছে সে আমার।
পবিত্র কুরআনের তাফসির এখন ইন্টারনেটে সম্পূর্ন বাংলায় !
বিশ্ব সভ্যতায় আল কুরআনের অবদান কতটুকো বিচক্ষন পাঠক মাত্রই বিষয়টি উপলদ্ধি করে থাকবেন, ধরনীর এমন একটি জনপদ নেই যেখানে এই মহান গ্রন্থের কোন না কোন কল্যানকর প্রভাব নেই, হাদিস শরিফে বর্নিত হয়েছে আল কুরআনের একটি অক্ষর কেহ যদি তেলাওয়াত করে তাহলে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এর নির্দেশে সেই মুসলিম এর আমলনামায় ফেরেস্তাগন দশটি নেকি লিখে দেন !
একটি নিঃসঙ্গ দীর্ঘশ্বাস
একটা পাখি, প্রিয় পাখি, ভালোলাগার রঙমখা পাখি যদি না বসে এসে এই দুপুরের শরীরে তবে দুপুরকে মৃত লাগে। বোবা লাগে। পাখিহীন এই দুপুর কে আমি অস্বীকার করি। পাখি কোথায়? কোন গগণে মেলেছে তার ডানা? ব্যাখা করা যায় না এমন বেদনায় আঁকড়ে ধরে। কাতরাতে থাকে তার মন। অনেকদিন, বহুদিন পর আজ আবার এমন হচ্ছে। প্রাণহীন এই দুপুরে, কালো মেঘের দিনে ফের তাকে নিয়ে যাচ্ছে কোথা থেকে কোথায়। নিজেরই অজান্তে! যে মুখ, নাম ভালোবেসে রেখে দিয়েছিলো জীবনে- এখন যেনো এগুলো ভুলেই যাচ্ছে। তবু পাখি কেনো এলো না, পাখির জন্যেই তো হেঁটে যাওয়া ভাঙা কাচের পথ ধরে!