ইউজার লগইন
ব্লগ
ধূলিময় জীবনের বৃত্তান্ত : যেভাবে মানুষ থেকে পশুতে রূপান্তরিত হয়েছিলাম
নগরজীবন ধূলিময়! শহরের অলমোস্ট সবখানে এখন নির্মাণ কাজ চলছে, আর ধূলা উড়ছে। দিন নেই, রাত নেই; সবসময়, সবখানে। এমন যদি আইন থাকতো যে, কোনো একটা নির্মাণ-সাইটে নির্দিষ্ট ভলিউমের চেয়ে বেশি ধূলা উদগীরণ করলে নির্ধারিত হারে জরিমানা গুণতে হবে; তাহলে বোধহয় এই অত্যাচারের হাত থেকে আমরা নগরবাসী সবাই একটা রেহাই পেতাম। যানজটের মতোই আরেকটা মহাসমস্যা হয়ে দাঁড়াতে যাচ্ছে ধূলার অত্যাচার।
পুরোনো আক্ষেপ নতুন করে-
উত্তাল ১৯৭১, এপ্রিল থেকে জুলাই, প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষ উদ্বাস্তু হয়ে ভারতে শরনার্থী জীবনযাপন করছেন, ভারত যেকোনো মুহুর্তে হস্তক্ষেপ করবে, পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ শুরু করবে- এই উচ্চাশাও ফিকে হয়ে গেছে ততদিনে। এ যুদ্ধ কতদিন চলবে তা কেউ তখনও বুঝতে পারছে না, সে সময় প্রবাসী সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো শরনার্থী শিবিরে অসংখ্য শিশু আছে যাদের নিয়মিত শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হয়ে গেলো যুদ্ধের কারণে, তাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র কিংবা শরনার্থী শিবিরে শিক্ষার বন্দোবস্ত করা যায় কি না- মুস্তফা মনোয়ার সে সময় শরানার্থী শিবিরের শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত ছিলেন।
গ্রামের বাতাস খেয়ে আসলাম
কিছুদিন ধরে আমরাবন্ধুতে আসলে এক রকম সুখ সুখ লাগছে। এই সুখ সুখ লাগার কারন কোন পোষ্ট বা মন্তব্য এর জন্য না। আমরাবন্ধুতে ঝুলানো এই নতুন ব্যনার যা দেখে মনটা কেমন জানি ভালো হয়ে যাচ্ছে। ব্যনারে লেখা লাইনটার দিকে তাকালে গানটার পরের লাইন একাই মনের মধ্যে গেয়ে উঠছে। ব্যনার টা যে দিছে তারে অনেক ধইনা।
গানের কথা
১৯৯৯ সালের দিকে কিংবা তার পর পরই হঠাৎ বৃষ্টি দেখানো হলো টেলিভিশনে, অবশ্য সে সময়ে হঠাৎ বৃষ্টি দেখার মতো ধৈর্য্য ছিলো না, দুপুরে কিংবা বিকেলের নির্ধারিত আড্ডা কিংবা খেলার কোনো একটাতে ব্যস্ত ছিলাম- এর পরের কোনো একদিন দুপুরে সোহেল বাসায় আসলো,
সোহেল কোনো এক অনির্ধারিত কারণে জিদ ধরেছিলো আমাকে গীটার শিখতে হবে, আমাকে দিয়ে না কি গীটার বাজানো হবে- ওর পরম উৎসাহেই আমি গুলশানের মেলোডি থেকে ২ হাজার টাকায় একটা গিভসন কিনে আনলাম, কিছু টুংটাংও করলাম, তবে উৎসাহে ভাটা পরতেও সময় লাগলো না। সোহেল উৎসাহ নিয়েই আমাকে গীটার লেসন দেয়, এসে রীতিমতো ঘাড়ে ধরে প্রাকটিস করায়- ঐদিনও ও আসছিলো গীটার লেসন বুঝে নিতে- বললো চল একটা ছবি দেখে আসি-
দৌড়ের উপ্রে জীবন
ব্যাস্ততা কারে বলে, আগে কখনো তেমন করে বুঝি নাই । আমি সারা জীবনই অলস, ঘরকুনো টাইপ ছিলাম । সবার দৌড় দেখে ভালো লাগত । একটু ব্যাস্ত হইতে মন চাইতো
।
আল্লাহ আমার মনের ইচ্ছা স্বানন্দে পূরণ করেছেন । একটা ছোট্ট পিচ্চি পাঠায়ে দিছেন । সে এখন আমারে ব্যাস্ততা কারে বলে, হাতে কলমে শিখায়ে দিচ্ছে ।
কম্পিউটারে কাজ করছি, পাশের বিছানার উপর শুয়ে সে চোখ গোল করে তাকায়ে আছে । আমি তাকালেই সে দাতশূন্য মাড়ি বের করে এমন হাসি হাসছে, যে তার অর্থ হল " আমি একটা কিউট বেবি । তুমি আমাকে কোলে না নিয়ে ওই যন্ত্রটার সামনে বসে আছো । দাড়াও তোমার বারোটা বাজাচ্ছি " । এরপর তাঁকে কোলে না নেয়া ছাড়া আর উপায় থাকে না । এই এখন সে কোলে শুয়ে আছে আর আমি টাইপ করছি ।
এরপর সারাদিন যাবে তাঁকে নিয়েই ( যতই বলি না কেন, ওকে নিয়ে এই ব্যাস্ততা কিন্তু আমি উপভোগ করি । আমার ভালো লাগে
)
*
পত্রিকার স্মৃতি :: সাপ্তাহিক বিচিত্রা
আমার বর্ণশিক্ষার বয়স আর পত্রিকা পড়ার বয়স মোটামুটি কাছাকাছি।
সময়টা তাহলে ৮৮ কি ৮৯ ই হবে। বাংলা পত্রিকা নামক জিনিসটা দুর্লভই ছিল বৈকি।ইরানে বাংলাদেশের পত্রিকা যেত না, আর না যাওয়াটাই স্বাভাবিক।ইরাক সীমান্তবর্তী ইরানের ঐ অংশে সব মিলিয়ে বাংলাদেশী ১০/১২ জন ডাক্তার ছিলেন। বছরে গড়ে তিন/চারজন দেশ ঘুরে যেতেন, যাবার সময় লাগেজে ভরে কিছু পত্রিকা নিতেন। সেই পত্রিকা এরপর হাতে হাতে বদল হত হাজার হাজার বর্গ কিলোমিটার। কতবার করে পড়া হত তার ইয়ত্তা নেই। ছয় মাস কি এক বছরের পুরনোর পত্রিকারও আবেদন কমত না এতটুকু।
আঁধার
অন্ধকারের ব্যান্ডেজে বাঁধা
আষ্টেপৃষ্ঠে জগতের ক্ষত ;
রসাতল জুড়ে অধিক্রমণ
আগুন জলের আদিম খেলার ।
জলকেলি আর জলকেলি চলে
তরল তরল আগুন আর জলে ।
নিরুত্তাপ ফুসফুসীয় দহনে
ঝলসানো চাঁদ , শীতল সূর্য , জোনাকি কিংবা প্রদীপশিখা ;
সব আলোর আজ একটা ধর্ম -
আঁধার এবং আঁধার বিলানো ।
একটা দুঃখের কথা
সেদিন গৌতমদা' একটা পোস্টে লিখেছিলেন, রাত্রে বউএর সঙ্গে টাংকি মারার কথা। আমি ছোট মানুষ। বিষয়টা এক চান্সে ধরতে পারি নাই। তাই সরলমনে তার কাছে জানতে চাইলাম, ভাই নিজের বউএর সঙ্গে কিভাবে টাংকি মারে? তিনি প্রত্যাশিত উত্তর দিলেন- পুলাপান এগুলি বুঝবো না।
বুঝায়ে দিলেন মাসুম ভাই। বউ ব্লগ পড়লে নাকি এমন কথা লেখা লাগে। নাইলে নাকি বিপদ। তো আমি গতকাল সকালে ১১ টা ২৯ মিনিটে সেইটা দেখে পোস্টটায় একটা কমেন্ট দিলাম- প্রথমে যে বিষয়টা বুঝতে পারি নাই, সেটা বুঝায় দেয়ার জন্য মাসুম ভাইকে ধন্যবাদ।
নিশিকাব্য, অসমাপ্ত কথকতা.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
গাছের একটা পাতাও -
নড়ছে না যেন আজ..
ফ্যাকাসে ঘাসের ভাজে ভাজে,
কল্পনার ঝরে পড়া শিশির -
আর;
নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গের গান..।
বৃদ্ধ ল্যাম্পপোষ্ট,
ছড়িয়ে দিয়ে যায় -
সাদামাটা বিষণ্ণতা..
মহাকালের ক্যানভাসে,
নিযতির নিষ্ঠুর কারুকাজ..
আজ প্রদীপের নিচে অন্ধকার..।
আবছা আলোর বোকা বোকা ছায়ায়,
ক্লান্ত ঝিঁঝিঁর কোলাহল..
আঁধারের প্রান্তর জুড়ে,
কংক্রিটের খাঁচা..
জং ধরা,
পুরানো গ্রীলের গা'য় -
ভেসে যাওয়া মেঘ,
বৃষ্টির ছাঁয়া..।
পায়ে পায়ে হাটা আদুরে বিড়াল..
নিঃশব্দের পদধ্বনি সংগীতে,
আলতো আদরের পরশে;
ঘুম লাগা চোখে..
এখন অনেক রাত..।
বুইরা চাচাব্বা আর চাছিয়াম্মাগো ব্লগে আর থাকুম্না

দুইন্যার হক্কল সুক, অনলি অন মাই ডিজুশ
গেরামিং এ কৈছেলে। বাট-মগর-লেকিন, এট্টু অয়েটান বুইরা চাচাব্বা আর চাছিয়াম্মার্দল। আপ্নেরা পৈরাছেন সেই প্রাছিং যুগের অন্দকুপের ভিত্রে। দুইন্যা হক্কল সুখ অহন পৈড়া গেছে জুকার্বার্গের শাইটে। ঐখেনে কত্ত কিছু দেকবার পারি। কত্ত মজাউজাও লইবার পারি।
যা কৈতেছিলাম আর্কি। বুইরা চাচাব্বা চাছিয়াম্মাগো বল্গে পইরা থাইকা দিন্দিন কেম্নে কেম্নে হাজার হাজার লাইক্স আর শয় শয় ফেন্দ্রিকুশ মিস্কর্তেছি। হালায় থাকুমই না এই বল্গে। যামুগা, যেই দেশে গুরুরা খায় নরম সবুজ ঘাস, আর নিজের অমুক যায়গায় সাইদ্যা লয় বাঁশ। সেই দ্যাশে যামুগা। নামডিও বদলায়া ফেল্মু। অলিম্পাস জ্রিফিন রাখুম ভাবতেসি।
একটি পরীক্ষা ও দুটো কথা
বন্ধুরা সবাই কেমন আছো ?
বহুদিন পর এসে হুট করে খবর জিজ্ঞেস করতে কেমন যেন লাগে ! তবু আমি দুঃখের সাথে স্বীকার করছি আমার এবিতে আসার অপারগতাকে । জানিনা এতোদিন কিভাবে এবিতে না এসে থাকতে পারলাম , তবে যাই হোক এটা পরিস্থিতির শিকার বা নিজের লেখার অপারগতা যাই বলি , তা কিছুমাত্র কম নয় । কিন্তু আজ হঠাত এসেই সবার কাছে দোয়া চাইলে কেমন লাগে !! তবু চাইছি সবার মন থেকে দোয়া ও শুভকামনা (ভোটের ক্যানভাস করছিনা তা নিশ্চিত থাক)। কিন্তু কিসের দোয়া ?
ঋকের প্রশ্নগুলো
১.
যে বয়েসে আমি একা একা স্কুলে যাওয়া শুরু করেছি ,মফ:স্বলে সে বয়েসে সম্ভবত সবাই বাসায়ই থাকতো, আমি গোঁ ধরেই স্কুলে ভর্তি হয়েছিলাম ৪ পূর্ণ হওয়ার আগে, সে বয়েস থেকেই মহল্লার সব ছেলেদের সাথে হেলতে দুলতে স্কুলে চলে যেতাম, আমার বই প্রথম ভাগ, ইংরেজী প্রথম ভাগ আর গণিত ক্লাশের বাইরে তেমন কোনো ক্লাশ ছিলো না। সকাল ৮টায় ক্লাশ শুরু হওয়ার পর ১০টায় ছুটি, আবার হাঁটতে হাঁটতে দলবেধে বাসায় চলে আসা।
মফ:স্বলে সবকিছুই ছিলো ধীরগতির, মোটা আপা, শুকনা আপার ক্লাশের পর বাইরের তেঁতুলের চাটনি কিংবা চালতার আঁচার কাগজে নিয়ে চাটতে চাটতেই বাসার গেটে চলে আসতাম। রাস্তায় কয়েকটা রিকশা আর সাইকেল, স্কুলের পাশেই মসজিদ, মসজিদের সামনে লাইব্রেরী, সে জায়গাটুকু পার হলে পুলিশ সুপারের বাসভবন, সে বাসভবনের সামনে কয়েকটা কামারশালা আর ডাস্টবীন।
২- শিরোনামহীন
ভীতি
ডুবে যাবার ভয়ে মৃতপ্রায় বেড়ালের কথা কেউ ভাবেনি ঝড় ওঠার আগে।
যখন তীব্র টর্ণেডো তার সশব্দ আলিঙ্গনে জড়িয়ে নিলো নৌকার পাল, কাতর আর্তনাদে মাতোয়ারা হলো অসুর প্রকৃতি। তখনো কেউ শোনেনি বিষাদগান। নৃত্য সুধার উন্মত্ততা যখন তুঙ্গে, তখনই কেবল মানুষ আর বেড়ালের কান্নার সুর একই অনুরণন তুলেছিলো।
বিষাদ
সেই উচ্ছল দু'টি চোখে ভর করেছে রাজ্যের বিষাদ। সমাপ্তির শুরুতেই জীবনের গানে বিষণ্ণতার ছোঁয়া। নিতান্ত কৈশোর ধুয়ে গেছে লাল শাড়িতে ভর করা ঝড়ে।
দূরাগত যুবকের অচেনা স্পর্শ ধারাপাত হয়ে শরীরে শরীরে ছড়িয়ে যাবার অপেক্ষায়।
মৃত্যু
বাস্তবতার অপেক্ষামরণের পর, বেঁচে ফিরবার স্বপ্নেরাও মরে যায় কামজ পীড়ণে। দিনভর জেগে থাকার শুরু হয় মৃত্যুর ভেতর দিয়ে। সুখের কিংবা দুঃখের।
পাগলের দিনলিপি (উনত্রিশ)
....................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
আমিতো ছিলাম ছায়ায় ছায়ায় আড়ালে আড়ালে
আলোকোজ্জ্বল তোমার পথে আড়চোখে ঠারেঠোরে
কখনো দেখেছি। শব্দের অভাবে নীরব নিথর
হয়ে চুপ বসে রয়েছি আঁধারে, ভেবেছি দেখোনি
কেউ; অদৃশ্য মানব আমি ভুল সমর্পনে আছি
