ইউজার লগইন
ব্লগ
সাম্প্রতিক সৃজনশীল প্রশ্ন-১
নীচের উদ্দীপকটি পড়ে নীচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও
বহুদিন আগে এক রাজার এক মন্ত্রী ছিলেন। তিনি একবার অবৈধ টাকা সরাইবার সময় হাতেনাতে ধরা পড়িয়া যান। কিন্তু পূর্ব পরিকল্পনা থাকায় তিনি অনর্গল মিথ্যা বলিলেও ধরা পড়েন নাই। তিনি প্রতি ক্ষেত্রে একই রকম জবাব দেয়ায় ঐ অবৈধ টাকা নিয়া প্রজাদের মধ্যে কোনো সন্দেহের সৃষ্টি হবার অবকাশ হয় নাই(গোপন কথা- মন্ত্রীর বুদ্ধির কারণে রাজা ধরা পড়েন নাই বলে রাজা তাকে পুরষ্কৃত করিয়াছিলেন। )
প্রশ্ন-১ঃ
ক)কালো বিড়াল কি?
খ)উক্ত ঘটনার সাথে বর্তমানের কোন ঘটনার মিল খুঁজে পাওয়া যায়?
গ) সৃজনশীল জ্ঞানের অভাবই এপিএস এর ধরা পড়ার মূল কারণ।
দিন সারা দিন শেষে
শরীরটা ভালো না তাই রাতজেগে লেখাটা কেমন হবে তা আমার জানা নাই। তারপর লেখার আগে ফেসবুকে একটা নোট পড়ে মেজাজ খারাপ। এক বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ বাংলা নববর্ষ নিয়ে নসিহত দিলো তার বাল ফালানো যুক্তি শুনে মনে হইলো হালার পো ফেসবুক ইউস করে কেন?
আবোলতাবোল এবং ভীষণ হ-য-ব-র-ল
ভাটারা ইউনিয়ন ঢাকা থেকে খুব বেশি দূরের কোনো জায়গা না। ১৫-২০ কিলো হবে বড়জোর। আমার যাওয়া-আসা করতে ভালোই লাগে। জ্যামধূলিময় প্রেমিকার বুকে আমি চুলে আঙুল দিয়ে বিলি কাটার মতো করে ঘুরে বেড়াই। কি হবে একটা জীবন যাপন করে? প্রতিদিন সকালে সংশয়টা আমার মনের ভেতর সরকারী কর্মচারীদের মতো একটা টিফিন ক্যারিয়ার হাতে এসে চেয়ার-টেবিল পরিস্কার করে নিয়ে বসে। তারপর আমি গ্যারেজে গিয়ে চোক টেনে ধরে প্রিয় কপ্টারে কিক দিই। মিনিট দু'য়েক চোকটা টেনে ধরে থাকি। কপ্টারের এঞ্জিন গরম হয়। মেলমিনকে নিয়ে গেছে বাড়িতে। তারপর থেকে নতুন সঙ্গী হয়েছে সে আমার।
পবিত্র কুরআনের তাফসির এখন ইন্টারনেটে সম্পূর্ন বাংলায় !
বিশ্ব সভ্যতায় আল কুরআনের অবদান কতটুকো বিচক্ষন পাঠক মাত্রই বিষয়টি উপলদ্ধি করে থাকবেন, ধরনীর এমন একটি জনপদ নেই যেখানে এই মহান গ্রন্থের কোন না কোন কল্যানকর প্রভাব নেই, হাদিস শরিফে বর্নিত হয়েছে আল কুরআনের একটি অক্ষর কেহ যদি তেলাওয়াত করে তাহলে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এর নির্দেশে সেই মুসলিম এর আমলনামায় ফেরেস্তাগন দশটি নেকি লিখে দেন !
একটি নিঃসঙ্গ দীর্ঘশ্বাস
একটা পাখি, প্রিয় পাখি, ভালোলাগার রঙমখা পাখি যদি না বসে এসে এই দুপুরের শরীরে তবে দুপুরকে মৃত লাগে। বোবা লাগে। পাখিহীন এই দুপুর কে আমি অস্বীকার করি। পাখি কোথায়? কোন গগণে মেলেছে তার ডানা? ব্যাখা করা যায় না এমন বেদনায় আঁকড়ে ধরে। কাতরাতে থাকে তার মন। অনেকদিন, বহুদিন পর আজ আবার এমন হচ্ছে। প্রাণহীন এই দুপুরে, কালো মেঘের দিনে ফের তাকে নিয়ে যাচ্ছে কোথা থেকে কোথায়। নিজেরই অজান্তে! যে মুখ, নাম ভালোবেসে রেখে দিয়েছিলো জীবনে- এখন যেনো এগুলো ভুলেই যাচ্ছে। তবু পাখি কেনো এলো না, পাখির জন্যেই তো হেঁটে যাওয়া ভাঙা কাচের পথ ধরে!
অচেনা অনুভূতি..
কিছু কিছু নাম্বার থেকে
আর আসবেনা কোন ফোন
কিছু কিছু এসএমএস পড়ে
আর হাসবে না এ মন
কোন কোন ঠিকানায়
লিখব না আর চিঠি
কোন কোন গলিতে
করবে না মন হাটা হাটি ......
আমার আত্মজীবনী পাঠ
আমার পছন্দ আত্মজীবনী। কিন্তু সব আত্মজীবনী পড়ার মতো নয়। কেউ কেউ নিজেকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যান যে, ফেরেসতা বললেও কম বলা হবে। আবার অনেকেই আছেন অকপটে অনেক কিছু লিখেছেন, নিজেকে নিয়ে। সেগুলো পড়তেই আমার আগ্রহ বেশি। রাজনীতিবিদদের আত্মজীবনী পড়লে ঐতিহাসিক অনেক ঘটনা জানা যায়। লেখক-সাহিত্যিকদের আত্মজীবনী মনের অনেকগুলো জানালা খুলে দেয়। আত্মজীবনীর কিছু কিছু অংশ পড়লে মনে হয়, প্রিয়জনদের জানাই।
১.
সহজ বিজ্ঞানপাঠ
গল্পে গল্পে বিজ্ঞান-১
নবম শ্রেণির জন্য প্রযোজ্য
আইডিয়াঃ ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল
রচনায়ঃ নেয়ামত
বহু বহু দিন আগের কথা। বাংলাদেশ তখনো স্বাধীন হয়নি। এমনকি ভারত বর্ষ ও তখন ইংরেজদের শাসনে ছিল। সেই সময়ে বগা নিউটন নামে এক লোক ছিলো। সে কোনো কাজ করতোনা। সে কেবল বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভাবতো। আর সারাদিন গার্লস স্কুলের সামনে বসে বালিকাদের আসা যাওয়া দেখতো।
নিউটন স্কুলের সামনে একটা প্রকান্ড নারিকেল গাছের নীচে বসতো। (বসার জন্য সে কেনো নারিকেল গাছের তলা বাছাই করেছিলো তা জানা যায়নি। কারণ তখন তো বাংলাদেশের ইতিহাসবিদদের মতো জ্ঞানী মানুষ সৃষ্টি হয়নি। তবে ধারণা করা হয় ডাবের প্রতি তার দুর্ণিবার লোভ ছিলো। )
কুসংস্কার লইয়া ভাবনা চিন্তা-৩
কুসংস্কার লইয়া সিরিজ লেখনের চেষ্টা চালাইছিলাম বহুদ্দিনাগে। হের্পর আমার অইন্নান্ন স্বভাবের লাহান ভুইলাও গেস্লাম। আইজকা হটাস মন্টায় চাইলো আবার্ফির কিছু লিখি। পইলা পুস্টে নাজ আফায় কয়েকটা কুসংস্কারের কথা কইছিলেন। সেগ্লার গ্রহনযোগ্য কুনু ব্যাখ্যা পাইনাই। মানে নিজের কাছেই জুইতের লাগে নাই আর কি। তাই সেগ্লার সবগুলার ব্যাখ্যায় না গিয়া, যেইটার ব্যাখ্যা নিজের কাছে জুইতের লাগছে সেইটা দিয়াই আইজকার পুস্ট শ্রু কর্লাম।
কুসংস্কারঃ- গর্ভবতী অবস্থায় বাইরে গেলে সাথে একটা রসুন, এক বক্স দেয়াশলাই.. ইত্যাদি সঙ্গে রাখতে হবে
একদেশ-য়ের গল্প
এক অঞ্চলে একদেশ নামে একটি দেশ ছিল
একদেশ-য়ের মন্ত্রী ভালো, সান্ত্রী ভালো, পন্ডিত ভালো, মূর্খ ভালো, ভেড়া ভালো, শুয়োরও ভালো
কিন্তু একদেশ ভালো নয়, একদেশ ভালো থাকে না
কি হলো একদেশ-য়ের, একদেশকে তো ভালো থাকতে হবে; তা নাহলে আর সবাই ভালো থাকবে কি করে
একদেশের সব ভালোরা মিলে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিল
কমিটি ভেবে-চিন্তে, গবেষণা, তদন্ত করে একদেশ কে ভালো করার দিকনির্দেশনা দিবে
কিন্ত তাতেই গোল বাঁধলো; কমিটির প্রধান হবে কে
ঠিক হলো ঠিক যে-প্রধানতম কারণে একদেশ ভালো না সেই কারণ-বিষয়ে বরিষ্ঠ বিশেষজ্ঞ হবেন নতুন কমিটির প্রধান
তখন বাঁধলো আরেক গোল; ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞগণ যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করলেন ঠিক তারা যে-বিষয়ে বিশেষজ্ঞ
সেই কারণে একদেশ ভালো নয়; এই নিয়ে হৈ চৈ হলো; কমিটি আমজনতার সাহায্য চাইলো
তখন রাস্তার একটি আধ-ন্যাঙটা ছেলে এসে বললো," স্যার, আমাকে কমিটি-প্রধান করেন"
কবিতার আস্তাবল ০২
একুশ বছর বয়েস হয়তো আমাদের মাপে খুব বেশী সময় না কিন্তু এ বয়েসেই সুকান্ত তার কবিতাগুলো লিখে প্রকাশ করে যক্ষায় মরে গেছে একাকী, আরোগ্যনিকেতনে কিংবা গৃহকোণে কোথাও না কোথাও বসে বন্ধুকে লেখা সুকান্তের চিঠিতে সুকান্তের প্রেমের সংবাদ ছিলো। সুকান্ত বন্ধুকে লিখেছিলো প্রেমের পড়বার পর সে আর কখনও প্রেমের কবিতা লিখে নি। শুধু সমাজ বদলের কবিতাই লিখেছে সুকান্ত এমনটা হয়তো নয় কিন্তু তার কবিতাসমগ্র-রচনাসমগ্রের কোথাও প্রেম নেই, মানুষের প্রতি মমত্ববোধ আর ভালোবাসা আছে, ভবিষ্যতের শিশুদের জন্য স্নেহ আছে, ব্যক্তিগত প্রেমের কবিতা তেমন নেই। হয়তো সেইসব কবিতার আড়ালে কোথাও প্রেম ছিলো, সেসব প্রেমময়তাকে তেমন প্রকাশযোগ্য বোধ করে নি সুকান্ত। বিখ্যাত হওয়ার অনেক সম্ভবনাই তৈরি হয়েছিলো কিন্তু নির্জনতার কবি হিসেবে পরিচিত জীবনানন্দের স্যুটকেস ঝেড়ে পুছে তার গল্প-কবিতা- উপন্যাস খুঁজে বের করতে যেমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিলো সুকান্তের ক্ষে
কেউ কারো নয় - love that's cry
আশির দশকে বিটিভিতে অন্যতম মজার ধারাবাহিক নাটক ছিল হুমায়ুন আহমেদের বহুব্রীহি। সেই নাটকেই বোধহয় কাদেরের একটা সংলাপ ছিল- "প্রেম ভালোবাসা হলো শরমের কথা"।
সেই কথা ভেবে প্রেম ভালোবাসার পথ মাড়ায়নি এক তরুণ। কিন্তু অনুভুতিরে কে ঠেকায়? অবোধ তারুণ্য সেই অনুভুতি থেকে বঞ্চিত ছিল না মোটেও। সে তখন তার এক 'তুমি'কে নিয়ে লিখতে শুরু করে এইসব না পাঠানো চিরকুট (সতর্কতাঃ কবিতা বলে কেউ ভুল বুইঝেন না আবার।
)
১.
তোমাকে নিয়ে আমার অনুচিত বোধ আর
বেদনাগুলির দায়ভার একান্তই আমার।
২.
তুমি কখনো আমার ছিলে না,
কখনো আমার হবে না জেনেই
আমি ডুব দিয়েছিলাম তোমাতে।
৩.
তোমার প্রতিটি বিদায়ের সাথে চিরবিচ্ছেদের সম্ভাবনা,
যেমন প্রতিটা ঘুমের সাথে মৃত্যুর।
তবু আবারো জেগে ওঠা হয়,
আবারো তুমি আসো ফিরে।
৪.
আমি না থাকলেও তোমার কিছু এসে যায় না,
ব্যাপারটা আমাকে অযৌক্তিকভাবে আহত করে।
৫.
ব্যাংকক শহর দেখলাম দুইজনে ঘুইরা ঘুইরা..
যদি ভালো না লাগে তো দিও না মন..........
মন দিতে না চাইলেও যে মন দিতে বাধ্য হয়ে যায়। যেতোই ভাবি যে ভালোবাসাটা একটু কমাবো কিন্তু সামনে দেখলে যে আর আটকে রাখতে পারি না। এদিকে ওজন টা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এভাবে চালতে থাকলে তো কেউ বিয়ে করবে না 
বিয়াতে কত্ত মজাগো, খালি খাওন আর খাওন!! এতো চিন্তা করে লাভ নাই আগে খাওয়া পরে অন্য চিন্তা। দুনিয়াতে যে কত্ত মজার মাজর খাবার আছে না খাইলে জানতামই না। আর কিছু আবিষ্কার করি আর না করি এতো দিন পরে নিজেরে ভোজনরসিক আবিষ্কার করতে পারছি , এইবা কম কি?। প্যাচাল বন্ধ কইরা এবার কাহিনীতে আসি।
বৃষ্টি বৃষ্টি
বৃষ্টি এলো মন কাঁপিয়ে
কাঁপছে শরীর শীতে !
বৃষ্টি ভেজা মুখ দেখিয়ে
রোদের বিপরীতে
সেই যে কবে ছুটেছিলাম
ঘামের গোসলসহ
সেই স্মৃতিটা বৃষ্টি ভিজে
লাগছে দুর্বিষহ !
কদম ভেজা সোঁদা সুবাস
লাগছে নাকে দারুন
আমার হাতের কদম দেখুন
নাইবা নিতে পারুন
ভিজলে হবে শরীর খারাপ
ভয় থাকে খুব বেশী
ভেজা চুলের দারুন ছবির
নাম যে এলোকেশী
একাই ভিজে মনটা আমার
ভীষণ এলোমেলো
সঙ্গী ছাড়া বৃষ্টি ভিজে
ভেজাই বৃথায় গেলো !
দেয়াল নিয়ে ভাবতে গিয়ে যেকটি কথা মনে পড়লো...
.................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
এক.
ইচ্ছে হলে দেয়ালের গায়ে জমে থাকা