ইউজার লগইন
ব্লগ
এমনও হয় মাঝে মাঝে
আমি বেশ বিরক্ত হলাম
একটা লেখার জন্য প্রায় ২ ঘন্টা নষ্ট করে যখন শেষ পর্যন্ত প্রকাশ করুন বাটনে চাপ দিলাম
এক্সেস ডিনাইড
লেখাটা পুনরায় আগের মতো লেখা সম্ভব না, অবশ্য সাইটে এর আগেও এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে, বেশ আয়োজন করে সময় নিয়ে লিখলে দুটো সমস্যা হয়
অটো লগ আউট করে দেয় সিস্টেম- সিস্টেমের কোনো সমস্যা থাকতেই পারে
কিংবা লেখাটা ফাঁকে ফোঁকরে হারিয়ে যায়। কোনো অটো সেভ অপশন নাই- একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর লেখা নিজের মতো সংরক্ষণ হওয়ার সুবিধাটা নাই।
এইখানে ড্রাফটের সুযোগ নাই- লেখা অপ্রকাশিত রাখার সুবিধা আছে- প্রাইভেট করে রাখার সুবিধা আছে-
কিন্তু সেসব দিয়ে তেমন সমস্যার সমাধান হয় না।
হয়তো পরবর্তী কোনো দিন এই বিষয়ে লেখাটা আবার লিখবো- আজকে আবার সেই পরিশ্রম করার ক্ষমতা নাই আমার।
শুক্রবার
শুক্রবারেই মানেই সবার আনন্দের দিন। লম্বা ঘুম দিয়ে নামায পড়ার জন্য ইস্তেরী করা ধোয়া উঠা পাঞ্জাবী পড়ে ভাব নেয়ার দিন। আমার কাছেও শুক্রবার গুলান আগে অনেক আয়েশের ছিলো। আয়েশী চালে সকালে উঠেই টিভি দেখার তাড়া ছিলো। ভার্সিটির পড়াশুনার টেনসন উড়িয়ে দিয়ে নিপাট একটা সকালের দিন ছিলো শুক্রবার। কিন্তু এক দেড় বছরে সেমি বেকার থাকা অবস্থায় শুক্রবার মানেই বোরিং। শুক্রবার মানেই সকাল বেলা গোসল করো কারন দুপুরে জুম্মার নামাযের আগে বাসায় ফিরবা কিনা তার কোনো ঠিক নাই। শুক্রবার মানেই এখন চাকরীওয়ালা বন্ধুদের আবদার মিটাতে সকাল বেলা তাদের ফোন দেওয়া যে ফ্রি থাকলে চায়ের দোকানে আয়। তারা দৌড়াতে দৌড়াতে তাদের চাকরী জীবনের নিদারুন বাশ খাওয়ার গল্প আমার হজম করতে হবে। শেষে তাদেরকে উপদেশের সুরে বলতে হবে দোস্ত চাকরী ছাড়িস না ইহা মুল্যবান জিনিস। এখন আবার আমার নতুন বাতিক নিজেদের একটা ক্রিকেট টীম আছে সেই টীম হারতে হারতে পর্যবসিত তাদের
বাংলাসিংহের রত্ন-প্যাক এবং ব্যংকক ডেঞ্জারাস
বৃহস্পতিবার বসুন্ধরা সিটি পিং পিং প্লেক্স থেকে একটা বাংলাসিংহ 'রত্ন-প্যাক' মডেম কিনেছিলাম। আনার পরদিনই সেটা ফিরিয়ে দিয়ে আসতে হয়েছে।
ইয়াক! কি বিশ্রী মার্কেটিং পলিসি! জিনিসটা বিক্রির সময় বলে নাই- ওদের কোথায় নেটওয়ার্ক আছে আর কোথায় নাই। পই পই করে জানতে চেয়েছিলাম, আমি যেখানে থাকি সেখানে আপনাদের নেটওয়ার্ক আছে তো?
-হ্যাঁ স্যার কি যে বলেন না! ঢাকার কোথাও আমাদের কোনো সমস্যা নাই।
বাসায় এসে দেখি সিআইএনআর পায় মাইনাস ৫ থেকে সর্বোচ্চ ২ পর্যন্ত। কাস্টমার কেয়ারে ফোন করলাম। তখন আর আসল কথা বলে না, খালি প্যচায়। বলে, দুই-তিনদিন দেখেন স্যার, যদি নেট না পান। ফিরিয়ে দেবেন। আমাদের পলিসি আছে। পুরো টাকা রিফান্ড করা হবে।
পলিসি-পলিসি শুনে কান ঝালাপালা হয়ে গেলো। আরে ভাই, আমি তো পলিসি কভারেজ পাওয়ার জন্য জিনিসটা কিনি নাই। কিনছি সার্ভিসের জন্য। সার্ভিস দিতে না পারলে প্রোডাক্ট সেল করছেন ক্যান?
ভাল বাবা হওয়ার ১০১টি উপায়
১.
আমার বাবাকে আজকাল আমি প্রায়ই স্বপ্নে দেখি। স্বপ্ন দেখে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়। মনে হয় একটু ছুঁয়ে দেখি।
বাবা যখন বেঁচে ছিলেন আমি তাঁকে স্বপ্ন দেখেছি বলে মনে পড়ছে না। তখন বাবাকে প্রচন্ড ভয় পেতাম। বড় বেলায়ও সেই ভয় আমার যায়নি। যাকে ভয় পাই তাকে নিয়ে নিশ্চই স্বপ্ন দেখা যায় না।
তখন মাকে যে প্রচন্ড ভালবাসতাম তা বুঝতাম। বাবাকে ভালবাসার কথা কখনো ভেবেছি বলে মনে পড়ে না। বাবা অফিস করবে, বাসায় ফিরলে আমাদের টিভি বন্ধ করে পড়তে হবে, বেশি শব্দ করা যাবে না, এক রুমে থাকলে অন্য রুমে চলে যেতে হবে-এই আমাদের সম্পর্ক।
এখন বাবা নেই। আমি এখন জানি বাবাকে কতটা ভালবাসতাম। কিন্তু এই কথা বাবাকে আর কখনো বলা হবে না।
২.
'আমার বাবা আমাকে পৃথিবীর সেরা উপহারটি দিয়ে গেছিলেন। আর সেটি হলো আমার উপর তাঁর আস্থা ছিল, আমার উপর তিনি বিশ্বাস স্থাপন করেছিলেন।'
৩.
Your children are not your children.
আমার প্রথম প্রেম (পর্ব দুই)- প্রেমের আবেদন পত্র
ফ্ল্যাশ ব্যাকঃ
পড়ার টেবিল, ছাত্র জীবনের প্রথম হার্ডেল-এর প্রস্তুতি, শিশির ভেজা সাদা আর গেরুয়া রঙ আর মাতাল ঘ্রাণের শিউলি ফুলের গালিচাময় উঠুনে আমার হৃদয় চারিণীর আগমন তারপর আমাকে প্রেম বাণে বিদ্ধ করে সমান্তরাল ধাতব পাতদ্বয়ের উপরে দিয়ে চালিত ধাতব যানে করে তার প্রস্থান আমার শহর থেকে।
অতঃপর ------
মুক্তগদ্যঃ বর্ষানগর
*
বর্ষানগরের কৃষ্ণচুড়ারা একে একে ফুটে চলেছে।
**
দুপুরের ঝলমলে রোদ ভেঙ্গে ছুটে যাওয়া রিকশার টুনটুন শুনে বুকের ভেতর চাপচাপ ব্যাথা জমা হতে থাকে। এমনই টুনটুন রিকশা ছুটে গিয়েছিলো যেদিন তুমি চলে গিয়েছিলে শহর থেকে। আমার নিজস্ব নগর থেকে। ভাঙা চুড়ির মত ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিলো শব্দগুলো এসফল্টের রাস্তা জুড়ে।
***
দূর আকাশের কোনে, একপাল কাফ্রী মেঘের মিটিং জমায়েত ছিলো সেদিন। তাই বুঝি বিদ্যুতের চাবুক হাতে নেমেছিলো সোনালী সন্ধ্যা। নিঃশব্দ চাবুক চমকাচ্ছিলো সুর্যকে ঘিরতে উদ্যত মেঘেদের পিঠে। নির্যাতনে অভ্যস্ত কাফ্রী মেঘেরা আনন্দে খলখল হেসে উঠছিলো থেকে থেকেই। আর বেড়ে চলছিলো সংখ্যায়।
****
একটু আত্নপ্রসাদ...
লেখালেখিটা আসলে আমার ধাতে আসেনা।এই একটা প্রেস্ক্রিপ্সন,দুই একটা রোগীর হিস্ট্রি ওইটুক পর্যন্তই।কিন্তু সেদিনের কথাগুলো আমি না লিখে পারিনি।মাঝমাঝেই লাল খাতাটা খুলে বার করে একপলক দেখি লেখাগুলো।অপ্টু হাতের লেখা,কিন্তু অনুভুতিটা ষোল আনা খাঁটি।
অন্য সব দিনগুলোর মতনই ছিলো।নিজের নিয়মে চরে বেড়ানো নির্মল সকাল,কাঠফাঁটা রৌদ্রের দুপুর,দক্ষিনা বাতাসে ভরপুর হেলে ওঠা সূর্যের বিকেল।কিন্তু কিছুই আমার মনকে স্পর্শ করছিলো না।ঘুর্ণাক্ষরেও টের পাইনি,ওইদিনটি আমার জন্যে এক অন্যরকম দিন।
এ বছরের শুরুর দিকের ঘটনা।প্রচন্ড মানসিক অশান্তিতে ঘুরে বেরাচ্ছি।কোঙ্কিছুতেই থই খুঁজে পাচ্ছিনা।কাউকে বলার নেই,বুঝানোর নেই,শুধু স্বস্তি খুঁজে বেড়ানো।এর জন্যে যা অনাবশ্যক ছিলো তার সবটাই পূর্ণ করে ফেলেছি।শুধু আবশ্যকটাই খাতার শেষ পৃষ্ঠার মতো রয়ে গেছিলো।
সোহেল ভাই ০১৮
আচমকাই মঙ্গলবার দুপুরে দেখলাম সোহেল ভাইকে গটগট করে হাঁটছেন গলিতে- এমন সময় তো সোহেল ভাইয়ের থাকবার কথা না, সোহেল ভাই অনেক কিছুই করেন কিন্তু তার পাঙ্কচুয়ালিটির কদর আছে, তিনি সময়ের কাজ সময়ে করেন, গাফিলতি করেন না তেমন। মঙ্গলবারের আশেপাশে কোনো সরকারী ছুটি নেই- হতে পারে সোহেল ভাইয়ের মতো অন্য কাউকে দেখলাম। তেমন পাত্তা না দিয়ে চলে গেলাম বাসায়।
ইদানিং বিকেলগুলোতে নিয়মিত আড্ডা হচ্ছে না, অফিসপাড়ায়- বিভিন্ন অফিসের রিসেপশনে, চাকুরি নিয়োগ পরীক্ষার পড়া পড়তে পড়তে দিন যাচ্ছে। সন্ধ্যায় গা ম্যাজম্যাজ করলে একটু ময়না ভাইয়ের দোকানে এসে এলাকার হাওয়া বুঝে ঘরের পাখী ঘরে ফিরে যাই। ময়না ভাইকে একটা চায়ের কথা বলে বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে দেখলাম সোহেল ভাইকে
আররে সোহেল ভাই আপনি এই সময়ে?
ডার্টি পিপল
ডার্টি পিপল
- গত ২৬শে কিছু লেখা হয়নি । ২৬, ১৬; স্বাধীনতা, বিজয় এসব এখন আর তেমন নাড়া দেয়না ! রক্তে খলবল ঝড় তোলেনা ! ’৭১ এ ছিলাম তারুণ্য ছুঁই ছুঁই দুরন্ত কিশোর ! শিরায় ছিল আগুনের ফুলকি ! শত্রু চিহ্নিত ছিল, লক্ষ্য ছিল স্থির ! দ্বিধা, সংশয় ছিলনা । থাকার কথাও ছিলনা । তখন বিদেশীরা লুঠচ্ছিল মা-বোনের ইজ্জ্বত, খুন বহাচ্ছিল বাপ ভাইয়ের । মা-মাটি-মাতৃভুমি ধর্ষিতা হচ্ছিল । আগুন লেগেছিল রক্তে – আমার, আমার মতো লাখো কিশোর, তরুণ, যুবকের । কোটি প্রাণ এক হয়েছিল সেদিন । ’৭১ সবাইকে এক করেছিল । সে মিলিত একতার কাছে নত হয়েছিল দানবের শির ।
- আজ ৪০ বছর পর কারা মা-বোনের ইজ্জ্বত চাখে ? বাপ-ভাইয়ের খুন ঝড়ায় ? এরা কি বিদেশী কেউ ?
- সে দিন একজন ডাক দিয়েছিলেন, বিদ্রোহের অনল জ্বেলেছিলেন একজন । জেগে উঠেছিল জাতি । সে মহাজাগরণের তোড়ে খড় কুটোর মতো উড়ে গিয়েছিল শত্রু ।
আমাদের গল্প নাটকের "আইটেম" গানের বাংলা অনুবাদ
অতি সম্প্রতি বাংলাদেশের টেলিভিশনের বেশ না করা নাটক " আমাদের গল্প" এর আইটেম গানটা পুরাটাই চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় করা। কোথায় আছে বাংলা ভাষা নাকি চট্টগ্রামে গিয়ে নিহত হয়েছে। তাই হয়তো অনেক দর্শক এই গান ভালো লাগার কারনে নিহত হওয়ার ভয় তোয়াক্কা না করে চেষ্টা করেছেন ভালো করে বোঝার জন্য। কিন্তু হয়তো পারেন নি , পারলেও পুরাটা সম্ভব হয় নি তাদের জন্য আমার এই অনুবাদ।
গানের লিঙ্কঃ http://www.youtube.com/watch?v=Hhc8F5LHp6c
(এখানে হ এর জায়গায় ক ব্যবহার করলে সমস্যা নাই)
হাজুর গাছত উডিবাল্লাই, -- খেজুর গাছে উঠার জন্য
রসর ঠিল্লা ফারিবারলাই. – রসের হাড়ি পাড়ার জন্য
লঙ্গীর গোচা বান্ধিলু ইকবাইল্লাহ... – লুঙ্গির গোছা বাঁধল ইকবাল
পইর পারত জেডা চিক্কারায়, -- পুকুর পাড়ে জেঠা চেঁচায়
উডানত বই নানি চিক্কারায় --- ঊঠানে বসে নানি চেঁচায়
শান্তি অশান্তির বিভ্রান্তি কাটে না
সকাল, বিকেল, সন্ধ্যা, রাত, যায় মিছে যায়, মার্বেলের মতো গড়িয়ে গড়িয়ে যায়। তোমার খোলা হাওয়া লাগিয়ে আমার ডুবে যাওয়া হয় না। পাশ কাটিয়ে উড়ে যায় শিমুলের মেঘ; সেই মেঘকে জানা হয় না। তবু জানতে চাই। জানতে চাইলেই কি জানা যায়? জানতে কি পেরেছি শশী ডাক্তারের সাথে কুসুমের নৌকার দূরত্ব কেনো বেড়েই গেছে? পেরেছিলো কি জানতে ছবি'দি, আর কোনদিন মণি ভাইজান ডাকবে না থাকে? শুধু জেনেছিলাম বা জেনেছি বলে গোপন করে রেখেছিলাম যে, অমল আসলেই বকুল'দি সাজে। চুল বেণী করে...। অমল-বকুল'দি একদিন পালিয়ে যায়, সমুদ্রে যায় বা সমুদ্র ছুটে আসে তাদের কাছে। ঢেউগুলো ডিগবাজি খায় । ভালোবাসায়!
এতো এতো জানার ইচ্ছে তবু শেষমেষ অজানাটাই সম্বল। জানবো বলে মেঘ, স্বপ্নঘুম, দীর্ঘপথ, তারপর অনেককিছু বা কিছুই না অথবা গভীর রাত্রে বৃথা প্রশ্নের হয়রানি।
সমুদ্র আর আমি আসলে একইজন...
.........................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
সমুদ্র নিয়েছে কেড়ে পুরোন চশমা,
স্মৃতির টংকার, দৃষ্টি সীমানা অথবা
যতোটুকু দেখে নেয়ার সামর্থ্য ছিলো
তার অধিকার। সমুদ্রকে গালি দিতে গিয়ে
যাও পাখি বলো তারে গানটা শুধু ঘুরপাক খাচ্ছিলো সেই সন্ধ্যায়
অফিস শেষ করে বের হওয়ার সময় ঘড়িতে দেখলাম সোয়া নয়টা বাজে। মনে মনে হিসেব করে দেখলাম, বাসায় ঢুকতে ঢুকতে সোয়া দশটা থেকে সাড়ে দশটা বাজবে। ভাটারা ইউনিয়ন টু শহীদবাগ। ফার ওয়ে টু গো। শহরটা এত লম্বা! মাঝে মাঝে আশ্চর্য লাগে আমার।
কৈশোরের ছোট্ট শহরটার কথা মনে পড়ে গেল। তার কেন্দ্র থেকে যেদিকেই যাই, বড়জোর পাঁচ কিলো পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব। এরপরে গ্রাম। মেঠোপথ। জমির আইল। ইউক্যালিপটাস। সবুজ ঘাস। দূরে ছোপ ছোপ ঘন গাছপালা ঘেরা গেরস্থ-বাড়ি। মেঠোপথে দাঁড়িয়ে সেদিকে তাকালে মনে হয় এক টুকরো সবুজ বনভূমি বুঝি তাকিয়ে আছে। তার চোখের দৃষ্টিতে গভীর মায়ার পরশ। উপস্থিতিতে শীতল প্রাণজুড়ানো হাতছানি। সে ছিলো এক অন্যরকম পরিবেশ। ঢাকায় এমনটা নেই। অথচ সেই স্নিগ্ধ শহরকে পেছনে ফেলে চলে এসেছি মহানগরীতে। ভালবাসা সম্পর্কে কিছুই জানে না, কেবল স্বার্থপরের মতো জীবন চুষে খেতে জানে- এমন এক প্রেমিকার উদ্দেশ্যে সঁপেছি দেহ-প্রাণ।
কবিতার আস্তাবল ০৩
এটাকে অনায়াসে বলা যায় একজন কবির চোখে বাংলাদেশ ২০০১ কিংবা বলতেও পারিস যদি কখনও অস্ত্র তুলে নেয় হাতে সে অস্ত্র গর্জাবে কোন বুকে-
প্রত্যেকেই জানে একজন কবির চোখ আর একজন রাজনৈতিকের চোখে পার্থক্য আছে, কবির চোখের আড়ালে থাকে স্বপ্নীল চশমা এবং যেকোনো দৃশ্যের গভীরে যায় তার চোখ, আর রাজনৈতিকের চোখে থাকে আদর্শের কবচ যা ভেদ করে কোনো দৃশ্যই নেতা দেখতে পারেন না। আর দু'জনের গন্তব্যেও আছে বিস্তর ফারাক।
একজন যা নিজের জন্য করেন তা হয়ে যায় সার্বজনীন আর অন্যজন তার সার্বজনীন তত্ত্বের বুলি কপচে যা করেন তা হয়ে যায় একান্তই ব্যক্তিবিলাস। কবি নামক লোকটা কখনও প্রতিষ্ঠা পান, কখনও পান না কিন্তু সকলেই তাকে চেনে আর এমন অনেকেই এদের মধ্যে আছে যাদের চেনে শুধুমাত্র ডাকপিওনের ঝুলির অসংখ্য হলুদ খাম
ক্ষ্যাপ
যে সময়ের কথা সে সময়ে দিনাজপুর নেহায়েত একটা ছোট মফ:স্বল শহর, আশেপাশের থানা থেকে গ্রামের লোকজন দিনাজপুর টাউনে আসতো সাইকেল চেপে, তাদের বাচনভঙ্গি শহরের মানুষের থেকে আলাদা, সরল-সোজা মানুষদের নিয়ে দিনাজপুর টাউনের ছেলেরা মজাও করতো বিস্তর রকমের আর ছেলে-পেলেদের আড্ডার একটা অংশ বরাদ্দ থাকতো গ্রামের মফিজদের কান্ডকীর্তি বর্ণনায়।
শহরটা তখনও বহরে গতরে বেড়ে উঠে নি এখনকার মতো, সুইহারি তখনও দিনাজপুরের বাসস্ট্যান্ড আর নাইটকোচের যাত্রা কেবল শুরু হচ্ছে। তিস্তা পার্ব্বতিপূর- রংপুর-কাউনিয়া- জামালপুর ময়মনসিংহ হয়ে ঢাকা যাত্রা শুরু করার আগে দিনাজপুরের মেইল ট্রেনই ছিলো ভরসা। সেভেন আপ সম্ভবত ঢাকায় যেতো- একেবারে ছোটো বেলায় প্রথমবার ঢাকায় আসবার সময় এমনই কোনো মেইল ট্রেনে করেই আমাদের নিয়ে আসা হয়েছিলো, তবে পরবর্তীতে অধিকাংশ সময়ই তিস্তাই ছিলো পছন্দের বাহন।