ইউজার লগইন
ব্লগ
ভাত দে - বাদ দে - বাড্ডে - হ্যাপী বাড্ডে মুক্ত বয়ান।

খোমা বইতে দেখি, ব্লগ বাচ্চা (মাইক ওয়ালা) মুক্ত বয়ানের আজকাই বাড্ডে!!!
ভাবলাম যাই গিয়া, ওয়ালে দুইটা কথা লেইখা আসি সুন্দর কৈরা, গিয়া দেখি, বিপুল সংখ্যক জনতা ইতমধ্যেই ওয়ালে প্রচুর লেখা লেইখা রাখছে, আর তাছাড়া পরিচয়ের সূত্র যেহেতু ব্লগে, তো, ব্লগে বলতে না পারলে শান্তি নাই।
আমি আবার কারো প্রশংসা করতে পারিনা, শুধু কিছু মানুষ, স্নেহের যায়গায়, ভালোবাসার জায়গায় বৈসা যায়, ছোটো-বড়-কাছে-দূরের, কেম্নে জানি, জিনিষটা বুঝিনা আসলে। যাই হোক, মুক্তরে নিয়া কিছু বললাম না, শুধু পুজায় বেশি নাচানাচি কৈরা যেনো বেশি মজায় বাড্ডে পালন করতে পারে, সেই কামনা রৈলো।
এখন কেক্কুক দিবো কেডা?
মুক্ত কৈ?
সংশয় অথবা প্রশ্ন বিষয়ক দুই পয়সার আলোচনা...
আধুনিক দর্শনের প্রারম্ভিক পর্বের দার্শনিক হিসাবে রেনে দেকার্তরেই ধরা হয়। এই আধুনিকতার মূল শর্ত হইলো সংশয়। আগের আমলের প্রায় সকল দার্শনিক চর্চাতে বিশ্বাস বিষয়টার বড় ভূমিকা থাকতো। রেনে দেকার্ত দেখাইলেন জগতের যেই পরিবর্তনশীলতা তাতে আসলে কোনো ঘটনারেই বিশ্বাসের গন্ডীতে আবদ্ধ করন যায় না আর। হেরাক্লিটাস নামের একজন আইয়োনিয়ান দার্শনিক যিনি এই পরিবর্তনশীলতার কথা দেকার্তের জন্মের আড়াই হাজার বছর আগে কইছিলেন তারে স্মরণ কইরা দেকার্ত তার সংশয় পদবাচ্যের শুরু করেন।
বাঘে ছুঁলে আঠার ঘা
শিরোণামের কথাটা হয়তো কিউই পক্ষীর দেশের লোকেরা আগে শুনে নাই। তবে এবার শুনুক বা না শুনুক একদল রয়েল বেঙ্গল টাইগারের হাতে নিদারুণ নাকানিচুবানি খেয়ে কথাটার বাস্তবতা যে হাড়ে-মজ্জায় অনুভব করতেছে সে বিষয়ে আর কোনো সন্দেহের অবকাশ নাই। বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সমীহ জাগানো শক্তি নিউজিল্যান্ড, এর আগের প্রতিটি সফরেই হেসে খেলে সিরিজ জিতে 'বাংলাদেশ এগোচ্ছে, লেগে থাকলে হবে, জয় নয় অংশগ্রহণই বড় কথা'- জাতীয় মায়াময় বক্তব্য দিয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। কিন্তু এবারের বাংলাদেশ শুধু তাদেরই না বলতে গেলে গোটা ক্রিকেট বিশ্বকেই চমকে দিয়েছে। ভারতীয় আনন্দবাজার গোষ্ঠী ছাড়া ( এরা কেবল বেছে বেছে বাংলাদেশের হারার খবরগুলোই ফলাও করে প্রচার করে) অন্যান্য অনেক দেশের খেলার খবরে স্থান করে নিয়েছে বাংলার বাঘের হাতে অল ব্ল্যাকসদের নাস্তানাবুদ হবার ঘটনা।
আজকের দিনটি কার, অবশ্যই টাইগারদের ?
আজকের দিনটি কার? নিউজিল্যান্ডকে কি তুলোধুনা করা যাবে। সাকিবের সেঞ্চুরী তো বৃখা যাবে না ? ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশী সেঞ্চুরীর মালিক এখন তিনি। ওযানডে তে এটা সাকিবের পঞ্চম শতক। কনগ্রাচুলেশন সাকিব। সাকিব আমাদের গর্ব। আমরাও পারি, টাইগাররা দেখিয়ে দিক , আমরা শুধু জয়ের জন্যই খেলি।
আজ টাইগাদের সম্ভবনা শতভাগ ।
- মমিনুল ইসলাম লিটন
১৪-১০-১০
সপ্তাহ নামা
ছোটবেলা থেকেই আমি বাইবর্ণ থিংকার।আমিও তাই শুধু ভাবাভাবিতেই থাকি।কত যে আমার ভাবনা তার কোন শেষ নেই।কিন্তু দুঃখের ব্যাপার হল আমার ভাবনা শুধু ভাবনাতেই শেষ-ওগুলা বাস্তবে আনা নিয়ে আমার তেমন কোন ভাবনা নেই।এই যেমন চিন্তা করলাম এটা করব-প্ল্যান করলাম,তারপর ঘুম।সবচেয়ে হাসি আসে যখন সদ্য শেষ হয়া বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের ভাবনার কথা মনে পড়ে।কাল পরীক্ষা আমরা পড়ে টের পেলাম যে কাল বেশি সুবিধা হবেনা।আমি আর আমার রুমমেট বসে বসে প্ল্যান করতাম না অনেক হয়েছে আগামী সেমিস্টার থেকে প্রথম দিন থেকে পড়া আর পড়া-নো হাংকি-পাংকি।টিউশিনি কমাতে হবে......।কিন্তু পরীক্ষা কোনমতে পাইড় করতে পারলে হল।–নারে দোস্ত এখন না।মিডটার্মের পর কোপায়ে স্টাডি করব-বাদ দে।মিডটার্ম শেষ-আরে ব্যাটা এখন পড়লে কিছুই মনে থাকবেনা-পিএলে পড়ব।পিএলে এখন শুধু চোখ বুলাই- ডিএলে একেবারে খিইচচা ফেলাব।ডিএলে এসে আবার না অনেক হয়েছে আগামী সেমিস্টার থেকে প্রথম দিন থেকে প
প্রার্থনা আজ বাংলাদেশ দলের জন্য
প্রতিদিন মৃত্যুর সংবাদ, হত্যার সংবাদ আহত নিহতের স্কোরে সায়লাব বাংলাদেশ। মনটা সবসময় বিষন্ন হয়ে থাকে। শেষ কবে প্রান খুলে আনন্দ করেছি ভুলে যাই। এই মন খারাপ করা বিষন্ন দিনগুলোর মাঝে হঠাৎ উকি দেয় কিছু সাফল্য।
বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম আজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে। শেষ দুইটি ম্যাচ বাংলাদেশ জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। একটি ম্যাচ পরিত্যাক্ত হওয়ায় সেটার রেজাল্ট ঘরে তুলতে পারিনি আমরা। আজকের খেলায় এখনো পর্যন্ত ভালই খেলছে আমার দেশের সোনার ছেলেরা। শেষ হাসিটা যে কে হাসবে সেইটা আগেই বলার কোন সুযোগ নেই।
সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আজ আমার সকল প্রার্থনা থাকবে বাংলাদেশ দলের প্রতি। জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ুক এই প্রত্যাশা বাংলার প্রতিটি মানুষের।
এখনো পর্যন্ত আপডেট হলো :
বাংলাদেশ ২১৪ রান করেছে ৫উইকেটে দলের ক্যাপ্টেন সাকিব আল হাসানের দর্শনীয় সেঞ্চুরীর মাধ্যেমে। অভিনন্দ সাকিব কে।
ধরা খাওয়ার ছড়া
ক্লাসের পড়া অনেক হবে স্কুল পালাই আজকে তবে
খেলাধুলায় না দিলে মন শরীর কি আর সুস্থ রবে
কিন্তু যেদিন মাঠের কাছে
ঘুরেই দেখেন হেডস্যার পিছে ;
মাখিয়ে বেতে আসল ঘৃত
করতে আপনার শেষকৃত্য
পড়ল পিঠে মুড়ির মত মুসলধারে ঝরা .....
হিসেব করে লিখে রাখেন আবার খেলেন ধরা।
শিক্ষা বোধহয় অনেক হলো এস এস সি পাশ কম কি বলো
ফুর্তি করেই লাইফ কাটাবেন কার কি তাতে এসে গেল
হাল ফ্যাশনের পাখা মেলে
ঘুরে বেড়ান কলেজ ফেলে ;
কিন্তু যেদিন গলির মোড়ে
বাপজান আপনার আসলো তেড়ে
ধোলাই হলেন ইচ্ছা মত সাবান পানি ছাড়া ....
হিসেব করে লিখে রাখেন আবার খেলেন ধরা।
ভাবছেন বয়স অনেক হলো বুদ্ধি বলে দৃষ্টি খোল
প্রেম না করলে মান থাকে না যৌবনে যে পড়ল ধুলো
পাড়াতো মেয়ে অনেক আছে
সাহস নিয়ে গেলেন কাছে ;
কিন্তু যেদিন পাড়াতো ভাই
ধরল কলার রক্ষা যে নাই
লাত্থি-গুতা বোনাস পেলেন ভেঙ্গেই দিল দারা ...
হিসেব করে লিখে রাখেন আবার খেলেন ধরা।
হে দারিদ্র...
পরীক্ষার হল-এ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করছিলাম। ক্লাসে আমি যতটা আমুদে, পরীক্ষার হল-এ ঠিক ততটাই কড়া। ছাত্ররা মাথা নাড়তেও ভয় পাচ্ছিল। ইলেকট্রনিক্সের জটিল পরীক্ষা। কক্ষজুড়ে পিনপতন নীরবতা। এরই মাঝে দেখলাম এক ছাত্র পাশের জন থেকে ক্যালকুলেটর নিচ্ছে। আমি দুজনকেই সতর্ক করে দিয়ে বললাম, কেউ কারো কাছ থেকে যন্ত্রপাতি নিয়ে বিরক্তির সৃস্টি করবে না। সাবধান করে দিচ্ছি।
একটু পরে ছেলেটি আবার একই ঘটনা ঘটাল।
আমি ছেলেটিকে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম- তুিম আমার নির্দেশ অমান্য করলে কেন? সে কাচুমাচু ভঙ্গিতে বলল, ভুল হয়ে গেছে স্যার। আমি বললাম- এটা ভুল নয়, অসদাচরণ। তোমার পরীক্ষা দেওয়া লাগবে না, যাও বেরিয়ে যাও। আমি তার খাতা নিয়ে নিলাম।
ছেলেটা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কাঁদছিল। দশ-পনের মিনিট পর সে আমার কাছে এসে করজোড়ে আবার বলল, স্যার ভুল হয়ে গেছে।
দুর্ভোগ আর লাশ নিভর্র রাজনীতি
গত ১১ অক্টোবর, সিরাজগঞ্জের সায়দাবাদে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জনসভাস্থলের কাছে গতকাল দুর্ঘটনায় বিএনপি'র ৫ কর্মী ট্রেনের চাকায় কাটা পড়ে নিহত হয়। এ ঘটনায় জন্য খালেদা দায়ী করলেন সরকারকে। সরকার নাকি, ইচ্ছেকৃত ভাবে এদুর্ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশের ট্রাক হলে না হয়, অভিযোগটি মানা যেত। ট্রেন চলেছে তার নিজস্ব পথ দিয়ে, চালক তো আর সমাবেশ স্থলের উপর ট্রেনটি উঠিয়ে দেয়নি। বরং তার দলীয় কর্মীরাই বাধা সৃষ্টির জন্য রেল লাইনের উপর জড়ো হয়েছিল। তার পরও চালক ট্রেনটি থামিয়েছিল। সবাই জানে, একটি ট্রেন হঠাৎ করে থামানো যায় না। তাই খালেদার মতো একজন বিজ্ঞ নেত্রীর মুখে এধরনের অভিযোগ সত্যি হাস্যকর।
শক্তের ভক্ত
নতুন নতুন চাকরীতে ঢোকার পর অনেক কিছুই জানা থাকে না। এতদিন বয়স্কদের কথা শুনে, শ্রদ্ধা দেখিয়ে চলে এসেছি। তাদের কাছে কোন কারণ ছাড়াই মাথা নিচু করে কথা বলা যেন শ্রদ্ধার অংশ। এগুলোর পিছনে বাবার বহুদিনের শাসন দায়ী ছিল। আর ছিল মানবিক একটা ইচ্ছে।
সেদিনও রিক্সা না পেয়ে বাসে চড়েছিলাম। উত্তরায় এসে লোক ভরে গেল। হ্যান্ডলে ঝুলছে মানুষ। একটা বুড়ো লোক উঠেছে। হতে পারে সংস্কার, উঠে দাঁড়িয়ে ডাকলাম
-চাচা, এই খানে বসেন
অফিস হায়ারআর্কিটা বুঝতে সময় নেয়। অফিসে পরিচিত হওয়ার সময়ই টের পেলাম আমার নিচে অনেকে আছে এবং ম্যানেজমেন্ট পড়ানোর উদ্দেশ্য এদের কে যে করে হোক চড়িয়ে খাওয়া। বয়সে আমি অনেকের চেয়ে ছোট। বয়স্কদের হুকুমদারী করা প্রথমদিকে বিব্রতকর ছিল। যেমন জয়েন করার পরদিন ফাইল নিয়ে আসে পঞ্চাশোর্ধ একজন লোক।
টুকরো-টাকরা ৪
এক.
প্রতিহিংসার রাজনীতি দেখতে দেখতেই প্রায় চল্লিশ বছর পার কইরা দিলাম। আওয়ামি সরকারের আমলে এই রাজনৈতিক আচরণ একেবারে তার চরমে পৌছাইয়া গেলো অবশেষে। ফাঁসীর দন্ডপ্রাপ্ত আসামীগো মাপ কইরা দিলো আমাগো অথর্ব রাষ্ট্রপতি; তিনি একজন দলীয় রাষ্ট্রপতি। আর তার একমাস যাইতে না যাইতেই আসামীগো এলাকায় খুন হইলো আরেকজন বিরোধীদলীয় রাজনৈতিক নেতা। যারে খুন করা হইলো সে হয়তো ধোয়া তুলসী পাতা না। কিন্তু প্রতিহিংসার রাজনীতি আসলে নিম পাতা ধ্বংসের রাজনীতির অঙ্কে চলে না। এই রাজনীতির অঙ্ক অন্য।
হায় সাধু!
স্থানীয় পোস্ট অফিস। যিনি টিকেট বিক্রি করেন, তিনিই আবার মানি- অর্ডার গ্রহণ করেন। তাই তাঁর ব্যস্ততা প্রচুর।
এক বিকেলে টাকার হিসাব মেলাতে পারছিলেন না ডাকঘরের সেই কর্মীটি। ধরে নিই তাঁর নাম শফিক।
অনেকবার গুেণটুনেও যখন হিসাব আর মিলল না-১৫০০ টাকার গরমিল হলো-শফিক ভাবলেন, গরমিল যখন হলোই, পোস্টমাস্টারকে যখন ব্যাপারটা জানাতেই হবে, ধমক যখন খেতেই হবে তাহলে নিজের পকেটেও কিছু থাকুক না! তিনি আরও ১০০০ টাকা রেখে দিয়ে পোস্টমাস্টারকে ব্যাপারটা জানালেন।
পোস্ট অফিসের সব কর্মী গভীর রাত অব্দি চেষ্টা করে হিসাব মেলাতে ব্যর্থ হলেন। শেষে পোস্টমাস্টার নিজের সুনামের কথা ভেবে পকেট থেকে টাকা দিয়ে হিসাব মিলিয়ে দিলেন।
আমার বসবাস পোস্ট অফিস থেকে কিছু দূরে। এ ঘটনা আমার জানার কথা নয়। তবু আমি খুব ভালোভাবেই জেনেছি ঘটনার সাথে আমি জড়িত ছিলাম বলে।
শেষ বিকেলের মেয়ে!
সূর্য ডুবু ডুবু
সিঁদুর রাঙা মেঘ জমেছে দিগন্তের গায়
নৌকা ভেড়ে ঘাটে
নামছে ছায়া মাঠে
দূরের পাখি আসছে ফিরে মাটির সীমানায়:
এমন ক্ষণে অস্তরেখায় কে গো তুমি হাস;
এমনি করে কেন ভালোবাস
দেখছি আমি অবাক চোখে চেয়ে
তুমি কি সেই গল্পে পড়া শেষ বিকেলের মেয়ে!
এই গোধূলী বেলায় তুমি নিলে আমার মন
নীরব পায়ে এগিয়ে আসে বিদায়ের লগন
একটু পরে হারিয়ে যাব অন্ধকারে একা
সেখান থেকে হবে না আর তোমার সাথে দেখা।
সূর্য ডুবে যাবে
মিলিয়ে যাবে রঙিন আভা নীলাকাশের নীল
ছেঁড়া মেঘের ফাঁকে
সন্ধ্যাতারা একা
উঠবে ডেকে ঝাপটে পাখা বিষণ্ণ গাংচিল।
মন্ত্রী মহোদয়ের মুঠোফোন আলাপ
আমরা মন্ত্রী মহোদয়ের জন্য বসে আছি। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ৪টায়। দুজন মন্ত্রী থাকবেন। কেবিনেট মিটিং আছে, তাই দেরি হচ্ছে। একজন মন্ত্রী চলে আসলেন সাড়ে ৪ টায়। আরেকজনের অপেক্ষায়।
মূল মিলনায়তনের পাশেই আয়োজক সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের অফিস। সেখানে বসানো্ হলো মন্ত্রীকে। চা খেতে খেতে গল্প হচ্ছিল নানা বিষয়ে।
এ সময়ে মন্ত্রীর সেলফোনটা বেজে উঠলো। মন্ত্রী কি কথা বলেন, কার সাথে বলেন-উৎসুক আমরা সবাই।
ওপাস থেকে...........
মন্ত্রী-লেখাটা পড়ছি। লিখলে কী করবো বলো। .........ভাই, অনেক সিনিয়ার মানুষ। তাকে আমরা সবাই ভালবাসি। তিনি যদি লেখেন মন্ত্রী সভা পরিবর্তনের সময় এসেছে তা তো তিনি বলতেই পারেন।
ওপাস থেকে-----------
জোনাকিদের সমাধি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে জাপানের ছোট এক শহরের গল্প। মার্কিন বোমারু বিমান তখন নিত্য সেই ছোট শহরের আকাশ অন্ধকার করে ইচ্ছে মত বোমা ফেলে যায়। সেই ছোট শহরের ছোট দুই ভাই-বোনের গল্প। ভাইটির নাম সিয়েতা বয়স ১৫/১৬, বোনটির নাম সেতসুকো বয়স তিন/সাড়ে তিন। তাদের বাবা জাপানি নৌবাহিনীর কর্মকর্তা, যুদ্ধের ময়দান থেকে অনেকদিন ধরেই তার কোন খবর নেই।