ইউজার লগইন
ব্লগ
ইভ টিজিং নিয়া একখণ্ড ক্যাচাল
ফেসবুকে আমার এক কবি বন্ধু আছে। যদিও উনার কবিতা পড়ি নাই তবে আজিজে উনার বই পাওয়া যাচ্ছে এই সংক্রান্ত তথ্য পেয়েছি অনেকবার উক্ত কবির কাছ থেকেই। তো আমার সেই কবি বন্ধু গতকাল একখানা স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন, 'Eve teasing' নামের ক্যাপসুলটিকে পাবলিককে খুব ভালোভাবে গেলাতে পেরেছে বঙ্গমিডিয়া !। এমনিতে আজকাল ভাল মানুষ হয়ে গেছি। কারো সাথে কোন ক্যাচালে জড়াই না, ব্লগ টগ লিখি না। শুধু অফ লাইনে চুপচাপ বসে এইটা ঐটা ঘাঁটাঘাঁটি করি। কবি বন্ধুর স্ট্যাটাস দেখে খানিক ক্যাচাল করতে ইচ্ছা করল। এই পোষ্টখানাতে ঐ ক্যাচালটাকেই প্যাঁচাইয়া চুইংগামের মতো ব্লগে টেনে নিয়ে আসলাম। যদিও ইভ টিজিং ইস্যুটাকে পত্রিকাওয়ালাদের বাণিজ্যিকীকরণ সংক্রান্ত মতবাদের সাথে আমার দ্বিমত নাই তবে মৃত্যুগুলাতো আর অবস্তব না আর সেই খবর ছেপে পত্রিকাওয়ালারা দুইটা পয়সা কামালেও গণসচেতনতাটাতো কিছুটা হলেও বাড়ছে। তাছাড়া আলোচ্য ক্যাচালে বহু টিন-
রক্তাক্ত পঁচাত্তরঃ চারটি অবশ্যপাঠ্য বই

বিখ্যাত তর্জনী উঁচিয়ে বঙ্গবন্ধু
যে কোন কারনেই হোক, গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর গঠন ও ক্রমবিকাশ নিয়ে যৎকিঞ্চিত পড়াশোনা করছি। মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে সৃষ্ট আমাদের এই প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা পরবর্তী এক দশকে নানাবিধ চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে তবেই আজকের অবস্থানে এসেছে । এই পুরো দশকের মাঝেও আবার ’৭৫ এর মধ্য আগষ্ট থেকে নভেম্বরের প্রথমভাগ পর্যন্ত এই পৌনে তিনমাস সবচেয়ে বেশি ঘটনাবহুল। এদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একের পর এক মোড় ঘুরিয়ে দেয়া তিনটি অভ্যুত্থান ঘটেছে এ সময়ে।
১৫ আগষ্ট, ৩ নভেম্বর এবং ৭ নভেম্বর।
ঘুরে ফিরে নিশীথ সূর্যের দেশে... ৪ ( একটুকরা জার্মানী)
ছবি: নরওয়েতে শেষ রাত
আমাদের তিন সপ্তাহের অসলো যাত্রার শেষকাল চলছে, পরেরদিন ভোরবেলা অসলো থেকে রওয়ানা দিব... রাতে আমার হঠাত করে মনে পড়লো আমি রাজ্যের মানুষকে লাফালাফি করে জানিয়েছি জার্মানীতে আসছি...এবং শেষ মুহুর্তে আমার যা স্বভাব... কারো সাথে যোগাযোগ করি নাই । শেষে মৌসুমরে বললাম কিছু করতে... সে ভাস্করদারে ফোন দিলো... ভাস্করদা আবার কেমনে কেমনে জানি চোরদা'র (উনি চোর নামে সামুতে লিখতেন এককালে, উনার সত্যিকারের নামটা বেমালুম ভুলে গেসি) সাথে যোগাযোগ করে ফেললো.... শেষমেষ জানা গেলো সাত-সকালে আমাদেরকে রিসিভ করতে ফ্র্যাংকফুর্ট এয়ারপোর্টে কেউ একজন থাকবেন ( কে সেই অভাগা ব্যক্তি তখনো জানিনা।) কেমন জানি লজ্জা করছিলো...কাকে না কাকে জ্বালাচ্ছি কে জানে।
তিন ব্লগার ও একটি মনোরম সন্ধ্যা
আসলে ব্লগার ছিলাম আমরা চারজন...না-না পাঁচজন। গিয়াস আহমেদও ছিল, এবিতে যিনি ‘বন্ধু’ নামে নিবন্ধিত। দিনটি ছিল শুক্রবার, অক্টোবর-২৯। আমরা মিলেছিলাম একটি বৈঠকে। পুরোনো বন্ধুদের প্রাণবন্ত আড্ডাবাজী (নাকি গলাবাজী!....মতান্তরে চাপাবাজী)। চলে প্রায় তিন ঘন্টা...। সঙ্গে চা ,কফি আর সিগারেট। (সিগারেটের প্রতি বন্ধুদের ভালোবাসা দেখে ভাবি, নিজের জীবনের প্রতি এদের ভালোবাসা এতো কম কেন !)আমি আড্ডায় পৌঁছি বিকেল চারটায়। গিয়ে দেখি মেসবাহ য়াযাদ আর রানাভাই বসে আছেন ।‘আমারা বন্ধু’তে মেসবাহ’র জনপ্রিয়তা(নাকি ব্লগারপ্রিয়তা!) ঈর্ষনীয়। জিজ্ঞেস করি, এতো কম লিখেও বেশী আলোচিত হওয়ার রহস্য কি ! মেসবাহ তার সেই বিখ্যাত হাসিটা ডেলিভারী দিলেন (এই রহস্যময় হাসি দিয়েই নাকি একদা তিনি মনুভাবীর মন জয় করেছিলেন)। তারপর...
হলুদ পাতা হয়ে ঝরে যাই
![]()
সোনালী হেঁয়ালি সূর্যাস্তের দীপ্তির ভিতরে আমাদের স্পর্শাতুর মন হারিয়ে যায় সময় নামক ঘড়ির আঁধারে.রাতের পর রাত,মাইলের পর মাইল পেরিয়ে আমরা পৌঁছে যাই নবীন করুন রৌদ্র ভোরে যেখানে চিন্তার সংবেগ আমাদের বেঁধে রাখে সূর্যালোকিত শালিকের মতন।
আলতা পায়ে দেখেছিলাম যারে সে হারিয়ে গেছে আজ হেমন্তের ম্লান মাঠের বিকেলে।সেদিন আমার আবেগ তাই বাঁধ ভেঙ্গে গিয়েছিলো;আকাশকে জীবনের নীল মরুভূমি মনে হয়েছিলো।ভয়ার্ত চোখে দেখেছি ডুবন্ত সূর্যের সাথে আমার হাজার রূপান্তরের ভেঙ্গে যাওয়া।কিছু বলতে পারিনি,বাধা দিতে পারিনি,শুধু অনুভব করে গেছি পতনের ক্রান্তি শব্দ।
৪৩ কোটি ৫৪ লক্ষ ৫৬ হাজার সেকেন্ড সময় এক সাথে...!
পূর্বের ১২ বছরের কথা না হয় নাই বললাম। লাইসেন্স পাবার পরের হিসাবটাই না হয় বলি। ৪৩ কোটি ৫৪ লক্ষ ৫৬ হাজার সেকেন্ড, ৭২ লক্ষ ৫৭ হাজার ৬০০ মিনিট, ১ লক্ষ ২০ হাজার ৯৬০ ঘন্টা, ৫ হাজার ৪০ দিন, ১৬৮ মাস মানে ১৪ বছর একসাথে কাটিয়েছি আমি এবং আমরা। আজ আমাদের সেই দিনটি। ১৯৯৬ সালের এদিনে আমাদের দুই পক্ষের সবাই মিলে আমাদেরকে এক সাথে থাকার জন্য পারিবারিক ও আইনগত ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। সেজন্য আমি এবং আমরা তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ।
সবার ভালোবাসা আর আশীর্বাদ নিয়ে আমাদের আগামী দিনগুলো যাতে হাসি-আনন্দে কেটে যায়, আজকের এদিনে সেটাই চাই। সবার জীবন মঙ্গলময় হোক।
নপুংসকদের দেশে একজন মিজানুর রহমান
এ প্রশ্নটার উত্তর ডাক্তারেরাই ভালো দিতে পারবে। বাংলাদেশে কি ভাইরাস জ্বর সারা বিশ্বে সবচেয়ে বেশী হয়? আমার মনে হয় ভাইরাস জ্বর বেশী না কম তারচেয়েও বড় কথা আমাদের সব কিছুতে এর প্রভাব ও মিল। ভাইরাস জ্বর যেমন হটাত আসে আবার যায় আমাদের অনুভুতিও তেমনি আসে আর যায়।ফেব্রূয়ারী এলে আমরা বাংলাপ্রেমী হই। আগস্ট এলে বংগবন্ধুর জন্য চোখের জল ফেলি বা কেউ হ্যাপি বার্থ ডে টু ঈউ বলে গান গাই। ঘন্টা যেতে না যেতেই সে আবেগ ফুরুত করে উড়াল দেয়। ছোটবেলায় আমি যখন সিলেটে আমাকে অনিমেষ ভাই নামের এক শাবিপ্রবির ভাইয়া পড়াত। ভাইয়া পড়া না পাড়লে মাঝে মাঝে খুব বকত আর বলত “এই জিনিসটাকেই ভয়। পড়া না শিখে বকা খাওয়াটা তোর অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।” আমি বলি যেকোন ঘটনা শুনে কিছুদিন ফালাফালি করা নিউজ ছাপা তারপর এক শুণ্য দশা যেন কই কিছু কি হয়েছিল? শর্টটার্ম মেমরী লস এ জাতিকে আমি আরো অনেকের মত আরেকটি বিশেষণ দিলাম “নপুংসক”।
কক্সবাজার - অন্য চোখে দেখা
কক্সবাজার গেলাম কিছুদিন আগে, যদিও এর আগে ১০/১১ বার গেছি । কারণ একটাই - সাগরের ডাক। এই ডাক থেকে দূরে থাকতে পারিনা বেশিদিন, দৌড়াতে হয় তাই কিছুদিন পর পর। সেই ১৯৯৫ সালে প্রথম গেলাম কক্সবাজার, যে মুগ্ধতা নিয়ে দেখেছি সাগরের ঢেউ, এখনো চোখ বুজলে তা শুনতে পাই যেন।
যখন প্রথম গেলাম কক্সবাজারে - তখন চিটাগাং - কক্সবাজার রাস্তা তৈরীর কাজ চলছিল , জায়গায় জায়গায় ভাঙ্গা রাস্তা - ঝাকাইতে ঝাকাইতে আমাদের নিয়ে গেল কক্সবাজার।
এত হোটেল মোটেল ছিল না, ছিলনা তেমন সুবিধা। মোটেল প্রবাল এর ডরমেটরি তে আমরা ৫ বন্ধু ছিলাম এক সাথে। লাবনী পয়েন্টে কয়েকটা দোকান - তাও বেড়ার কিংবা কাঠের, কাঠের পাল্লা - অল্প কিছু রিকশা। আর হোটেলে খেতে গেলে ভাতের সাথে শুটকী ভর্তা আর ডাল ফ্রী।
আবারো পেচ্ছাপেচ্ছি
১.
আজকাল খুব বেশি টিভি দেখা হয় না। যত বেশি চ্যানেলের সংখ্যা বেড়েছে, টিভি দেখা তত কমেছে। তার মানে এই নয় যে, টিভির সামনে বসে থাকি না। অনেক সময় টিভি চলে, চ্যানেল থেকে চ্যানেলে যাই কিন্তু টিভি দেখি সেটা বলা যায় না। এর চেয়ে বরং মুভি দেখাই বেশি পছন্দের।
এর মধ্যে অবশ্য গত ঈদের চারটা নাটক অখন্ড মনোযোগ দিয়ে দেখেছিলাম। তাও আবার সমালোচক হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে। প্রথম আলোর আনন্দ পাতায় ঈদের অনুষ্ঠান নিয়ে একটা বিশেষ আয়োজন ছিল। আর তা হচ্ছে ঈদের নানা অনুষ্ঠানের মধ্য থেকে ভালগুলো নিয়ে লেখালেখি করা। আমার ভাগ্যে পড়েছিল চারটি নাটক।
মিলিনিয়াম দশকের ঢাকা-------- প্রবাসীনির চোখে (আপডেটেড)
২০০০ সালে নতুন দশকের সাথে সূচনা হয় নতুন সহস্রাবব্দের। সারা পৃথিবী জুড়ে এনিয়ে হৈ চৈ শুরু হয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। নিরানব্বই – দুই হাজারে বাংলাদেশের অনেক দোকান পাটের নাম হয় এই অনুসারে। ঢাকার নিউমার্কেটে চলে আসে “মিলিনিয়াম বিরানী হাউজ”। নামকরনের এই ব্যাপারটি বাংলাদেশে ইউনিক। চায়নীজ রেষ্টুরেন্টের নাম ‘ম্যাকডোনাল্ডস”, চুল কাটার দোকানের নাম “কাসাব্লাংকা হেয়ার কাটিং”, জিগাতলায় আছে “সুনামী রেষ্টুরেন্ট”। যেকোন জিনিস যেকারনেই আলোচিত তার দ্বারাই কিছু না কিছু দেশে নামাংকিত। বুশ আর সাদ্দামের যুদ্ধের কারনে সে সময়কার জন্মানো প্রচুর ছেলে শিশুর নাম “সাদ্দাম”। আর একটি জিনিস আমার বাংলাদেশের খুব মনে ধরে রাস্তার দুপাশে মনোরম সব বিলবোর্ড। এ জিনিসটি আমি খুব একটা বাইরে দেখিনি দক্ষিন এশিয়া বাদে। পশ্চিমে থাকে খুবই ছোট সাইজের সামান্য বিজ্ঞাপন, কিন্তু প্রকট রঙ ব্যবহার করে, পেল্লায় সাইজের এই বিলবোর্ড একান্তই দক্
ইরা,অসি এবং ভালোবাসা
ত্রিশ শতকের কোন এক সকাল। কাকভোরেই ঘুম ভাঙ্গে ইরার। বেডে শুয়েই হেড সেটটা মাথায় পরে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা...। নাহ্ কোন সংকেত নেই। হতাশ হয় ইরা। আজো কোন টি-মেইল (ট্যালিপ্যাথিক মেইল)আসেনি ওর নামে। হেডসেটটা রেখে হাতে রিমোট কন্ট্রোল তুলে নেয় ও। ‘উইন্ডো’ লেখা বোতামে আঙুল ছোঁয়ায়। সঙ্গে সঙ্গে জীবন্ত হয়ে ওঠে দেয়ালে সেট করা ওয়াল টু ওয়াল সুপারভিশন মনিটর। সারা দেয়ালজুড়ে ফুটে ওঠে মেঘলা আকাশ। ধুসর প্রকৃতি। এবার রিমোট কন্ট্রোলের ‘ প্রোগ্রাম’ বোতামটা স্পর্শ করে ইরা। মুহূর্তেই মেঘলা আকাশ মুছে যায়...। দেয়ালটা হয়ে যায় বিশাল টিভি পর্দা। আবহাওয়ার সংবাদ পড়ছে একটা মেয়ে। হাঁ আজ বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির কথা শুনে মন ভালো হয়ে যায় ইরার। আহা...কতদিন বৃষ্টি
যা না লিখলেও চলত
মাইনুল এইচ সিরাজীর 'হরে কর কমবা.......' পড়িয়া জানিতে চাহিয়াছিলাম যে তিনি উহা কোথা হইতে সংগ্রহ করিয়াছেন । জানিতে চাহিবার হেতু ছিল এই যে আমার নাবালক বয়সে আমাদের বন্ধুদের মধ্যে ইহা লইয়া প্রায়ই হাসাহাসি হইত । সিরাজী অতি দ্রুত আমাকে জানাইয়াছিলেন যে, তিনি তাহার পিতার নিকটে 'হরে কর কমবা.......' শুনিয়াছিলেন । সিরাজীর ছেলেবেলার কথা মনে পড়িবার বাতিক রহিয়াছে (ফেসবুক প্রফাইল দ্রষ্টব্য ) । তাহার উত্তর পাইবার কিছু পরে আমারও হঠাৎ আমার ছেলেবেলার কিছু কথা মনে পড়িয়া গেল । যে সকল কথা মনে পড়িয়াছিল তাহার মধ্যে একটি সিরাজীর কাছে বার্তা আকারে পাঠাইয়াছিলাম । আমার মনে হয় ব্যস্ততার কারণে তিনি উহা দেখিবার সময় পান নাই । তাই অদ্য সকলকে সেই স্মৃতিটুকুর সঙ্গী করিবার আহ্লাদ হইয়াছে । যাহা এইখানে লিপিবদ্ধ করিলাম ............
শুভ জন্মদিন আমরা বন্ধু
আজকে আমরা বন্ধু গ্রুপ এর জন্মদিন। এই দিন এবির শুরু হয়েছিল। ব্যস্ততার কারনে সবাই আমরা ভুলে গেছি।
যাই হোক
শুভ জন্মদিন আমরা বন্ধু। সব বন্ধুদের শুভেচ্ছা।
আমারো মনে ছিল না। কলি আপার স্ট্যাটাস দেখে মনে পরলো।
আমরা বন্ধু আরো অনেক দূর এগিয়ে যাক এই শুভ কামনা রইল। বিশেষ করে রনির প্রতি অনেক অনেক ধন্যবাদ রইল।
রাব্বী
সবই ছিলো অজানা
একদিন বন্ধু ছিলে শীত আর শিশিরের মত
অথবা আপন ছিলে শ্রাবণের মেঘ আর বৃষ্টির মতই
অথবা নিবিড় বনে শরতের কাশফুল; নদী আর জল।
অচেনা হলে যে ভুলে যেতে হয় সব কিছু পেছনের
চেনা পথ ঘুরে যেতে হয়, পথ চলায় কখনো হলে দেখা
হঠাৎ ফিরিয়ে নিতে হয় দৃষ্টি কিংবা আড়ালে মুখ।
স্মৃতিগুলো সব দিয়ে জলাঞ্জলী বেদনার বহ্নিজালে
হৃদয়ের ক্ষত করতে আড়াল নতুন ব্যথাকে আলিঙ্গন
এর সবই ছিলো অজানা, যেমন অজানা আগামী সকাল।
২৮.১০.২০১০
কে. এস. এ
এক পয়সার কাঠি

১
ঘুট ঘুটে অন্ধকারে মৃত্যুকে ডাকছে সবাই
ঠিক সে সময় কে যেন
এক পয়সার
একটি কাঠি জ্বেলে দিল,
মরে আর যেতে পারেনি মুমুর্ষু বৃদ্ধটি
আধপোড়া মোমবাতি খুঁজে পেয়ে
প্রসব কান্নার ঘরে
বাতি হাতে হেটে গিয়েছিল সে,
লাঠিতে ভর করে
কন্যার কপালে সস্নেহে হাত রাখতেই
একটি পবিত্র শিশু কেঁদে উঠলো
কাঁপা কাঁপা আলোয়
২
তখন যুদ্ধ চলছে একাত্তরে,
ব্ল্যাক আউট চলছে
শিশুদের জন্য বাসযোগ্য কাঁথা নেই
মায়েদের সম্ভ্রম রক্ষা করার জন্য
কোন চাদর নেই,
জলপাই ট্যাঙ্কের সামনে
মাথা পেতে আছে কমবেশী সবাই
ঠিক তখনই একটি হাত
হানাদারদের দিকে ছুঁড়ে দেয় হাতে বানানো বোমা
মেশিনগান পালিয়েছিল সেই শব্দ-ভয়ে
শিশুটিরও আর মরে যাওয়া হয়নি
৩
আজ আবারও অন্ধকার চারদিক
শিশুটি বড় হয়েছে, তবুও অন্ধকার
এতগুলো হাত আছে