ইউজার লগইন
ব্লগ
৪৩ কোটি ৫৪ লক্ষ ৫৬ হাজার সেকেন্ড সময় এক সাথে...!
পূর্বের ১২ বছরের কথা না হয় নাই বললাম। লাইসেন্স পাবার পরের হিসাবটাই না হয় বলি। ৪৩ কোটি ৫৪ লক্ষ ৫৬ হাজার সেকেন্ড, ৭২ লক্ষ ৫৭ হাজার ৬০০ মিনিট, ১ লক্ষ ২০ হাজার ৯৬০ ঘন্টা, ৫ হাজার ৪০ দিন, ১৬৮ মাস মানে ১৪ বছর একসাথে কাটিয়েছি আমি এবং আমরা। আজ আমাদের সেই দিনটি। ১৯৯৬ সালের এদিনে আমাদের দুই পক্ষের সবাই মিলে আমাদেরকে এক সাথে থাকার জন্য পারিবারিক ও আইনগত ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। সেজন্য আমি এবং আমরা তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ।
সবার ভালোবাসা আর আশীর্বাদ নিয়ে আমাদের আগামী দিনগুলো যাতে হাসি-আনন্দে কেটে যায়, আজকের এদিনে সেটাই চাই। সবার জীবন মঙ্গলময় হোক।
নপুংসকদের দেশে একজন মিজানুর রহমান
এ প্রশ্নটার উত্তর ডাক্তারেরাই ভালো দিতে পারবে। বাংলাদেশে কি ভাইরাস জ্বর সারা বিশ্বে সবচেয়ে বেশী হয়? আমার মনে হয় ভাইরাস জ্বর বেশী না কম তারচেয়েও বড় কথা আমাদের সব কিছুতে এর প্রভাব ও মিল। ভাইরাস জ্বর যেমন হটাত আসে আবার যায় আমাদের অনুভুতিও তেমনি আসে আর যায়।ফেব্রূয়ারী এলে আমরা বাংলাপ্রেমী হই। আগস্ট এলে বংগবন্ধুর জন্য চোখের জল ফেলি বা কেউ হ্যাপি বার্থ ডে টু ঈউ বলে গান গাই। ঘন্টা যেতে না যেতেই সে আবেগ ফুরুত করে উড়াল দেয়। ছোটবেলায় আমি যখন সিলেটে আমাকে অনিমেষ ভাই নামের এক শাবিপ্রবির ভাইয়া পড়াত। ভাইয়া পড়া না পাড়লে মাঝে মাঝে খুব বকত আর বলত “এই জিনিসটাকেই ভয়। পড়া না শিখে বকা খাওয়াটা তোর অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।” আমি বলি যেকোন ঘটনা শুনে কিছুদিন ফালাফালি করা নিউজ ছাপা তারপর এক শুণ্য দশা যেন কই কিছু কি হয়েছিল? শর্টটার্ম মেমরী লস এ জাতিকে আমি আরো অনেকের মত আরেকটি বিশেষণ দিলাম “নপুংসক”।
কক্সবাজার - অন্য চোখে দেখা
কক্সবাজার গেলাম কিছুদিন আগে, যদিও এর আগে ১০/১১ বার গেছি । কারণ একটাই - সাগরের ডাক। এই ডাক থেকে দূরে থাকতে পারিনা বেশিদিন, দৌড়াতে হয় তাই কিছুদিন পর পর। সেই ১৯৯৫ সালে প্রথম গেলাম কক্সবাজার, যে মুগ্ধতা নিয়ে দেখেছি সাগরের ঢেউ, এখনো চোখ বুজলে তা শুনতে পাই যেন।
যখন প্রথম গেলাম কক্সবাজারে - তখন চিটাগাং - কক্সবাজার রাস্তা তৈরীর কাজ চলছিল , জায়গায় জায়গায় ভাঙ্গা রাস্তা - ঝাকাইতে ঝাকাইতে আমাদের নিয়ে গেল কক্সবাজার।
এত হোটেল মোটেল ছিল না, ছিলনা তেমন সুবিধা। মোটেল প্রবাল এর ডরমেটরি তে আমরা ৫ বন্ধু ছিলাম এক সাথে। লাবনী পয়েন্টে কয়েকটা দোকান - তাও বেড়ার কিংবা কাঠের, কাঠের পাল্লা - অল্প কিছু রিকশা। আর হোটেলে খেতে গেলে ভাতের সাথে শুটকী ভর্তা আর ডাল ফ্রী।
আবারো পেচ্ছাপেচ্ছি
১.
আজকাল খুব বেশি টিভি দেখা হয় না। যত বেশি চ্যানেলের সংখ্যা বেড়েছে, টিভি দেখা তত কমেছে। তার মানে এই নয় যে, টিভির সামনে বসে থাকি না। অনেক সময় টিভি চলে, চ্যানেল থেকে চ্যানেলে যাই কিন্তু টিভি দেখি সেটা বলা যায় না। এর চেয়ে বরং মুভি দেখাই বেশি পছন্দের।
এর মধ্যে অবশ্য গত ঈদের চারটা নাটক অখন্ড মনোযোগ দিয়ে দেখেছিলাম। তাও আবার সমালোচক হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে। প্রথম আলোর আনন্দ পাতায় ঈদের অনুষ্ঠান নিয়ে একটা বিশেষ আয়োজন ছিল। আর তা হচ্ছে ঈদের নানা অনুষ্ঠানের মধ্য থেকে ভালগুলো নিয়ে লেখালেখি করা। আমার ভাগ্যে পড়েছিল চারটি নাটক।
মিলিনিয়াম দশকের ঢাকা-------- প্রবাসীনির চোখে (আপডেটেড)
২০০০ সালে নতুন দশকের সাথে সূচনা হয় নতুন সহস্রাবব্দের। সারা পৃথিবী জুড়ে এনিয়ে হৈ চৈ শুরু হয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। নিরানব্বই – দুই হাজারে বাংলাদেশের অনেক দোকান পাটের নাম হয় এই অনুসারে। ঢাকার নিউমার্কেটে চলে আসে “মিলিনিয়াম বিরানী হাউজ”। নামকরনের এই ব্যাপারটি বাংলাদেশে ইউনিক। চায়নীজ রেষ্টুরেন্টের নাম ‘ম্যাকডোনাল্ডস”, চুল কাটার দোকানের নাম “কাসাব্লাংকা হেয়ার কাটিং”, জিগাতলায় আছে “সুনামী রেষ্টুরেন্ট”। যেকোন জিনিস যেকারনেই আলোচিত তার দ্বারাই কিছু না কিছু দেশে নামাংকিত। বুশ আর সাদ্দামের যুদ্ধের কারনে সে সময়কার জন্মানো প্রচুর ছেলে শিশুর নাম “সাদ্দাম”। আর একটি জিনিস আমার বাংলাদেশের খুব মনে ধরে রাস্তার দুপাশে মনোরম সব বিলবোর্ড। এ জিনিসটি আমি খুব একটা বাইরে দেখিনি দক্ষিন এশিয়া বাদে। পশ্চিমে থাকে খুবই ছোট সাইজের সামান্য বিজ্ঞাপন, কিন্তু প্রকট রঙ ব্যবহার করে, পেল্লায় সাইজের এই বিলবোর্ড একান্তই দক্
ইরা,অসি এবং ভালোবাসা
ত্রিশ শতকের কোন এক সকাল। কাকভোরেই ঘুম ভাঙ্গে ইরার। বেডে শুয়েই হেড সেটটা মাথায় পরে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা...। নাহ্ কোন সংকেত নেই। হতাশ হয় ইরা। আজো কোন টি-মেইল (ট্যালিপ্যাথিক মেইল)আসেনি ওর নামে। হেডসেটটা রেখে হাতে রিমোট কন্ট্রোল তুলে নেয় ও। ‘উইন্ডো’ লেখা বোতামে আঙুল ছোঁয়ায়। সঙ্গে সঙ্গে জীবন্ত হয়ে ওঠে দেয়ালে সেট করা ওয়াল টু ওয়াল সুপারভিশন মনিটর। সারা দেয়ালজুড়ে ফুটে ওঠে মেঘলা আকাশ। ধুসর প্রকৃতি। এবার রিমোট কন্ট্রোলের ‘ প্রোগ্রাম’ বোতামটা স্পর্শ করে ইরা। মুহূর্তেই মেঘলা আকাশ মুছে যায়...। দেয়ালটা হয়ে যায় বিশাল টিভি পর্দা। আবহাওয়ার সংবাদ পড়ছে একটা মেয়ে। হাঁ আজ বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির কথা শুনে মন ভালো হয়ে যায় ইরার। আহা...কতদিন বৃষ্টি
যা না লিখলেও চলত
মাইনুল এইচ সিরাজীর 'হরে কর কমবা.......' পড়িয়া জানিতে চাহিয়াছিলাম যে তিনি উহা কোথা হইতে সংগ্রহ করিয়াছেন । জানিতে চাহিবার হেতু ছিল এই যে আমার নাবালক বয়সে আমাদের বন্ধুদের মধ্যে ইহা লইয়া প্রায়ই হাসাহাসি হইত । সিরাজী অতি দ্রুত আমাকে জানাইয়াছিলেন যে, তিনি তাহার পিতার নিকটে 'হরে কর কমবা.......' শুনিয়াছিলেন । সিরাজীর ছেলেবেলার কথা মনে পড়িবার বাতিক রহিয়াছে (ফেসবুক প্রফাইল দ্রষ্টব্য ) । তাহার উত্তর পাইবার কিছু পরে আমারও হঠাৎ আমার ছেলেবেলার কিছু কথা মনে পড়িয়া গেল । যে সকল কথা মনে পড়িয়াছিল তাহার মধ্যে একটি সিরাজীর কাছে বার্তা আকারে পাঠাইয়াছিলাম । আমার মনে হয় ব্যস্ততার কারণে তিনি উহা দেখিবার সময় পান নাই । তাই অদ্য সকলকে সেই স্মৃতিটুকুর সঙ্গী করিবার আহ্লাদ হইয়াছে । যাহা এইখানে লিপিবদ্ধ করিলাম ............
শুভ জন্মদিন আমরা বন্ধু
আজকে আমরা বন্ধু গ্রুপ এর জন্মদিন। এই দিন এবির শুরু হয়েছিল। ব্যস্ততার কারনে সবাই আমরা ভুলে গেছি।
যাই হোক
শুভ জন্মদিন আমরা বন্ধু। সব বন্ধুদের শুভেচ্ছা।
আমারো মনে ছিল না। কলি আপার স্ট্যাটাস দেখে মনে পরলো।
আমরা বন্ধু আরো অনেক দূর এগিয়ে যাক এই শুভ কামনা রইল। বিশেষ করে রনির প্রতি অনেক অনেক ধন্যবাদ রইল।
রাব্বী
সবই ছিলো অজানা
একদিন বন্ধু ছিলে শীত আর শিশিরের মত
অথবা আপন ছিলে শ্রাবণের মেঘ আর বৃষ্টির মতই
অথবা নিবিড় বনে শরতের কাশফুল; নদী আর জল।
অচেনা হলে যে ভুলে যেতে হয় সব কিছু পেছনের
চেনা পথ ঘুরে যেতে হয়, পথ চলায় কখনো হলে দেখা
হঠাৎ ফিরিয়ে নিতে হয় দৃষ্টি কিংবা আড়ালে মুখ।
স্মৃতিগুলো সব দিয়ে জলাঞ্জলী বেদনার বহ্নিজালে
হৃদয়ের ক্ষত করতে আড়াল নতুন ব্যথাকে আলিঙ্গন
এর সবই ছিলো অজানা, যেমন অজানা আগামী সকাল।
২৮.১০.২০১০
কে. এস. এ
এক পয়সার কাঠি

১
ঘুট ঘুটে অন্ধকারে মৃত্যুকে ডাকছে সবাই
ঠিক সে সময় কে যেন
এক পয়সার
একটি কাঠি জ্বেলে দিল,
মরে আর যেতে পারেনি মুমুর্ষু বৃদ্ধটি
আধপোড়া মোমবাতি খুঁজে পেয়ে
প্রসব কান্নার ঘরে
বাতি হাতে হেটে গিয়েছিল সে,
লাঠিতে ভর করে
কন্যার কপালে সস্নেহে হাত রাখতেই
একটি পবিত্র শিশু কেঁদে উঠলো
কাঁপা কাঁপা আলোয়
২
তখন যুদ্ধ চলছে একাত্তরে,
ব্ল্যাক আউট চলছে
শিশুদের জন্য বাসযোগ্য কাঁথা নেই
মায়েদের সম্ভ্রম রক্ষা করার জন্য
কোন চাদর নেই,
জলপাই ট্যাঙ্কের সামনে
মাথা পেতে আছে কমবেশী সবাই
ঠিক তখনই একটি হাত
হানাদারদের দিকে ছুঁড়ে দেয় হাতে বানানো বোমা
মেশিনগান পালিয়েছিল সেই শব্দ-ভয়ে
শিশুটিরও আর মরে যাওয়া হয়নি
৩
আজ আবারও অন্ধকার চারদিক
শিশুটি বড় হয়েছে, তবুও অন্ধকার
এতগুলো হাত আছে
আত্মকথাঃ মিশরের পিরামিড।
গতকাল রাতে স্বপ্নে আমার মনে হল মিশরের পিরামিড ভ্রমনে বেড়িয়েছি! কায়রো শহরের এ মাথা থেকে ওই মাথা ঘুরে বেড়িয়েছি। কত আনন্দ, কত গান, কত আড্ডা! নানা কাহিনী, নানা কথা। কিন্তু লিখে কি আপনাদের বুঝাতে পারব! আপনারা তো আবার ছবি প্রমান চান। আমাদের মুসা ভাইকে আপনারা কত কি বললেন। তিনিই যদি মুর্ত্তি ধরে একটা ছবি তুলতে পারতেন! আমি কিন্তু সে ভুল করিনি। ধাপে ধাপে ছবি তুলেছি! কিন্তু একটা আফসোস যদি পিরামিডের চূড়ায় উঠতে পারতাম! আমি আবার কাজ বেশী করি - চলুন দেখি।

১। ইয়া হাবিবী! ইয়া হাবিবী!

২। পিরামিড।

-
যে শখের স্পিড গেল কমে
ঘুরে বেড়ানো শখের জন্মটা যে কবে হলো, ঠাহর করতে পারি নি। একদিন হঠাৎই আবিষ্কার করলাম যে, ঘুরতে ভালোলাগে, বেড়াতে ভালোলাগে। ততোদিনে ঢাকার আশেপাশের অনেক জায়গা ঘুরাঘুরি শেষ। ঘুরাঘুরি বলতে বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে হঠাৎ একটা জায়গায় চলে যাওয়া, যেখানে হয়তো ঠিক ঘুরে বেড়ানোর উদ্দেশ্যে কেউ আগে যায় নি; অথবা আমার বা আমাদের মতো বায়ুচড়া বড়জোড় দুয়েকজন গেলেও যেতে পারে। একদিন যেমন আমরা ধামরাই বাসস্ট্যান্ডে নেমে রিকশাওয়ালাকে বললাম, এই রাস্তায় ১০ টাকা দিয়ে যতোদূর যাওয়া যায় ততোদূর যাব। সেখান থেকে বাকি ঘণ্টা কয়েক হাঁটাহাটি করে সময় পার। দুপুরে খেলাম একটা রেস্টুরেন্টে- যদি তাকে আদৌ কেউ রেস্টুরেন্ট বলে। আবার একদিন মাওয়া যাওয়ার রাস্তায় হুট করে কোথায় যেন নেমে গেলাম- হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎই দেখি সামনে পদ্মা। তীরে ভাতের দোকান। দুই পিস ইলিশ, এক পিস রুই মাছ ভাজা, এক পিস খাসির মাংস, সবজি, ছোট মাছ আর ভর্তা দিয়ে এক প্লেট ভাত খেয়ে শুনি
মাটির গন্ধ
না, আমি কোন গুরুগম্ভীর বিষয়ের অবতারনা করতে যাচ্ছি না । মনে মনে কত কথার জাল বুনে চলেছি অহরহ, সে সব কথা শুনবার, শুনাবার মত আমার কোন বন্ধু ছিল না এতদিন ! এখন “আমরা সবাই বন্ধু, আমাদের এই ‘আমরা বন্ধু’তে” । তাই এখানে সেই সব আবোল-তাবোল কথা বলতে ইচ্ছা করছে । আমার মনে হতে শুরু করেছে যে, এ আসরে মনের কথা অকপটে বলা যায়, এখানে আমার কথার নিবিষ্ট শ্রোতা আছে ।
হাসপাতাল নিবাস- কয়েকটি টুকরো ঘটনা
মেযবাহ ভাইয়ের রাতের গল্প পড়ে প্রায়ই ভাবি আমারও হাসপাতালের গল্প আছে। আজ লিখবো, কাল লিখবো। কিন্তু "অকাজের কাজি- মস্তবড় পাজি' হবার কারণে তা আর করা হয়ে ওঠেনা। অবশেষে আজ কাজ করার মাঝে প্রচণ্ড আলসেমীতে মনে হলো আমার হাসপাতালের গল্প কিছুটা শেয়ার করা যায়।
ব্যক্তিগতভাবে হাসপাতাল বিষয়টি আমার ভীষণ অপছন্দের। হাসপাতাল মানেই মন খারাপ, ঔষুধের গন্ধ আর অসুস্থতা ধরিয়ে দেয়া। নিজের ডেঙ্গু আমলে ৪৫ দিনের বদলে ১৫ দিন থাকা ছিল অপছন্দ থেকেই। এবং সেটার ফলে শারীরিক অবস্থার চূড়ান্ত অবনতি এবং ডাক্তার সাহেবের সাথে মুখ দেখাদেখি বন্ধ টাইপের অভিমানও সহ্য করতে হয়েছে।
রূপগঞ্জে জনতার প্রতিরোধ: কবর রচনা হোক সকল আধিপত্যবাদী শক্তির...
রাষ্ট্রের কাছে আমাগো প্রত্যাশা অনেক। ক্ষমতার ভাগাভাগিতে প্রতিযোগিতায় থাকা রাজনৈতিক দলগুলির কাছে আমাগো প্রত্যাশা সীমাহীন। রাষ্ট্রীয় নীতি-নির্ধারকগো জ্ঞানে আজো আমাগো বিপুল আস্থা। সেবামূলক সংস্থাগুলি থেইকা আমরা আজো প্রত্যাশা করি সেবার ফুলঝুড়ি। আবার এই আমরাই জানি রাজনৈতিক দলগুলি সুবিধাবাদী মুনাফাখোর ব্যবসায়ি আর মাস্তানগো ক্লাব। নীতি-নির্ধারকেরা মানে পলিসি মেইকাররা দেশের বাস্তবতাজ্ঞান বিবর্জিত একটা গোষ্ঠী। সেবামূলক সংস্থায় চাকরি পাইতেও একজন চাকরী প্রার্থীরে বহুত টাকা ঘূষ দিতে হয়। আমাগো সেনাবাহিনী আমাগো কাছে আজো দেশরক্ষার অতন্দ্র প্রহরী। আমরা ভাবি সেনাবাহিনীতে মানুষ পিটাইয়া ফেরেশতা বানাইয়া দেয়া হয়। কিন্তু আমরা জানি যূগে যূগে কালে কালে সেনাবাহিনীর সদস্যরা এই দেশের প্রতিবাদী মানুষরে নির্যাতন করছে। চাকরী শেষে তারা ক্ষমতার অপব্যবহার কইরা এই দেশের রাজনীতি আর অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে সুবিধাভোগী দানব হইয়া