ইউজার লগইন
ব্লগ
টুকরো ইতিহাস-২: পরের বউ
প্রতি সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। এখানেই গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয, সিদ্ধান্তও হয়। অনেক গোপনীয় বিষয় নিয়ে আলোচনার একটি জায়গাও এই বৈঠক। এরশাদের সময় ছিল মিনি কেবিনেট। অল্প কয়েকজনকে নিয়ে বসতো এরশাদ।
গতকালও ছিল মন্ত্রিসভার বৈঠক। বৈঠক যখন শেষ তখন প্রধানমন্ত্রী দুজন মন্ত্রীর নাম ধরে বললেন, এই দুজন ছাড়া সবাই চলে যান। তারপর আরও তিনজন মন্ত্রীকেও বলা হল থাকতে। আলোচিত দুজন মন্ত্রীকে নিয়ে এরপর বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী। বাকি তিন মন্ত্রী ছিলেন দর্শক। কী আলোচনা?
-আমি কী করে বলবো? আমি কী ছিলাম নাকি?
যারা ছিলেন তারা যদি ভবিষ্যতে কিছু লেখেন, তাহলেই জানা যাবে।
কেউ কেউ যে লেখেন না তা নয়। একজন সাবেক সচিব লিখে গেছেন এ ধরণের নানা বৈঠকের কাহিনী। সেটা বরং বলি-
৩ এপ্রিল, রোববার, ১৯৭৭
কার্টুনিস্ট আরিফের মা অসুস্থ। কেউ কি এখন বাড়িয়ে দেবেন হাত--
আরিফের মা অসুস্থ। তাঁর কিডনী কাজ করছে না। কিডনী প্রতিস্থাপন করতে হবে। এজন্য ১৬ লক্ষ টাকা দরকার।
যদি কিডনী প্রতিস্থাপন করা না হয় তাহলে সারা জীবন সপ্তাহে দুবার ডায়ালাইসিস করতে হবে। তার খরচ আরও বেশি। অবস্থা ভয়ংকর।
বিলাতের দিনরাত্রি...২
একে তো চরম মন খারাপ করা দিন কাটে, তার উপরে ক্লাস থেকে ফিরে রোজ দরজা খুলে ঘরে ঢুকতে গিয়ে থমকে দাঁড়াই একটু, শুনি মহিলাটি আবার কাঁদছে। কাছে গিয়ে সান্ত্বনা দেবার লোভ সামলাই কোনরকমে। চোরের মত ত্রস্তপায়ে নিজের ঘরে ঢুকে দরজা আটকে বসে থাকি। ল্যাপটপটা কোলের উপরে নিয়ে অন্যমনস্কের মত এই সেই ওয়েব পাতায় ঘুরে বেড়াই। পাশের ঘর থেকে খসখসে বয়স্ক আর তীক্ষ্ণ কিশোরী কন্ঠের চিৎকার ভেসে আসে। মহিলাটি সিলেটি ভাষায় কি বলে যাচ্ছেন, তার পুরোটা বুঝতে পারিনা, আধাআধি যা বুঝি তাতে মনে হয় বারো বছরের মেয়েটির ব্রিটিশ উচ্ছৃংখলতা সিলেটের পাড়াগাঁ থেকে লন্ডন চলে আসা মায়ের সহ্যের বাইরে চলে গেছে। মায়ের কথা না বুঝলেও, মেয়ের মুখের ''শাট আপ, ইউ ব্লাডি হোর'' শুনে আপাদমস্তক চমকে উঠি!
abar shei lekha chai........
je post niye eto chilla-chilli...mono malinno holo............... shei post er karone chomotkar 2a lekha pelam mail a..........apatoto ami chinta mukto......
dekha jacche........
ashole shob kichur piche valo kichu thake........
je jai vaben na keno,amr uddesshota ashol silo.amk ekjon suggest koresilo ekhane muktijuddho bishoyok lekha khujte,jodi valo kichu chai......eai blog er nitimala jana na thakay joto jhamela....... keu jodi na bujhe baparta personally nite chan,tahole r ki bolbo ami........
jai hok........thanx to all...
lekha chai............
মাসিক সাহিত্য পত্রিকা “আলো ও ছায়ার” জন্যে জরুরী ভিত্তিতে একটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখা প্রয়োজন। লেখা ই মেইল করবার শেষ সময় ৫ই অক্টোবর,২০১০। এছাড়া অন্যান্য যে কোনো লোখা পাঠাতে পারেন। পাঠাবার ঠিকানা rbaishakhi2010@gmail.com
আপনার প্রিয় লেখাটির অপোয় রইলাম আমরা....
রুমানা বৈশাখী
সহ সম্পাদক
মাসিক আলো ও ছায়া
বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তির ভবিষ্যত নিয়ে কিছু বলতে চাই
তথ্য প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। প্রায় সবক'টি গ্রুপ অব কোম্পানী, এনজিও, সরকারী-বেসরকারী অফিসের এখন ওয়েব সাইট আছে। মানদন্ডের বিচারে না হয় নাই গেলাম সেসকল ওয়েবসাইটের। ঘরে ঘরে এখন ইন্টারনেট। ছেলে মেয়েরা এখন বাহিরে খেলতে না যেয়ে বাসায় বসে সারাদিন চ্যাটিং এবং ওয়েব ব্রাউজিং এ ব্যস্ত। অথচ পাশের দেশ ভারত দিকে তাকালে দেখি চ্যাটিং এ ব্যস্ত না থেকে সেই একই বয়সের ছেলে মেয়েরা চ্যাটিং সফটওয়্যার কিভাবে কাজ করে অথবা কিভাবে এটা ডেভেলপ করা হলো তা জানতে বেশি আগ্রহী।
বার্থ সাটিফিকেট এবং পররাষ্ট্র মণ্ত্রনালয় সত্যায়িতকরণ অভিজ্ঞতা
বার্থ সার্টিফিকেট কি সেটা আমরা সবাই জানি। বিশেষ করে শিক্ষা সংক্রান্ত কাজে বিদেশে যেতে বা অন্যান্য কাজে বার্থ সার্টিফিকেটের দরকার হয়। বার্থ সার্টিফিকেটটি অবশ্য ইংরেজীতে। শুধু বার্থ সাটিফিকেট হলেই হয় না, পররাষ্ট্র মণ্ত্রনালয় থেকে তা সত্যায়িতও করাতে হয়। আমারও সেরকম কারণেই বার্থ সার্টিফিকেটের দরকার পড়ল। বছর পাচেক আগেও একবার নিয়েছিলাম, আবার দরকার পড়ল। যেহেতু আমি ঢাকার বাসিন্দা, পুরোনো কপিটি সাথে নিয়ে সোজা চলে গেলাম ঢাকা সিটি করপোরেশনে। মনে মনে দুরু দুরু ভয়, শুনেছি সিটি করপোরেশনে অনেক ধান্দাবাজ আছে। এরা অহেতুক মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলে, মিথ্যা কথায় অর্থ আত্মসাৎ করে। তবু ঢাকা সিটি করপোরেশন ছাড়া যেহেতু আর কোন উপায় নেই, অতএব যেতেই হল।
আমি আমার বউকে ভীষণ ভালোবাসি
রাতের খাবার শেষ করে বারান্দায় বসেছিলাম কয়েকটা 'টু বি অর নট টু বি'র হিসেব মেলাতে, তখুনি অচেনা নাম্বার থেকে একটা ফোন এল। অচেনা নাম্বার থেকে ফোন এলে আশংকিত থাকি একটা বাজে ঘটনার পর থেকে। কিন্তু কন্ঠটি আমার জড়তাকে পাত্তা না দিয়ে বললো, " দোস্ত আমি লাবু। বিয়া করতেছি, তোর আসতে হবে। আগামী ১৭ তারিখ হলুদ। হলুদে তো অবশ্যই আসতে হবে। বিশেষ দরকার আছে।"
লাবু.......লাবু......স্মৃতি হাতড়ে যে মুখটা পেলাম সেটা আমাকে ফোন করার মতো কেউ না। লাবু নামের এক সহপাঠী ছিল স্কুল জীবনে, কিন্তু বন্ধু বলা যায় না তাকে। সেই লাবু কি?
টুকরো-টাকরা ১
১.
তালেবানগো বিরুদ্ধে লড়াই করতে হইবো, এইরম জেহাদি ঘোষণা আমাগো অধিকাংশ প্রগতিশীল বন্ধুগো চেতনায় আসা যাওয়া করে। কিন্তু আমরা জানি না আফঘানিস্তানে তালেবানি শাসন কায়েমের রাজনীতি। আমরা অধিকাংশই জানি না কেমনে মধ্যবিত্ত আফঘানিস্তিয়ান তৈরী কইরা দিছে আমেরিকান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আমরা জানি না বা জানতে চাইনা এই রাজনীতির সাথে বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ রাজনীতির কদ্দূর সম্পর্ক বিরাজমান।
অভ্র ৫.০.৫ পাবলিক বেটা ১। আরো সহজ, আরো সুন্দর, আরো দ্রুত!
অভ্র'র প্রতি আমার ভালবাসা আজীবনের। অভ্র না থাকলে কখনো কম্পিউটার এ বাংলা লিখতে পারতাম না। আমরা বন্ধু সহ নানা ব্লগের সদস্য হয়ে কেটে যাচ্ছিল কাল। এক লাইনও লিখতে পারি নাই কোথায়ও, এমন কি মন্তব্য করতে যেতাম না। অভ্র'র কথা জানলেও বাংলা টাইপের ভয়ে (অভ্রকে তখনো পুরা জানা ছিল না, তার পর 'বিজয় কাগু' ভীতি) ছিলাম ভীত!
এমনি সময় বন্ধু মেজবাহ যায়াদের একটা লেখায় (যতদূর মনে পড়ে নির্মল সেন নিয়ে) বাংলিশ মন্তব্য লিখেছিলাম (হয়ত সইতে না পেরে) এই আমরা বন্ধুতে! রায়হান ভাই কি একটা মন্তব্য করে বসেন। ব্যস, আর যাই কই, মাথায় জিদ চেপে গেল। বাংলা শিখতেই হবে। সারারাত অভ্র নিয়ে কাটিয়ে দিলাম। ইংরেজী টাইপ করলে বাংলা হয় বুঝে গেলাম আর ইংরেজীতো ভাল টাইপ করতে পারি! পরদিন আরো চেষ্টা করলাম। বাহ বেশ তো! বন্ধু মেজবাহকে নিয়ে লিখলাম একটা কবিতা(! কিছু হয় নাই)।
কা্বজাব - ২
শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড এই কথাটার সাথে আমার চরম দ্বিমত আছে। শিক্ষা আমাদের সমাজকে কি দিচ্ছে? কিছু শিক্ষিত দুর্নীতিবাজ আর কিছু শিক্ষিত অমেরুদন্ডী প্রানী এবিং কিছু শিক্ষিত মূর্খ। এই যে শিক্ষিত তাকমা লাগিয়ে কিছু অমানুষ বের হচ্ছে এদের পিছনে সমাজ , পরিবেশ পরিস্থিতি দায়ী অনস্বীকার্য। কিন্তু যাদের মানুষ গড়ার কারিগর বলি তাদের কি কোন দায়বদ্ধতা নেই?
সীমায় রুদ্ধ
সীমায় রুদ্ধ, সীমায় রুদ্ধ - ভুবন আকাশ তল
সীমায় রুদ্ধ মানুষগুলোর নয়ন জাত শীতল জল
সীমায় রুদ্ধ সময় জুড়ে অন্তরীক্ষের নিকোষ আঁধারটাও
সীমায় রুদ্ধ সময় ঘিরে ঘটনার সব বিশদ ঘনঘটাও।
সীমায় রুদ্ধ জীবন বলেই জীবন ভীষণ কষ্ট দেয়
সীমায় রুদ্ধ মন বলেই সে মন কষ্টও চুষে নেয়...
সীমায় রুদ্ধ কর্মকান্ড , সীমায় হায় হুতাশ
সীমায় রুদ্ধ স্বল্প এ ঘরে সীমায় রুদ্ধ বাতাস
সীমায় রুদ্ধ স্বপ্ন সকল , সীমার পর আর নেই
সীমায় রুদ্ধ সুখ খুঁজে তাই দু:খও হারা্য় খেই
সীমায় বদ্ধ মানব প্রাণী সুখ দু:খে মিলেমিশে
সীমায় রুদ্ধ জীবন কাটায় কেঁদে এবং হেসে.........
১/১০/২০১০
আজিরা দিনপঞ্জী... ১২
''কোথাও আমার হারিয়ে যাবার নেই মানা,মনে মনে...
মেলে দিলেম গানের সুরের এই ডানা মনে মনে।''
হয়তোবা ......
কথা না বলতে বলতে
হয়েছি বাকরুদ্ধ এই আমি;
বন্ধ হয়েছিলো মনের জানালা খানি।
সময় গড়িয়ে ইচ্ছেগুলো হয়েছিলো ফিঁকে মলিন।
কেনো যেন মনে হল...
আছে কথা বহু বাকী;
আছে বহু ইচ্ছে পূরণ।
প্রজাপতি ও বন্ধু আমার..!
একটু শুনে যাবে কি ...
নেবে কি ভর করে
রঙিন ডানায় তোমার..;
মলিন ইচ্ছে গুলো এই আমার।
করে দিতে স্বপ্নময় চির রঙিন....
হতে চাই বাধঁন হারা সৌন্দর্যে বিলীন.....।
জীবন থেকে নেয়া (টুকটাক)
অনেকদিন আগে এই নামে একটিা সিরিজ লিখতাম। মাঝখানে নানা কারনে লেখা হয়ে ওঠেনি, বহুদিন পর আবার জীবন থেকে নেয়া সিরিজটি লিখছি। শেষ কবে লিখেছিলাম তার সঠিক তারিখটি যদিও মনে নেই তবে একবছরতো হবেই। এ পর্বের নাম দিলাম
টুকটাক