ইউজার লগইন
ব্লগ
কা্বজাব - ২
শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড এই কথাটার সাথে আমার চরম দ্বিমত আছে। শিক্ষা আমাদের সমাজকে কি দিচ্ছে? কিছু শিক্ষিত দুর্নীতিবাজ আর কিছু শিক্ষিত অমেরুদন্ডী প্রানী এবিং কিছু শিক্ষিত মূর্খ। এই যে শিক্ষিত তাকমা লাগিয়ে কিছু অমানুষ বের হচ্ছে এদের পিছনে সমাজ , পরিবেশ পরিস্থিতি দায়ী অনস্বীকার্য। কিন্তু যাদের মানুষ গড়ার কারিগর বলি তাদের কি কোন দায়বদ্ধতা নেই?
সীমায় রুদ্ধ
সীমায় রুদ্ধ, সীমায় রুদ্ধ - ভুবন আকাশ তল
সীমায় রুদ্ধ মানুষগুলোর নয়ন জাত শীতল জল
সীমায় রুদ্ধ সময় জুড়ে অন্তরীক্ষের নিকোষ আঁধারটাও
সীমায় রুদ্ধ সময় ঘিরে ঘটনার সব বিশদ ঘনঘটাও।
সীমায় রুদ্ধ জীবন বলেই জীবন ভীষণ কষ্ট দেয়
সীমায় রুদ্ধ মন বলেই সে মন কষ্টও চুষে নেয়...
সীমায় রুদ্ধ কর্মকান্ড , সীমায় হায় হুতাশ
সীমায় রুদ্ধ স্বল্প এ ঘরে সীমায় রুদ্ধ বাতাস
সীমায় রুদ্ধ স্বপ্ন সকল , সীমার পর আর নেই
সীমায় রুদ্ধ সুখ খুঁজে তাই দু:খও হারা্য় খেই
সীমায় বদ্ধ মানব প্রাণী সুখ দু:খে মিলেমিশে
সীমায় রুদ্ধ জীবন কাটায় কেঁদে এবং হেসে.........
১/১০/২০১০
আজিরা দিনপঞ্জী... ১২
''কোথাও আমার হারিয়ে যাবার নেই মানা,মনে মনে...
মেলে দিলেম গানের সুরের এই ডানা মনে মনে।''
হয়তোবা ......
কথা না বলতে বলতে
হয়েছি বাকরুদ্ধ এই আমি;
বন্ধ হয়েছিলো মনের জানালা খানি।
সময় গড়িয়ে ইচ্ছেগুলো হয়েছিলো ফিঁকে মলিন।
কেনো যেন মনে হল...
আছে কথা বহু বাকী;
আছে বহু ইচ্ছে পূরণ।
প্রজাপতি ও বন্ধু আমার..!
একটু শুনে যাবে কি ...
নেবে কি ভর করে
রঙিন ডানায় তোমার..;
মলিন ইচ্ছে গুলো এই আমার।
করে দিতে স্বপ্নময় চির রঙিন....
হতে চাই বাধঁন হারা সৌন্দর্যে বিলীন.....।
জীবন থেকে নেয়া (টুকটাক)
অনেকদিন আগে এই নামে একটিা সিরিজ লিখতাম। মাঝখানে নানা কারনে লেখা হয়ে ওঠেনি, বহুদিন পর আবার জীবন থেকে নেয়া সিরিজটি লিখছি। শেষ কবে লিখেছিলাম তার সঠিক তারিখটি যদিও মনে নেই তবে একবছরতো হবেই। এ পর্বের নাম দিলাম
টুকটাক
আবার আসিলাম ফিরে......
কেমন আছেন সবাই.।?অনেক দিন ধরেই আসি আসি করছিলাম কিন্তু আসা আর হয়ে উঠেনি । অবশেষে অফুরন্ত আবসর পেলাম । আর দেরি করলাম না । আর ব্লগে এসে অল্প সময়ের জন্য মন ভরে না । সে যাই হোক আপনাদের দোয়া প্রার্থী। যেন আবার নিয়মিত সময় দিতে পারি। সবাই ভাল থাকুন। সুস্থ থাকুন।
দাদা-বউদির অগ্রযাত্রা।
০১.
এই আমি - এই আমরা
ছোট তিনটি ঘটনা বলি।
১-আমার এক প্রবাসি বন্ধু , যার প্রবাস জীবনের ছবি দেখে আমি হিংসায় জ্বলি আর ভাবি আহা , কি সুখেই না থাকে মানুষ বিদেশে ! -দেশে আসার পর আমায় বলে দোস্ত বিদেশে থাকি , টাকা ও কম কামাই না কিন্তু মাঝে মাঝে কেমন যেন লাগে । যন্ত্র হয়ে গেছি রে ! আমি তখন বিজ্ঞের মত একটা ভাব করতাম আর টেনে টেনে বলতাম - তোরে যাইতে কইছে কে ? এখানে ই চেষ্টা করতি । আর নিজের চেহারায় একটা বুদ্ধিমানের আভা ফুটিয়ে বলতাম - আমরা ভালো ই আছি।
২-দোকানে গিয়ে body spray খুঁজছিলাম , salesman আমাকে কিছু নমুনা দেখাল সাথে বুঝাতে চেষ্টা করল কোন্টার কি ঘ্রাণ। কোনটা lemon, কোনটা cool,আরো আছে নানা ধরনের ।আমি অনেক চুলচেরা বিশ্লেষণ করে পছন্দসই body spray কিনে বাসায় আসলাম।
আজও আমার জন্মদিন
আজ ২৯ সেপ্টেম্বর। ১৪ আশ্বিন, ১৯ শাওয়াল। আজকে আমার জন্মদিন। আমার আরও একটা জন্মদিন আছে। আরে না না, এইটা খালেদা জিয়া সিনড্রম না, এইটা অন্য কাহিনী।
আমার আরেক জন্মদিন হল ২৭ মার্চ। তবে ২৭ মার্চে আমার তেমন কোনো কষ্ট করতে হয় নাই। কেমনে কেমনে দুনিয়ায় আসছিলাম তাও মনে নাই।
কিন্তু ২৯ সেপ্টেম্বরের কথা খুব মনে আছে, প্রতিটা মুহূর্ত। মনে থাকবেই বা না কেন? এই জন্মদিন করা খুব সহজ কাজ না। মেলা পরিশ্রম করতে হয়। টেন্ডুলকারের মতো ব্যাটে-বলে মিলাতে হয়, তারপরই তো ছক্কা মারা যায়।
ম্যালা যে পরিশ্রম করতে হয়, তা বিশ্বাস না হলে মেজবাহ ভাইরে জিগান। তারেও ম্যালা পরিশ্রম করতে হইছে। তারপরই তো ফল পাইছে। শোনা যায় রায়হান ভাইও পরিশ্রম বাড়াইয়া দিছে।
পরিশ্রম তো আছেই, আরও আছে নানা ধরণের অনিশ্চয়তা।
শুকনো পাতায় শূন্যতা
এর আগে কখনো রাতে বাইরোডে যাতায়াত করিনি।
রাতের ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছি, যেতে হচ্ছে। পরপর পেরিয়ে যাচ্ছি একটি একটি করে শহর, শহরতলী বা গ্রাম। স্নায়ুর চাপে কোনকিছুই ঠিকঠাক চিনতে পারছি না, নইলে এই যাত্রা উপভোগ করা যেত। রাত বাড়ছে কিন্তু গাড়ি চলাচল কমেনি। রাস্তার দুধারে দোকানপাট বেশীর ভাগই খোলা, এমন কি মধ্যরাতেও দোকানির ঝাঁপ তোলা দেখে অবাক লাগল। এরা কি সারা বছর এভাবে রাত্তিরেও বেচাকেনা করে নাকি রোজার রাত বলে এমন বুঝতে পারলাম না।
বিদ্যালয় সখা
বিদ্যালয় সখা, সেরা সময়ের সহচর
ষান্মাসিকে বা ফুটবলের ম্যাচে অন্যদের প্রতিদ্বন্দ্বী করে
সামান্য এগিয়ে গেলেও অসামান্য সুখ
আঙুলে আঙুলে ভাব বা মুহুর্তে কাটাকাটি
একদিন আন্ত:স্কুলে এই কালো পীচে
দলবদ্ধভাবে বিজয় মুকুট নিতে শিকারী হয়েছি
যেন বিদ্যালয় সারাজীবনের, তার স্বার্থে লড়ে যাওয়া
স্কুল কি আর আমাদের মনে রাখে?
শুনেছি সবাই ভাল আছে, সাফল্যে নেতা, পতনে কেউ কবি
যোগভাগ নিয়ে আমারও চলে যায়, কম বেশী
অর্থ কড়ি ঘরে, ব্যস্ততা নিয়েছি চিনে
বাস্তব খেলায় খেলা মুছে গেছে কবে, মাঠ গেছে দখলে
হতে পারে ভাব বা রোমন্থন
নৌকার মতো স্মৃতির গুনটানা কিংবা
যে নামই তাকে ডাকি
কৈশোরের রোদেলা দিনগুলো আমাদের
শ্রেষ্ঠ সময়, চাইলেই তাদের ভোলা যায় না
সবাই কোথায়? বাইরে, দেশে ব্যবসায়, কাজে, কেরানীত্বে
অথচ কী জ্বলজ্বলে স্মৃতি, যেন আগে ভাগে স্কুলে পৌছে
সতীর্থদের জন্য অপেক্ষা করছি
---------------
গল্প লেখার গল্প
সে এক বহুকাল আগের কথা। আমি তখন মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে ক্লাস টেনে পড়ি। ক্লাসমেট, বেঞ্চমেট এবং ফুটবল টিমমেট হিমেল আমার খুবই কাছের বন্ধু। পড়াশোনায় আমি ছিলাম বরাবরই ফাঁকিবাজ আর ও হাড়মাস কালা করা ধরনের সিরিয়াস। কিন্তু মজার বিষয় হলো প্রায় প্রতিবারেই আমার রেজাল্ট ওর চেয়ে ভালো হতো। আমরা ক্লাস এইট থেকেই এক গ্রুপে। খেয়াল করে দেখতাম প্রতিটা পরীক্ষার আগেই ওর চোখেমুখে ভয়াবহ রকমের ভীতি খেলা করতো। রাতদিন জেগে সব মুখস্থ করে এসেও পরীক্ষার হলে গিয়ে টেনশনে সব ভুলে বসতো। আমার পরীক্ষা-ভীতি বলতে গেলে ছিলই না। বরংচ রীতিমতো নিয়ম করে পরীক্ষার দুই দিন আগে থেকেই পড়ালেখা সব বন্ধ করে দিয়ে সেবা-হুমায়ুন-শীর্ষেন্দুতে ডুবে থাকতাম। ঠিক পরীক্ষার দিন সকালে নোটগুলোতে আরেকবার দায়সারা গোছের চোখ বুলিয়ে হেসেখেলে পরীক্ষার হলে ঢুকতাম। হিমেলকে দেখতাম পরীক্ষা শুরুর মিনিট খানেক আগ পর্যন্ত রিভিশন দিতে দিতে গলা শুকিয়ে ফেলতে। ক্লাসের ফার
আর কতদিন আর কতকাল ...
আর কতদিন আর কতকাল ... ...
অবুঝ রইবো মোরা, বুঝবো না হাল!
যতকাল রইবে ঐ বুড়ির জল কালো
যতকাল মুখে রব- ঐ আগুন জ্বালো,
ততকাল কালো জলে মুখ কালো করে
অথবা দৌড়ে পলায়ন আগুনের ডরে-
অবুঝ রইবো মোরা, হব চীর ভীত
মাথা উঁচু খানিকটা তবুও মেরুদন্ড আনিত।
ও উঁচু মাথার বল কিইবা কর্মকাজ?
মেরুর ঐ দন্ড নিচু- সে যে বড় লাজ।
মাথা উঁচু ভাবি তবুও মন যে ভ্রান্তি ময়
পা চাটাচাটি কত, মাথা কি উঁচু রয়!
এমন অপমান আর বল কতদিন-কাল
আস্টে পিষ্টে বন্দী - এ কেমন হাল?
জাল যেন ছেঁয়ে আছে প্রতি পদে পদে
নিচের ছায়ায় নিজে ভীত কালো নদে।
তাবেদারী ভাব ধরি, বুঝিনা গো দূর...
চির সত্যি ভুলে বাজাই শুধু মিছে সুর,
সাময়িক বাতাসটা যদি গো গায়ে লাগে
সে বাতাসের পূজোটাই সব চেয়ে আগে,
ওদিকে যে বহুদূর পথ পড়ে আছে...
ভুল ভাবি - এখনও সময় রয়ে গেছে!
২৪/০৯/২০১০
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিবকে দেশে ফেরত
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব (ডিপিএস) মাহবুবুল হক শাকিলকে নিউইয়র্ক থেকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, মাতাল অবস্থায় মধ্যরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মহিলা কর্মকর্তার কক্ষে জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন শাকিল।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদের মন্তব্য জানতে বারবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী মুখ্য সচিব মো. আবদুল করিম শাকিলের দেশে ফেরার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। খবর নিউইয়র্ক থেকে নিউজ ওয়ার্ল্ডের।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নিউইয়র্ক সিটির গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে শাহনাজ গাজীর কক্ষে মাতাল অবস্থায় প্রবেশের চেষ্টা করেন শাকিল। তবে, তিনি কক্ষে প্রবেশ করেছিলেন কি না, সে বিষয়ে কেউ মুখ খুলছেন না। শাহনাজ গাজী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে পরিচালক হিসেবে কর্মরত।
বইয়ের ঝাপি
আমি তখন ক্যাডেট কলেজে পড়ি, আর আমরা থাকতাম নাখাল পাড়ায়। সে সময়ে একটা সেল্ফ কেনা হল। সেল্ফের তিনটা তাক। উপরেরটায় স্থান পেলে কাপ-পিরিচ-প্লেট-গ্লাস ইত্যাদি। নীচের তাকে আমার ছোট ভাইয়ের নানা ধরণের খেলনা। আর মাঝের তাকটা আমি দখল করলাম, তখন আমার সংগ্রহে ১০/১৫টা বই। এর বেশির ভাগই পুরস্কার পাওয়া। একটা সময় সেই সেল্ফ পুরোটাই আমার দখলে এলো। কিন্তু তাতেও বই ধরে না। তারপর কিনলাম আরেকটা। একসময় এই সেল্ফও বইয়ে ভরে গেল। গত বছর অটবি থেকে কিনলাম আরেকটা। সেটিও এখন ভর্তি।
এর মধ্যে সবচেয়ে পুরানোটা বয়সের ভারে আক্রান্ত। ঈদের ছুটিতে বসেছিলাম পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানে। বিশেষ করে সামনে পেছনের সারির বইগুলোর দিকেই মনোযোগ দিতে হল, যেগুলো খানিকটা ছিড়ে গিয়েছিল অতি ব্যবহারের কারণে। কিংবা কিনেছিলামই পুরান বই, ফু্টপাত থেকে।