ইউজার লগইন
ব্লগ
সুগারলেস এন্ড সুগারকোটেড লাইফ
সময়টা খুব সম্ভবত নয় দশ বছর আগের যখন চট্টগ্রাম ডায়বেটিক সমিতিটা এনায়েত বাজার বাটালী রোডে ছিল। আমি অনেকদিন যাবত এ্যাপথাস আলসার নামের একধরনের মুখের অসুখে ভুগছিলাম, যে রোগের কারন বা ঔষধ এখন পর্যন্ত আবিস্কৃত হয়নি। এক পর্যায়ে আম্মার কথায় যখন ইন্ডিয়ায় যাওয়ার কথা ভাবছিলাম এমন সময় আমার এক বন্ধুর মাধ্যমে এক ডাক্তারের স্বরণাপন্ন হই। ডাক্তার লম্বা লিষ্ট দিলো ল্যাব টেষ্টের। লিষ্টে ডায়বেটিস টেষ্টের কথাও উল্লেখ ছিল আর আমিও সুবোধ রোগীর মত চট্টগ্রাম ডায়েবেটিস সমিতিতে গিয়ে ব্লাড দিয়ে এলাম।
ফৌজি বাণিজ্য: শেষ পর্ব
অনেকেই হয়তো শুনেছেন। তারপরেও বিবিসির বিশেষ এই ধারাবাহিক প্রতিবেদন এখানে দেওয়ার উদ্দেশ্য দুটি। একটি হচ্ছে, যারা বিবিসি শোনেন না তাদের বিষয়টি জানানো। আরেকটি হচ্ছে নিজের কাছে রেকর্ড রাখা।
রিপোর্টগুলো তৈরি করেছেন বিবিসির কামাল আহমেদ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিষয়টি স্পর্শকাতর হলেও সবার জানার প্রয়োজন থেকেই আমার এই পোস্ট। মোট তিনটি পর্বে ৯টি রিপোর্ট এখানে দেওয়ার ইচ্ছা ছিল। আজ ৭ম থেকে ৯ম পর্ব। এটাই শেষ পর্ব।
শিল্প পরিচালনায় উদ্যোগী সেনাবাহিনী
দ্য এলিফ্যান্ট ম্যান
দ্য এলিফ্যান্ট ম্যান (১৯৮০)

এই পর্বে প্রথমেই বলতে হবে দ্য এলিফ্যান্ট ম্যান'র কথা । এক হাতিমানবের কাহিনী। সার্কাসের এক হাতি একবার চড়াও হয় এক মহিলার ওপর। দু'জনের মিলনের ফলে জন্ম হয় মানবাকৃতি এক হাতির। নিরীহ এ হাতিমানবটিকে কেউ পছন্দ করে না। সার্কাসে খেলা দেখানো আর বাকী সময় বন্দী হয়ে থাকাই তার জীবন। এরকম চলতে চলতে একদিন তার দেখা পায় এক শল্যচিকিৎসক। চিকিৎসক তাকে নিয়ে আসে নিজের পরীক্ষাগারে। তাকে ভালো কাপড় পরায়, মানুষের মতো চলতে শেখায়। অক্ষরজ্ঞান দেয়। শুরু হয় সেই সার্জনের এক্সপেরিমেন্ট।
গল্প পুরাণ : দুইটি বা একটি গল্প।
গল্প ১:
ঘুট ঘুইট্যা আন্ধারের মাঝে খালি দুই জোড়া সাদা সাদা গোল গোল চোখ চরকির মত ঘুরতাছে।
শালার মায়রে বাপ!
শীতকালের শুকনা নাড়ায় পা পৈড়া জ্বালা কৈরা উঠতে খ্যাচ কৈরা উঠে রহমান।
মতির সাদা চোখ দুইটা কেবল একটু পিছনে ফিরা রহমানরে দেখে, আর কিছু কয়না। চোররে আস্তে কথা কওনের কথা শিখানের দরকার হয়না, সেডা জানে।
বিড়ি একটা ধরাই, কি কও? আবারো ফিসফিসায় রহমান।
মতি কিছু কয়না। রহমান অবশ্য কিছু মনে করেনা। জানে হ কৈতে হৈলে মতি একটা ঘোঁৎ করতো, না হৈলে চুপ।
যদিও আজকে প্রথমবারের মত তারা আজকে একসাথে চুরি করতাছে। তবে কিনা আজকের টা রাজচুরি।!!
রাজচুরি বলে রাজচুরি!!
মনে হৈতেই রহমানর ঘাম শুরু হয় আবার।
অত্র এলাকায়, চুরির ইতিহাসে, এমন ঘটনা ঘটেনাই!! কোনো এলাকাতেই কি ঘটছে?
বুদ্ধিটা মতির।
রহমানের মাথায় এত বুদ্ধি আসবার নয়।
বন্ধু কি খবর বল...
আমার বন্ধুদের মধ্যে সবচে সুদর্শণ ছিল নুরুল ইসলাম।হঠাৎ করে ও সিদ্ধান্ত নেয়-দাঁড়ি রাখবে।সেভ করা বন্ধ করে দেয়ার পর ক’দিনের মধ্যেই দাঁড়ির জঙ্গলে ভরে যায় ওর মুখ।পাড়ার মেয়েরা হায় হায় করে ওঠে...।দিপ্তি নামের এক মেয়ে,নুরুল ইসলামের প্রতি যার দুর্বলতা ছিল প্রায় প্রকাশ্য।সে আমাকে ডেকে বলে, ‘তোমার বন্ধুর হঠাৎ ‘রবিন্দ্রনাথ’ হওয়ার শখ জাগলো কেন?’ আমি বলি, ‘তোমরা যেভাবে ওকে জ্বালাতন কর!তোমাদের যন্ত্রণায় ও এখন ‘হুজুর’ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে...শুনছি আলিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হবে...’।আমি একটু বাড়িয়ে বলি।‘শোন ঈশান,প্লিজ...ওর দাঁড়ি কাটার ব্যবস্থা করো, যদি কাজটা করতে পার...এক’শ টাকা পাবে...’।এক’শ টাকা তখন অনেক টাকা... তার ওপর দিপ্তির মতো সুন্দরী মেয়ের অনুরোধ,আমাকে আর পায় কে !
অবশেষে স্পেসে ..স্বপ্নরাজ্যে
যেদিন শুনলাম এতিম-খানায় যেতে হবে, মনটা খারাপ হয়ে গেল। না, কষ্ট দেখতে হবে এজন্যে না। কেমন যানি মনে হয় এতিম খানা সফর মানে গিল্ট বেস বিষয়। যাই হোক....ফিরে এসে মনে হল, ইচ্ছে ছিল স্পেস ট্রাভল করবে, তার আর দরকার হবে না। আমি চাদ, আকাশ, তারা সবই মনে হয় দেখা হল - এরা এত হাসে কেন?
http://www.flickr.com/photos/amieka/sets/72157625104271477/with/5110215144/
আমি কোথায়?
আমার এখন চুল ছিড়তে ইচ্ছা হচ্ছে। এরকম হবার কথা ছিল না। ঘুরাঘুরি করতে এসে মন খারাপ, সচারচর তেমন হয় না। তবে গত কয়েক দিন ধরে রাগে মাথার চুল ছিড়ছি। কেন?
আমি এখন ভারতে আর আমার সফর সাথি সব সাদা মাল। ট্রাফিক জাম, পলিউশন, ইন-ফ্রা-structure ইত্যাদি নিয়ে এদের কমপ্লেইন শুনতে শুনতে খান জালাপালা। তার উপরে খাবার বলতে বেশিরভাগ সবজি। ঢং করে বলতে গেলে - all vegi item....
ভারতে ঘুরতে এসে মন খারাপ এটা বলার জন্য লিখতে বসি নি। মেজাজ খারাপ হবার পর মনে হলো আমার একলাকের SWI ডোস্তদের কথা। যাদের সাথে ভ্রমন খানাপিনা নিয়ে অনেক গাল গল্প হত। CIA এর মাধ্যমে জানলাম তারা নাকি এখন এই ব্লগে। সত্যি নাকি?
আরেকটা ভালো মুভি হচ্ছে ল্যান্ড এন্ড ফ্রিডম

পারফিউম একটা মুভি যেটা নিয়ে লিখতে হলে সাহস দরকার। এত ভাল মুভি নিয়ে আসলে লেখা যায় না। অপচেষ্টা বৃথা।
পারফিউম তৈরী হয় কিভাবে? বিভিন্ন রকম ফুল সেদ্ধ করে তার নির্যাস দিয়ে। ফুলের নির্যাসই পারফিউমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিন্তু ফুলের বদলে যদি মানুষ সেদ্ধ করা হয়? কিংবা একেকটা মানুষের যে আলাদা আলাদা গন্ধ সেটা দিয়ে যদি কোন পারফিউম তৈরী করা হয় তাহলে?

দ্বিতীয় জীবন
২ মাসে আমার শরীরজুড়ে ২১টা ফোঁড়া উঠেছে। অস্বাভাবিক তাই না?
বড়ভাই ডাক্তার। ফোন করলাম। বললেন, ডায়াবেটিস চেক করিয়ে নে। ডায়াবেটিস থাকলে এমনটা হতে পারে।
আমি কিঞ্চিৎ আতঙ্কিত হলাম। এর আগে ডায়াবেটিস সম্পর্কে তেমন খোঁজখবর রাখা হয়নি। মা বাবার ডায়াবেটিস নেই। আমার হবে কেন? কিন্তু ডাক্তারের কথা শুনে আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম। বাসার কাছেই চট্টগ্রাম ডায়াবেটিস হাসপাতাল। হাঁটা পথ। কিন্তু আমি আর টেস্ট করাতে যাই না। ভয়ে। যদি পজিটিভ হয়!
ফোঁড়ার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে অবশেষে গেলাম। আল্লাহ ভরসা।
আত্মকথাঃ আমাদের প্রথম ভ্রমন।
১৯৮৫ সালে প্রথম আমরা তিন বন্ধু (মাহাবুব, বিশু ও আমি) নানা জেলা শহরে ঘুরে বেড়াতে বের হই। প্রথমে আমাদের টার্গেট হয়, সিলেটের প্রতি। সিলেটে চা বাগান আছে, মাজার আছে এবং জাফলং। শ্রীমঙ্গলের চা বাগানে আমার জন্ম এবং শ্রীমঙ্গলে আমার খালা (আপন নয়, আমার মাকে বোন ডেকে ছিলেন কিন্তু কেহ এটা বুঝতে পারত না) আছেন তাই সাহসটা আমিই দেই, চল কি আছে জীবনে! মাত্র ৯০০ টাকা নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল।
কমলাপুর রেল স্টেশনে যেয়ে দেখি মাহাবুব তার বাসা থেকে ক্যামেরাটা নিয়েছে। টাকার অভাবে আমরা সিলেট শহর ও জাফলং যেতে পারি নাই, তবে শ্রীমংগলে আমরা প্রান খুলে বেড়িয়ে ছিলাম। প্রায় প্রতিদিন চা বাগানে গিয়েছিলাম। আমার খালাম্মা (যিনি পরবর্তিতে জরাযু ক্যান্সারে মারা যান, তার প্রসঙ্গেও আমার লিখার ইচ্ছা আছে ) এত খুশি হয়েছিলেন, যা বলার অপেক্ষা রাখে না।
গ্রীক পুরাণের দেবতা ও দেবীরা
যখন ক্লাস সিক্সে পড়ি তখন প্রথম বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের সদস্য হই। আমার হাতে প্রথম যে বইখানা তারা তুলে দেয় তা হল “ট্রয়ের উপকথা”(নামটা স্পষ্ট মনে নেই)।আমি সেই বইটা এক সপ্তাহে প্রায় চার বার পড়ে ফেলি।আবার ক্লাস থ্রি কি ফোর থেকে আমার সখ্য বিটিভির হারকিউলিস সিরিজের সাথে।তখন হারকিউলিসে বেশ কিছু সিন ছিল বাবা মনে করতেন আমার উপযোগী না।রাত ১০টার নিউজের পর তাই তিনি আমার সাথে যেগে থাকতেন হারকিউলিস সেন্সর করতে।কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই ১০ মিনিট বাদে আমি তার নাকের কলের গান শুনতাম আর নির্বিঘ্নে হারকিউলিস উপভোগ করতাম। মূলত তখন থেকেই আমার গ্রীক মিথোলোজির প্রতি আকর্ষণ। আমি সবসময়ই গ্রিক মিথোলোজি নিয়ে ভাবতাম। ট্রয় নিয়ে যে বইটা সেটা পড়ে আমার নিজেকে কেন জানি হেক্টর মনে হত। এত কথা বলার মানে হল আমি গ্রীক মিথের প্রতি আগ্রহী। তাই আমার আজকের লেখাটা তাদের নিয়ে।
কথার কথা
আমরা বন্ধুত্বের জয়গান গাই। বন্ধুর মতো একে অপরের পাশে দাঁড়াই , পাশে দাঁড়াই গোটা মানবজাতির, এমনই শ্লোগান সামনে রেখে ২০০৪ সালের ২৮ অক্টোবর 'আমরা বন্ধু'র যাত্রা শুরু হয়েছিল । আর মাত্র ক'দিন পরেই ছয় বছর পূর্ণ হবে । বর্ষপূর্তিতে বিশেষ কোন আয়োজন আছে কিনা তা জানা নাই ।
আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে 'আলপিন' নামে প্রথম আলো থেকে একটা ক্রোড়পত্র বের হত । এতে আরিফের আঁকা কার্টুনের কথাও ভুলে যাবার কথা নয় । আরিফের আঁকা একটা কার্টুন নিয়ে তুলকালাম কান্ড ঘটানো হয়েছিল । আরিফের দন্ডিত ও আলপিন বন্ধ হওয়া সেও তো বেশী আগের কথা নয় । সেই আরিফের মায়ের দু'টি কিডনীই নষ্ট হয়ে গেছে । এ মা দু'টো অবুঝ শিশু সন্তানসহ স্বামী কর্তৃক বিতাড়িত হয়েছিলেন এবং অনেক লাঞ্চনা গজ্ঞনা সয়ে সন্তানদের এখনও বাঁচিয়ে রেখেছেন । মায়ের এ গুরুতর অসুস্থতা তাঁর সন্তানদের হতবিহ্বল করে তুলেছে ।
আত্মকথাঃ পারিবারিক ছবি।
পারিবারিক ছবি তোলা সহজ নয়। এ থাকলে ও থাকে না। সবাইকে এক করা গেলেও দেখা গেল ক্যামেরায় ব্যাটারী নেই! এমনো হয়, সার্টার পড়ে না। আবার সবাই চলে গেলে ক্যামেরা ঠিক, অটোমেটিক! পরিবার একটু বড় হলে তো কথাই নেই - সাত মন ঘি যোগাড় করা সহজ, রাধা পাওয়া কঠিন।
আমাদের পরিবারের অবস্থাও তাই। আমার প্রচেষ্টায় দুইবার আমরা এক সাথে ক্যামেরার সামনে উপস্থিত হতে পেরেছিলাম। একবার সাদা কালো যুগে (১৯৮৪) আর অন্যবার রঙ্গীন যুগে (১৯৯৮)।

১৯৮৪ সালে।
সুখে থাকলে ভূতে কিলা্য়
সরকারি কলেজে সুখের সাথে মনের আনন্দে চাকরি করছিলাম । ভূতের পরামর্শে ১৯৮২ তে প্রশাসন ক্যাডারে ঢুকবার আবেদন করতে হয়েছিল । কিলাতেই থাকলো সে । পিএসসি'র মনোনয়ন পেলাম । ভূতের কিলে অতিষ্ট হয়ে শেষে ১৯৮৩র জুনে পেশা বদল করতেই হল । বাধ্য হয়ে বয়সের বাধা না আসা পর্যন্ত তা করতেও হল । আগের পেশায় থাকলে যতখানি এগুতাম এখানে তার ধারেকাছেও যেতে পারলাম না। এটি ঈশপের গল্প হলে শেষ হত যে বাক্য দিয়ে তা হল, " কদাপি মধ্য বয়সে পেশা বদল করিও না" ।
পুনশ্চঃ ও হ্যা, অন্য একটি কথা । এ গল্পের সাথে সম্পর্কিত নয় মোটেই । এটি ব্লগ সম্পর্কিত ।কেউ আমাকে একটু বুঝিয়ে বলবেন 'ব্লগর ব্লগর' কি জিনিষ !
অচল গল্প!
জানি এসব গল্প অচল, এই সময়ে
অন্যরকম গল্প সবাই চায়।
জানতে পারি নি তখনো, সত্যি কি আর হয় কখনো,
এসব শুধু বাতিল পুরোন গদ্যতে মানায়।
তখন তোমায় দেখতে পেতাম
মাঝে মাঝে এদিক সেদিক,
সময় অসময়ের ফেরে ভাগ্য আমায় টানতো যেদিক,
ছাদের কোণে, গলির মোড়ে, বারান্দা বা সদর দোরে,
মনে হত কষ্ট ভেজা অন্ধকারে, তুমি যেন
একটুখানি আলোর ঝিলিক
ভাবনা গুলো উড়তো যে হাওয়ায়---
জানি এসব গল্প অচল এই সময়ে
অন্যরকম গল্প সবাই চায়!
হঠাৎ যেন মনে হল বাঁধছে বাসা ভালোবাসা
ছলকে ওঠা একটু আশা নাড়ছে কড়া
এলামেলো বিষণ্ণ চিন্তায়---
জানি এসব গল্প অচল এই সময়ে
অন্যরকম গল্প সবাই চায়!
জেনেও তুমি আসলে কাছে, হাসলে কিছু
বললে কথা, জ্যোৎস্না ঝরে পড়লো যেন
ছোট্ট আমার ঘরের ভেতরটায়------
জানতে পারি নি তখনো সত্যি কি আর হয় কখনো
এসব শুধু বাতিল পুরোন গদ্যতে মানায়।
আসলে কেন বদলে দিতে