ইউজার লগইন
ব্লগ
আমার কলিগেরা
আমার কলিগদের মধ্যে কতিপয় কলিগের কাহিনী বলবো আজ।
রোমানা :
রোমানার কথা মনে আছে ? এডমিনে কাজ করতো। সেই যে মেয়েটা। যে শুধুমাত্র গল্প শুনে শুনে আমাদের টুটুলের প্রেমে পড়েছিল। কিন্তু বেচারি রোমানা জানতো না, টুটুল ডুবে ডুবে জল খাচ্ছে নাজের সাথে। মনের দুঃখে অবশেষে করলো কী, টুটুলের হলুদের দিন নিজের হলুদ এবং বিয়ের দিন নিজের বিয়ের তারিখ ঠিক করেছিল। অবশ্য বাবুর ক্ষেত্রে একটু পিছিয়ে পড়েছিল। গত মাসে রোমানা মেয়ের মা হয়েছে। আশায় আছি, টুটুলের ছেলের সাথে যদি রোমানার মেয়ের একটা কিছু হয়...
নাহিদ :
৯০ এর ঢাকা ---- মধ্যবিত্তের চোখে (আপডেটেড)
নব্বইয়ের ঢাকায় বাচ্চারা স্কুলে টিফিনে খেতো বোম্বে সুইটসের রিং চিপস, বাসা থেকে নিয়ে যাওয়া ফুজি নুডুলস, কিংবা কেনা বার্গার। নানাধরনের উন্নত মিল্ক চকোলেট, ক্যাডবেরীও তখন বাচ্চাদের মেনুতে খুব জনপ্রিয়। সেসময় ঢাকায় মধ্যবিত্তদের কাছে আসে পিজা, শর্মা, হেলভেসিয়া মানে ফ্রাইড চিকেন। এর আগে বাইরে খেতে যাওয়া মানে ছিলো চায়নীজ কিংবা কাবাব। সেই সময় চায়নীজ রেষ্টুরেন্টের লোকেরা সিচুয়ান ষ্টাইল, থাই এগুলো নিয়ে আসেন। যদিও এখনো আমি ঢাকার চায়নীজ, সিচুয়ান ষ্টাইল আর থাই রান্নার মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য করতে পারি না। ডলসি ভিটার আইসক্রীম, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজ এগুলো জনপ্রিয়তা পায়। ছোট ছোট আইসক্রীম পার্লার, ফাষ্ট ফুডের দোকান গজিয়ে ওঠার সময় সেটা। গুলশানে একটি ফাষ্ট ফুডের দোকান হলো তখন “হট হাট” যাতে সেই সময়ের হট গার্লস আর বয়েসরা যেতেন। আর ধানমন্ডিতে ছিলো “খাই খাই”। ওয়েষ্টার্ন গ্রীলের জনপ্রিয়তাও তখন বেশ তুঙ্গে। উত্তরাতে লেকের ম
হে অরণ্য তুমি...........
তোমার প্রশান্তিতে
হে অরণ্য...
আমায় করো ধারন।
এমন শুদ্ধতা
আর আছে কোথা..!!
যেথা মন চায়
করি অবগাহন..।।
তোমাতেই হারাবো বলে হায় !!!
কি আনন্দ কি বেদনায়...
আসব ফিরে বারে বারে....;
শিশির ভেজা প্রভাতে,
আগুন ঝরা সন্ধ্যায়,
জোনাকির আলো্য় ভরা রাত্রিতে ।।
স্বার্থহীন বন্ধু তুমি আমার,
আমি তোমার বন্ধু স্বার্থপর.!!
তোমার সৌন্দর্য্য কেবলই
করে নিয়েছি ভর...;
এই মনে আর প্রাণে..।
প্রশ্ন জাগে মনে...
আজকাল ক্ষনে ক্ষনে...
তোমার বিশালতার একটুখানি ছোঁয়া..
লেগেছে কি এই প্রাণে...!!??
যে সাধ অপূর্ণ থাকেনি
"যেদিন সব কিছু পিছনে ফেলে
জীবনের সীমারেখা অতিক্রম করে যাব
সেদিন যেন কেউ কেউ
কাধেঁ করে আমাকে এখানেই রেখে যায় ।
সুলতা, তুমি কেঁদোনা -
তোমার চোখের পানিতে
আমার চলার নতুন পথ
ঝাঁপসা হয়ে যেতে পারে -
শুধু আমার সঙ্গী হিসেবে রেখে যেয়ো
একটি ছাতিম আর একটি শিউলির চারা ।
দেখো -
সকলের কাছাকাছি হয়েও
তবু যেন একটু দূরত্ব থাকে ;
সারা জীবন সবাইকে
দুঃশ্চিন্তা আর অনিশ্চয়তার আবর্তে
বারবার শঙ্কিত এবং বিপদগ্রস্থ করে তুলেছি -
চিরশান্তির নিস্তব্ধতার মাঝে
যেন আর কোন ঢেউ তুলতে না পারি
যেন কারো চিরকালীন ঘুমের ব্যাঘাতের
কারণ না হয়ে উঠি -
তার জন্যই এই সতর্ক দূরত্ব ।"
--চলো বেড়িয়ে আসি, শুজা আহমাদ
আমার কথা ঃ শুজা আহমাদের প্রকাশিত একমাত্র বই 'চলো বেড়িয়ে আসি'তে তার আর সব ইচ্ছা-আকাঙ্খা পূরণ হোক আর না হোক গত ২৮ জানুয়ারি তার এ ইচ্ছাটা পূর্ণ হয়েছে ।
আমার '৭১
টুটুল লিখেছেন, "আমার কোন ভুল না হলে মু্ক্তিযুদ্ধকে আপনি একেবারে আপনার পরিপক্ক অবস্থায় দেখেছেন। আপনার সেই সময়কার কথা শুনতে চাই। যেটা পরবর্তীতে ইতিহাস হয়ে পথ দেখাবে পরবর্তী প্রজন্মকে ।"
সত্যিই তো, আমার সে সময়কার কথা এ সময়ের তরুণদের শুনবার ও জানবার আগ্রহ থাকতেই পারে । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ক্লাশের ছাত্র - ৬৮-৬৯এর প্রতিটি আন্দোলনের, প্রায় প্রতিটি মিছিলের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ । ৭০-৭১এ কলেজের শিক্ষক, ছাত্রদের মুক্তিযুদ্ধে যোগদানে উৎসাহী ও উদ্বুদ্ধ করা এ সব তথ্য আমি কাউকে জানাবো না কেন ?
ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ
বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ কইরা যখন ঢাকায় মেস এ উঠি, আবিস্কার করি মেস বাসিন্দা বিসিএস পরীক্ষার্থী বড় ভাইয়েরা মেসে দুই খান পত্রিকা রাখেন। পরবর্তীতে আমার বন্ধুরা যখন একের পর এক সেই মেস এ উঠতে থাকে পত্রিকার সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় তিন খানে।
দুইখান বাংলা পত্রিকা নিয়াই মেসবাসিন্দারা টানাটানি বেশি করতো, ইংরাজি ডেইলি স্টার খান আমার মত কামছাড়া আঁতেলের বিছানাগত থাকতো। প্রত্যেকদিন বদলা খাইটা আইসা পড়তাম দৈনিক তারা নিয়া। এই পাতা-ঐ পাতা ঘুরাঘুরি কইরা শেষে স্থির হইতাম স্পোর্টস অংশে। ফুটবল/ক্রিকেট/টেনিস ছিলো প্রধান আকর্ষণ। নিয়মিত ইংরাজি পত্রিকা পাঠ করায় ভাষাজ্ঞানের কতখানি উন্নতি হইছে তা আল্লাহ মালুম। কিন্তু ফুটবল তথা ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের প্রতি একটু একটু কইরা টান যে বাড়তেছিলো তা এখন মোটামুটি 'শিউর' কইরা কইয়া ফেলতে পারি। এই নিয়মিত ফুটবল সংবাদ পাঠের একটা বিরাট লাভ ছিলো। ফুটবল নিয়া যে যেখানেই
গল্প পুরাণ : দুইটি বা একটি গল্প।
গল্প ১:
ঘুট ঘুইট্যা আন্ধারের মাঝে খালি দুই জোড়া সাদা সাদা গোল গোল চোখ চরকির মত ঘুরতাছে।
শালার মায়রে বাপ!
শীতকালের শুকনা নাড়ায় পা পৈড়া জ্বালা কৈরা উঠতে খ্যাচ কৈরা উঠে রহমান।
মতির সাদা চোখ দুইটা কেবল একটু পিছনে ফিরা রহমানরে দেখে, আর কিছু কয়না। চোররে আস্তে কথা কওনের কথা শিখানের দরকার হয়না, সেডা জানে।
বিড়ি একটা ধরাই, কি কস? আবারো ফিসফিসায় রহমান।
মতি কিছু কয়না। রহমান অবশ্য কিছু মনে করেনা। জানে হ কৈতে হৈলে মতি একটা ঘোঁৎ করতো, না হৈলে চুপ।
যদিও আজকে প্রথমবারের মত তারা আজকে একসাথে চুরী করতাছে। তবে কিনা আজকের টা রাজচুরি।!!
রাজচুরী বলে রাজচুরী!!
মনে হৈতেই রহমানর ঘাম শুরু হয় আবার।
অত্র এলাকায়, চুরীর ইতিহাসে, এমন ঘটনা ঘটেনাই!! কোনো এলাকাতেই কি ঘটছে?
বুদ্ধিটা মতির।
রহমানের মাথায় এত বুদ্ধি আসবার নয়।
আত্মকথাঃ ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
আমার চাচার অফিসের পাশের বিজ্ঞাপন কাম সাপ্লাই অফিসের বিপ্লবদা এসে আমাকে জানালেন, তাদের একটা কাজ করে দিতে হবে। আমি হাসি মুখে বলি, জীবনে কথা জনের কত কাজ করলাম এ আর কি! বলেন। বিপ্লবদা একগাল হেসে বলেন, আমাদের একটা পোষ্টারে আপনাকে মডেল হিসাবে কাজ করে দিতে হবে। আমি রাজি হয়ে গেলাম। সদ্য বিদেশ ফেরত বেকার হিসাবে কাজের দরকার আছে। বিপ্লবদা আমাকে এলিফ্যান্ট রোডের একটা ফটোস্টুডিও দোকানের ঠিকানা দিয়ে বললেন, আগামী কাল ক্লিনসেভ করে সকাল দশটায় চলে যাবেন।
আমার দ্বিতীয় প্রেমিকা
বিয়ের পর আমার স্ত্রীর সংগে প্রথম যে বিষয়টি নিয়ে তুমুল ঝগড়ার সূত্রপাত হলো,সেটা ছিল ‘পরকীয়া’ …।আমার ‘দ্বিতীয় প্রেমিকা’র সংগে তখন আমার ‘পরকীয়া প্রেম’ তুঙ্গে।দু’ঠোঁটের ফাঁকে তার শরীরের মোহনীয় স্পর্শ না পেলে আমি তখন পাগল হয়ে যেতাম…।যা আমার স্ত্রী কিছুতেই মেনে নিতে পারছিল না…।
হাঁ তখন সিগারেট ছিল আমার’দ্বিতীয় প্রেমিকা’।এ সিগারেটের সঙ্গেই ছিল আমার গভীর প্রেম অর্থাৎ পরকীয়া প্রেম…।পরকীয়া বললাম এজন্যে যে,সিগারেট খেতে হতো আড়ালে-আবডালে,লুকিয়ে লুকিয়ে…পাছে সদ্য বিয়ে করা বউ দেখে ফেলে…।কিন্তু…সিগারেটের গন্ধ লুকাবো কিভাবে!বাসায় এলেই বউ ভ্রু কুঁচকাতো।প্রথম প্রথম কিছু বলতোনা, মুখটাকে থমথমে করে রাখতো।কিন্তু ক’দিন যেতে না যেতেই…একদিন তিনি প্রচন্ড রাগে ফেটে পড়লেন…।
শুধুই গল্প নয়
আজকে ভাঙ্গা পেন্সিলের লেখা “দাস” পোষ্টটা পড়তে পড়তে বহুদিন আগে শোনা একটা গল্প মনে পরে গেলো। তখন গল্প হিসেবে শুনলেও এখন মনে হচ্ছে সবকিছু কেনো গল্পই হতে হবে?
প্রমোদ বালক কি গেলমান??
"(আইন প্রতিমন্ত্রী) বলেছেন, তার কাছে সংবাদ আছে- একাত্তর সালে নারী নির্যাতনে ঘটনার বিষয়ে। এরকম আমার কাছেও তো সংবাদ আছে, কেরানীগঞ্জে তিনি একজন প্রমোদ বালক।" -
সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী
বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের ভেতরে অক্লেশে অশালীন শব্দ উচ্চারণ এবং দৈহিক ভঙ্গিতে সেটাকে আরও বেশী অশালীন করে তুলতে পারেন একমাত্র সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী। এর আগে বিমানবন্দরে শেখ হাসিনা সম্পর্কে তার কুখ্যাত উক্তি স্মরণ করলে বিষয়টা আরো পরিস্কার হতে পারে, কিন্তু আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম সম্পর্কে তার এই উক্তির তেমন জোরালো প্রতিবাদ চোখে পড়লো না।
ফৌজি বাণিজ্য: দ্বিতীয় পর্ব
অনেকেই হয়তো শুনেছেন। তারপরেও বিবিসির বিশেষ এই ধারাবাহিক প্রতিবেদন এখানে দেওয়ার উদ্দেশ্য দুটি। একটি হচ্ছে, যারা বিবিসি শোনেন না তাদের বিষয়টি জানানো। আরেকটি হচ্ছে নিজের কাছে রেকর্ড রাখা।
রিপোর্টগুলো তৈরি করেছেন বিবিসির কামাল আহমেদ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিষয়টি স্পর্শকাতর হলেও সবার জানার প্রয়োজন থেকেই আমার এই পোস্ট। মোট তিনটি পর্বে ৯টি রিপোর্ট এখানে দেওয়ার ইচ্ছা। আজ থাকলো ৩য় থেকে ৬ষ্ঠ পর্ব।
ট্রাষ্ট ব্যাংককে ঘিরে বিতর্ক
মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণের ধারণা থেকে যে ব্যাংকের শুরু, শেষপর্যন্ত তা হয়েছে সামরিকবাহিনীর ব্যাংক। আর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির প্রয়োজনে রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে পড়েছিলো যে প্রতিষ্ঠান সেটি হলো ট্রাষ্ট ব্যাংক।
দারিদ্র পীড়িত এলাকায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচী শুরু হচ্ছে :)

কিছুক্ষণ আগে দৈনিক যায় যায় দিনে একটা খবর দেখে মনটা ব্যাপক খুশিতে ভরে উঠলো। সরকার দেশের দারিদ্র্যপীড়িত এলাকার ৮৬টি উপজেলায় ১হাজার ১৪২কোটি টাকা ব্যয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। আজ একনেক সভায় অনুমোদন পেলে ২০১৪ সালের জুন পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
দাস
১.
ওপার বাংলার সাহিত্যিক সুনীলবাবু বলেছেন, ঔপন্যাসিকদের নাকি স্মৃতিশক্তি ভাল থাকতে হয়। আমি উপন্যাস লেখিনি, লেখার কোনো দরকারও পড়ছে না। তবে স্মৃতিশক্তির দরকার পড়ছে। এই যেমন এখন। খুলে বলি।
খুব নাম শুনেছি অপরাহ নামের এক মহিলার দুর্দান্ত টিভি শো'র। একদিন রিমোট গুতানোর এক ফাঁকে হঠাৎ সামনে পড়ে গেল। দেখতে লাগলাম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কোন এক নাৎসী ক্যাম্প নিয়ে সেবারের পর্ব। খুব সম্ভবত অশ্বউইৎজ*। অপরাহ'র সাথে আছে একজন নোবেলজয়ী সাহিত্যিক যিনি এই নাৎসী ক্যাম্প থেকে বেঁচে ফেরা অল্প কয়েক হাজারদের* মধ্যে একজন। অপরাহ'র শো'তেই দেখলাম সেই নাৎসী ক্যাম্পের স্থানে এখন একটা জাদুঘর তৈরি করা হয়েছে, আজকের সভ্য মানুষদেরকে তাদের পূর্বপুরুষদের অসভ্যতার ইতিহাস মনে করিয়ে দেবার জন্য। সে জাদুঘরে স্তূপ করে রাখা ছোট ছোট বাচ্চার লাখ লাখ জুতা, কেটে রাখা চুল, কাপড়-চোপড়। লাখ-লাখ* নিরপরাধ শিশু বিনা দোষে মারা গিয়েছিল সে নাৎসী ক্যাম্পে। অশ্রুভেজা চোখে নোবেলজয়ী সাহিত্যিক এ বর্ণনা দিচ্ছিলেন, শেষে এসে বললেন, "অল্প কয়েক হাজার* মানুষ বেঁচে ফিরেছিল, তার মধ্যে আমি একজন নোবেল জিতেছি। ভেবে দেখুন, এই লাখ লাখ* শিশুর কতোজন নোবেল পেতে পারতো...কতোজন অস্কার পেতে পারতো..."

