ইউজার লগইন
ব্লগ
আমাদের 'উত্তরদা'। সাপ্তাহিক চিত্রালী।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সিনেমা বিষয়ক যে কয়টা প্রত্রিকা বেশী জনপ্রিয় হয়েছিল তার মাঝে সাপ্তাহিক 'চিত্রালী' ছিল অন্যতম। বর্তমান বাংলাদেশে যাদের বয়স ৪০ বা তার বেশী এবং পত্রিকা পাঠে যাদের অভ্যাস ছিল, তাদের কাছে জিজ্ঞেস করলে এ সত্য জানা যাবে। ওই সময় চিত্রালী পড়তেন না এমন লোকের সংখ্যা বিরল ছিলো। সিনেমার নায়ক/নায়িকাদের বড় ছবি, তাদের সাপ্তাহিক কর্মকান্ড তুলে ধরতো চিত্রালী। সাপ্তাহিক চিত্রালী
আনন্দ আজ আমার কাছে
আনন্দ হয়ত বিকেলের সোনালী রোদ্দুর
অথবা আবীর মাখা সান্ধ্য মেঘ;
তাতে কল্পনার রঙ আছে,
আছে কবিতার আবেগ,
আছে চাপা হৃদ্যতার আঁকুতি,
গভীর অন্তর্ভেদী দৃষ্টি;
আনন্দ হয়ত সময়ের বুকে
একচিলতে অর্থহীন অনুভূতি!
আনন্দ আমার বর্তমান;
বর্তমান কি ক্ষনস্থায়ী?
নাকি কল্পনার ডানায় অসীমের বিস্তৃতি!
সময় তার শেষ দেখতে চায়,
প্রায় নিভে যাওয়া অনুভূতি
ডানা মেলে বাতাসে ভাসতে চায়;
বারো রকম ছাগু - একটি গবেষণা ধর্মী পোষ্ট।
বাংলা ব্লগ ইতিহাসে "ছাগু" সম্প্রদায় একটি বিশাল স্থান লইয়া রহিয়াছে। ইহাদের বংশবৃদ্ধি যাহাতে না হয় , সেইজন্য অনেক উদ্যোগ লওয়া হইয়াছে পূর্বে । সকলের সেই উদ্যোগ ব্যর্থ করিয়া ইহারা শুধু বংশবৃদ্ধিই করে নাই , ইহাদের রকমভেদ বাহির হইয়াছে ।
অধূনা বাংলা ব্লগ গবেষণা করিয়া বারো রকমের ছাগু সম্প্রদায় চিহ্নিত হইয়াছে। সেই গবেষণা খানি আজ আপনাদের সম্মুখে পেশ করিয়া আমি নিজেকে বড়ই কৃতার্থ মনে করিতেছি।
তুর্কের ঈদ!
হাত যতই চালাই সেই কাজ শেষ হতে হতে রাত ১১-১২টাই বেজে যায়। চাইলেও আগে ফিরতে পারিনা বাসায়।
ল্যাবের দুটা মাত্র পিসিআর মেশিন, ১২ জন মিলে তাই একের পর এক বুকিং দিয়ে কাজ চালায়। তার উপর আমি এই কোরিয়ান ল্যাবে নতুন। যদিও ছয়মাস হয়ে গেছে এসেছি এখানে, কিন্তু নতুনের তকমা এখনও সেঁটে আছে মাথায়।
আমার মনের আঙিনায়/ পথে তুমি হেঁটে যাও..
মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছে করে একলা হই। মানুষ হয়ে জন্মাবার একটা বড় সুবিধা বা অসুবিধা যেটাই বলি না কেন, তা হল, প্রচন্ড ভীড়ের মাঝেও একাকিত্বের স্বাদ নিতে পারা। চারিদিকে হই-হুল্লোড়, চিৎকারের মাঝে হুট করে নিজের মনে হারিয়ে যাওয়ার একটা সুযোগ যেমন থাকে, তেমনি আবার অনেক সময় একলা হতে চাওয়াটার পূর্ণতা প্রাপ্তি হয় না এই কোলাহলের কারণেই..
ঈদগল্প : ফুলকলি, লাল জামা আর লাল পুতুল !
এক
সন্ধ্যার পশ্চিম আসমানে যখন কোমর সচেতন নায়িকাগো মতন, চিক্কন ঈদের চাঁদ হাসি দেয়, সেই চাঁদের হাসি দেইখা যখন আমগো বেতার বাংলাদেশের বেতারে বেতারে ইথারে ইথারে ছড়ায়া যায় মনের ভিতর আনন্দের নাচন তোলা দুঃখু মিয়ার সেই চিরযুবতী গান,- 'রমজানেরই রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ..!' খুশীতে লাফাইতে লাফাইতে ফুলকলি তখন হাততালি দেয় আর কয়, - 'ঈদ হইবো ! ঈদ হইবো !'
ছোটগল্প: সোনার গাঁ
১
দু পাশে সারি সারি ইটের ভাটা । আরব্য উপন্যাসের গরুড় পাখীর মতো চিমনির গলা বেয়ে কুন্ডলী পাকিয়ে ধুয়া উড়ছে। প্রতিদিনকার মতো কাচের বাক্সে বন্দী হয়ে সামনে এগিয়ে যাই এই পথে । ভোরের সুর্যটা ক্রমেই পানি পানি বিস্বাদ লাগে।
আমি আসলেই সবাই পালায় ক্যান? :-S
আগের বার যখন লগিন করসিলাম তখন আমি একাই অনলাইন ছিলাম...
এখনো তাই
তার আগের বারো তাই ছিল...
(
মনে হয় আমারে কেউ "like" করেনা! (বিরাট আফসুসের ইমো হবে)
যাউজ্ঞা আমারে like করলেও আমি এইখানে বেশ কিছু মানুষ্কে ব্যাপক লাইক করি।
সবাইকে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা! 
নিচের গুলা ফিলার...৫০ টা শব্দের দাম কত মডুরা জানে!
a b c d e f g
h i j k l m n o p
l m n o p q r s t
u v w x y z 
গল্প: মতির শরীরটা খারাপ
"বুয়া! তোমার আক্কেলটা কেমন? বাড়ি ভর্তি কাজ জমে গেছে আর আসছো দুপুর ১২ টার সময়"। বেগম সাহেব হাত নেড়ে বলে। তারপর শুনিয়ে বলতে থাকে, "বেশী বাড়া বাড়ি করলে আসার দরকার নাই। ভাত ছিটাইলে কাকের অভাব হয় না"
দরজায় ঢোকার সময় মাথা নিচু করে থাকে মতির মা। কাল থেকে মতির শরীর খারাপ। জ্বর জ্বর ভাব। সারারাত আম্মা আম্মা করে কেঁদেছে। বলেছে, "তুমি কামে যাইওনা। আইজ থাকো"।
ছোটগল্প: জেল
১.
অন্য রকম রাতের পৃথিবী
যথারীতি গত শুক্রবারও (৩ সেপ্টেম্বর) ছিল আমার রাতের ডিউটি। মোটামুটি দিনের বেশিরভাগ সময় ঘুমিয়ে কাটিয়েছি। বাসায় কেউ নেই। বৌ আর বাচ্চাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি। এবার একটু আগেই চলে গেছে ওরা। ছেলেটার স্কুল বন্ধ। কী করবে ঢাকায় থেকে? তারপরও ছোটটার টিকা খাওয়ানোর জন্য ৩০ তারিখ পর্যন্ত রয়ে গেল ঢাকায়। ৩১ তারিখ সকালের দিকে চলে গেল ওরা।
কন্থথ
কয়েকদিন ধরে মন খারাপের চূড়ান্ত হয়ে আছে। কোনদিকে ভালো কিছু ঘটছে না। আমার পাশে যে কলিগটি বসেন, তিনি হঠাৎ করে একদিন সিদ্ধান্তে আসলেন, গাঁজাই ভালো। কারণ তাকে দেশের বাড়ি থেকে ফোন দিয়েছে বন্ধুরা।
'দোস্ত মাল-টাল তো পাওয়া যাচ্ছে। তোর জন্য রাখবো নাকি?' সে কলিগ জিজ্ঞেস করেছেন 'দাম কতো?' উত্তর পেয়েছেন, 'এই হাজারখানেক টাকা আর কি', তিনি আবার জিজ্ঞেস করেছেন, 'আমাকে কত দিতে হবে?', তার বন্ধু উত্তর করেছেন, 'আমি তো দিতি-টিতি পারবো না, তো তুই আর মামুন দিয়ে দিস, এখন নিয়ে রাখছি'। আমার কলিগ এই শুনে তাকে ধমক দিয়েছেন, 'শালার পুত, ঢাকায় থাকি দেখে ভেবেছিস টাকার পাহাড় বানিয়ে বসে আছি? এ মাসে বেতন-বোনাস যা পেয়েছি শ্বশুরবাড়িতে দিয়ে-থুয়ে, মেয়ের আকিকায় খর্চা করে শেষ। আমি তোদের ওসবের মধ্যে নেই। আমার বেশি ফিলিংস লাগলে পাঁচ টাকার গাঁজা কিনে রাজা হয়ে ঘুরে বেড়াবো।'
এই বসবাস!
কবিতাটি খুব ছোট। কিন্তু পঞ্চাশ শব্দের নীচে কোন কিছু পোস্ট এখানে দেওয়া যায় না মনে হয়। তাই এই সব কথা লিখলাম। ছোট কোনোকিছু পোস্ট দেবার অন্য কোনো উপায় আছে কি? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।আপনাদের সাড়া পেলে ভালো লাগবে। পড়ে যা মনে হয় তাই লিখবেন আশা করি।
এই বসবাস, এক নক্ষত্র আকাশ;
মৃত্যুবোধ যেন নক্ষত্রের ভালোবাসা।
তুমি এক আশ্চর্য আঁধার শুধু
আমি তার গভীর কুয়াশা!
আমি যদি হতাম
১.
ঈদ সংখ্যা সাপ্তাহিক-এ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী আত্মজীবনী লিখেছেন। সেখানে এক জায়গায় বলেছেন, ‘কে না জানে এই বাংলাদেশে সুস্থ থাকাই এখন সবচেয়ে বড় সাফল্য’।
