ইউজার লগইন
ব্লগ
শিল্পান্তর
পূব আকাশে আলোর রেখা ফুটে উঠেনি। বাতাস জুড়ে এখনো মিহি রাতের গন্ধ। ঝিঝি পোকার ডাক আর ভোরের পাখির মিষ্টি গুঞ্জন ভেদ করেও অনেক দূর থেকে স্পষ্ট শোনা যায় মুয়াজ্জিনের আযানের ধ্বনি “আসসালাতু খাইরুম মিনান্নাওম”। আরো কিছু সময় আগেই ঘুম থেকে উঠে গেছে ওমর। ঠিক সময় মতন উঠে যায় প্রতিদিন। দেরি হয়না কখনো। এই জন্য প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই একবার করে সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ দেয় ওমর। ধবধবে সাদা পাঞ্জাবী পায়জামা রেডি করাই
আধা-টেকি পোস্টঃ নিজ হাতে লেখা মোর কাকের ঠ্যাং খাসা !
আমরা বন্ধুর টেক্সট এডিটর ব্যাপক ঝামেলার। তাই শুরুতেই মূল পোস্টের লিঙ্ক। যারা এইখানে পড়ে বুঝতে পারবেন না, তাদের জন্য।
অন্তর্জালে ইংরেজির জন্য হাজার হাজার ফন্ট। সংখ্যাটা কি কম বলে ফেললাম? লাখ লাখ বলবো? ফন্ট নিয়ে গুতাগুতি করার সময় আমি এমন একটা সাইটও দেখেছি যেটায় নিজের হাতের লেখায় ৬২টা চিহ্ন(ইংরেজি লেটার ২৬টা বড় হাতের, ২৬টা ছোট হাতের+অঙ্ক ১০টা+ আর কোনো অপশনাল চিহ্ন) সাইটের সরবরাহ করা পিডিএফের নির্দিষ্ট জায়গায় লিখে আপলোড করে দিলে সাইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই চিহ্ন অনুযায়ী তৈরি করে দিবে।
চ্যাম্পিয়নস লীগ ফ্যান্টাসি
ইদানীং আমার অবসর সময়ের অনেক খানি খেয়ে নিচ্ছে ESPN Soccernet। বিশ্বকাপ ফুটবলের কারনে ফুটবলের প্রতি হারানো আগ্রহ আবার ফিরে পেয়েছি। বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে, কিন্তু শুরু হয়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ। আর দু'দিন পর শুরু হতে যাচ্ছে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ এর গ্রুপ পর্ব। এবার চ্যাম্পিয়ন লীগ আমি একটু বিশেষভাবে অনুসরণ করবো। কারন একটাই, এবারই প্রথম আমি ইএসপিএন এর চ্যাম্পিয়নস লীগ ফ্যান্টাসিতে দল নামিয়েছি। 
ভূমিকম্প: অতঃপর?
হাইতি, ইরান বা গুজরাটে যে ভূমিকম্প হল তার সিকিভাগও আমরা ঈদের দিন বা তার আগের রাতে অনুভব করি নাই। তবে, আমার জানামতে আমরা ব্লগারসকল কেউই এই যাবৎ বঙ্গদেশে এমন ঝাকি খাই নি। হতে পারে পরবর্তি ভূমিকম্পটি হবে একটু পরেই বা হয়ত শ্রীঘ্রই। কয়েক সেকেন্ডের ব্যাপার মাত্র। জীবনের এপর্যন্ত সব স্বপ্ন চিন্তা ভাবনা, যুদ্ধ, সংগ্রামের ইতিটেনে হয়ত পরে থাকতে পারি কোন দেওয়ালের নিচে পিষ্ট অবস্থায় অথবা ধ্বংসস্তুপে বসে
কৈশরের চান রাত
Chan rat e "chan glass" kina
চান রাত। ক্যামেরা হাতে ইফতারের পর বের হওয়া, সোজা নিউ মার্কটে যাওয়া… মানুষের আনন্দ দেখে নিজের আনন্দিত হওয়া…দোকান্দারদের সবচে বেশি আনন্দ…তারা আজকে সারা রাত বেচা বিক্রি করে ভোর রাতে বাড়ি রওনা দিবে।
আমাদের 'উত্তরদা'। সাপ্তাহিক চিত্রালী।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সিনেমা বিষয়ক যে কয়টা প্রত্রিকা বেশী জনপ্রিয় হয়েছিল তার মাঝে সাপ্তাহিক 'চিত্রালী' ছিল অন্যতম। বর্তমান বাংলাদেশে যাদের বয়স ৪০ বা তার বেশী এবং পত্রিকা পাঠে যাদের অভ্যাস ছিল, তাদের কাছে জিজ্ঞেস করলে এ সত্য জানা যাবে। ওই সময় চিত্রালী পড়তেন না এমন লোকের সংখ্যা বিরল ছিলো। সিনেমার নায়ক/নায়িকাদের বড় ছবি, তাদের সাপ্তাহিক কর্মকান্ড তুলে ধরতো চিত্রালী। সাপ্তাহিক চিত্রালী
আনন্দ আজ আমার কাছে
আনন্দ হয়ত বিকেলের সোনালী রোদ্দুর
অথবা আবীর মাখা সান্ধ্য মেঘ;
তাতে কল্পনার রঙ আছে,
আছে কবিতার আবেগ,
আছে চাপা হৃদ্যতার আঁকুতি,
গভীর অন্তর্ভেদী দৃষ্টি;
আনন্দ হয়ত সময়ের বুকে
একচিলতে অর্থহীন অনুভূতি!
আনন্দ আমার বর্তমান;
বর্তমান কি ক্ষনস্থায়ী?
নাকি কল্পনার ডানায় অসীমের বিস্তৃতি!
সময় তার শেষ দেখতে চায়,
প্রায় নিভে যাওয়া অনুভূতি
ডানা মেলে বাতাসে ভাসতে চায়;
বারো রকম ছাগু - একটি গবেষণা ধর্মী পোষ্ট।
বাংলা ব্লগ ইতিহাসে "ছাগু" সম্প্রদায় একটি বিশাল স্থান লইয়া রহিয়াছে। ইহাদের বংশবৃদ্ধি যাহাতে না হয় , সেইজন্য অনেক উদ্যোগ লওয়া হইয়াছে পূর্বে । সকলের সেই উদ্যোগ ব্যর্থ করিয়া ইহারা শুধু বংশবৃদ্ধিই করে নাই , ইহাদের রকমভেদ বাহির হইয়াছে ।
অধূনা বাংলা ব্লগ গবেষণা করিয়া বারো রকমের ছাগু সম্প্রদায় চিহ্নিত হইয়াছে। সেই গবেষণা খানি আজ আপনাদের সম্মুখে পেশ করিয়া আমি নিজেকে বড়ই কৃতার্থ মনে করিতেছি।
তুর্কের ঈদ!
হাত যতই চালাই সেই কাজ শেষ হতে হতে রাত ১১-১২টাই বেজে যায়। চাইলেও আগে ফিরতে পারিনা বাসায়।
ল্যাবের দুটা মাত্র পিসিআর মেশিন, ১২ জন মিলে তাই একের পর এক বুকিং দিয়ে কাজ চালায়। তার উপর আমি এই কোরিয়ান ল্যাবে নতুন। যদিও ছয়মাস হয়ে গেছে এসেছি এখানে, কিন্তু নতুনের তকমা এখনও সেঁটে আছে মাথায়।
আমার মনের আঙিনায়/ পথে তুমি হেঁটে যাও..
মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছে করে একলা হই। মানুষ হয়ে জন্মাবার একটা বড় সুবিধা বা অসুবিধা যেটাই বলি না কেন, তা হল, প্রচন্ড ভীড়ের মাঝেও একাকিত্বের স্বাদ নিতে পারা। চারিদিকে হই-হুল্লোড়, চিৎকারের মাঝে হুট করে নিজের মনে হারিয়ে যাওয়ার একটা সুযোগ যেমন থাকে, তেমনি আবার অনেক সময় একলা হতে চাওয়াটার পূর্ণতা প্রাপ্তি হয় না এই কোলাহলের কারণেই..
ঈদগল্প : ফুলকলি, লাল জামা আর লাল পুতুল !
এক
সন্ধ্যার পশ্চিম আসমানে যখন কোমর সচেতন নায়িকাগো মতন, চিক্কন ঈদের চাঁদ হাসি দেয়, সেই চাঁদের হাসি দেইখা যখন আমগো বেতার বাংলাদেশের বেতারে বেতারে ইথারে ইথারে ছড়ায়া যায় মনের ভিতর আনন্দের নাচন তোলা দুঃখু মিয়ার সেই চিরযুবতী গান,- 'রমজানেরই রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ..!' খুশীতে লাফাইতে লাফাইতে ফুলকলি তখন হাততালি দেয় আর কয়, - 'ঈদ হইবো ! ঈদ হইবো !'
ছোটগল্প: সোনার গাঁ
১
দু পাশে সারি সারি ইটের ভাটা । আরব্য উপন্যাসের গরুড় পাখীর মতো চিমনির গলা বেয়ে কুন্ডলী পাকিয়ে ধুয়া উড়ছে। প্রতিদিনকার মতো কাচের বাক্সে বন্দী হয়ে সামনে এগিয়ে যাই এই পথে । ভোরের সুর্যটা ক্রমেই পানি পানি বিস্বাদ লাগে।
আমি আসলেই সবাই পালায় ক্যান? :-S
আগের বার যখন লগিন করসিলাম তখন আমি একাই অনলাইন ছিলাম...
এখনো তাই
তার আগের বারো তাই ছিল...
(
মনে হয় আমারে কেউ "like" করেনা! (বিরাট আফসুসের ইমো হবে)
যাউজ্ঞা আমারে like করলেও আমি এইখানে বেশ কিছু মানুষ্কে ব্যাপক লাইক করি।
সবাইকে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা! 
নিচের গুলা ফিলার...৫০ টা শব্দের দাম কত মডুরা জানে!
a b c d e f g
h i j k l m n o p
l m n o p q r s t
u v w x y z 
গল্প: মতির শরীরটা খারাপ
"বুয়া! তোমার আক্কেলটা কেমন? বাড়ি ভর্তি কাজ জমে গেছে আর আসছো দুপুর ১২ টার সময়"। বেগম সাহেব হাত নেড়ে বলে। তারপর শুনিয়ে বলতে থাকে, "বেশী বাড়া বাড়ি করলে আসার দরকার নাই। ভাত ছিটাইলে কাকের অভাব হয় না"
দরজায় ঢোকার সময় মাথা নিচু করে থাকে মতির মা। কাল থেকে মতির শরীর খারাপ। জ্বর জ্বর ভাব। সারারাত আম্মা আম্মা করে কেঁদেছে। বলেছে, "তুমি কামে যাইওনা। আইজ থাকো"।
