ইউজার লগইন
ব্লগ
দিন যায়, কথা থাকে
I become ugly when I don’t love
And I become ugly when I don’t write
--Nizar Kabbani
সে একটা গল্প বলতে চেয়েছিলো (দুই)
কি ভাই, আরেক কাপ চা খাওয়াইবেন না!
ইচ্ছাঘুড়ি'র শুভ জন্মদিন
একসময় সবার জন্মদিনে তার দেয়া শুভেচ্ছাগুলো হতো অনন্য, কারন সে যে শুভেচ্ছা জানাতো গান গেয়ে! একেতো সেই সুদূর থেকে দেশের বন্ধুটাকে ফোন দিতো সেই আনন্দের সঙ্গে সাথের গাওয়া গানটা থাকতো বোনাস! তবে গানওলা গানই তো গাইবে এ আর নতুন কি? 8)
তুমি কে?
সেই যে তুমি
মাঝে মাঝেই দেখা পাই তোমার
যতক্ষণ থাকো সমস্ত জুড়েই থাকো
মগজের আনাচে কানাচে তখন কেবলই তোমার অস্তিত্ব
যখনই আসো
আমাকে আষ্ট্রেপৃষ্টে জড়িয়ে রাখো দিনরাত
কতোরাত নির্ঘুম কেটেছে তোমাকে পেয়ে
কত ভোর হয়েছে দুপুর........
একবার এলেই,
সহজে যেতে চাওনা তুমি আমাকে ছেড়ে
বলতো তুমি কে
তুমি কি সেই স্মৃতিময় ... ... ... ন?
শিরোনামহীন
বারান্দার গ্রিলের ফাঁকে, সামনের খোলা জায়গায় সোনালু গাছটায় চড়ুই পাখিদের ঘর। সকালবেলায় জানালায়, বারান্দার গ্রিলে উড়ে এসে বসে, ছুটোছুটি করে অনেক পাখি আর এদের মিষ্টি কিচিরমিচির শব্দে ঘুম ভাঙ্গে প্রায় প্রতিদিন। তবু চোখ বুজে থাকি, খুব কম দিনই এমন হয় যে উঠে বারান্দায় যাই। তাই মিষ্টি সকালের দেখা পাই না খুব একটা। অফিস যেতে হবে বলে ঘুম ঘুম চোখে যখন বের হই বাসা থেকে তখন বাইরে প্রখর রোদ। চোখ মেলে তাকানো যা
যে জলে আগুন জ্বলে
আমার পা জোড়া যেন শীতল হয়ে গেল। কি দারূন অনুভূতি।পায়ের কাছে তীব্র কলকল শব্দ করে জমে যাচ্ছে পাহাড়ি ঠাণ্ডা জল। জলের শরীরে আয়না। আমার দৃষ্টি জলের গভীরে। ঢেউয়ের ভাঁজে ভাঁজে পাথরের দোল খাওয়া দেখি। বড় বড় চোখের বুড়ো পাথর গুলোর গায়ে রোদ জলের ছায়া আর ছোট ছোট নুড়িগুলোর অবুঝ ভাসাভাসি।
মহানন্দার ওপারে আকাশ মাটি ছুঁয়ে সোনা রোদে হাসছে।
আমি ভেসে যাবার ভয়ে উঠে আসি।
রোদে তেতে থাকা, গরম মাটিতে পা পুড়ে যায়, আমি বাস্তবে ফিরে আসি। চোখ বুজলেই মহানন্দার জলে আমার চোখ ভরে যায়। সেদিন তোমার কি ভয়, পারে বসে চিৎকার
- "আর যেওনা। আর যেওনা। ভেসে যাবে যে..."
তুমি সাঁতার জানতে না। পানিকে তোমার তাই ভীষন ভয়। তাই নামোনি আমার সঙ্গে।
আমার ভীষন মন খারাপ হচ্ছিল, তোমার সাথে জলে নামতে পারিনি বলে কিন্তু মহানন্দা দেখে সব ভেসে গেল। নদী আমাকে ভীষন টানে। কি ভীষন আকূল করে টেনে নিয়ে যায়--অদ্ভূত তাইনা!
সে একটা গল্প বলতে চেয়েছিলো...(এক)
দিগন্ত বিস্তৃত নদী। ছোট্ট ঘাট। অন্ধকারে যদিও নদীর কিছুই প্রায় দৃশ্যমান নয়। দূরে কিছু আলোকবর্তীকা দেখা যায়। তারা ভাসে। আলোর সাথে কিছু শব্দও ভেসে আসে। যদিও লঞ্চ ঘাটে কোনো শব্দ নাই। কেবল মাঝে মাঝে জলস্রোত এসে লোহার জেটিতে আছড়ে পড়লে যতোটা শব্দ হয় ততোটুকুনই। তাতে নীরবতা ভাঙে না। বরং নিথর লঞ্চঘাটের রহস্যময় নীরবতা আরো গাঢ় হয়। একজন পুলিশ অবশ্য ঘুমে ঢলে পড়লে তার রাইফেলটা পিছলে গিয়ে খানিকটা শব্দ করে আর তাতে
কঋ দিএ কেনা"
বাংলা বানান শিখবার পর অন্য যেকোনো উৎসাহী বাবার মতো আমিও নিয়মিত সহজ সহজ কিছু প্রচলিত বাংলা শব্দের বানান জিজ্ঞাসা করি ছেলেকে। শব্দ বাছাই করতে গিয়ে যেসব শব্দে যুক্তবর্ণ নেই সেসব শব্দকেই প্রাধান্য দেই বরাবরই। লেখ্য বাংলা ভাষা পৃথিবীর দুরহতম ভাষাগুলোর একটি, এখানে এক রামে রক্ষা নেই দোসর লক্ষণ নয় শুধু সাথে সুগ্রীব, বালী, হনুমাণ, জম্বুবানসহ সকল বানর প্রজাতিই উপস্থিত। অক্ষরগুলো পাশাপাশি সাজালেই হবে না, সে
জাতে উঠা হৈল না আমার - ১
জাতে উঠিবার শখ লৈয়া বিলাত যাত্রা করিয়াছিলাম। মনে মনে দিবা স্বপ্ন দেখিতেছিলাম জাতে উঠিব, পাতে উঠিব। সাধারনে আমাকে দেখিয়া বলিবে দেখ বিলাত ফেরতা ছেলে। স্বপ্ন লৈয়া বিলাত যাত্রাই হৈল শুধু জাতে আর উঠিলাম না।
একটি কাল্পনিক প্রেমের গল্প
১.
কানে তালা লেগে যাচ্ছে।বিকট আওয়াজে বিস্ফোরিত হচ্ছে একেকটা বোমা।কানে হাত দিয়ে বসে আছে আট-দশটা প্রাণী।এরা সবাই কথা বলতে জানে।চলতে জানে।এরা মানুষ।তারপরও ঘটনার আকস্মিকতায় তারা এখন নির্বোধ।এখানে বসে থাকলে প্রাণে বাঁচবে! নাকী বের হলে রক্ষা পাবে জানেনা।শুধু জানে এটুকু সময় চলে গেলে হয়তো বাকী জীবনটা এমন ঘাপটি মেরে থাকতে হবেনা।বাঁচার আকুলতায় মানুষগুলোর চোখ ছলছল করছে।
২,
এই তো কিছুদিন আগে।
ইফতারাড্ডা নিয়ে ফজুল পোষ্ট
রোজার দিনের সবচেয়ে বিরক্তিকর বিষয় হলো ইফতারের দাওয়াত। ঘরের ডাইনিং চেয়ারে হাঁটু মুড়িয়ে বসে লেবু/দই/আমের সরবতের সাথে প্রচুর সালাদ দিয়ে ছোলা মুড়ি পিয়াজু মাখিয়ে খেতে যে তৃপ্তি তার সাথে ফাইভ ষ্টার হোটেলের ইফতারিও পাত্তা পায় না। কারো কোন দুইমত থাকলে আওয়াজ দিয়েন। 
স্বীকারোক্তি
মান্যবর,
অপরাধ নেবেন না,আমি এখন পুরোদস্তুর শহুরে মানুষ। গাঁওগেরাম আর পূর্ব পুরুষের ভিটেমাটির রং বহুকাল আগেই ভুলে গেছি। কোন এককালে আমার দাদাজান নিজ হাতেই কষতেন লাঙ্গল,আমার বাবাও করতেন,এটা আমার জন্য ঘেন্না বিশেষ!!বাজানের কোদাল হাতুড়ির ঠোকাঠুকি এ বোধকরি অপমানকর কথাই;
কেননা আমি এখন শহুরে আদলে গড়া অন্য মানুষ।
ক’এর মা, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্মৃতির জাবর কাটা
তিন প্লাস বয়স হলেও কেন জানি অনেক স্মৃতি মনে আছে তার। সেকালে হয়ত ভেজাল কম খাওয়া হত বলেই মাথাটার ভেতরে গ্রে মেটার একটু বেশিই ছিল। অথবা এমন হতে পারে, কারো কারো মেধাটা একটু এক্সট্রা অর্ডিনারি ধরনের হয়। সেরকম একজন হচ্ছে আজকের সুত্রধর। ধরে নেই সুত্রধরের নাম ‘ক’।
আমরা বন্ধু'র ইফতার আড্ডা
সবাই একসাথে বসে একদিন ইফতার করবো বলে ২৯/০৮/১০ তারিখ রবিবার নিকেতনে ভাস্করদার অফিসে আয়োজন করা হলো জম্পেস এক ইফতার আড্ডার। ভাস্করদা আগেই ছিলো অফিসে। অফিসটা দারুণ পছন্দ হইছে। রায়হান ভাই, টুটুল খাবার দাবার নিয়ে আগেই চলে গেলো। বিলাই ও এর মধ্যেই চলে এসেছিলো। মাসুম ভাই আর বিমা একা চিনবে না বলে আমি আর তাতাপু তাদের দুজনকে কাওরান বাজার থেকে নিয়ে গেলাম, পৌঁছলাম ইফতারে ২০ মিনিট আগে।মেসবাহ ভাই লালদা কে নিয়ে হল
