ইউজার লগইন
ব্লগ
ইচ্ছাকৃত, অজ্ঞতা নাকি অসাধুতা
আজকের পত্রিকায় ছাপা হওয়া সংবাদটা এরকম।
জাতিসংঘ পদক গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি), বিশেষ করে শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনায় সাফল্যের জন্য বাংলাদেশ জাতিসংঘ পদক (অ্যাওয়ার্ড) পেয়েছে। নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় রোববার সন্ধ্যায় ম্যানহাটনের একটি হোটেলে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ পদক গ্রহণ করেন। এর আগে রোববার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে এসে পৌঁছান।
আমরা বন্ধুর ব্যনার সমগ্র - ৩
আমরা বন্ধুর ব্যনার সমগ্র - ১
আমরা বন্ধুর ব্যনার সমগ্র - ২
আমরা বন্ধু ব্লগ সব সময় বন্ধুদের কাছে আহ্বান জানায় চমৎকার সব ব্যানারের জন্য। এ পর্যন্ত পাঠানো বন্ধুদের ব্যানারে আমরা বন্ধুর একটা বৈশিষ্ট তৈরী হয়েছে যে, যে কোন ইভেন্টে আমরা বন্ধুর ব্যানার ইভেন্টোপযোগী। যে কেউ যে কোন বিষয়ে ব্যানার পাঠাতে পারেন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট কম এ। ব্যানাররের মাপ হচ্ছে 1000 x 150 এবং ১০০ কিলোবাইটের নিচে হলে ভাল হয়। নির্বাচক মণ্ডলীর বিবেচনায় ব্যানার সাইটে আপ করার সিন্ধান্তই চুড়ান্ত।
ব্যানার তৈরী করেছেন : ভাঙ্গা পেন্সিল

বুঝতার্তাছিনা
(কি বিপদ ........ পুষ্ট সাবমিট কর্তে গিয়া দেখি কয় ৫০ শব্দ লাগবো ! ৫০ শব্দ এখন কৈ খুইজা পাই !!!!! )
ঠিকাছে তাইলে রায়হান ভাইয়ের মতন একটা জুক্স কই -
একবার এক দ্যাশে এক হোজ্জা আছিলো (আমি জানি আপনেরা সবাই হোজ্জারে চিনেন , হুদাই ৫০ শব্দ বানানির চেষ্ট কর্তাছি) সেই হোজ্জার বউ একবার পাশের বাড়ির মুর্গা চুরি কৈরা জবাই দিয়া চিলি-চিকেন উইথ অনিঅন ঝাল কারী রান্না কইরা ফেল্লো (কেকা ফেরদৌসীর রেসিপি দেইখা দেইখা) । হোজ্জা রাইতে খাইতে বইসা কয় মুর্গা রান্লা কেম্নে ! আমি তো মুর্গা কিনি নাই !!
বউ কয় পাশের বাড়ির মুর্গা ইভিনিং ওয়াকে এদিক আইছিলো ধইরা রাইন্ধা ফেলছি ('রাইন্ধা' শব্দটা লেখতে গিয়া 'রান্ধা' কামেলরে মনে পইড়া গেলো ... আহা আমাদের দুলাভাইলে কপাল বটে !)
আমার খেলাধুলা এবং আমার খেলা দেখা..
খেলাধুলার ব্যাপারে সারাজীবনই একটা বিরাট প্রতিভা ছিলাম। যে কোন খেলার কথা শুনলেই আমার কাঁপুনি দি্যে জ্বর আসে। আমি মানুষ ভালো
নিজে খেলিও না কাউরে খেলাইও না।

তবে জীবনে যা খেলেছি, তা ছিল পঞ্চম শ্রেণীর আগে। কুমির কুমির, দুহাত বেঁধে বিস্কুট দৌড়, কুতকুত ইত্যাদি। জীবনে একবারই লম্বা দৌড় দিয়েছিলাম, কিন্ত তৃতী্য় পুরস্কার ছিনিয়ে নেবার আগেই-কে যেন ল্যাং মেরে ফেলে দিয়েছিল। আর এ জীবনে দৌড়ানো হলনা।
একবার খেলে প্রথম পুরষ্কার পেয়েছিলাম। খেলাটা ছিল দাবা। প্রতিযোগী ছিলাম মোটে দুজন। আমার প্রতিপক্ষ খেলার দিন বিনা নোটিশে হাজির হল না, তাই প্রথম পুরস্কার হিসেবে একটা কাঁচের জগ পেয়ে গেলাম।
নাসিরুদ্দিন হোজ্জার কৌতুক
ছোটবেলায় যখন স্কুলে পড়ি মামার কাছ থেকে কিছু বই উপহার পাই। একটা ছিল নাসিরুদ্দিন হোজ্জার কৌতুকের সংকলন। নাম ভিন দেশি এক বীরবল। লেখক সম্ভবত মোহাম্মদ নাসির আলী। প্রায় শ খানেক নাসিরউদ্দিন হোজ্জার কৌতুক ছিল বইটাতে। হাস্যরসের আকর এই বইটার কৌতুক খুবই প্রিয় ছিল আমার। বলা যায় একদম গুণমুগ্ধ ছিলাম হোজ্জার। সেই মুগ্ধতা আমার এখনো তেমনই আছে। হোজ্জা আমার অলটাইম ফেভারিট।
তুরস্কের দার্শনিক, জ্ঞানী, বুদ্ধিমান (কখনও কখনও বোকা) ও প্রচন্ড রসবোধে পরিপূর্ণ হোজ্জার কৌতুক সারা দুনিয়ায় জনপ্রিয়। ইউনেস্কো ১৯৯৬-১৯৯৭ সালকে আন্তর্জাতিক নাসিরুদ্দিন দিবস হিসাবে ঘোষণা করে।
আফসোস, সেই ভিন দেশি এক বীরবল বইটা হারিয়ে গেছে। সেই কবে পড়েছি কিন্তু এখনো বেশ কয়েকটা মনে করতে পারি। তার কয়েকটা কৌতুক এখানে দিলাম।
অভিযোগ নাই
"শুনাও তোমার অমৃত বাণী!"
"- আর কিছু বলবে?"
এপাশ থেকে জানতে চাইলো পুরুষকন্ঠ।
"- বলবো বলেই তো ফোন দিয়েছিলাম। কিন্তু যা বলতে চাই, সেটা ঠিক এই মুহূর্তে ভুলে গেছি যে!"
হড়বড় করে কথা বলতে থাকা নারীকন্ঠে আক্ষেপ ঝরে পড়লো।
"- থাক তবে। যখন মনে পড়ে তখন বলো।
"- সেই মনে পড়াটা যদি তোমার গভীররাতে হয়?"
প্রশ্রয়ে উৎফুল্ল নারীকন্ঠ।
"- ক্ষতি কী! ..ঘুম কী তুমি আমার নতুন ভাঙাবে?"
খিলখিল শব্দে আহ্লাদ প্রকাশ করে ওপাশের নারীকন্ঠ।
.......তেমন গুরুত্বপূর্ণ কথা্ই নয়, যা মেয়েটা এই মুহূর্তে মনে করতে পারছে না। কিন্ত প্রতিদিনই এভাবে সে কিছু না কিছু বলতে ভুলে যায়।
পরবর্তীতে ঘুম ভেঙে ছেলেটাকে শুনতে হয়। "পদ্মপিসির ছেলের জন্য মেয়ে দেখতে গিয়ে গ্লাসভর্তি পানি ফেলে দিয়েছিলো বিল্টু। আর সেই পানিতে পা-পিছলে পড়ে গেছেন মেয়ের বাবা। হিহিহি....."
দূরে কোথাও
মাঝে মাঝে মনে হয়
কোন এক সন্ধ্যায়
চলে যাই কোন এক অজানায়
বসে থাকি একাকী
ঘাস ফড়িং আর কাশ ফুলের মুখোমুখি।
ঠাকে যদি নদী কাছাকাছি
যেতাম হেটে তার পাশাপাশি
পা পিছলে যদি যেতাম নদীর জলে
যদি যেতাম হারিয়ে জলের অতলে
কেমন হত তবে
ভাসতে ভাসতে গেলাম চলে স্বপ্নের অতলে।
হঠাৎ ভেদ করে সকল চেতনার স্তর
একটি সত্য হয় প্রতীয়মান
যেতে হবে ফিরে
সেই চির চেনা কোলাহলে
যেথায় হয় ইচ্ছে ম্রিয়মান ।
বৃষ্টি ঝড়ে ঝিড়িঝিড়ি, মন চায় খেতে খিচুড়ী
কাল ফেসবুকে দেখলাম একবছর আগে আমাদেরকে আমাদের মহান মেসবাহ ভাই দাওয়াত করে খিচুরী খাইয়েছিলেন। তারপর দিন মাস পেড়িয়ে বছর হয়ে গেলো। ফেসবুকে সেই খিচুরী খাওয়ার ছবি কাল থেকে আবার দেখতে পাচ্ছি।

ল্যাব এইডের মজার খিচুরী

একবছর আগের ছবি দেখছি কাল থেকে
প্রিয় পাঠক পাঠিকা, আপনাদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
প্রিয় পাঠক পাঠিকা, অনেক দিন ধরে আপনাদের একটা বিষয়ে সচেতন করব বলে ভাবছি। জরায়ু-মুখ ক্যান্সার নারীদের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধি এবং জরায়ু-মুখ ক্যান্সার বিশ্বব্যাপী নারীদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। বর্তমান বিশ্বে প্রতি দুই মিনিটে একজন নারী জরায়ু-মুখ ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করেন এবং প্রতি বছর অর্ধকোটী নারী নতুন করে আক্রান্ত হন।
বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১৩,০০০ নারী নতুন করে জরায়ু-মুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হন এবং প্রতিবছর মৃত্যুবরণ করেন প্রায় ৬,৬০০ নারী। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে সারাদেশে ১৮ জন নারী মারা যাচ্ছেন জরায়ু-মুখ ক্যান্সারে। জরায়ু-মুখ ক্যান্সার ১৫- ৪৫ বছর বয়সের নারীদের মধ্যে বেশী দেখা যায়, কিন্তু ক্যান্সারের লক্ষণ প্রকাশের প্রায় ২ থেকে ২০ বছর আগেই একজন নারী এ রোগের ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হন।
একটি কৌতুক, দুটো নগদ পাইরেটেড পদ্য এবং এক চিমটি ভ্রমনাচার
নিউ ইয়র্কে হাজব্যান্ড ষ্টোর নামে একটা দোকান খোলা হয়েছে যেখানে খোলাখুলি স্বামী বিক্রি করা হয়। ছয়তলা দালানে নানান ক্যাটাগরীর সোয়ামী ভাগ করা আছে। একেকতলায় একেকরকম স্বামী বিক্রি করা হয়।
কড়াকড়ি নিয়ম হলো ক্রেতা যে কোন ফ্লোর থেকে স্বামী পছন্দ করতে পারবে, তবে একজন একবারই পছন্দ করতে পারবে, এবং সেই পছন্দ অপরিবর্তনীয়। আরেকটা নিয়ম হলো নীচতলা থেকে উপরে যাওয়া যাবে, কিন্তু উপর থেকে নীচে নামা যাবে না।
আমার ঈদ
ঈদ উপলক্ষ্যে ছুটি পেলাম মোট ১১ দিন।৭ তারিখ থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত। ৭ তারিখের জন্য অপেক্ষা করছিলাম সারা রোজার মাসের প্রতিদিন। সবকিছু মিলিয়ে কেমন দমবন্ধ লাগছিলো অনেকদিন ধরেই। ৬ তারিখ রাতে ঘুমালাম না তেমন।অনেকদিন ধরেই নির্ঘুম রাত কাটছিলো, যার চিহ্ন কিশোরী বয়সের মত হাজার হাজার ব্রণের উৎপাত। ৭ তারিখ সকালেই ছোট একটা ব্যাগ গুছিয়ে বের হলাম বাসা থেকে। বাড়ী যাবো ভাবতেই খুব ভালো লাগছিলো, আমার শান্তির জায়গা। দ
জাহানারার তহবিলের পূর্ণ হিসাব
জাহানারাকে নিয়ে ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ার পর থেকে যে চাঁদা উঠেছিল তার একটা হিসাব আমার নিজস্ব ব্লগে রেখে দিলাম। যে কেউ এইখানে তার হিসাবটা দেখে নিতে পারবেন।
TA – ১,০০০
MKL – ৫০০
BFR – ১,৫০০
ফাহিম – ৫,০০০
নাজ – ২,০০০
RUB – ৫,০০০
রাসেল – ৮,০০০
মোট ২৩,০০০ জমা হয়েছিল
জাহানারার পরিবারকে দেয়া হয়েছে
রায়হান ভাই ৩,০০০
রুবাই ২,০০০
মাসুম ভাই ২,০০০
জয়ীতা ১,০০০
কাটে না সময় যখন আর কিছুতেই--------
প্রিয় বাবা
ইদানীং ফোন ধরে তোমার সঙ্গে খুব বেশী কথা বলা হয়ে ওঠে না, দু্চারটে কথা বলার পর - আর কথা বিশেষ খুঁজে পাই না। কিন্তু ফোন রেখে দেবার পর মনে হয়, তোমাকে কি যেন বলা হল না। মনে হয়, আরেকটু কথা বললে ভালো লাগতো।সারাদিন চুপিচুপি মন ভার করে ঘুরে বেড়াই।
শুভ জন্মদিন :: মেসবাহ ভাই ও শাশ্বত সত্য
ধরেন বিকালে ধানন্ডির ৫এর বিখ্যাত ফুচকা খাইতে ইচ্ছা হইলো? ০১৭১..... হ্যালো মেসাবাহ ভাই ... বিকালে আসতেছি 
আবার ধরেন ঝুম বৃষ্টি? বোঝেনইতো... বৃষ্টির সাথে খিচুরির একটা গভীর সম্পর্ক
... আর খিচুরি মানেই ল্যাব এইডের ক্যান্টিনের চমৎকার রান্নার খিচুরী... খাইতে মন আকুপাকু করে? ০১৭১..... হ্যালো মেসাবাহ ভাই ... বাইরে বৃষ্টি
.. বাকি কথা মেসবাহ ভাই বলবেন 
শিরোনামহীন!
১.
বিস্মরণের শুকনো পাতা মাটিতে যায় মিশে
আবার জেগে উঠবে নতুন সবুজ ঘাসের শীষে।
চোখ খুলবে নতুন কুঁড়ি হাত বাড়াবে শাখা
জাগবে নতুন গানের খাতা ভালোবাসায় আঁকা।
রঙে রঙে রঙিন হবে বর্ণমালার ফুল
সেই ফুলেতে গড়িয়ে দেবো মন কিশোরীর দুল।
২.
একটু যেন অভিমানের আভাষ পেলাম কথার কোণে
সেই ব্যথাটুক মিলল এসে সঙ্গোপনে আমার মনে।
যেই কথাটি লুকিয়ে থাকে নৈঃশব্দ্যের নীরব স্বরে