ইউজার লগইন
ব্লগ
ওয়াইনের নেশায় বুনে মাকড়সা
হঠাৎ করে একগোছা প্রজাপতি উড়ে এসে জুড়ে বসে এবং
ঘর ভর্তি রঙ বেরঙের ফ্যাশান পাদুকাগুলো পরে নেয়
ভোজন-রঞ্জন শেষে এক একে বাড়ি থেকে বের হতে হতে
যেই তারা দরজায় রাখলো পা
এক মস্ত মাকড়শা-জাল পথ করে রোধ
তারা ভু্লে গেলো ওয়াইনের পেয়ালায় রাখা
ফুলের রেণু যে নেশার রঙ মাখছিলো
সেই ঐক্যতানেই মাকড়সা জাল বুনছিলো।
বসন্ত রঙ
কখনো কখনো শৈশবের গন্ধ নাকে এসে লাগলে মেঘে
হারিয়ে যাওয়া চাঁদ সহাস্যে মেলে নরম রূপোলি আলো
বুকের গহীনে সযত্নে লুকোনো তার সফেদ জোড়া কবুতর
বিনীত ভঙ্গি তুলে আলোর মুখ দেখে উঁকি দিলে
চলন্ত ট্রেনের জানালা গলে এগিয়ে আসা বসন্ত রঙের হাওয়া
কোন এক যাত্রীর চোখের তারায় ঝিকিমিকি ঝিলিক তুলে।।
আই হ্যাভ ট্রাইড ইন মাই ওয়ে টু বি ফ্রি!
শিরোনামটা আমার না, মহাত্মা লিওনার্ড কোহেনের। এরকম অসাধারণ সংরাইটার, সিঙ্গার, আমার চোখে আর পড়ে নাই। তাঁর গান না শুনে, শুধু লিরিকস পড়লেই সুখ। মনে হবে সুনীলের কবিতা পড়ছেন। আমি অবশ্য উনার নাম শুনেছি বন্ধুবর জেমসের মুখেই। সে আবার এই কানাডা নিবাসী মহাত্মার নাম শুনেছে কবীর সুমনের কোন লেখায় পড়ে। রাত তিনটাতেও আমার ঘুম আসে না যখন, তখন আমার সংগী লিওনার্ড কোহেনের বারোটা গান। কি যে অসাধারণ লাগে মনে হয় আমার মনের শান্তির জন্যই লেখা। উনার সিস্টার অফ মার্সি গানের সুর ও কথার অনুপ্রেরনাতেই অঞ্জন দত্তের অসাধারণ গান 'শুনতে কি পাও'। তার 'বার্ড ওন দ্যা ওয়ার; এর কিছুটা প্রভাব পাবেন অঞ্জন দত্তের আরেক বিখ্যাত গান 'আমি বৃষ্টি দেখেছি' তেও। আর কবীর সুমনের গানেও দেখবেন কিছুটা কোহেনের নিরাসক্তিময় ছন্দময় শব্দের ব্যাপার গুলো আছে। তা থাকুক, আমি লিওনার্ড কোহেনের সব গান শুনি নি এখনো। যে গোটা দশেক শুনছি তাতেই আসক্তি হচ্ছে, শু
দূরদর্শন এবং ঝিঁ ঝিঁ পোকা (ক্রিকেট) সমাচার-১
বাল্যকাল হইতেই 'দূরদর্শন' নাম্নীয় চৌকোনা একটা বাক্সের প্রতি ছিল সীমাহীন তীব্র কৌতুহল। ইহার ভিতরে মানব-মানবীরা কি সুন্দর করিয়া কথা বলিয়া হাসাহাসি করিত তাহা দেখিতাম আর মুগ্ধ হইয়া যাইতাম। আর ভাবিতাম-"আহা! আমিও যদি ইহার ভিতরে যাইতে পারিতাম কি মজাই না হইত।" আস্তে আস্তে শৈশব পার করিয়া কৈশোরে উপনীত হইলাম। তখন একটু একটু করিয়া বুঝিতে শিখিয়াছি ভদ্রলোকেরা ইহাকে আদর করিয়া 'টেলিভিশন' নামে অভিহিত করিয়া থাকেন।
বহ্নি জ্বালা
আজ বজ্র যেন হানিছে আঘাত
বহ্নি জ্বালায় জ্বলিছে দেহ মন
অবারিত অক্ষিদ্বয় যেদিকে তাকায় শুধুই শুন্যতা।
ক্ষনকাল অতীতেও যা ছিল
চাঁদ, তারা, নিহারিকা বা উদিয়মান সূর্যের
হাজারও আলোক রশ্মিতে আলোকিত,
ভোরের নির্মল শীতল সমীরণের পরশে
যেমন থাকে দেহমন পরিপূর্ণ।
এ কি কিছু হারানো ?
না কোন কিছু হারানো নয়
কখনও না হারানোর ব্যথাও যে বহ্নি জ্বালাকে হার মানায় আগে বুঝিনি।
দিন পনের ঢাকাতে হেড অফিসে ছিলাম বিভিন্ন কাজ নিয়ে, ডাইরেক্টার স্যার বললেন প্রজেক্ট তো শেষ প্রায়, মানষিক ভাবে প্রস্তুত থাক, অন্য প্রজেক্টে যেতে হবে,
জিজ্ঞেস করেছিলাম,কোথায় যেতে হবে, বললেন না,
ঘোলাটে হাওয়ায় হারিযে ফেলেছি কৈশোরের ডায়েরি
মানুষের জীবনের এই যে সীমিত সময়- যদ্দিন বাঁচি খেয়ে পরে আয়েশে কাটাতে হবে। কিন্তু কি করে তা সম্ভব হবে? কয়েক বছর আগেও উত্তরটা সিরিয়াসলি খুজিনি। কয়েক বছর আগে একটা পরিকল্পনা ছিলো। ইন্টার পাশ করে বরফ পড়া কোনও এক দেশে পড়াশোনা করতে যাবো। রাস্তার নির্জনতা মাড়িয়ে ঘরে ফিরবো। ভেবেছিলাম দারুণ হবে ব্যাপারটা।
কিন্তু দেখা গেলো ক্লাসমেটদের ভিতরে যাদের মুখে কখনো বিদেশ যাবার কথা শুনিনি তাদের কেউ কেউ চলে গেছে চীন কিংবা ইন্ডিয়া। আর এদিকে আমি মিশে যাচ্ছি এই শহরের হাহাকারে।
কলেজের দিনগুলো ছিলো নিশ্চিন্তে পথচলার মত। প্রতি রাতে ভবিষ্যতের পরিকল্পনাদের বুকে আগলে রেখে আমি ঘুমাতাম। সেই ঘুম ছিলো সত্যিকারের শান্তির ঘুম। দিনগুলো কিভাবে যে শেষ হয়ে গেছে তা আমি জানি না। সেই সব দিনে কখনোই ভাবি নি পরের বছরগুলো কেমন হবে।
হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের বাঙ্গালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যর প্রতীক গুলি
হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের বাঙ্গালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যর প্রতীক গুলি
হাজার বছরের চলে আসা বাঙ্গালিদের কিছু ঐতিহ্যবাহী জিনিস যা আমরা সেই প্রাচীন কাল হতে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে আসছি। এই ঐতিহ্যবাহী জিনিস গুলি হাজার বছরের বাংলার সংস্কৃতির এক একটি উপাদান ও বাঙ্গালী সংস্কৃতি - ঐতিহ্যর ধারক যা গ্রাম বাংলার গৃহস্থের সচ্ছলতা ও সুখ সমৃদ্ধির প্রতিক হিসাবে প্রচলিত ছিল। আজ এই আধুনিক যুগে আধুনিক পণ্যের কাছে , আধুনিক কলা কৌশলের নিকট মার খেয়ে আস্তে আস্তে বিলুপ্তির পথে। বাংলাদেশের গ্রামে গঞ্জে এখন পুরোপুরি যান্ত্রিক ঢেউ লেগেছে। মাছে ভাতে বাংগালীর ঘরে এক সময় নবান্নের উত্সব হতো ঘটা করে। উত্সবের প্রতিপাদ্যটাই ছিল মাটির গন্ধ মাখা ধান। ঢেকি ছাটা ধানের চালের ভাত আর সুস্বাদু পিঠার আয়োজন।
এখন চৈত্র মাস!
পত্রিকার দোকানে গিয়ে দেখি ঝলমল করছে ম্যাগাজিন মৌচাকে ঢিল, তাদের চৈতালি ভালোবাসা সংখ্যা নিয়ে, দোকানদার আলাউদ্দীন ছেলেটা কোনো অদ্ভুত কারনে আমাকে খুব ভালো পায়। আমার জন্য আনন্দলোক, ক্রীড়ালোক, কালি ও কলম রেখে দেয়, যখন তখন পত্রিকা বাকীতে দেয়, রাস্তা ঘাটে যেখানেই দেখা হোক দাঁড়িয়ে কথা বলে। আমিও ভালো পাই তাই দিনের নিউএইজ কিংবা ঢাকা ট্রিবিউন সেখান থেকেই কিনি। জিগেষ করলাম আজ, মৌচাকে ঢিলের বেচা বিক্রি কেমন?
স্বরবর্ণের ছড়া
অ দিয়ে অজগর
আসছে ওই তেড়ে
আ দিয়ে আমলকি
রোগ নিরাময় করে।
ই দিয়ে ইক্ষু রস
করে নাও পান
ঈ দিয়ে ঈদ হয়
মানে মুসলমান।
উ দিয়ে উৎসব
আসে সবার তরে
ঊ দিয়ে ঊষা হাসে
আঁধার বিলীন করে।
ঋ দিয়ে ঋষি মশায়
বসে করে ধ্যান
এ দিয়ে একতারায়
বাউল ধরে গান।
ঐ দিয়ে ঐকতানে
কণ্ঠ মেলায় খুকী
ও দিয়ে ওল খেলে
কমে রোগের ঝুঁকি।
ঔ দিয়ে ঔষধ হয়
জানা কথা সবার
ঔষধেই রোগ সারায়
বলবো কত আর।
২২.০৩.২০১৪
পঞ্চাশ বছর পর আজকের সুন্দর পৃথিবী
সম্ভবত ২৪ বছর পর গতকাল বাবুল ভাইয়ের সাথে ফোনে কথা হল। এই যান্ত্রিক ও সীমাহীন ব্যস্ত জীবনে স্বার্থ ছাড়া খুব কমই আমরা কেউ কারও খোজ করি।আমিও তেমনই একটি স্বাথের জন্যই বাবুল ভাইকে ফোন করেছিলাম।
বাবুল ভাইকে বাবুল ভাই হিসেবে হয়ত খুব কম জনই চিনবেন কিন্তু যদি বলি আমিনুর রশিদ, আমার বিশ্বাস ফেবুর সকল বন্ধুরাই চিনবেন। উনি আমাদের প্রিয় বাবুল ভাই হলেও আজ উনি দেশের একজন বিশাল বিজনেজ ম্যাগনেট আমিনুর রশিদ। দেশের সুবিখ্যাত ও সুবিশাল কম্পানি Energypac এর সেলস ও মার্কেটিং এর প্রধান আর এই কম্পানিটি দেশের গন্ডি পেরিয়ে দেশের বাইরেও তার শাখা প্রশাখা বিস্তার করেছে।
শিক্ষা সংস্কারের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা
সংবাদপত্রে কয়েকদিন আগে দুটো প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে- একটির বিষয়বস্তু ছিলো শিশুদের শিক্ষাজীবন সম্পর্কিত- যেখানে বলা হয়েছে অধিকাংশ শিশুই বিদ্যালয়ে পড়াশোনা উপভোগ করে না। তাদের শিক্ষাপাঠ্যক্রম কিংবা পাঠদান পদ্ধতিতে তারা আনন্দ পায় না। অন্যটির বিষয়বস্তু ছিলো বিদ্যমান প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় একজন শিশু ক্লাশের পর ক্লাশ পাশ করার পরেও সরকার নির্ধারিত মাণে শিক্ষিত হতে পারছে না। যদিও প্রাথমিক কারিকুলামে বলা হয়েছে দ্বিতীয় শ্রেণীর একজন শিক্ষার্থী বানান করে বাংলায় লেখা যেকোনো বক্তব্য পড়তে পারবে এবং তৃতীয় শ্রেণীর পর বানান না করেই বাংলা গল্প ছড়া পড়তে সক্ষম হবে কিন্তু বাস্তবে তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা বানান করেও বাংলা পড়তে পারছে না। অথচ এই শিশুরাই ৯৭% পাশ করছে পিএসসি পরীক্ষায়। কারিক্যুলাম অনুযায়ী পঞ্চম শ্রেণীর পড়াশোনা শেষ করার পর তাদের যেসব বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করার কথা, তারা সেসব দক্ষতা অর্জন করছে না।
আগুনের কথা বন্ধুকে বলি.........
আজ বিকেলে এক ছোট ভাইয়ের সাথে এ আর রেহমানের কনসার্ট নিয়ে আলোচনা হচ্ছিলো, আমার জাতীয়তাবাদী মন অনেক বয়ান শুনিয়ে দিলো চামে। ছোটভাই টেনশন ছাড়া বলিলো- সমীকরন অতি সহজ, আপনে কবীর সুমন বা অঞ্জন দত্ত আসিলে শার্ট প্যান্ট পাঞ্জাবী বেইচা যেমন দৌড় দিতেন, আমি মেটালিকা আসলে মোবাইল সেট বেচে দিয়ে হলেও দৌড় লাগাতাম, আর যাদের এ আর রেহমান দিওয়ানা সাথে হিন্দি মনস্ক মন তারাও দোড় লাগিয়েছে। তারা বাংলা গানের আর কি শুনবে, যে যারে ওউন করে আর কি! আমিও এই যুক্তি মেনে নিলাম খুশী মনে। আসলে আমরাই আমাদের মত করে স্বদেশী বিদেশী কত কি নিজের বলে ওউন করি। নিজেদের পছন্দ অপছন্দের ভিত্তিতে এক দেয়াল বানিয়ে ফেলি। যা ভালো লাগে না, তা কত খারাপ তা প্রমানে নেমে যাই, আর যা ভালো লাগলো তাকে যত পারা যায় মহান বানাই। আমিও তার বাইরে কেউ নয়!
ওভারট্রাম
আমি জানি আমার শরীরের কয়েকটা ফাংশন ঠিকভাবে কাজ করছে না। অচল হয়ে যাবার সময় আসেনি এখনো। কিন্তু এটুকু সচলত্ব নিয়ে বাকী জীবন পার করা মুশকিল হয়ে দাড়াবে। বিশেষতঃ পকেটের টাকা যখন ফুরোবার দিকে থাকে। এত দীর্ঘায়ুর কোন সম্ভাবনা ছিল না। তাই সঞ্চয়কে নিরুৎসাহিত করেছি সারাজীবন। যা কামিয়েছি দেদারসে না হলেও সমানে সমান খরচ করেছি। ভেবেছিলাম চাকরী ফুরোবার আগেই ঠেসে যাবো। পরকালে গিয়ে টাকাকড়ির চিন্তা নাই। সন্তানদের জন্য কিছু তৈরি করে যাবার কথা বলে সবাই। কিন্তু তৈরী করে দিলেও লাভ নেই। আমার ভাই তৈরী করে দিয়ে গিয়েছিল। গাড়ি বাড়ি টাকা কড়ি ব্যবসা। দেখা গেল ভাইয়ার কবরের মাটি শুকাতে না শুকাতে সম্পত্তি নিয়ে কামড়া কামড়ি লেগে গেছে। লোকে এটা নিয়ে ব্যাপক হাসাহাসি করেছে। আমি ঠিক করেছিলাম পৈত্রিক এই বাড়িটা ছাড়া আর বছরখানেকের খোরাকী রেখে মরবো। বাকীটা ছেলেরা করে খেতে পারবে।
গান কবিতা ছন্দের দেশে ভিখারী বেশে-অনেকদিন পর
বহুদিন কিছু লিখা হয় না, সময়ের সাথে আমি ছুটছি, এদিকে বান্ধবী জেরীন সুদূর আমেরিকা থেকে জানতে চাচ্ছে কেন আমার কোন লিখা সে দেখছে না- একজন পাঠক আমাকে মিস করছে এই ই বা কম কী!
পাখির বুলি
পাখির বুলি কত যে শুনি
হায় মহাসময় হয়ে যায় ক্ষয়
শূন্য ঝুলি, ফাঁকা হৃদয়
এ জীবন বুঝি কয়েদীর ও নয়!
নিয়ম শাসন জীবিকা
দুচোখ পায় না কোনকালে
সূর্যের দেখা-
নদীর স্রোত দিন-রাত
মাখামাখি চলে যায়
হায় মহাসময় হায় আয়ু
সমারোহবিহীন দিকশূন্যপুরে ধায়।
(২১.০১.২০১৪, ৬:৪৫ সন্ধ্যা-অফিস মিটিং এ বসে লেখা)
পারমিতা
এভাবে ভালোবাসা হয় না পারমিতা
হয় না দেখা হয় না কথা
বোঝে না কেউ বুকের ও ব্যথা
এভাবে ভালোবাসা হয় না পারমিতা
কত শত উৎসবে মুখর শহর
একা একা কাটে আমার অষ্টপ্রহর
খোজেঁ না কেউ মেঘ বারতা
এভাবে ভালোবাসা হয় না পারমিতা
বিচ্ছেদ এবার হবে ই হবে জানি
আমাদের জন্য,সব আমাদের জন্য!
মনটা ফুরফুরে কাল থেকে, এই ক্রিকেটের নামে যে সার্কাস ফরমেট এখন চালু সেই টিটুয়েন্টিতে তার বিশ্বকাপের কোয়ালিফাইয়িংয়ের প্রথম ম্যাচে আফগানদের হারালো। বাংলাদেশের কেন কোয়ালিফাইং খেলতে হবে এই জিনিস ভাবলেই আমাদের মেজাজ খারাপ হয়। মানছি আমরা এই ফরম্যাটটায় দুর্বল তাই বলে হংকং নেপালের সাথে খেলতে হবে মুলপর্বের জন্য। ব্যাপারটা আমার কাছে জেনেই খুব ইন্সাল্টিং লাগছে। পরে ভাবলাম ঠিকই আছে, হংকং নেপালদেরওতো সাধ জাগে আমাদের মত দলের সাথে খেলার তাই তাঁদের জন্য এক অনন্য সুযোগ। ম্যাচের আগেই বলছিলাম লোকজনদের, বাংলাদেশ জাস্ট উড়িয়ে দেবে। তাই হলো, নিজের কথা মিলে গেল, মনে আনন্দ। যদিও ওয়ানডেতে সেই এশিয়া কাপে্র ম্যাচেও সেইম বয়ান দিয়েছিলাম, উল্টা নিজেরাই উড়ে গেছি। সেইদিন যে কি মেজাজ খারাপ হলো, বলে বুঝাতে পারবো না। তাই গতকাল ষোলোই মার্চ, রোজ রবিবার আমার দিনটা এক আফগান জয়েই খুব খুশি!
ক্কক
উড কমিশন ১৮৫৪ সালের এডুকেশন্যাল ডিসপ্যাচে লিখেছেন . Among many subjects of importance, none can have a stronger claim to our attention than that of education. It is one of our most sacred duties to be the means, as far as in us
lies, of conferring upon the natives of India those vast moral and material blessings which flow from the general diffusion of useful knowledge, and which India may, under Providence, derive from her connexion with England. For although British influence has already in many remarkable instances, been applied with great energy and success to uproot demoralising practices and even crimes of a deeper dye, which for ages had