ইউজার লগইন
ব্লগ
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কয়েকজন বিখ্যাত ব্যক্তির উক্তি

"শেখ মুজিব দৈহিকভাবেই মহাকায় ছিলেন, সাধারণ বাঙালির থেকে অনেক উচুঁতে ছিলো তার মাথাটি, সহজেই চোখে পড়তো তার উচ্চতা। একাত্তরে বাংলাদেশকে তিনিই আলোড়িত-বিস্ফোরিত করে চলেছিলেন, আর তার পাশে ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর হয়ে যাচ্ছিল তার সমকালীন এবং প্রাক্তন সকল বঙ্গীয় রাজনীতিবিদ।
জনগণকে ভুল পথেও নিয়ে যাওয়া যায়; হিটলার মুসোলিনির মতো একনায়কেরাও জনগণকে দাবানলে, প্লাবনে, অগ্নিগিরিতে পরিণত করেছিলো, যার পরিণতি হয়েছিলো ভয়াবহ। তারা জনগণকে উন্মাদ আর মগজহীন প্রাণীতে পরিণত করেছিলো। একাত্তরের মার্চে শেখ মুজিব সৃষ্টি করেছিলো শুভ দাবানল, শুভ প্লাবন, শুভ আগ্নেয়গিরি, নতুনভাবে সৃষ্টি করেছিলেন বাঙালি মুসলমানকে, যার ফলে আমরা স্বাধীন হয়েছিলাম।"
--হুমায়ুন আজাদ
শরীর কাহিনী
Head মানে মাথা
Eye মানে চোখ
Ear মানে কান জেনো
Chest মানে বুক।।
চুলের বাহার দেখতে ভাল
Hair তাকে বলে
হউক না তা যত ই কালো
সাদা বুড়া কালে।।
Finger মানে আংগুল
Hand মানে হাত
পেটের ব্যাথজায় belly খারাপ।
সবাই কপোকাত।
Back মানে পিঠ
Leg মানে ঠ্যাং
শুদ্ধ বাংলায় পা বলে
নাচে ড্যাং ড্যাং।।
Nose মানে নাক
গন্ধ তাতে পাই।
Mouthমানে মুখ জানি
সকল কিছু খাই।।
Tooth মানে দাঁত
হাড্ডি মাংস খাই
Throat মানে গলা
মধুর গান গাই।
জোনায়েদ
ক্ষমা করো, ক্ষমা করো, বন্ধু
ছিকল ছিড়িতে না পারে
খাচা ভাংগিতে না পারে
পাখি ছটফটাইয়া মরে,
পাখি, ধর ফরাইয়া মরে।।
যতদুর মনে পড়ে ফারুক ও কবরি অভিনীত ঘর জামাই ছবিতে মরহুম আব্দুল আলীম এ গানটিতে প্লে বেক করেছিলেন।
গানটি শুনলেই বুঝা যায় একজন মানুষ কতটুকু শারিরিক ও মানষিক চাপে থাকলে, আর যে গীতিকার গানটি লিখেছেন তার সাড়ে তিন হাত দেহের পরতে পরতে কত আবেগ থাকলে তবেই দৃশ্যের বাস্তবতায় বিলীন হয়ে এম্ন গান লিখতে পারেন।
সুন্দরবন ভ্রমন ২০১৩ (পর্ব ৫)
সময় সুযোগ পেলে হরহামেশাই কক্সবাজার ঘুরে আসেন প্রায় সকলেই, কিন্তু সেই তুলনায় সুন্দরবন ঘুরতে যাওয়া মানুষের সংখ্যা খুবই কম। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল হলেও, সুন্দরবন বেড়াতে যাওয়ার নানান নিয়মকানুন আর অমূলক ভয়ের কারনেই অনেকের যাওয়া হয়ে ওঠে না । এই ক্ষেত্রে সুন্দরবন যেতে চাইলে ট্যুর কোম্পানী অথবা অভিজ্ঞ কারো সাথে যাওয়াই ভালো। সুন্দরবন ঢোকার ব্যাপারে হরেক রকমের বাধ্যবাধকতা আর নিয়মকানুনের ঝামেলা পোহাতে হবে না যদি কোন ট্যুর কোম্পানী কিবা অভিজ্ঞ কারুর সাথে যান। অনেকেই আবার বাঘের ভয়ে সুন্দরবন যেতে চাননা। কিন্তু বাঘের এই আকালের সময়ে বাঘের দেখা পেয়েছেন এমন কারুর দেখা মেলাই ভার! আর প্রকৃতির কোন কিছুকে বিরক্ত না করলে তাও নিশ্চয়ই বিরূপ হবে না মানুষের প্রতি। বাঘও বিরক্ত করেনা। তাই এইসবের চিন্তায় সুন্দরবনের যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য তা না দেখা থেকে নিজেকে বঞ্চিত করার মানেই হয় না।
জামাই-শ্বশুর
(একটি বাস্তব ঘটনা)
অনেক দিন আগের কথা। পুরান ঢাকা লালবাগে এক হাজি সাহেব ছিলেন। তিনি ছিলেন বেশ রসিক। একদিন হাজি সাহেবের বাড়িতে একজন অতিথি এলেন। সম্পর্কে তার চাচা শ্বশুর। তিনি এবারই প্রথম বেড়াতে এসেছেন ভাতিজি জামাই বাড়িতে। একে নতুন অতিথি, অন্যদিকে স্ত্রীর আত্মীয় তাই অতিথি আপ্যায়নে হাজি সাহেবও কার্পণ্য করলেন না। দুদিন ধরে চলছে অতিথি আপ্যায়ন। এদিকে অতি আপ্যায়নের প্রেমে পড়লেন চাচা শ্বশুর। বাড়ি ফেরার তেমন তাড়া নেই, ভাবখানা এমন তিনি যেন এ পরিবারেরই সদস্য। হাজি সাহেব পড়লেন মহাভাবনায়। কিভাবে তাকে তাড়ানো যায়। যেই ভাবনা, সেই কাজ।
পরদিন সকালে হাজি সাহেব চাচা শ্বশুরের হাতে বাজারের থলেটি ধরিয়ে দিয়ে বললেন, ‘মিঞা সাহেব জরুরি কাজে আমি একটু বাইরে যাচ্ছি, কষ্ট করে বাজারটা যদি করে দিতেন...। ’ কিন্তু কোনো টাকা দিলেন না।
ভিনদেশকে সমর্থনের নামে সার্বভৌমত্বের অপমান: প্রতিরোধ এখনই
আমরা চেয়েছিলাম এই বাংলার আকাশে চাঁদতারা নয়; বরং লাল-সবুজের একটি পতাকা মাথা উঁচু করে উড়বে। এই পতাকাটির জন্য আমরা বছরের পর বছর ধরে সংগ্রাম করেছি। অবশেষে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আর ৪ লাখ মা-বোনের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে লাল সবুজের এই পতাকাটি আমাদের হয়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসে একটি পতাকার জন্য এমন চরম মূল্য দেয়ার নজির দ্বিতীয়টি নেই।
ইচ্ছা
তুমি যদি বৃক্ষ হও, আমি হব পাতা।
দু জনে নির্জনে বলিব, মনের কথা।
আমি যদি বৃক্ষ হই, তুমি হবে লতা।
জড়িয়ে থেক আমাই, দিওনা ব্যাথা।
আমি যদি আকাশ হই, তুমি হবে চাঁদ।
কাছা -কাছি থাকব দু জন, অন্য রকম স্বাদ।
আমি যদি চাঁদ হই, তুমি হবে চাঁদের আলো।
একসাথে মোদের জীবন, কাটবে ভাল।
তুমি যদি নদী হও, আমি হব ঢেউ।
বিচ্ছিন্ন করতে পারবেনা, মোদের কেউ।
তুমি যদি পাখি হও, আমি হব ডানা।
দূরে কোথাও হারিয়ে যেতে, থাকবেনা মানা।
আমি যদি পাখি হই, তুমি হবে নীড়।
এক ঘরে থাকব দুজন, ধরবেনা চীড়।
আমি যদি পাহাড় হই, তুমি হবে ঝর্ণা।
ছেড়ে যাওয়ার বেদনাই, আসবে তোমার কান্না।
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা
আদালতের কাগজপত্রে তাকালে প্রতিবার চোখে পরে রাষ্ট্র বনাম রাসেল পারভেজ কিন্তু কখন কোন প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্র নামের এই প্রতিষ্ঠান আমার প্রতি বৈরী হয়ে উঠলো, কেনো রাষ্ট্র তার সমস্ত দম্ভ নিয়ে ব্যক্তি "আমি"র মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধাচারণ শুরু করলো?
ধূসর গোধূলিঃ ৩৪ - সংঘাত

শীতের তীব্রতা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। ঘন কুয়াসায় ঢেকে থাকে সুর্য্য অনেক বেলা অবধি। রাস্তার দু’পাশের ক্ষেতে শিশিরে ভেজা গাঢ় সবুজ খেসারীর ডগা আর কাঁচা হলুদ সরিষার ফুলগুলোকে অনেক সতেজ লাগে। শীত অয়নের সবচেয়ে প্রিয় ঋতু। সকালে সদ্য ঝরানো খেজুরের রসের মজাটাই অন্যরকম। সেই সাত সকালে উঠে মন্টুমামা খেজুরের রস নামিয়ে নিয়ে আসে, রান্নায় বসানোর আগে মা কিছুটা কাঁচা রস ওর জন্য রেখে দেয়। মা’র ব্যস্ততা সেই সকাল থেকেই। কাকভোরে উঠে কাজে লেগে পড়ে, প্রতিদিনই কোন না কোন পিঠা তৈরি করে মা।
বইমেলা শেষ!
প্রথম কথা বলি এই পোষ্ট লিখতে চেয়েছিলাম কাল, কিন্তু পাক ভারতের ম্যাচ নিয়ে বঙ্গদেশের মানুষের এত উত্তেজনা দেখে আমি ক্লান্ত। তাই কাল আর লিখতে পারি নাই। ফেসবুকে কিংবা খেলার মাঠে বা চায়ের দোকান ও বাজারে এত উত্তেজনা মানুষের তা দেখে সারাদিন মেজাজটা তিরিক্ষে ছিল। আজ থেকে ১৬-১৭ বছর আগে এমন আমিও ছিলাম, পাক ভারতের ক্রিকেট উত্তেজনায় বুঁদ হয়ে। কিন্তু গত এক যুগ ধরে বাংলাদেশ যা খেলছে, তারপরে পাক ভারতের ফ্যান হবার দরকারটা কি তা আমি জানি না। আমি এখন আর আগের মত ক্রিকেটের শুদ্ধতা ও সুন্দরের পিয়াসী না। বাংলাদেশ যদি জিতে তাহলেই ভালো লাগে, হারলে মেজাজ গরম হয় এই মুলত আমার অবস্থা। সেখানে পাক ভারতের খেলা হবে, আমি তাঁদের জার্সি পতাকা নিয়ে মাঠে যাবো ওমন ছাগলের বাচ্চা না এখনও হতে পারি নাই। আর বাংলাদেশের মানুষের একটা কমন সমীকরন হলোঃ যারা আওয়ামীলীগ করে তাঁরা ক্রিকেটে ভারতের ভক্ত, আর যারা এন্টি আওয়ামীলীগ তাঁরা সব পাকিস
শীতকালীন অলিম্পিক এবং কিছু কথা
আমারা সবাই কমবেশি অলিম্পিক এর সাথে পরিচিত। তবে অনেকেই হয়তো জানেনা যে অলিম্পিক দুই ধরনের হয়। গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক এর সাথে আমরা ভালভাবেই পরিচিত কারন এখানে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে থাকে। অপরদিকে কিছুদিন আগেই আর একটি অলিম্পিক হয়ে গেলো যা শীতকালীন অলিম্পিক নামে পরিচিত এবং এর সম্পর্কে আমরা অনেকেই ওয়াকিবহাল নই। এই অলিম্পিক তো প্রতি ৪ বছর পরপরই হচ্ছে কিন্তু কেন এবারের অলিম্পিক নিয়ে এই লেখা? এবারের শীতকালীন অলিম্পিক নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে বিশ্বমিডিয়াতে। তারই কিছু তুলে ধরার চেষ্টা করবো এই লেখাতে। প্রথম বিতর্কিত বিষয় হচ্ছে এবারের আয়োজনটি শীতকালীন অলিম্পিকের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল আয়োজন। 
বাংলাদেশের আদিবাসি পরিস্থিতি
পাহাড়ে কিংবা সমতলে কোথায় আদিবাসীরা নিরাপদ নয়। রাজনৈতিক দুবৃত্বরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার জোরে তাদের উ্চ্ছেদ করছে, তাদের বাপ-দাদার ভিটা দখল হয়ে যাচ্ছে। বড় পরিসরে মানবাধিকার লঙ্ঘিত না হলে অধিকাংশ ঘটনাই সংবাদপত্রের পাতায় উঠে আসে না। অন লাইন সংবাদপত্র-ব্লগ আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আদিবাসীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো সম্পাদকের সচেতন উপেক্ষায় লুকিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা অমানবিকতার ইতিহাস প্রত্যক্ষ না করলেও একটি জনগোষ্ঠীর উপরে এর পরোক্ষ প্রভাব ঠিকই অনুভব করতে পারছি।
ভালোবাসা কারে কয়
টেনশন হচ্ছে?
- হুম
কেন?
- জানিনা
এতো বছর প্রেম করে, এতো চিন্তা ভাবনা করে একটা ডিসিশান নিলাম। আর তুই টেনশানে আধমরা হয়ে যাচ্ছিস। কেন? আমার উপর বিশ্বাস পাচ্ছিসনা?
- না
কেন? কি মনে হচ্ছে? বিয়ের পর আমি তোকে ফেলে চম্পট দিব?
- হুম
হা হা করে হেসে উঠলো রাতুল। তিতলী অবাক হয়ে ওর হাসির দিকে তাকিয়ে আছে। একটা মানুষের হাসি এতো সুন্দর হয় কিভাবে কে জানে?
- আমার মনে হচ্ছে বিয়ের পর তুই আমাকে আর ভালোবাসবি না। তখন শুধু অন্য মেয়েদের দিকে কুতকুত করে তাকায় থাকবি। আর সত্যিই যদি তাই হয় আমি কিন্তু তোকে জ্যান্ত মাটিতে পুঁতে ফেলবো।
এই কথা শুনে রাতুল আবারো তার ভুবন কাঁপানো হাসি হাসলো। আর তিতলী বিরক্ত হলো। এতো টেনশানের সময়ে একটা মানুষ এতো রিল্যাক্স থাকে কিভাবে কে জানে?
পছন্দের কবিতা
'একবার বলেছি তোমাকে'
-আহসান হাবীব
একবার বলেছি, তোমাকে আমি ভালোবাসি।
একবার বলেছি, তোমাকে আমি, তোমাকেই ভালোবাসি।
বল
এখন সে কথা আমি ফেরাব কেমনে !
আমি একবার বলেছি তোমাকে ...
এখন তোমাকে আমি ঘৃণা করি।
এখন তোমার
দৃষ্টির কবলে এলে ক্ষতস্থান জ্বলে জ্বলে ওঠে।
তোমার সান্নিধ্যে এলে তুমি উষ্ণ নাভিমূল থেকে
বাতাসে ছড়াও তীব্র সাপিনীর তরল নিঃস্বাস। আমি
যতবার ছুটতে চাই, তোমার দৃষ্টির বাইরে যেতে চাই, তুমি
দু চোখে কী ইন্দ্রজাল মেলে রাখ ! আমি ছুটতেও পারি না
আমি ফেরাতে পারি না কথা
আমি একবার বলেছি, তোমাকে ...
সম্রাজ্ঞীর বেশে আছ। নতজানু আমি
দাসানুদাসের ভঙ্গি করপুটে, দেখি
তোমার মুখের রেখা অবিচল, স্থির জঙ্ঘা তোলে না টঙ্কার,
তুমি পবিত্রতা পবিত্রতা বলে
অস্পষ্ট চিত্কার কর, তুমি
কেবলি মালিন্য দেখ, অশ্লীলতা, ক্রমান্বয়ে ঘৃণা
ক্রোধ বাড়ে, উত্তেজনা বাড়ে
নামে উষ্ণ জলস্রোত। তুমি
ধূসর গোধূলিঃ ৩৩
আজ বিজয় দিবস। দিনের শুরু থেকে গ্রামের সর্বত্রই যেন উৎসবের সুর বেজে ওঠে। সন্ধ্যায় শুরু হবে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান। ডিসেম্বরের হিম শীতের রাতে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে কলাবতী বাজার সংলগ্ন বটতলা প্রাঙ্গণে বিকাল থেকেই জড়ো হতে থাকে বিভিন্ন বয়সী লোকজন। এটা যেন গ্রামবাসীর প্রাণের আয়োজন। প্রতি বছর বিজয় দিবসটিতে হাসি আনন্দে মেতে ওঠে এরা, যেমনি করে উঠেছিল দশ বছর আগে একাত্তরের এইদিনে। শীতের প্রকোপ থেকে দর্শকদের কিছুটা আরাম দিতে মঞ্চের সামনের খোলা জায়গাটির উপরে সামিয়ানা আর চারপাশে কাপড়ের ঘেরাও দিয়ে দর্শকদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাতে ইলেক্ট্রিসিটির অভাব দূর করতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বেশ কিছু হ্যাজাক বাতির।