ইউজার লগইন
ব্লগ
বর্ণময়
এ-তে 'এসো' এবার সবাই বসি,
ত-তে 'তাতে' অনেক মজা হবে,
ব'র 'বর্ণ' বাক্যে যাবে মিশে,
শ'র 'শব্দ' তায় লুকিয়ে র'বে!
স'র 'সকালে' ঘুমটা ভেঙ্গে যেতেই,
দ-তে 'দাঁতে' ব্রাশ করবার চোটে,
হ-তে 'হাতে' সাবান দিয়ে ধুতেই
জ'র 'জীবানু' প্রাণ নিয়ে সব ছোটে!
ঝ'য় 'ঝলমল' মুখের হাসির সাথে,
ন'য় 'নাস্তা' প্রতিদিনের মত,
ল'য় 'লক্ষ্মী' সবাই পা'বে হত,
ক-তে 'কথা' মানবে সবার যত!
প-তে 'পড়া' সময়মত হবে,
খ-এ 'খেলা'ও, যত্ত পড়ার ফাঁকে,
র-তে 'রেজাল্ট' দারুন হবেই হবে,
খ-তে 'খুশি'র আর কী বাকি থাকে!
অ-তে 'অসুখ' থাকবে দূরে দূরে,
ন-তে 'নিয়ম' মানতে হবে তাতে,
ব-তে 'বড়', ওঁদের কথা শুনেই
আ-তে 'আদর' মিলবে কিছু সাথে!
ছ-তে 'ছুটি'র দিনগুলোতে খুশি,
গ-তে 'গেম' আর 'গল্প-বই'ও কাছে,
ক-য় 'কার্টুন'- ঘ-তে 'ঘোরাঘুরি'-
অ-তে 'অনেক' আনন্দরা আছে!!
Agnee- 2014
ধারনা ছিল না আজ সিনেমা দেখা নিয়ে পোষ্ট লিখবো, মানুষের জীবনের ঘটনা প্রবাহ যে এত অনিশ্চিত কখন যে কী হবে বোঝা দায়। টিভি নাই সময় পেলে আমি বাসাতেই প্রচুর সিনেমা দেখি অনলাইনে। কিন্তু হলে গিয়ে এই মাসে সিনেমা দেখা হবে তা আমার ভাবনায় আসে নি। সেই আলাপে পড়ে আসছি, আজ সারাদিন এই টিপটিপ বর্ষা আর মেঘময় দিনে আমার মন মেজাজ খুব একটা ভালো ছিল না। দেরীতে যথারীতি ঘুম থেকে উঠে বাসাতেই বসে ছিলাম না খেয়ে, মামা অফিসের কাজে হবিগঞ্জ অনেকদিন তাই সকালে নিয়ম মেনে বুয়ার দেখা নাই। বাসাতেই বসে ছিলাম, বন্ধুর বাসা থেকে অনেক গুলা বই এনেছি তার ভেতরে তিনটা বই দুইদিনের ভেতর শেষ করার মনোবাসনায় বই পড়া শুরু করলাম। বেছে বেছে অবশ্য চিকন ও মাঝারী তিনটা বই ই নিলাম, প্রথমেই শেষ করলাম এবিএম মুসার মুজিব ভাই, অসাধারণ একটা বই। খুবই চনমনে সব তথ্যে বইটায় ঠাসা। তারপর পড়লাম মৌলি আজাদের, হুমায়ূন আজাদ আমার বাবা। এই বইটা লাগলো মোটামুটি। ব্যাক্তি হুমায়ুন আজাদের কিছু স্নেহশীল মাখা ব্যাক্তিগত জীবনের আলাপ আলোচনা জানলাম। তবে লেখিকা এত প্রখ্যাত ব্যাক্তির সন্তান হয়েও লেখার হাত খুব একটা ভালো না। তারপর পাকিস্তান আমলের চীফ মিনিস্টার আতাউর রহমান খানের
বইমেলা ২০১৪: টুকটাক অভিজ্ঞতার খসড়া-৩
এগার.
বইমেলা লেখক-পাঠকের মেলা। বইয়ের পাতায় চোখ বুলাতে বুলাতেও লেখকের সাথে পাঠকের একটা সংযোগ স্থাপিত হয়। এ সংযোগটাও দুর্বল নয়; বরং খুবই শক্তিশালী। এতটা শক্তিশালী যে, কখনো কখনো একটি মাত্র লেখা বা বই-ই পাঠকের মনে চিরস্থায়ী আসন করে দেয় লেখকের জন্য। এ ধরনের সংযোগ, চিরস্থায়ী আসন কোন কোন পাঠকের মনে নতুন আকাঙ্খাও তৈরি করে¬। সে আকাঙ্খা, ভাললাগা থেকে পাঠক তার প্রিয় লেখককে কাছ থেকে দেখতেও চায়, কথা বলতে চায়, এমনকি প্রিয় লেখকের অটোগ্রাফ সংগ্রহও কারো কারো জন্য প্রিয় হয়ে উঠে। বইয়ের লেখা ও রেখায় চোখের পাতা ফেলতে ফেলতে পাঠক-লেখকের যে অদৃশ্য সেতুবন্ধন তৈরি হয়, তাকে দৃশ্যমান করে তোলার একটি বড় মওকা হচ্ছে এ বইমেলা। কিন্তু আসলেই কি বইমেলা এখন লেখক-পাঠকের মধ্যে কথিত দৃশ্যমান কোন সম্পর্ক তৈরি করে বা করতে সক্ষম? পাঠক কি সত্যিসত্যি তার ভাললাগা-মন্দলাগা সম্পর্কিত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে? যে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া লেখকের জন্যও পরবর্তী লেখার নির্দেশনা না হোক, অন্তত কার্যকর রসদ হতে পারে, অনুপ্রেরণা হতে পারে? এ রকম কোন প্লাটফরম আয়োজক কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত দিতে সফল হয়েছে-এটা বোধহয় বলা যাবে না।
আমার পিচ্চিবেলা : Part1
তখন ছোট ছিলাম, কতটুকু ছোট মনে নেই তবে খুবই ছোট্র। ঘুম থেকে উটতাম সকাল ছয়টায় তারপরে কয়দা নিয়া বসতাম মায়ের কাছে। ঘন্টা খানেক চলত তারপর ছোট ছোট জামা গুলা গায়ে দিয়া স্কুলে ছোট দেয়া। মাঝে নাস্তা আর গোসল করার ধাপটাও থাকত আর এটা বাংলার ছয় ঋতু জুড়েই। গোসলের জন্য মার খাওয়াটা ছিল তখনখার নিত্য নৈমন্তিক ব্যাপার।
কী লিখছি জানি না, তবে আমার ছেলে বেলা আজো আমায় টানে তার নিজস্ব শক্তিতে। হু, তখন হয়ত জীবনের এত রং, ইচ্ছা, ভালবাসা, দুংখ কিংবা বন্ধু ছিল না তারপরেও জীবনটা যেন ছিল একান্তই আমার মত। আমার জেগে জেগে দেখা স্বপ্নগুলোর মত। সত্যি, এখন ভাবতেও কষ্ট লাগে যে, আমি বড় হয়ে গেছি।
আর কি চাই
কখনও ফুটপাতে, কখনও ওভার ব্রিজের সিড়ির মুখে ক্রেচের উপর ভর দিয়ে এক পায়ে দাড়িয়ে, রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে সাংবৎসর ভোরে সূর্য উঠার পর থেকে অর্ধ রাতের কিছু আগ অবধি চলে, হাত পেত্, পথ চলা মানুষের কাছ থেকে সৃষ্টি কর্তার দেয়া জীবনটাকে বয়ে বেড়ানোর জন্য জ্বালানী স্ংগ্রহের কাজ। শুধু সে কেন আরও কত রকমের বিকলাংগ প্রতিবন্ধী তার পেশার স্বজাতিকে দেখি, কিন্তু আমার কেন যে তার কথাই, এলোমেলো চুলের ভাংগা চোড়া খুপড়িটাতে বার বার উকি ঝুকি মেরে আঘাত করে। ফেব্রুয়ারী আসে ফেব্রুয়ারী যায় আমার তেমন অনুভূতি হ্য় না।বড় বড় অফিস গুলোয় সাড়া বছর চলে ইংরেজীর ভাষায় ব্যবসা বানিজ্যের লেনদেন, কি দেশীয় কি বৈদেশিক,ব্যক্তিগত মনের ভাব আদান প্রদানের কাজ। যারা যত বড় অফিসার, যে অফিস যত বড় সেখানে তার চর্চা প্রয়োজন বা অপ্রয়োজনেও চলে,নইলে যেন মর্যদার একটু বরখেলাপ হয় আর কি!
ধূসর গোধূলিঃ ৩১ - নতুন দিনের ডাক
বছর শেষ হয়ে আসছে। কলাবতী বাজারের ক্লাবের ছেলেদের মধ্যে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের বেশ ব্যস্ততা পরিলক্ষিত হচ্ছে। শ্যামল, তাপস, রিয়াজ, আসাদ, তপু, রঞ্জুদের দিনের বেশীর ভাগ সময় কাটছে ক্লাবঘরেই। সকাল বিকাল ক্লাবঘরে চলছে রিহার্সেল আর সেই সাথে বটতলায় অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ষ্টেজ তৈরির কাজ এগিয়ে চলেছে জোরেশোরেই। সামনে নির্বাচনের ঝামেলা এড়াতেই এবার বটতলায় অনুষ্টান আয়োজনে কোন বাধার সৃষ্টি করেনি বাদল আর মজনুরা। বরং যেচে আসছে সাহায্য করার জন্য।
দুপুরের পর থেকেই বটতলায় ষ্টেজ বানানোর কাজ তদারকি করছে আসাদ আর তাপস। বিভিন্ন বাড়ি থেকে জোগাড় করা হয়েছে বাঁশ, কাঠ ও অন্যান্য সামগ্রী। বটতলার সামনের খোলা মাঠে দর্শকদের বসার জন্য মাটি ফেলে সমান করা হচ্ছে। বাজারে যাবার পথে বটতলার সামনে এসে দাঁড়িয়ে পড়ে সাঈদ খান। মাঠের দিকে হেলে পড়া গাছের ডাল থেকে নেমে আসা কিছু ঝুরি ছেঁটে দিতে দিতেই আসাদের চোখ পড়ে সাঈদ খানের দিকে। একটু পরই নেমে আসে ও।
-চাচা, দর্শকের বসার জায়গাটা আরও বড় করতে পারলে ভাল হইত। সাইদ খানের উদ্দেশ্যে বলে আসাদ।
-তো কর, সমস্যা কি?
সম্মিলিত ছ্যাঁকাগুচ্ছ
জীবনে যতবার না প্রেম করেছি তার চেয়ে ছ্যাঁকা খেয়েছি কয়েকগুণ বেশি। সেই সব ছ্যঁকাময় স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজকের ভ্যালেন্টাইন্স স্পেশাল : সম্মিলিত ছ্যাঁকাগুচ্ছ
সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত
পুরনো বাক্স ঘাঁটাঘাঁটি যদি করো, এখনও আচমকা
দু-একটা নীল খাম বেরিয়ে পড়তে পারে।
গোটা গোটা অক্ষরে ভুল বানানের ভালবাসা
রাখা না রাখার দ্বন্দ্ব।
অব্যবহৃত হলদে পাতার বইয়ের ভাঁজে এক আধটা
মৃত রুক্ষ গোলপের অবাঞ্ছিত উপস্থিতি কিছু বিচিত্র নয়;
বহু আগের ছুঁড়ে ফেলা অসমাপ্ত কাজের ইতি।
দু-একটা ফেলনা উপহার, যা না রাখলেও চলে।
চলে যেতে পারে জঞ্জালের বাক্সে
শতেক কবিতার শবযাত্রা।
নাহ,
তোমার কাছে রাখা আমার সমস্তটাই জলাঞ্জলি দেয়া যায়।
অথচ তবুও,
ভালবাসাটুকু কী গভীর নির্মমতায় সর্বসত্বে সংরক্ষিত রেখেছ।
অফসুস
স্মৃতি বিভ্রম নিয়ে বড় বিব্রত আছি
তোমার জন্ম, আজন্মের ভালোবাসার দিবস রজনী
আয়ত চোখের রঙ আর তাতে কাজল ছিল কি ছিল না
কিছুতেই মনে পড়ে না
চুলের সীঁথিটা ডান নাকি বামপন্থি ছিল
কপোলে তিলক ছিল কি না
বিগত যুগ গত হবার আগেই ভুলে বসে আছি।
তাই চোখের আড়ালে থেকে গেল কতোকিছুই!
পোষ্ট লিখছি যখন ফাগুন তখন শুরু হয়ে এক দিন চলে গেল। বাসন্তী আর হলুদে পুরো ঢাকা শহর একাকার হয়ে- সাদর সম্ভাষন জানালো ফাল্গুন মাসকে। ফাল্গুন আর বৈশাখ হলো অতি বুর্জোয়া মাস, তাদের আগমনে উল্লসিত শহর নগরে ব্যাপক আয়োজন মানুষের, উৎসব চলে এই মাসগুলোর আগমনে। এই দুটো মাস বড়ই কপালওয়ালা, আষাঢ় কিংবা অগ্রহায়নের সেরকম কোনো কপাল নাই, অথচ সেই মাস গুলোও কত অসাধারণ। ক্লাস নাইনে নাকি ইলিভেনে পড়তে হয়েছিল সুফিয়া কামালের 'তাহারেই পড়ে মনে'। ফাল্গুন এসে পড়লেও কবির মনে শীতের জন্য বিরহ। সেই হারিয়ে যাওয়া মানুষের শোকে তিনি কাতর। আমার ঠিক উল্টো, শীতের চলে যাওয়াতেই আমি যারপরনাই আনন্দিত। কারন লম্বা লম্বা দিন, ঝাঝালো রোদ, ক্লান্তির ঘুম, লোডশেডিংয়ের রাত, বাইরে ঘুরে ঘুরে চামড়ার বারোটা বাজানো এইসব গরমের দিনের আসল সুখ। কাউকে যদি বলি গ্রীস্মকাল আমার প্রিয়, হয়তো হো হো করে হেসেই উড়িয়ে দিবে। কিন্তু আসলেই গরমের দিন আমার ভালো লাগে। গ্রীস্মকে আমার মনে হয় আমাদের আসল বাংলাদেশের চেহারা। কঠোর, ঝাঝালো, সব কিছু পুড়ছে এমন এক অবস্থা। বর্ষাকাল তার তুলনায় মধ্যবিত্তের মতো, সব কিছু লুকিয়ে রাখা ও গ্ল্যামারাস একটা ভাব আনাই তার কাজ।
ভালোবাসা দিবস
জীবনের অনাকাঙ্ক্ষিত আরো একটা বয়সকাল বৃদ্ধি করে স্বাগত জানাইল কাঙ্ক্ষিত ভালোবাসা দিবস। এই দিন সহজেই মানুষ তার মনের মানুষকে -অনেক দিন মনের মধ্যে পুষে রাখা কথাটা বলতে পারে। সারা বছরই থাকে হরতাল আর অবরোধের মত। তাই তেমন আনি-গুনি করা যায়না। এই দিন উন্মুক্ত। তবে কনো গ্রামার কাছে কিনা জানিনা।আমি তো আর ভ্যালেন্টাইন বিশেষজ্ঞ নই। আমি ধারনা থেকে বললাম। আর সত্য কথা এই যে,এতে আমার কোন অনুভূতি নেই, কোনো আবেগ নেই, নেই কোনো আনান্দ স্ফূর্তি ! কারণ - আমার সিঁড়ি ভেঙ্গে গেছে। সবার চোখে আমি এখন উপহাসের পাত্র। মনের মধ্যে চাপা একটা যন্ত্রণা আছে। যা আমি কাউকে কোনদিন বলতে পারি নাই, শুনাইতে পারি নাই। নীরব যন্ত্রণাতে জ্বলে পুড়ে মরছি । সময় অপচয় করে বুদ্ধি খরচ করে আমাকে কেউ সান্ত্বনার বাণী শুনাইবে সাম্প্রতিক জগতে এমন মানুষ পাওয়া আলৌকিক !
কষ্ট
গুণতে গেলে কষ্টগুলো বেড়েই চলে
রাত আকাশের তারা গোনা সহজ না
বাড়তি কিছু কান্না জমতে থাক
চোখের পাতার নীচ বাষ্পিত অবয়ব
রুদ্ধশ্বাসে অন্ধমুখী হলে হবে
কিছু না কিছুর উদয়
ঝড়-ঝাপটা চলবে
মরে বগাও বৈ কি
ধবল মসৃণ তুষারে
একজোড়া পা হেঁটে চলছেই
বিরতি নেই
বর্ষণ সিক্ত হবেই আজ রোদজ্বালা সুদূর দুপুর।।
চোখ
চোখ ভেঙ্গে এসেছে ঘুমের সমুদ্র।
পূর্ণিমা জল রাধিকার নিঝুম নৃত্য।।
কলম
কলমের ঘোর কলমেই থাক না
অথবা কীবোর্ড
এমন বিষাদহীন অপমান যাক ছুঁয়ে
শূন্য নদীর তীর
নিপতিত হোক বর্ষণ জলের
সেখানে থাক করুণা ধারার রঙ
আশ্বাসগুলো হোক মিথ্যে আবারও।।
জলবসন্তের শ্বাস তুলুক আকাশ।।
ভালোবাসার কাঁসুন্দি
ভালোবাসা একটি ভালো বাসা
ভালোবাসা জনম জনম ধরে
ভালোবাসা বিধাতার প্রতি
ভালোবাসা গর্ভধারীণির তরে।
ভালোবাসা বাবা আদম (আ.)
ভালোবাসা মা হাওয়াকে ঘিরে
ভালোবাসা যেন গোটা পৃথিবী
ভালোবাসা বিশ্বমানবের তরে।
ভালোবাসা সে তো ভালো বাসা
ভালোবাসা বিশ্ব সৃষ্টি রহস্য ঘিরে
ভালোবাসা স্বামী-স্ত্রী পরস্পরে
ভালোবাসা সন্তানের তরে।
ভালোবাসা শুধুই ভালো বাসা
ভালোবাসা আত্মা-প্রেতাত্মা ঘিরে
ভালোবাসা জন্মদাতার প্রতি
ভালোবাসা ভাইয়ের তরে।
ভালোবাসা একটি বাস্তবতা
ভালোবাসা জন্ম-জন্মান্তরে
ভালোবাসা বিশ্বমানবের প্রতি
ভালোবাসা সৃষ্টজীবের তরে।
ভালোবাসা ইহকাল-পরকালে
ভালোবাসা আদি-অনন্ত ঘিরে
ভালোবাসা দুনিয়ার প্রতি
ভালোবাসা নর-নারীর তরে।
ভালোবাসা ইউসুফ-জুলেখার
ভালোবাসা ইতিহাস গড়ে
ভালোবাসা লাইলি-মজনুর
ভালোবাসা প্রেমিকার তরে।
ভালোবাসা পৃথিবী সৃষ্টির
ভালোবাসা যুগ-যুগান্তরে
ভালোবাসা প্রেমিক ফরহাদের
ভালোবাসা শিরির তরে।
ভালোবাসা আগ্রার তাজমহল
ভালোবাসা প্রেমিক যুগল ঘিরে
ভালোবাসা সম্রাট শাহজাহান
ভালোবাসা মমতাজের তরে।
ভালোবাসা যেন প্রভাতফেরি
ভালোবাসা মাতৃভাষাকে ঘিরে
একটি বইয়ের জন্মকথা
আমার মেজো ভাই রিমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ে প্রতিবছর বই মেলায় যেত ।আর রাতে আমাকে ফোন করে বলতো আপু আজ বই মেলায় গিয়েছি।এই এই (বই এবং লেখকের নাম উল্লেখ করে) বই কিনেছি, নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন দেখেছি,খুব ভাল লেগেছে।এর পরই বলতো আপু তোমার বই কখন বের হবে? যখন তোমার বই বের হবে তখন মেলায় তোমার বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের সময় আমি আমার বন্ধুদের নিয়ে অনেক মজা করব।কারণ তখন মনে হবে এই মেলায় আমারও একটা অধিকার আছে।এই মেলায় আমার আপুর একটা বই আছে।আপু তুমি লিখছ না কেন? চমৎকার একটা গল্প নিয়ে একটা বই লিখে ফেলো তো।
আমার ভাইয়ের উচ্ছ্বাস দেখে আমি উচ্ছ্বাসিত হতাম।আর ভাবতাম অন্তত ছোট ভাইয়ের উচ্ছ্বাস সত্যি করার জন্য হলেও আমার একটা চমৎকার গল্প লেখা উচিৎ।
রিমন শুধু বই বের করার ব্যাপারেই উচ্ছ্বাসিত ছিল না।ও বলতো আপু ,তোমার কাজ হচ্ছে অসাধারন একটা গল্প লেখা,বই বিক্রি নিয়ে তোমাকে একটুও টেনশন করতে হবে না।আমার বন্ধুরা তোমার সব কিনে ফেলবে।তারপর একে একে বন্ধুদের নামও বলে যেত।
এ বছর বই মেলায় আমার প্রথম বই(আমার ভাইয়ের সে কাঙ্ক্ষিত বই) বের হচ্ছে। তবে এখন আর রিমন ঢাকায় থাকেনা।পড়ালেখার পাট চুকিয়ে কর্মজীবনে পা দিয়েছে।
বইমেলা ২০১৪ ---- একদিন অহনার অভিবাসন (মোড়ক উন্মোচন)
খুব সাধারণ একটা মেয়ের গল্প “দ্যা গার্ল নেক্সট ডোর”। এই গল্পে গল্প সুলভ কোন গল্প নেই, টুইষ্ট নেই, ক্ল্যাইমেক্স নেই, নেই কোন পরিনতি। সিনেমার নায়িকার মত কোন নায়িকাও নেই যার কোন অচেনা যুবকের সাথে দেখা হয়ে যাবে আর সব সমস্যা, দুঃখ একটা গানে অন্যদিকে পালটে বা ঘুচে যায়। তাহলে কী আছে? আছে রোজ দিনের যুদ্ধ, টানা-পোড়েন, কষ্ট, কান্না, অভিমান যেমন সাধারণ মানুষের জীবনে থাকে। বইটা যারা সংগ্রহ করবেন, আমার অগ্রীম ধন্যবাদ জানবেন, পড়ার পর মতামত জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো।
প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ৩য় শ্রেণী।
বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাপাঠ্যক্রম অদ্ভুত রহস্যময় নৈরাজ্যে পরিপূর্ণ। সমাজের মান্য-গন্য-বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর মানুষেরা পাঠ্যক্রম নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন, অসংখ্য আলোচনার পর প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত পাঠ্যপুস্তকের নামে কয়েকটি অশ্বডিম্ব প্রসব করেছেন। অবশ্য পাঠ্যপুস্তকের গায়ে লেখা আছে পরীক্ষামূলক সংস্করণ। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ন্যুনতম ৫০ লক্ষ শিক্ষার্থী শিক্ষা গ্রহন করছে। দুর্বল- পরস্পরের সাথে সম্পর্কহীন আত্মজ্ঞানের চুড়ান্ত প্রকাশ হিসেবে যে পাঠ্যপুস্তক রচিত হয়েছে তা শুধুমাত্র কয়েকটি পাইলট প্রজেক্টে ব্যবহার করে, শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তক থেকে প্রাপ্ত শিক্ষার মাণ শিক্ষাগবেষকদের দিয়ে যাচাই না করে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত সবাইকে নিয়ে নিরীক্ষা করার গুরুত্বপূরণ কর্মকান্ড একেবারে কান্ডজ্ঞানবিবর্জিত আচরণ মনে হয়েছে।
টুকটাক অসুখের দিনগুলো!
শিরোনাম থেকেই বোঝা যায় আমার শরীরটা ভালো নাই। তবে তেমন কোনো জটিল অসুস্থতা না, এমনিতেই শরীর ভালো লাগে না। ঠান্ডা বাড়ী থেকে লাগিয়ে আসছি, তার ভেতরে নতুন যুক্ত হয়েছে মাথা ব্যাথা ও জ্বর জ্বর ভাব! এইসব টুকটাক রোগবালাই নিয়ে একটূ অসুবিধাতেই আছি কয়েকদিন। আমার অবশ্য তেমন একটা রোগে শোকে কাটাতে হয় না। সেই কবে একবার টাইফয়েড হয়েছিল; তারপর গত আট নয়বছর ধরে শরীরটা বেধড়ক ভালোই কাটছে। টুকটাক ঠান্ডা লাগা আর জ্বর এই মুলত আমার এখনকার অসুস্থতার একমাত্র গন্তব্য। তাও তা- বিধাতার অপরিমেয় রহমতে আসেও কম। তবে যখন আব্বু আম্মুর সাথে থাকতাম, তখন মজা ছিল। সামান্য জ্বর হলেই যে সবার এটেনশন পেতাম তাতে অবাক লাগতো। আমার অসুস্থতায় সব চাইতে বেশী চিন্তায় পড়তো আম্মু, আম্মুর সেই উদ্বিগ্ন মুখের কথা এখনও চিন্তা করলে চোখে পানি এসে যায়। এই চার পাঁচদিন ধরে হালকা ঠান্ডা আর মাথা ব্যাথাতেই ভাবি বাড়ীতে থাকলে কত মজা হতো। কিন্তু কি আর করা, মামা নেই বাসায় একা একাই দিনগুলো কাটছে!
