অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

কাপ্তাই থেকে বইমেলায়

আমার একটা বই বেরিয়েছে। বইমেলায় যেতে হবে। শুধু কি নিজের বইয়ের টানে ঢাকায় যাওয়া? কাপ্তাই থেকে ১২ ঘণ্টার জার্নি। না, অন্য কিছু টানও ছিল। শাহবাগের গণজাগরণে অংশ না নিয়ে কি থাকা যায়? তাই যেতে হলো প্রাণের টানে।
এবার কাকলী থেকে বেরিয়েছি আমার উপন্যাস 'অংক স্যার+একদল দুষ্টু ছেলে'। সৌজন্য কপি এখনো পাইনি বলে বইটা কিনতে হয়েছে। কিনেছি আরো কিছু বই। বেশিরভাগই বন্ধু-পরিচিতজনদের (বর্ণক্রমে সাজানো):
১. আখতার হুসেন: সমুদ্র অনেক বড়-প্রথমা
২. আনিসুল হক Anisul Hoque: উষার দুয়ারে-প্রথমা
৩. আনিসুল হক: যারা ভোর এনেছিল-প্রথমা
৪. আহমাদ মোস্তফা কামাল Ahmad Mostofa Kamal: অন্ধকারে কিছুই দেখা যাচ্ছে না বলে- শুদ্ধস্বর
৫. আহসান হাবীব: একটি প্রায় ভয়ঙ্কর গল্প-তাম্রলিপি
৬. ইকবাল খন্দকার Iqbal Khondokar: তরুণী তখন ঘরে একা-রোদেলা
৭. ইমন চৌধুরী Emon Chowdhury: শুভ্রা আজ বাসায় একা-অনুপম
৮. এবিএম মূসা: মুজিব ভাই-প্রথমা
৯. জয়দীপ দে Joydip Dey Shaplu: হারকিউলিসের পাখা-শুদ্ধস্বর
১০. ফারজানা ঊর্মি Farzana Urmee: স্বপ্নসখা-কাকলী
১১. মুহম্মদ জাফর ইকবাল: ইস্টিশন-তাম্রলিপি

জল!নাকি ছিল অশ্রু

নিজের মনটিকে সাজাতে গিয়ে আমি কোথায় হারিয়ে যাচ্ছি ।তা কিভাবে হচ্ছে জানিনা ,কিন্তু কিছু বুঝলাম কোথাও হইতো ভুল হলো।

আয়নার সামনে দাড়াতে সে বলে উঠে,আর কত দিন এই ব্যস্থতা? স্বাভাবিক মুহুর্ত টুকু মাঝেমধ্যে অস্বাভাবিক ভাবে টেনে হেচড়ে নিয়ে যায় কঠিন বাস্তবতার দিকে।মানুষের জীবনটা কেন কাঁদে করুন সুরে ? পাল্টাই তার ভিতর যতটুকু ছিল সে।কখনও অভাবের দ্বারপাল বন্ধি করে রাখতে চায়,নিজেকে ধরে রাখার শেষ কোথায় গিয়ে থামায় নিজের অজান্তে হইতো বাধ্যগত ভাবে ।। শক্তি খুব সীমিত তাই যুদ্ধশেষ হওয়া পর্যন্ত হইতো থাকবোনা।

আজকের সুসংবাদ গুলো

সারা দেশে যে গণজাগরণ তৈরী হয়েছে তার কিছু ধারাবাহিক সুসংবাদ।

১.
ফরিদ্পুর মেডিকাল কলেজ হাসপাতাল এ জামাত এর মালিকানাধীন ঔষুধ কম্পানী বর্জন করা হয়েছে। এবং আজ থেকে প্রতিটি ডিসচার্জ পেপার এ 'রাজাকারের ফাসী চাই' শিরনামে সীল বাবহার করা হচ্ছে।

২.
আজ থেকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ জামাত শিবির এর ওষুধ কোম্পানি ইবনে সিনা এবং বায়োফার্মা কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে । আশা করব অন্যান্য মেডিকেলও অচিরেই এই কাজটা করবে ।

৩.
গনজাগরনের ধাক্কাটা কতো তীব্র সেটা উপলব্দি করতে হলে এখন আরো গভীরে চলে যেতে হবে, শাহবাগ এবং বিভাগীয় শহরগুলো পেরিয়ে। সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের বিদ্যালয়ে আজ শাহবাগ থেকে ঘোষিত কর্মসূচী পালিত হয়েছে, শহীদ রাজিব হত্যার বিচারের দাবিতে গ্রামের বাজারে মিছিল হয়েছে। ঐখানকার এক বন্ধু জানালেন দুএকদিনের ভেতর তারা ও গনজাগরন মঞ্চ তৈরী করে লাগাতার কর্মসূচী পালন করবেন, ঐ এলাকায় যারা জামাত করে তাদেরকে সংশোধনের একটা আলটিমেটাম দিয়ে সামাজিকভাবে বর্জনের ঘোষনা দেয়া হবে।

৪.

জামাত-শিবিরের হরতাল প্রতিরোধে আমার কর্মসূচী

এইটা বলিনা যে আমি এর আগে হরতালের বিপক্ষে ছিলাম বা সমর্থন করসি! পূর্বের হরতালে আমার অবস্থান নিরপেক্ষ ছিলো! তবে আগামী কালের হরতাল আমি মানছিনা এবং আমি স্পষ্ট ভাবেই এর বিপক্ষে, রুখে দেবার জন্য যা করার তাই করবো আমার অবস্থান থেকে!

যা করমু ভাবতেসিঃ

# বাসায় বাজার নাই, আম্মু কইলো বাজারে যাইতে...পরিস্কার জানায় দিসি, কালকেই যাবো! আজকে না খাওয়ায়ে রাখো ব্যাপার না! কালকেই বাজার কৈরা আমি হরতাল প্রতিরোধ করমু!

# বাসায় ইলেক্ট্রিশিয়ান দিয়ে কিছু কাজ করানো দরকার! এত্তদিন ধরে বাসা থেকে বলা হইতেসে করাইতে, আমার টাইম হয়না ওই কাজ গুলো করানোর! ঠিক করসি কালকেই করুম! কালকে করায়ে আমি হরতাল প্রতিরোধ করুম!

# ক্লায়েন্ট বলসে গিয়ে পেইমেন্ট নিয়ে আসতে! কইলাম ব্যাংকে জমা দিতে , আইতে পারুম না! তোহ আজকে ফোন দিয়ে বললাম, ব্যাংকে দিতে হবেনা, আমি কালকে আস্তেসি স-শরীরে, পেইমেন্ট নিতে! কালকে গিয়ে পেইমেন্ট কালেক্ট কৈরা আমি হরতাল প্রতিরোধ করুম!

মন খারাপের ভিতর বাহির!

ইতিমধ্যেই রাজীবের নির্মম জবাই পরবর্তি শোক আমরা কাটিয়ে উঠছি। বরং সে নাস্তিক নাকি আস্তিক? তার জানাযা পড়া উচিত নাকি অনুচিত? শেষ মেষ কেনো একজন নাস্তিক কেনো পলিটিক্যাল জানাযাতেই আশ্রয় নিতে হলো এর মানে কি? সে যে সমস্ত পোস্ট লিখছে সেগুলো তার লেখা নাকি? আর লেখা পড়েই কেউ তাকে মেরেছে নাকি? জামাত শিবিরের উপর দোষ চাপিয়ে অন্য কেউ করলো নাকি কাজটা? হাবিজাবি নানান প্রশ্নে ফেসবুক ব্লগে খাবি খাচ্ছে জনতা। আমি খালি একখান কথাই বলবো ফেসবুক ছাড়া যারা দিন কাটায় তারাই আছে সুখে। নয়তো বাংলাদেশে ফেসবুক এমন এক পরিস্থিতিতে যাচ্ছে যে অসুস্থ লোকেরাই শুধু যাবে। একাউন্ট ডিএক্টিভেট করলে ভালো হতো কিন্তু তা আর করছি কই? ঘুরে ফিরে এই ফেসবুক। আর সেইখানে বসে বসে আজাইরা মানুষের বস্তাপচা প্রশ্ন আর দোহাই দেখতে আর ভালো লাগে না!

কামনারে রাখিসনে বেঁধে

মানুষের ঘরে ঢুকে ছিল এক চোর ,চোরটি এসেছিল ভিক্ষার ঝুলি হাতে, সেই ঝুলিতে কি জানি ছিল-কিছুতেই পূর্ণ হয় না, মানুষ দিতে থাকে কিন্তু পূর্ণ হয়না, একদিন যখন মানুষটির সম্পদ আর বাকি থাকল না। শেষ সেই পরিনতি তার বিবেক,বুদ্ধি,সততা,নিষ্ঠা, সবি তাকেই দিতে হল।।
আমাদের মনে যে কামনা নামের চোরটি বসবাস করে তার অভিসন্ধি কেউ বুঝতে পারিনা। যদি তার অভিসন্ধি বুঝা যেত তবে কেউ রাজনীতি করত না।।

ঘৃণ্য চক্রান্তের জাল বিছানো হচ্ছে, সাবধান থাকা খুব জরুরি

থাবা বাবা'কে নিয়ে ঘৃণ্য চক্রান্ত ফাঁদছে জামায়াত। যেটা আমরা সবাই জানি। নাস্তিকতাবাদের ধুয়া তুলে আন্দোলনকারীদের চিন্তাকে ঘুরিয়ে দেয়া। অনলাইনে এখন একটা তুমুল আস্তিক-নাস্তিক লড়াই বাঁধানোর পাঁয়তারা করছে ছাগুরা। যাতে অনলাইন অ্যাকটিভিস্টদের একটা অংশ সেটা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। ফেসবুকে, ব্লগে শফিউল আলম ফারাবি নামে এক ছাগু নানারকম বায়বীয় হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। ফাপড়বাজি আর কাকে বলে। ওকে একটা আখেরি গদাম দিয়ে বসিয়ে দেয়া দরকার। এইসব মশা-মাছি ভ্যান ভ্যান করে শুধু মানুষকে বিরক্ত করার কাজটিই পারে, আর কিছু পারে না।

যাক সোনার বাংলাদেশ ব্লগ বন্ধ হয়েছে, এটা আপাতত একটা ভালো খবর। ওদের ওপর এই সরকারি আঘাতটা জরুরি ছিলো। আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে সব ষড়যন্ত্র, সব চক্রান্ত, নোংরামি, কুটিলতা, অমানবিকতা সফলভাবে মোকাবেলা করা সম্ভব। কেউ কাউকে কখনো ব্যাকফুটে যেতে দেখলে, সঙ্গে সঙ্গে ডিসহার্টেড হয়ে পড়া চলবে না। স্ট্যাটেজিক্যাল পয়েন্ট অব ভিউ থেকে সবকিছু চিন্তা করতে হবে। বিশ্বস্তদের ওপর অকারণে সন্দেহ করা যাবে না। নতুন কাউকে হুট করে বিশ্বাস করা শুরুও করা যাবে না।

ধর্মচিন্তা, রাজনীতি এবং শাহবাগের প্রজন্ম চত্বর।

আমাদের প্রজন্ম চত্বর

১৯৭১ সাল। ২/৩ বছরের কোলের শিশু। একাত্তরের কথা মনে নেই আমার। ৯০ এর সৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের কথা মনে আছে। সেসময় আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। এরশাদ বিরোধী সেই উত্তাল দিনগুলোতে সরাসরি অংশ নেয়া একজন আমি।

আবার এক আন্দোলন। ২০১৩ সাল। ভাষার মাস। আবারো এক গণজোয়ার। এবারের দাবী- যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি। যুদ্ধাপরাধী, মানবতার শত্রু, খুনি, রাজাকার কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রায় হলো। সেই রায়- কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদন্ড! মানিনা সে রায়। কেনো মানবো ? প্রত্যক্ষভাবে মানুষ খুন করা কাদের মোল্লা জেলে যাবে, ভি চিহৃ দেখাবে- আর পত্রিকার পাতায় সে ছবি আমাদের দেখতে হবে ?

ফেইসবুক স্টেটাসমালা ৫ (আন্দোলনের দিনগুলি অথবা দিন গুনি)

এক.
তুমি জানতেই না যে কখন তুমি এসে ঠাই গেড়েছো আমার আঙিনায়
আমি তোমার শেকড়ে জল ঢালি, স্মৃতির মতোন করে এলিয়ে রেখেছি
অর্গানিক ইতিহাস। মাটি আর মমতার উর্বরতা বেড়ে তুমি বৃক্ষ হবে,
অন্ধ হবে; ঘ্রাণে আর শব্দে তুমি ফলবতী, ছড়িয়ে ছড়িয়ে পড়বে সভ্যতায়।

দুই
মানুষকে নাকচ করে দেবার অধিকার কারো নেই!

তিন
আমরা কি চাই, যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসী নাকি কেবলই বিচার? যুদ্ধাপরাধীদের নির্মূল করতে চাই নাকি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে বুঝিয়ে দিতে চাই আমরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ? আমরা কি জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করতে চাই নাকি তাকে আওয়ামী-বিএনপি'র পা চাটা একটি বৈধ রাজনৈতিক সংগঠন হিসাবে দেখতে চাই? শাহবাগে সমবেত মানুষের মিছিলে অংশগ্রহণরতদের এই সব প্রশ্নের উত্তর জানা থাকাটা জরুরী...

চার
বহুদিন পর এতো মানুষকে একসাথে শ্লোগানে গলা মিলাইতে দেখলাম-শুনলাম...বহুদিন পর!

পাঁচ
জীবন জুড়ে ছন্দপতন
বিষণ্ন অস্থির লাগে
মন পড়ে রয় শাহবাগে।

স্বপ্নে লাগে মোটিভেশন
দেশের প্রেমে প্রাণ লাগে
মন পড়ে রয় শাহবাগে।

মায়ের চোখে শিখা লেলিহান

আন্দোলন চলবেই, জয় আসবেই

রাজাকারের দোসররা আরেকটি কূটনৈতিক চালে সফল হবার পথে। রাজাকারের ফাঁসীর দাবী চাওয়া আন্দোলনে তারা প্রথমেই এমন একজনকে শিকার করেছে যিনি নাস্তিক।এবং নানান ধরনের লেখা তার অনলাইনে আছে। সত্যি যেটা, নিহতের লেখা আমি নিজেও পুরোটা পড়তে পারিনি।পড়ার দরকারও মনে করছি না। কারণ তিনি ব্লগ লেখার জন্য খুন হননি। হলে সেটা বহু আগেই হতেন। তিনি খুন হয়েছেন শাহবাগের আন্দোলনের সাথে জড়িত থাকার জন্য।

মাথা ঠাণ্ডা করে বিষয়টি অনুধাবন করা জরুরি। এতোদিন ধরে যারা শাহবাগের আন্দোলনের সাথে জড়িত তাদের কারো আন্দোলন ধর্মের বিরুদ্ধে নয়। রাজাকারের বিরুদ্ধে। এবং রাজাকারের কোন ধর্ম নেই। রাজাকার গোষ্ঠী এই খুনের মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মকে আন্দোলেনর মাঝে এনে আন্দোলনকে প্রতিহত করতে চাইছে। এদের সেই সুযোগ দেয়া চলবে না।

রাজাকারের ফাঁসীর আন্দোলন সকল বাংলাদেশীদের। আমাদের। এখানে ধর্ম মুখ্য নয়।

যারা ভাবছেন, "মুসলমান" রাজীবকে হত্যা করেছে, তাদের অনুরোধ, আপনাদের এটা ভাবাতে সফল হয়েছে রাজাকারবাহিনী। আপনারা এমন ভাববেন না। জবাই-খুন কোন ধর্মের নিয়মে পড়ে না।

শিরোনামহীন

আমি বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি, বাসদ, জাসদ, কমিউনিষ্ট, আওয়ামীলীগ-কোন দলেরই সমর্থক নই। আমি রাজনীতি বুঝি না। আমি মিছিলে যাই না। আমি ভোট দেই না। আমি বাংলাদেশের নোংরা রাজনীতি এবং ভন্ড রাজনীতিবিদদেরকে ঘৃণা করি। আমার মতো হাজারো মানুষ বাংলাদেশের নোংরা রাজনীতিকে এবং রাজনীতিবিদদের ঘৃণা করেন। তারপরও আমি একটা জিনিস চাই- যুদ্ধাপরাধী স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকারের সর্বোচ্চ শাস্তি। ৪২ বছর ধরে আমরা এই কলঙ্ক বয়ে বেরাচ্ছি। যুদ্ধাহত কত মুক্তিযোদ্ধা তিন বেলা পেটভরে ক্ষেতে পান না। অথচ বাংলাদেশের শত্রু পাকিস্তানের বন্ধু রাজাকারের দল কোটি টাকার দামে গাড়িতে চড়ে বেড়াচ্ছে। যারা বাংলাদেশ চায়নি তারাই গাড়িতে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উড়ায়। আমাদের দেশপ্রেমিক পুলিশ বাহিনী তাদেরকে স্যালুট জানায়।।। আর সেই জামাত শিবিরের হাতে ব্লগার খুন হয়।।। হায় অভাগা দেশ!!!

শুভ্র সরকার, জাপান।

থাবা বাবার মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া প্রজন্ম চত্বরে, ৩টা-১০টার কর্মসূচি পরিবর্তন: ২৪ ঘন্টা আন্দোলন চলবে

আপডেট: শনিবার কালো ব্যাজ ধারণ এবং আছর নামাজের পর জানাজা নামাজ পড়া হবে প্রজন্ম চত্বরে। যদিও প্রজন্ম চত্বরে ‘থাবা বাবা’র (আহমেদ রাজীব হায়দার) লাশ আনার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু সরকার সেটা করতে দেবে কিনা, তা এখন পর্যন্ত জানি না।

এদিকে ফেসবুকে একটা ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের লিংক ছড়ানোর খবর পাওয়া গেছে। সেখানে ধর্মবিরোধী এমন কিছু কথা আছে, যেগুলো সাধারণ ধর্মভীরু মানুষের অনুভূতিকে আহত করতে সক্ষম।

ব্লগটিতে ১০টি পোস্ট রয়েছে। সবগুলো পোস্ট মিলিয়ে কমেন্ট সংখ্যা ২টি। একই রকম তারিখে দেয়া হয়েছে ৭টি পোস্ট। আগস্ট ২৬, ২০১২ তে দেয়া হয়েছে ৪টি পোস্ট, জুন ১৮, ২০১২-তে দেয়া হয়েছে ৩টি।

পোস্টগুলোর হিটসংখ্যা নগণ্য।

প্রশ্ন রয়ে যায় এ ব্লগটি আসলে কার? আমার ব্লগে 'থাবা' নিক থেকে দেয়া 'লাড়ায়া দে' লেখাটি ওই ব্লগে থাকা সত্বেও প্রশ্ন রয়ে যায়।

থাবা বাবা

ব্লগার থাবা বাবা (আহমেদ রাজীব হায়দার) পেশায় একজন আর্কিটেক্ট ছিলেন। শাহবাগ মুভমেন্টের সাথে জড়িত ছিলেন। ১২ তারিখেও তার সাথে আমার দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে।
কিছুক্ষণ আগেই জানতে পারলাম, তাকে নৃশংস ভাবে জবাই করে মেরে ফেলা হয়েছে। মীরপুরের কালসিতে তার লাশ পাওয়া গেছে।
অন্য ব্লগ সুত্রে জানতে পারলাম, সোনার বাংলাদেশ নামের এক ছাগু ব্লগে তাকে নিয়ে লেখা হয়েছিলো গত ৪ দিন আগে। এরপরে, আজকে আন্দোলনের টাইম বেঁধে দেবার পর এই সংবাদ...

রেস্ট ইন পিস থাবা...

খুঁজে পাওয়া প্রাণের স্পন্দন ও একটি প্রতিজ্ঞা

বইয়ের সাথে পরিচয় ও সখ্যতা সেই ছোটবেলা থেকে(পাঠ্য বই ভেবে ভুল করবেন না কিন্তু)। বইয়ের প্রতি ভালবাসাটা অনেকটা উত্তরাধিকার সূত্রেই পেয়েছি। বুঝতে শেখার পর থেকেই বইয়ের অরণ্য দেখে আসছি। আব্বা বাড়িতে যেখানেই ফাঁকফোকর পেতেন সেখানেই আলমারি বসিয়ে তাঁর বইয়ের সংগ্রহ বাড়াতেন। আমার এক দাদি আছে প্রায় ৭০ বছর বয়সী, কিন্তু এখনো উনি চশমা চোখে বই পড়েন। পরিবারের আবহাওয়াই যদি এমন বইময় হয় আমি কি এর বাইরে যেতে পারি?

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ