পাগলরে তুই সাঁকো নাড়াইস নারে
চল চল চল/ ওরে তরুন দল/ তোদেরকে বোকা বানিয়ে/ যত্তসব আইবুড়োদের দল
ভয়ের কারন নাই। কবিতা লেখার অপচেষ্টা হচ্ছে না। আরেকটা টেকি গল্প। কম্পিউটারের ভুত স্মৃতি নিয়ে।
বেঁচে থাকার বৈধতা (২৪ মার্চ ২০১০)
একটি ভ্রূণের সাফল্যের পেছনে
চাপা পড়ে থাকে -
আরো অসংখ্য সম্ভাবনার মৃত্যু,
আর একটি শিশুর আগমনী আনন্দে
চাপা পড়ে যায় জন্মদাত্রীর যন্ত্রণা ;
কত যুদ্ধে, কত সংগ্রামে
রাশি রাশি দুঃস্বপ্ন পাশে ঠেলে
শুভ্র, সুন্দর, আর অর্থবহ কিছু স্বপ্ন নিয়ে
একটি শিশু সম্পূর্ণ মানুষ হয়,
আলাদা মানুষগুলো কাঁধে কাঁধ মিলায়
সভ্যতা গড়ে পৃথিবীতে, বাঁচে ;
তবু এই বেঁচে থাকার বৈধতা কতটুকু ।
পৃথিবীর স্থল - বায়ু - জল
আনন্দ বেদনার কাব্য
খুব ছোট করে দুইটি অনুভূতির কথা বলে আমারা বন্ধু ব্লগে আমার বিচরন শুরু করছি। আমি ব্লগে লেখা লেখি শুরু করেছি একবছরের বেশি হয়েছে। আমরা বন্ধু ব্লগটির নাম শুনবার পর থেকেই ইচ্ছা হয়েছে আমি এই ব্লগে লিখব। আজ আমি আমরা বন্ধু ব্লগে লিখবার সুযোগ পেয়েছি। এটা আমার মত অভাজনের জন্য একটি বড় সুখ সংবাদ।
আমারে আর ফায় খে ??
আমী এখঠা নথুন দরনের ভানান ফদ্ধথি ছালু খরথে ছাই।
ছিন্থা খরে ধেকলাম, শভাই শভ দরনের ফোশ্ট ধেয়...
আমার অথ গেন নাই। থাই নথুন এই বাশার মাদ্যমে
লেকথে ছাই...
বুল থ্রুঠি হইলে নিজ ঘুনে ক্ষমা খরে ধিভেন।
আমি লেকতে ছাই, ভঢ় দরনের লেকখ হইতে আষা
রাকি। নথুন এই বাশাঠা একভার ছালু খরথে ফারলে
আমারে আর ফায় খে ??
পাঁচ পরহেজগার ব্যক্তির গল্প (শেষ অংশ)
ইহুদীর গৃহে আশ্রয়ের প্রশ্নে ঈমানী জোশ আর তাকতের কারণে উত্তেজিত মুসাফিরগণ ক্লান্তি ভুলিয়া যথেষ্ট পরিমাণ তর্কে লিপ্ত হইলেও, আশ্রয় লইবার সিদ্ধান্তে উপনীত হইবার পর প্রথম তাহারা অনুধাবন করিতে সক্ষম হইলো যে কিরূপ ভয়াবহমাত্রার ক্লান্তিতে তাহারা আচ্ছন্ন হইয়া পড়িয়াছে। বস্তুতঃ মরূর বুকে খাদ্য এবং পানীয়বিহীন অবস্থায় অনবরত তিন রাত্রি আর চারদিবস ধরিয়া পথচলার ফলে তাহাদের কেহ যদি মৃত্যুর কোলেও ঢলিয়া পড়িত তাহাতেও
অভিনন্দন তোমাদের :: এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা ছোট্ট বন্ধুরা
শুধু আমি নয়... আমাদের অনেকের জীবনের সবচাইতে বড় পরীক্ষাটাই ছিল এসএসসি। প্রথম সার্টিফিকেশন এক্সাম। আর কোন এক্সামের কথা এত পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে মনে নাই। বাসার সব্বাইকে ছালাম করে হলের দিকে রওনা দিয়েছিলাম। সাথে মসজীদের হুজুরের দেয়া তাবিজ ডান হাতে বেধে দেয়া ;)। আম্মা গিয়ে ছিলেন সাথে। এক্সাম শেষে সাথে করে আবার নিয়েও এসেছেন। মনে হইতে ছিল নয়া...
পলকবিহীন
যখন তুমি দাঁড়াও এসে বারান্দায়
সামনে তোমার টলোমলো দীঘির জল
গালেতে হাত দিয়ে ভাব আনমনে
তখন আমার বুকে শুধু ছলাৎ ছল্।
কেউ জানে না আমার মনে কী তখন
জানে আমার পলকবিহীন দুই নয়ন।
মাঝে মাঝে দাঁড়াও তুমি অনেকক্ষণ
মাঝে মাঝে একটু থেকেই যাও চলে
ঠান্ডা বাতাস ঝিরি ঝিরি যায় বয়ে
বলতে থাকে তোমার কথাই সারাক্ষণ।
খুঁজতে থাকি কোথায় থামে তোমার মন
অবুঝ আমার পলকবিহীন দুই নয়ন।
যখন তুমি হাঁটছ ছাদে আলতো পায়
প্রথম দেখা লেটেষ্ট কম্পিউটার
আশির দশকের দ্বিতীয়ার্ধে প্রথমবারের মতো শুনতে পাই কম্পিউটার নামক আজব বস্তুটার কথা। এই যাদুকরী বাক্সটিতে নাকি হেন কিছু নাই পাওয়া যায় না। তখনো সচক্ষে কোন কম্পিউটার দেখিনি। কেবল শুনে শুনেই গপ্পো করি। টিভিতে তখন নাইট রাইডার সিরিজ চলছিল। গাড়ীর সাথে কথা বলে নাইট রাইডারের নায়ক মাইক। সকল প্রশ্নের উত্তর দেবার এবং তার সকল ক্ষমতার উৎস এই গাড়ীটা। আমার ধারনা হয় মাইক তার গাড়ীকে যেভাবে হুকুম দিয়ে চালায়, কম্পিউটার
জাকির তালুকদারের মুসলমান দর্শন-মুসলমানমঙ্গল উপন্যাসের পাঠ থেকে।
একটা উপন্যাসের নাম মুসলমানমঙ্গল-লেখক জাকির তালুকদার। আগ্রহী হইলাম নাম শুইনা। জাকির তালুকদারের আলাপ সালাপ কিছু শোনা আছে, লেখাপত্রও পড়ছি কিছু। তাছাড়া মুসলমানমঙ্গল নামটা উপন্যাসের নাম হিসেবে দারুন পছন্দ হইছে। বার কয়েক কেনার চেষ্টা কইরাও পারলাম না। এইবারের বই মেলা থেকে কিনলাম। পড়তে শুরু করলাম, আর প্রচন্ড রকম বিরক্ত হইলাম। প্রথমত গ্রন্থখানাকে উপন্যাস বলিবার কোন সুযোগ আমি
বন্ধু তোদের............
আমার ব্লগিং জীবন দুই বা আড়াই মাসের অন্যমানুষ হিসেবে আমার ব্লগে।বন্ধু মুক্ত বয়ানের সাথে থাকার লোভ সামলাতে না পেরে আমরা বন্ধুতে অনুপ্রবেশ।এমন এক সময়ে এ প্রবেশ যখন আর দিন সাতেক পর আমার শেষ সেমিস্টার ফাইনাল।আনুষ্ঠানিক ছাত্রজীবনে বাজছে বিদায়ের বাঁশি।হারিয়ে যাবে এ জীবন থেকে আমার অনেক বন্ধুরা।দেখা হবেনা অনেকের সাথে আর কখনও।আমি এ পর্যন্ত যত পোস্ট দিয়েছই তার সবই আগে লিখেছি তারপর শিরোনাম দিয়েছি ...।এ প্রথম
হঠাৎ বৃষ্টি
অফিসের কাজ নিয়ে চরম ব্যস্ততা ছিল গত কিছুদিন। এই ব্যস্ততা সামাল দিতে গিয়ে শুক্রবারে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে, ফলে মাসখানেক কোন আড্ডা নাই , কারো সাথে দেখা নাই। এর মাঝেই নজরুল ভাই আর নুপুরের ফ্ল্যাটে একদিন আড্ডা দিলাম, গত এক মাসে নিজের ও অফিসের কাজের মধ্যে ঐটাই ছিল আড্ডা বা বন্ধুদের সাথে দেখা।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অন্যরকম ঝক্কি ......!!!
আজকাল যদিও লেখা লিখি তেমন আর হয়ে ওঠে না , তবুও কদিন আগে নাজ আপুর জ্যাকেট মালিকের কাহিনী পড়ে মনে হলো নিজেও দু লাইন লিখে ফেলি ...
কথিকা-নো টেনশন
আজ সকালে ঘুম ভাংছে একটা খারাপ স্বপ্ন দেখে..কথিকা কাদছে আর আমি বলছি ব্যাপার না।।ও বলছে ব্যাপার। আমি পরীক্ষায় ফেল করেছি।আতকে উঠে আবার ওপাশ হইয়ে ঘুমালাম তারপর আবার স্বপ্ন দেখি ও গোল্ডেন এ প্লাস পায়ছে...
ক্লাস থেকে এসে বাসায় ফোনদিলাম আম্মাকে জিজ্ঞাসা করলাম ওর ভাব সাব কি??আম্মা কয় যথারীতি আছে... নো টেনশন মুডে। কেমনে পারে এইসব? আমার নিজেরই হাত পা শুকিয়ে আসতেছে আর ও বলে নো টেনশন মুডে আছে...এই হলো আমাদের কথিকা আমার একমাত্র ছোটবোন কথিকা...কাল ওর এস এস সি এর রেজাল্ট...
আমি ঝড়ের কাছে~~~
সকালে আফিসে যেয়ে প্রথম কাজ হচ্ছে কারখানা ভিজিট করা। নিত্যদিনের মত সেদিনও গিয়েছি কারখানায়। সেখানে যেয়ে শুনলাম হুইল প্রেস মেশিন কিছুতেই কাজ করছে না। কোন ভাবেই তাকে চালু করা যাচ্ছেনা। চিরটাকালই ফপর দালালী করা আমার স্বভাব। সেই স্বভাব আর যাবে কোথায়?
তোমার হলো শুরু, আমার হয়নি সারাঃ ২
গতকাল রাত থেকে মেয়েটার শরীর খারাপ, ঠান্ডা লেগেছে-জ্বর জ্বর ভাব। এমনিতে এখানে ঠান্ডা পড়ছে এখন তার উপর বিকালে জেদ করে খেয়েছে ঠান্ডা দুধ....। তাই আজ সকালে মেয়েটাকে চাইল্ড কেয়ারে পাঠালাম না। ল্যাবে যা কাজ আজ ছিল তা সোমবারে এক্সট্রা পরিশ্রম করলে শেষ করতে পারবো, তাই মেয়েকে নিজের কাছে রাখার জন্য ল্যাব ফাকি দিলাম। মেয়েতো মহা খুশি।