নেক্সাস ওয়ানে বাংলা- ক্যামনে কি?

এই পোষ্ট যদি আপনারা কেউ না পড়েন তাইলে কোন কথা নাই। আর যদি পড়েন তাইলে দুইটা কথা আছে। প্রথম এবং সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ কথা হইতেছে, আমি টেকি কেউ না। সুতরাং আমার উপদেশ অমৃতবচন মনে করিয়া কেউ যদি বিপদে পড়েন তাইলে আমি দায়ি থাকিব না। এবং দ্বিতীয় কথাটা হইতেছে এইসব আকাম কুকাম করলে আপনার নেক্সাস ওয়ানের ওয়ারেন্টি ভয়েড হইয়া যাইবে; অতএব সাধু সাবধান। তাইলে আসেন বিসমিল্লাহ বইলা শুরু করি। চাইলে দুই রাকাত নফল নামাজও পড়তে পারেন। সাবধানের মার নাই।
আজাইরা ৩
তার চোখে অবিরাম মুক্তো ঝরছিলো
কষ্টগুলো নুনের দানার মতো গলছিলো গালে
উথলে উঠেছিল তার নীল সাগর
সহসা আকাশ থেকে নেমে এলো দেবদূত এক
শুধালো হে প্রেমিকা তোমাকে আজ মুক্তোশূন্য করা হবে...
ঈশ্বরের নির্দেশে, চাও?
বললো, আমি আকাশে উড়তে চাই না
মিশতে চাই না নরম বাতাশে
আমি রয়ে যেতে চাই এই পৃথিবীর পথে
জলে ডুবে থাকা পাথরের টুকরোর মতো-
যেথা মোর প্রিয়তম গেছে হাঁটি'
বললো দেবদূত, সে তো গেছে দূরে
দুইটি মৃত্যু
দুলে দুলে পুঁথি পড়ছে যেনো ছটোন, বিকেল টা বুঝি শেষই হয়ে গেলো।
..a cow is the domestic animal........a cow is the domestic animal.....a cow, a cow, a cow is the domestic animal.......
আজকে আর দুটো শপাট শপাট বারি মারা হলোনা টেপ টেনিস বলে। মনটা খারাপ হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু মায়ের আজকে মেজাজ ভিসুভিয়াসের মত, লুকিয়ে বের হবারও সাহস করে উঠতে পারলো না...
যৌন হয়রানি প্রতিরোধ আইনের খসড়া ও একটি প্রস্তাব
'শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ আইন'-এর প্রাথমিক খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সহায়তায় বাংলাদেশ আইন কমিশন এই খসড়া তৈরি করেছে। আইন কমিশনের পক্ষ থেকে খসড়া চূড়ান্ত করে সরকারকে দেওয়া হবে। এরপর আইন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ
শীতঘুম
শুনেছি তুমি নাকি এখনো অপেক্ষায় থাক?
পৌষ-ফাগুনের পালা আসে ঘুরে ফিরে।
কার্তিকের নবান্ন ফুরিয়ে গেলেও,
ঘাস-ফড়িঙের রঙিন ডানায়, এইসব বখাটে রাতে
শুনেছি এখনো নাকি স্বপ্ন সেলাই করো।
এখানে সকলে শীতঘুমে।
মধ্যবয়েসী মনে জমেছে মেদ।
না জেগে বাঁচার আচ্ছন্নতায়
এক জীবন পেরুবে তারা।
শুনেছি তুমি ঘুমুতে পারোনি।
এইসব পালাগান ফুরিয়েছে,
কবিয়াল নিয়েছে বিদায়,
ডানা ভাঙা ঘাসফড়িং চিত হয়ে মরে আছে ঘাসে,
একজন কবিকে খুঁজছি !!!!
একজন কবিকে খুঁজছি। কবি ভাইয়েরা আওয়াজ দিয়েন প্লিজ। সেই কবিকে জব্বার পুরষ্কার দেয়া হবে।
তবে তার আগে বলতে হবে নিচের কবিতা টি তার লেখা কিনা।
কর্ণ - এক দূর্ভাগা যোদ্ধা অনাকাঙ্খিত সূর্য সন্তানের জন্মোপাখ্যান
যাদব বংশের রাজা সূরার রাজপুরী আলোকিত করেছিল এক অপূর্ব সুন্দর রাজকন্যা পৃথা, কালক্রমে যার রূপ গুণের ক্ষ্যাতি ছড়িয়ে পরে নিজ রাজ্য ছেড়েও আরো অনেক দূরে। রাজা সূরার নিঃসন্তান ভাই কুন্তীভূজার অনুরোধে সূরা তার কন্যা পৃথা কে কুন্তিভূজার কাছে দত্ত্বক দেন। সূরার ঘর আলোকরা পৃথা কুন্তীরূপে কুন্তীভূজার রাজ্য আলোকিত করতে থাকে। সেই সময়ে ধ্যান করতে করতে বিরক্ত হয়েগেলে মুনি-ঋষী রা বিভিন্ন রাজার আতিথ্য গ্রহণ করতেন।
স্মৃতি বড় উচ্ছৃঙ্খল - পূর্ণেন্দু পত্রী
পুরনো পকেট থেকে উঠে এল কবেকার শুকনো গোলাপ |
কবেকার ? কার দেওয়া ? কোন্ মাসে ? বসন্তে না শীতে ?
গোলাপের মৃতদেহে তার পাঠযোগ্য স্মৃতিচিহ্ন নেই |
স্মৃতি কি আমারও আছে ? স্মৃতি কি গুছিয়ে রাখা আছে
বইয়ের তাকের মত, লং প্লেইং রেকর্ড-ক্যাসেটে
যে-রকম সুসংবদ্ধ নথীভুক্ত থাকে গান, আলাপচারীতা ?
আমার স্মৃতিরা বড় উচ্ছৃঙ্খল, দমকা হাওয়া যেন
লুকোচুরি, ভাঙাভাঙি, ওলোটপালটে মহাখুশি
তারে ভুলতেই পারলাম না
মনটা খুবই খারাপ। জব্বার কাগুর বিতলামি দেইখা আমোদ হয়, মন খারাপ হয় না। বার্সা ৩-১ গোলো হারছে, হতাশ হইছি, মন খারাপ করি নাই। সৌরভ দাদার দল সেমিফাইনালে উঠতে পারে নাই, কষ্ট পাইছি। তীব্র মন খারাপ করতে পারে নাই। সন্ধায় সবাই আড্ডা দেয়, তাও মাইনা নিছি। কিন্তু......
বিজয়ে তৈরি করা মাইক্রোসফট অফিস ফাইল বাংলা ইউনিকোডে রুপান্তর করবে “নিকস কনভার্টার”
যারা বিগত জীবনে বিজয়ে লেখা শত শত কিংবা হাজার হাজার ফাইল ইউনিকোডে রুপান্তর না করতে পেরে বাধ্য হয়ে এখনো প্রাগৈতিহাসিক বিজয়ে কাজ করছেন। অভ্র পছন্দ করা সত্ত্বেও যারা বিজয়কে পুরোপুরি ছাড়তে পারছেন না, তাদের জন্য সমাধান নিকস কনভার্টার।

সেই সময়!
ভুলি নাই তারে আমি ভুলি নাই ,
যে সময় চলে গেছে দূরে তারে আমি ভুলি নাই,
ভুলি নাই ছায়ায় হয়ে যে মোরে করেছে স্মরণ,
আঁচলে জড়ানো ফুল রূপে যে মোরে করেছে ধারন,
ভুলি নাই তারে আমি ভুলি নাই।
সহস্র নৈঃশব্দের রজনীর পর
ক্লান্ত আহত আমার অনুভতির পাড় জুড়ে এখনো ফিরে আসে সে ;জীবন্ত নয়,
আমার মেরুদন্ড বরাবর শির শির করে বেয়ে ওঠা আপাত শীতল কোন বাতাস অথবা
ডাইরী ৯৮
এক.
আহা আমার রুটিনবদ্ধ বিষন্নতা, আহা আমার যুক্তাক্ষর অন্তঃপ্রাণ। তোমাদিগের অস্তিত্ত্ব আর কতোকাল বয়ে যাবে পরম্পরায়? আহা আমার সময়, মাত্রা গুণে পড়ে আছে পথিমধ্যে। তারে ছোঁয়া গেলে আঙুলে আমার, জিহ্বা মেলে নিতাম তাহার স্বাদ।
আফসুসায়িত পোষ্ট...ম্যাহ
ফরমেটিং ঠিক করতে না পারায় একটা এত্ত বড় পোষ্ট মুইছা ফালাইলাম...দু:খে কষ্টে শেষ...
যাই হোক, আমি এগেইন আবার ব্যাক কৈরা ফেরৎ আসছি...
কিন্তু কথা হৈলো, ব্লগ এত ঝিমায় কেন??
ফরমেটিং সংক্রান্ত ঝামেলা সংক্রান্ত পোষ্ট সংক্রান্ত কোনো কমেন্ট দিলে উপকৃত হৈলেও হওনের সম্ভাবনা ছিলো ...
আমার মনে হয় ডারউইন মানসিক চাপের কারণে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন- পল বিটানি।
ডারউইনের অরিজিন অব স্পিসিস বইটার জগতময় আলোড়ন আজো থামেনি। একজন গবেষক হিসাবে না। একজন মানুষ হিসাবে ডারউইনরে যে পরিমাণ মানসিক সংকট আর শারীরিক দূরাবস্থা কাটাইতে হইছে তার ইতিহাস কেউ মনে রাখে না। নিজের বড়ো মেয়েক হারিয়ে, অনেক সংগ্রাম আর প্রতীক্ষার পরো মেয়েটাকে বাঁচাতে না পেরে, ঈশ্বর মানতো না যে ডারউইন সে-ই কি না মেয়ের সুস্থ্য হবার কামনায় চার্চে গিয়া মেয়ের জন্য প্রার্থণা করে। এসকল ঘটনা আসলে মানবিক
আমি কাউরে না করতে পারিনা
পুরা গ্রাম জুড়ে ছিছি, ঢিঢি, রিরি পড়ে গেলো। গ্রামের অতি উৎসাহী মুরুব্বিরা ইয়াং ছেলেপুলেদের উস্কে দিলো। এভাবে চলতে পারেনা। গ্রামের একটা ইজ্জত আছে না ? ঠিক, তাইতো ! যুবকেরা চিৎকার করে উঠে। এইসব অনাচার গ্রামে চলতে দেয়া যাবে না। এর একটা বিহিত করতেই হবে। সিদ্ধান্ত হলো, শুক্কুরবার বাদ আছর বিচার বসবে। বিচার হবে চেয়ারম্যানের বাড়িতে। গ্রামের ছোট বড়, ছেলে-বুড়ো সবাই এল সেই বিচার শুনতে।
বিচার করবে কে ?