খোজ- দ্য সার্চ ; ব্যচেলরদের জন্য টু লেট- হিডেন ড্রাগন ; বাড়িওয়ালা- ক্রাউচিং টাইগার
এই পোস্ট মিন্টো রোডের বাড়িগুলারে উতসর্গ করলাম... ঢাকায় ২০০৪'এ যখন আসলাম তখন মিন্টো রোডের বাড়িগুলা দেইখা মাথা আউলায়া গেছল... এইরকম একটা বাড়ী থাকলে কী যে করতাম... বন্ধুদের নিয়া ফুটবল খেলতাম... বউরে নিয়া চা খাইতাম... একলা একলা বই পড়তাম... প্ল্যান করছিলাম অনেক টাকার মালিক হইলে মিন্টো রোডের একটা বাড়ি কিনুম
... ঐ রাস্তা ধইরা যাওয়ার সময় বাড়ীগুলা থিকা বাছাই করার চেষ্টা করতাম কোনটা কিনা যায়...
তোমাকে বলার ছিলো...
কেউ আমাকে ধরে বেধেঁ না শোনালে আমার গান নিয়ে তেমন কোন আগ্রহ নাই। নিজ
থেকে খোজঁ করে কোন গান না শোনার কারনে এমনটা বলেছিল একবন্ধু। কিন্তু তাই
বলে শুধু বাছাবাছে গানই যে কেবল শুনি তাও না, আমার সব জাতের গানই ভাল
লাগে, সুনির্দিষ্ট কোন ধাচেঁর গান না। যেটা ভালোলাগার লাগে। কিছু কিছু
ভালোলাগা গানের ক্ষেত্রেতো আমি গানটাকে জুড়ে একটা গল্পই বানিয়ে ফেলি।
তেমনই একটা গানের কথাগুলো এমন –
পুর পুর সিংগাপুর.....................।
কাহিনী একেবারে টাটকা। এই ধরেন এই পোষ্ট পাবলিশ হবার ২ঘন্টা আগে ঘটেছে। কাহিনী এইবার শোনেন।
বাংলাদেশে একটা ইএমএস (পার্সেল) পাঠায়ছিলাম গত ৯ই এপ্রিল। নরমাল পার্সেল করলেও হইতো, কিন্তু আমার বউয়ের প্রথম ভাস্তির জন্য পাঠানো জিনিসপত্র যেন ঠিক মত তাড়াতাড়ি পৌছায় তাই করলাম ইএমএস, টাকা বেশি লাগলেও। বউরে তেল মারাও কইতে পারেন এইটারে.।.।.।.।।।
ক্যানবেরা সফর - পর্ব ৫ (ইন ক্যানবেরা)
ঘুমাতে যাওয়ার দশ পনের মিনিট পর মুজা কাকু একত্রিশ দাঁত বের করে (একটা পড়ে গেছে ) মামুরে বলে কালকে তো আমাদের কোন ঝামেলা নাই শুধু ঘুরাঘুরি আর দাওয়াতে যাওয়া। আমার দিকে ইশারা করে বলে এই দুই নম্বরের কালকে অনেক কাজ। আমাদের কে সব যায়গায় নিয়ে যাবে হে হে হে। এরপর কাকু আর মামু তাদের সুখ দুঃখের আলাপ জোড়া দিলো। কে কবে কখন কিভাবে ছেঁকা গলাধঃকরণ করছে, কোথায় আর একটু পরিশ্রমী হলেই ..........
ফ্রয়েডজীর জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি
গ্রামের এক কৃষক একবার হালচাষের সময় একটি মাথার খুলি পায় । কি মনে করে সে খুলিটি ভাল করে মুছে আলমারিতে রেখে দেয় । তার স্ত্রী একদিন আলমারি খুলে দেখে ভিতরে একটা খুলি । স্ত্রীর মনে সন্দেহ দানা বাঁধে । নিশ্চয় এটি স্বামীর বিয়ের আগের কোন প্রেমিকার খুলি । দাঁড়া দেখাচ্ছি মজা ! কৃষকের স্ত্রী পাটার মধ্যে খুলিটি রেখে শিল দিয়ে ছেঁচা শুরু করল এবং এরই মাঝে লক্ষ্য করল খুলির কপালে লেখা-‘কপালে আরো দুঃখ আছে !'
: এটা জানতাম যে, 'কপালের লিখন না যায় খন্ডন' কিন্তু আপনার এই গল্পের তাৎপর্য কি?
সর্বসত্ব সংরক্ষিত
পুরনো বাক্স ঘাঁটাঘাঁটি যদি করো, এখনও আচমকা
দু-একটা নীল খাম বেরিয়ে পড়তে পারে।
গোটা গোটা অক্ষরে ভুল বানানের ভালবাসা
রাখা না রাখার দ্বন্দ্ব।
অব্যবহৃত হলদে পাতার বইয়ের ভাঁজে এক আধটা
মৃত রুক্ষ গোলপের অবাঞ্ছিত উপস্থিতি কিছু বিচিত্র নয়;
বহু আগের ছুঁড়ে ফেলা অসমাপ্ত কাজের ইতি।
দু-একটা ফেলনা উপহার, যা না রাখলেও চলে।
চলে যেতে পারে জঞ্জালের বাক্সে
শতেক কবিতার শবযাত্রা।
নাহ,
অহনার অজানা যাত্রা
বেশ হুড়মুড় করেই ধরতে গেলে অহনার বিয়েটা হয়ে গেলো অর্নর সাথে। পাত্র অর্ন বিদেশ থাকে, তার ছুটি ফুরিয়ে এসেছিলো প্রায় এই মেয়ে বাছাবাছি করতে করতেই, অবস্থা অনেকটা সে পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে বিয়ে না করেই অর্নকে আবার কর্মস্থলে ফিরে যেতে হবে, যদিও পাত্রপক্ষীয় প্রথানুযায়ী অর্ন ছুটিতে আসার আগে থেকেই অর্নের পরিবার মেয়ে বাছার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু ঠিক যেনো মিলাতে পারছিলেন না। এই মেয়ের বাবা পছন্দ হয়তো ভাই না, সে মেয়ের ভাই পছন্দ হয়তো মেয়ে না। সেই অন্তিম মূহুর্তে একজন কমন বন্ধুর মারফত পাত্রপক্ষের পাত্রীপক্ষের যোগাযোগ হলো। তারপর মেয়ে দেখার সেই চিরন্তন পালা। তবে অহনাকে স্বীকার করতেই হবে সে ভাগ্যবতী বর্তমান সময়ে জন্মানোর কারণে। আজকের আধুনিক সমাজে পড়াশোনা জানা সোকলড আধুনিক শিক্ষিত লোকজনের ভিতরে যাইই থাকুক, সবার সামনে আর সেরকমভাবে মেয়ের হাতের আঙ্গুল, পায়ের গোড়ালির পরীক্ষা তারা নিতে পারেন না, সাজানো মুখোশ খু
ঘোনচক্করের স্টক ইনডেক্স

ডিসক্লেইমার- এইপোস্টে কোন ফান স্টাফ নাই ... সো পড়তে গিয়া চুনা খাওয়ার চেয়ে না পড়াই উত্তম
ভীড়বাট্টায় বড়ো বেমানান মনে হচ্ছে নিজেকে
পৃথিবীর রঙ্গমঞ্চে খাপ খাওয়াতে না পারা একজন। বারবার হোচট খেতে খেতে পায়ে ক্ষত হয়ে গেছে। এখন আর হোচট খেলে উঠতেই ইচ্ছে করেনা। কেন যে এখানে রেজি করলাম, নিজেই জানিনা। সামুতে লিখিনা এখন আর। সামুতে কেন, কোথাও লিখিনা আর। লেখার হাতটা প্যারালাইজড হয়ে গেছে।
কপিরাইট অফিস নোটিশ পাঠালো 'অভ্র জনক' মেহদী হাসান খানের কাছে !!!!!!!
কপিরাইট অফিস নোটিশ পাঠালো 'অভ্র জনক' মেহদী হাসান খানের কাছে !!!!!!! আমি জানতাম না। এমাত্র জানলাম, অন্য একটি ব্লগে দেখলাম। কে যেন সারা শরীরে আগুন ধরিয়ে দিল! মনে যা ভেবে ছিলাম তাই হ্ল!
ভাই মেহদী হাসান খান, আমরা আছি তোমার পাশে।
আমরা বন্ধু থেকে একটা ফান্ড গঠন করা হউক। আসুন আমরা অর্থ দিয়ে মেহদী ভাই এর মনোবল চাঙ্গা করি তথা একবারেই আদালতের ফয়সালা শুনি!!
আমার ইত্তেফাক
'৯৪ সালে একটা লেখা লিখে পাঠিয়ে দিলাম বাই পোস্ট, ইত্তেফাকের ঠিকানায়। তারপর প্রতিদিন সকালে পত্রিকা আসার সময় হলে দরজার সামনে দাঁড়ায়ে থাকি, খুজিঁ আমার লেখা ছাপা হইছে কী না... হয়না।
অতঃপর কলিকালের মা কহিলেন..
লোকে এখন কথায় কথায় বলে, দিন বদলাইসে..কতটুকু বদলেছে তার একটা ছোট্ট নমুনা না দিয়ে পারছিনা..
মা দিবসের eপুস্তক ...
মায়ের চেয়ে আপন কেহ নাইরে
মা জননী নাইরে যাহার
ত্রিভুবনে তাহার কেহ নাইরে... ...
তোমার হলো শুরু, আমার হয়নি সারাঃ ১
কন্যা আমার বড় হচ্ছে, যদিও বয়স বেশি না, মাত্র ২ বছর ৮ মাস। কিন্তু বড় তো হচ্ছে। কথা বলা শিখে গেছে, অনুকরনতো শিখেছিলো আগেই। ফলাফল, আমাদের কথা-কাজকারবার অনুকরন করে তার সাথে নিজের ভান্ডারে থাকা শব্দগুলো এড করে নতুন নতুন কথা বলে।
কথাগুলো শুনতে ভালো লাগ্লেও তা মাঝে মাঝে অত্যাচারের পর্যায়ে চলে যায়। কারন তার সামনে ঘটা প্রতিটা বিষয় নিয়ে তার প্রশ্ন থাকবেই।
“কোথায় যাও?”
“কেন যাও?”
“কি করবা?”
