অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

এলোমেলো কথা

সকালে অফিসে ঢোকার পর পরই খবর শুনলাম চ্যানেল ওয়ান বন্ধ করা হতে পারে। জোট সরকার আমলে ইটিভি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সিএসবি আর এই সরকার চ্যানেল ওয়ান বন্ধ করলো। এ যেন একটা ধারাবাহিক কার্যক্রম। আর সরকারের একজন মন্ত্রী নির্লজ্জভাবে বললেন, জোট সরকার একুশে টেলিভিশন বন্ধ করে দিয়েছিলো। তখন তার কর্মীদের অন্যখানে কাজ করার সুযোগও কম ছিলো, তারপরও তারা বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে সংযুক্ত হয়ে কাজ করতে পেরেছে। এখন

যদি বন্ধু হও তবে বাড়াও হাত !

প্রিয় কবির ঢংয়ে বলি, " ঈর্ষাতুর নই আমি তবুও তোমাদের ..বড়ো ঈর্ষা করি ।"
কেননা তোমরা সবাই সবার বন্ধু । কী ভীষণ সাবলীল তোমাদের কোলাহল !

উল্টো দহন

নিষিদ্ধ বস্তুর প্রতি মানুষের আকর্ষন দুর্বার। যেদিন থেকে ওর সাথে প্রকাশ্যে দেখা সাক্ষাতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হলো সেদিন থেকে ওর সাথে প্রতিদিন দেখা হওয়াটাই যেন জরুরী হয়ে গেল। নিষেধ অমান্য করার আনন্দ রোমাঞ্চ আলাদা।

ইলমা যেদিন আসলো

বিজ্ঞাপন তরঙ্গ

রেডিও বাংলাদেশ । আমাদের ঘড়িতে সময় এখন ১ টা বেজে ৫ মিনিট হয়ে অমুক সেকেন্ড - ঘোষক/ঘোষিকার ঘোষনা। আপনার শুনতে পাচ্ছে এই এই এই শট ওয়েভ মেগা হার্টজে । এখন প্রচারিত হবে বিজ্ঞাপন তরঙ্গ।

সাথে সাথে প্যা প্যা পো পো করে শব্দ (বিজ্ঞাপন তরঙ্গ আরম্ভ হবার আবহ সঙ্গীত ছিল ঐটা) , শব্দের মাঝের একজন টেনে টেনে বলতো - বিজ্ঞাপন তরঙ্গ। তারপর আরো কয়েক সেকেন্ড বাজতো প্যা পো শব্দ।

ধন্য হে মোস্তফা জব্বার ধন্য তোমার ফাঁদ

পেটেন্ট, কিবোর্ড লেআউট, কপিরাইট নিয়ে আমরা যারা মুখে ফেনা তুলে ফেলেছি, কিংবা কিবোর্ডে ঝড় তুলেছি এবার মনে হয় তাদের বাস্তবের দিকে ফেরা উচিত। মোস্তফা জব্বার যে ফাঁদ পেতে বসে আছেন সেই ফাঁদকে অনুধাবন করে সেদিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত। আমাদের অনুধাবন করা উচিত যে, ৫ কোটি টাকার বেদনা থেকে মোস্তফা জব্বার হাদুম পাদুম করছেন না, বড়ং ভবিষ্যতে এর কয়েক গুন টাকা হাতানোই তার উদ্দেশ্য।

হুর পুরস্কার পেলেন...

আজকে সব পত্রিকায় একটা সংবাদ দেখেছি।
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ডাঃ
সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে
পুরস্কৃত হয়েছেন। দেখে ভালো লাগলো।

একটি পত্রিকার শিরোনাম ছিলো এরকম :
হুর পুরস্কার পেলেন সৈয়দ মোদাচ্ছের...
দেখে মনে হলো, কী ভাগ্যবান আমাদের উপদেষ্টা
মহোদয়। জীবদ্দশাতেই তিনি হুর পেয়ে গেলেন !!

আর ভয় নাই- এখন আসুন মামা, আমি তৈরী অবস্থায় আছি!

আর ভয় নাই- এখন আসুন মামা, আমি তৈরী অবস্থায় আছি!
(থাঙ্ক ইউ মেহেদী, গেট আউট জব্বার!)

একটা বিষয়ে আপনাদের সাথে শেয়ার না করে পারছি না। কদিন আগে অভ্র ও জাব্বার নিয়ে যে বিতর্ক হয়ে গেলো তাতে আমার একটা লাভ হয়েছে! আমি অভ্র লোড করে বাংলা লিখা শিখে ফেলেছি! যে বাংলা টাইপিং দেখলে ভয়ে পালিয়ে যেতাম আজ আমি বাংলায় চেটিং(!) ও করছি। কম্পিউটার এ বাংলা লিখতে হবে বলে আমি অনেক কাজ করতাম না। আর ভয় নাই- এখন আসুন মামা, আমি তৈরী অবস্থায় আছি!

মজার বিষয় হল আমি বাংলা শিখে আমার আত্নীয় সজন দের মেইল পাঠাছিলাম - আমার মা বোন ইতালীতে থাকেন। এত কাল এংলিশ-বাংলা করে মায়ের/বোনের/ভাগিনার সাথে মেইলে কথা হত। মাকে ও বংলিশ শব্দ গুলো পড়ে শুনানো হতো - কি যন্ত্রনার কথা ছিল! আজ তিনি নিজেই মেইল পড়ছেন! কি মজা! দেখুন আমাদের মেইল গুলো-

ছবি তোলার ইচ্ছা ও তুলতে না পারা

অনেক দিন আগে থেকেই শুরু না। বেশ কিছুদিন আগে যদিও তুলতাম সেটা তোলার জন্যই তোলা। একটা ক্যামেরা ছিল, ফিল্মের। সেইটা দিয়া ফোকাস করে ছবি তুলতাম ব্যাস। তবে ফটোগ্রাফি কোর্স করার ইচ্ছে যে হয় নাই তা না। তবে আরও শ পনের ইচ্ছার মত এইটাও বাস্তবায়নের মুখ দেখে নাই। আগ্রহটা আসে যখন বছর দেড়েক আগে একটা ডিজিটাল ক্যমেরা হাতে পাই। ছবি তোলার নিয়মরীতি জানিনা কিছুই। খালি ছবি তুলি। ফুলের ছবি তুলি। নদীর ছবি তুলি। কাকের ছবি

নতুন সংসার শুরু করতে যাচ্ছি,

1_0.JPGবিয়ের পর মনে হচ্ছিল স্বপ্ন দেখছি। তারপরের সময়টাও সেই রকমই ছিলো। ইদানিং বউ অভিযোগ করছে, আমি নাকি আগেই বেশি রোমান্টিক ছিলাম, এখন নাকি চামার স্বভাবের হয়ে যাচ্ছি। এতকাল চাকরি করতাম, আর জমিদারি হালে চলাফেরা করতাম। বাইরে খাইতে খাইতে স্বাস্থ্যও মাশাল্লাহ বেশ ভালো (!!) হয়ে গেছে। তারপর দেখলাম কালে কালে দুপুর হয়ে

তারেও তো ভুলতে পারি না

ববিতার পর যার প্রেমে পড়ছিলাম তিনি হইলেন ডিম্পল কাপাডিয়া। ববির ডিম্পল না, ফিরা আসার পর যে ডিম্পল তিনি।
dimple_kapadia_01.jpg

যন্তণা!

ডাক্তারদের কথামতে আমি একজন অভিমানী মানুষ! অ্যালার্জিক সেন্সিটিভিটির কথা বলছি। নতুন কাপড় পরলেও হাঁচি পায় আর দেরাজ থেকে বের করা পুরোনো হলেতো কথাই নেই, হাঁচি সম্মেলন শুরু হয়! আমার বন্ধুরা আমার হাঁচিরোগ নিয়ে মহা বিরক্ত, কারণ কয়েকটা হাঁচি দেবার পরেই তাদের গুনতে ইচ্ছে করে আর অন্য যেকোন কাজ চাঙ্গে ওঠে। এখন পর্যন্ত রেকর্ড ১৩৪টা...তবে আমার চাচাতো ভাইয়ের রেকর্ড নাকি আরও বেশী!

অবশেষে ফটোসেসনে রাজী হলেন মিস ববিতা – (মাসুম ভাই নিখোঁজ)

ভাবিতেছি মাসুম ভাইয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে, সেদিন উনি ববিতা নানুর ফটোসেসনের অর্ধেক ফটু দিছেন, বড়ই আফসোসের ব্যাপার বাকি ফটুগুলান মাসুম ভাই কুক্ষিগত করছেন, এই জন্য ঝাতি আজ মাসুম ভাইকে ধিক্কার জানায়। এই খবর পাওয়ার পর মাসুম ভাইকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। Sad

আমরাবন্ধু ব্লগের নীতিমালা, ডুয়েলিঙ-পোস্ট এবং একজন সাধারণ ব্লগার

আমরাবন্ধু ব্লগের মডারেটর (বা মডারেটরবৃন্দ) কিছুদিন আগে জানিয়েছেন যে তারা নীতিমালার প্রয়োগ করবেন কঠোরভাবে। যদি-ও পূর্বের নীতিমালায় কিছু পরিবর্তন হয়েছে এবং অনেকে জানেন না বা নজর দেন নি, সেটা মুখ্য নয়- সেই প্রয়োগকে কেন্দ্র করে ব্লগার মানুষ, ব্লগার হিমালয় এবং ব্লগার রোবটের কিছু পোস্ট প্রথমপাতা থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে ডুয়েলিঙ পোস্ট সম্পর্কিত নীতিমালার আওতায়।

ন কবিতা (দাড়ি কমা বাদে, ১০০% কপিরাইটেড )

তোমাকে দেখি আর নিজেকে দারুন উচ্ছৃংখল লাগে
তোমাকে দেখি আর নিজেকে বড় অপাংক্তেয় লাগে

আমাকে উচ্ছৃংখল রেখে তুমি
দু'পায়ে আলতা মেখে হাঁটছো ওই সংসারে

ভরাডুবি চাঁদটাকে আজ বিষ জ্যোৎস্নায় চুবিয়ে
খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করে

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ