খুচরা পোস্ট -১

এক
মাথাটা জট বেঁধে আছে। কেমন ঝিম ঝিম করে। গত ২৪ ঘন্টায় চরম ঘুম দিয়েছি এই কারণেই এই অবস্থা। ইচ্ছা করে পরে পরে ঘুমাই। কিন্ত বেশি ঘুমাইলে আবার ঝিমানি ধরে।
বাসা থেকে অফিস দীর্ঘ জার্নি বাই বাসে করে যেতে হয়। ছালু মানে ব্লগার ছায়ার আলো বলছিল সে বাসে উঠেই টানা ঘুম দেয়। ঐদিন দেখলাম রায়হান সাঈদ গাড়িতে বসেই নাক ডেকে ঘুমাইল। ইদানিং আমিও বাসে এই প্র্যাক্টিস করতেছি।
দুই
অনেকদিন পোস্ট দিইনা। চিন্তা করলাম ঘুম ঘুম ভাব নিয়া পোস্ট দিয়ে একটা পোস্ট বাড়াই। আমার পোস্ট কম বলে দাদা ভাই আবার তাচ্ছিল্য করে। দাদাভাইয়ের সাথে একটা চ্যালেঞ্জে যাওয়া যায়। যেমন এক মাসে আমাদের দুইজনের মধ্যে যে কম পোস্ট দিবে সে খাওয়াইবে।
ইদানিং বাজির ভাগ্য খারাপ যাচ্ছে। কয়েকটা হারলাম। অবশ্য সব শেষেরটা জিতেছি। অফিসে একটা হারা বাজি খাওয়ানো বাকি আছে। একবার ব্যাপক কিপ্টা কলিগ বাজি হেরে আমাদের খাওয়াতে চায়না। অমুক বাহানা তমুক বাহানা করে। ভালো মত চেপে ধরার পর আমাদের খাওয়াতে নিয়া গেছে পিজ্জা হাটে। ঐখানে নিজেই মেনু খুঁজে সবচেয়ে কম দামিটা দিতে বলছে বয় কে। একটা খাওয়াইয়া কয় চলেন। আমরা অর্ডার দেই আরো। সে ঠেকাইতে চায়, আরেক দিন খায়েন। আমরা বলি, আপনে খাইয়েন না আমরা খাই। বিল দেয়ার সময় চেহারা যে হইছে!
তিন
আবারো খাওয়ার কাহিনি। একবার কীভাবে যানি পোলাপাইন লীনা ফেরদৌসকে পটায়া ফেলল যে সে কাচ্চি বিরিয়ানি খাওয়াবে। দিন যায় লেকিন লীনা খাওয়ায় না। এইটা সেইটা ধুন্দুর মুন্দুর বলে পিছলায়া যায়। কিন্তু আমরাও বাঘা তেতু। ফেসবুক, বইমেলা, আড়ং যেইখানেই তারে পাই কাচ্চির কথা মনে করায়া দেই। আগে দেখতাম রোমান্টিক সব স্ট্যাটাস দিত এফবিতে। যেমন, আমি কোকিল তুমি নক্ষত্র মন যায় বিহঙ্গের মত। আর এই সব স্ট্যাটাসে লোকজন হুমড়ি দিয়া পড়ত। আমরাও গিয়া বলতাম কবিতা ভালো হইছে কিন্তু কাচ্চি খাওয়ান। আমাদের যন্ত্রনায় শেষে ফেসবুকে আসাও বাদ দিল।
অনেক দিন পার। আমরা ন্যারেটিডলি
কাচ্চি লীনার বিরানি খাওয়ার আশা পরিত্যাগ করছি। কিন্তু লাইফ ইজ স্ট্যাঞ্জার দ্যান ফিকশন! জীবনের ডিসকোর্সে
এমন কিছু ঘটে আমরা সব সময় কল্পনাও করতে পারিনা। ছবি হাটায় জয়ি লীনাকে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে আসল। এবং আমাদের সবাইরে বিরানি খাওয়াইল।
পোস্টের ছবিটা সেই ছবিহাটায় তোলা প্রথম ছবি।





বহুদিন পরে পোষ্ট দিলেন। দারুণ পোষ্ট।
ছবিটা চমৎকার। এমনভাবে একা বসে থাকলেই দুনিযাদারী থেকে কিছুটা দূরে ঘোরের মধ্যে ডুবা যায় বোধ হয়।
এত ঘুমাইয়েন না। বেশী ঘুমানো ভালো না। আর কিছু কইলাম না।
এই পোস্ট দারুন! এট্টু বেশি হয়া গেলনা।

এনিওয়ে শুনতে ভালো ই লাগে। ধন্যবাদ।
আমার আর আপনার মতামত আলাদা হইতেই পারে।
আমার এরম লেখাই পড়তে ভাল্লাগে। বুঝতে পারি সহজে। সাথে দারুণ এক্টা ছবি।
এইটার সাথে একমত।আমারে রেফারী থাকতে কইলে আমি রাজি।
******************************************************এতগুলা তারা ছবিটার জন্য।
দাদাভাই কী বলে?
ধন্যবাদ তারার জন্য।
লেখা ভাল লাগলো। লেখা পড়েতো মনে হলো না ঘুম ঘুম চোখে লিখেছেন। মনে হচ্ছে খুধা পেটে ভাল মতো ছূঁচোর নাচ নাচতে শুরু করার পর পূর্ন সচেতন হয়ে পোস্ট দিয়েছেন। ভাল লাগলো ধন্যবাদ।
ঠিকি বলছেন , ক্ষিদা লেগেছে দুপুরে খাওয়ার সময় হয়ে গেছে।
এত্ত সুন্দর ছবি তুলেন কেম্নে?
আপনার লেখা পড়ে আমারও ঘুমাইতে মন চাইতেছে। যাই, ঋহানের পাশে শুয়ে থাকি
হ্যাভ আ্যা নাইস এন্ড সাউন্ড লং ঘুম।
হাহাহাহা।
..... ঘুমের অভাবে জীবন শেষ। বাজারে ঘুম বেচা গেলে কিন্না নিতাম
আপনার ঘুম আসেনা কেন?
না ঘুমাইলে দুর্যোগ কেন, সেইটা তো বুঝলাম না।
সেইটা তোমাদের মত পুরান পাপীদের বোঝার কথা না। রাত জাগা পাখি কিভাবে অন্যের ঘুমের সমস্যাকে দুর্যোগ মনে করবে! আম্মা আমাকে ডাকতো বাচ্চা মুরগী
আমার ছিল রাতের খাবার না খেয়ে টুক করে ঘুমিয়ে যাবার ইতিহাস, সেই আমি ঘুম না গিয়ে এমন ভাবে দিন পার করছি! আম্মা শুনলে মুর্ছা যাবে 
ছবিটা খুবই সুন্দর। কুয়াশা ছিল নাকি ওইসময়? নাকি মেঘলা দিন?
--------
আমি তো শুনছিলাম লীনাফা আপ্নেগো বিরানি খাওয়াইছে, কাচ্চি তো আর খাওয়াই নাই!!! কাচ্চির আশা কি পরিত্যাগ করছেন?? এইটা কিন্তু ঠিক হইবো না রায়হান ভাই, উনি মনে দুখ পাইতে পারে!
কামাল ভাই, যা পেয়েছি তাতেই খুশী। কে জানি বলল মরার আগে লীনার বিরানি খেয়ে যেতে পারলাম তাতেই অনেক।
'কে জানি বলল মরার আগে লীনার বিরানি খেয়ে যেতে পারলাম তাতেই অনেক।'
হাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহা... (কন্টিনিউড আপটু ইনফিনিটি...)...
লীনা কই? ওরে একটু খবর দেন....
ছবিটার ব্যাক্গ্রাউন্ডের লাইট কমিয়ে দিছি।
হুম.. ব্যাকগ্রান্ডটাই এই ছবির আসল সৌন্দর্য! মনে হয় বহুদূরের ছায়াছন্ন পথ... ক্লান্ত এক বয়স্ক মানুষ...
দারুণ এক গল্প যেন!
সত্যিই খুব পছন্দ হয়েছে ছবিটা।
ছবি নিয়ে একটা পোস্ট দেন না কেন? মানে শুধু ছবি নয়, সংশ্লিষ্ট ছবিটি নিয়ে আপনার ভাবনা, আপনার কল্পনা, ছবির পরিপার্শ্ব ইত্যাদি! চমৎকার হবে কিন্তু।
এট্টু ঘুম ঘুম ভাব আইছিল, খাওনের কতা শুইন্যা ঘুম পলাইছে।
কোথায়, কবে খাওন ?
কে খাওয়াইবো সেইটা বিষয় না।
কী খাওয়াইবো, সেইটা আলোচনার বিষয় হৈতে পারে।
আমি আইতাছি...
ফটুক সেরকম হৈছে।
ধন্যবাদ ।
ছবিটা দারুণ হইছে রায়হান ভাই। এই ছবিরে কী কালার না করলেও ভালো লাগতো। মানে পুরাটাই ব্ল্যাক এ্যান্ড হোয়াইট অথবা পুরাটাই কালার রাখলেও ছবির মাজেজা একই থাকতো বইলা মনে হয়।
লেখা নিয়া কোনো মন্তব্য না করি...
তাইলে নেন কালার ছবি।
ছবি হাটা... নামটা সুন্দর হইছে...
তাইলে গতমাসের হিসাবটা হইয়া যাক... ভাইস্তা রাসেল কই? দেখেন তো কার পোস্ট কম
না এই মাস থেকে শুরু।
ওক্কে।
ওরে, গত মাসের হিসাব করলেতো ভালো হইতো।
ছবিটা দুর্দান্ত...
বিরানীতে মাইনাস... আমারে খাওয়ায় নাই
খাওয়ার সময় এই কথাটাও উঠছিল যে যারা খায় নাই তাদের কী হবে। পারে আমরা সবাই অনেক কষ্টে রাজি হইছে যে , ঠিকাছে যারা খায় নাই ওদের আবার খাওয়ানো হইলে আমরা কষ্ট কইরা আবার খাওনে অংশ নিমু।
কালারটার চাইতে সাদাকালোটা বেশি সুন্দর। সাদাকালো ছবিটার মধ্যে যে রহস্য সেইটা রঙিনটায় অনুপস্থিত। (আমি চোখের দেখায় কমেন্ট করলাম, যারা ছবি বোঝেন তারা নিশ্চয়ই অন্য আঙিকে ব্যাখ্যা করবে)।
*কালার্ড হবে
সাদাকালোটা আমার কাছে বেশী ভাল্লাগছে।
আমি সাদাকালোটার পক্ষে
ছবিটা নিয়া ভাস্করের সাথে আলোচনা হচ্ছিল। ভাস্কর বলছিল ছবিটা পুরা রঙিন অথবা পুরা সাদাকালো রাখলে ভালো হইত। আমি বললাম পুরা সাদাকালো রাখতাম কিন্তু লোকটার পিঠে ঝোলানো রঙিন জিনিসটারর জন্য রাখি নাই।
মেইন পোষ্টে যেটা দিয়েছেন আমার কাছে ওটাই বেশি ভাল লেগেছে
পুরা সাদাকালোটায় কন্ট্রাস্ট আর ব্রাইটনেস একটু বাড়াইলে মনেহয় ভাল হইতো...
আর ছবিতে বুড়ো লোকটার সামনের অংশটা বেশী ব্লার লাগতেছে...
মূল পোষ্টে যেই ছবিটা দিছেন ওইটাই বেশি ভালো লাগছে...
মিস করছি কাচ্চি খাই নাই, কিন্তু খাওনের আশা ছাড়ি নাই, মরনের আগে একবার কপালে জুটবেই মনে আশ আছে...
লেখার হিসাব শুরু হইলে এবার মেসবাহভাই ধরা খাইবো সিওর!...
পোলাপাইন লীনা ফেরদৌসরে কই পটাইলো??? আপনে দেখি পটাইলেন, কইলেন লও তুমার সুন্দর সুন্দর ফটু তুলমু, কই তাতো তুললেন না হুদাই আমারে ছিল দিলেন। আপ্নে সবারে দাওয়াত দিছেন খাওয়াইবেন, পরে কইলেন লীনা মানিব্যাগটা ভুলে আনিনি তুমি বিলডা দিয়া দাও। আপনার লগে পয়সা নাই তাই বন্ধু হিসাবে আপ্নার প্রেস্টিস বাচাইলাম আর আপ্নে কিনা আমার নামে ভুয়া পুষ্ট দিলেন। এরপর বিরানী খাওয়াইলে আপ্নে বাদ, ধুন্দুর মুন্দুর কারে কয় দেখামুনে।
আগে রোমান্টিক যে সব স্ট্যাটাস দিতাম এফবিতে, আপ্নেইত এগুলি আমারে মেইলে পাঠাইতেন আমি তাই দিতাম, মাধুর্যর মা হওনের পর আপনি মেইল দেওয়া বন্ধ করলেন তাই আমিও দেই না
হায় হায় সব যে ফাঁস হইয়া গেলো?

জ্বিনে এসএমস করত মনে হয়।
ছবিটা দুর্দান্ত।
বিরানীর কথা শুনে লোভ লাগতেসে। মাত্র চব্বিশ বছর বয়সে মাইল্ড হাইপারটেন্সিভ হয়ে যাওয়ার কারণে বিরানী খাওয়া নিষেধ। ভাবতেসি লুকাই লুকাই খায়ে আসব
ছবিটা দারূণ লাগছে...
ও.....রায়হান ভাই তাহলে পোস্ট দিছে? সাথে ছবিও আছে। আবার বিরিয়ানির গন্ধও পাইতাছি। গুড গুড।
আয় হায়, আমি তো জানতাম রায়হান ভাই শুধু দুইজনের সঙ্গেই...

পুরা সাদাকালো ছবিটা বেশি ভাল্লাগলো।
আমিতো কিছুই জানতাম না দেখি
(
(
যাক, মেজর ছবি অপূর্ব হয়েছে। খানা খাদ্য ও ভালো হইছে দেখি। কি আছে দুনিয়ায়। সবাই দেখি সুখেই আছে
তানবীরা'পু আমার মনে হয় ঠিকই আছে। জ্বিনের ঘটানো কান্ডের জন্য তো ভাইকে দায়ী করা যায় না।
ছবিটা ম্রাত্টক হয়েচে আংকেল
আসলেই.......... একজন পড়ন্ত বয়সের মানুষ রেল লাইনে বসা..........লাইনগুলো বন্ধন ছিঁড়ে যার যার মতো চলে যাচ্ছে....... মানুষটি ক্লান্ত বসা........
আরিশ ময়ূখ রিশাদ, বৃত্তবন্দী ,মাসুম ভাই, ভাইস্তা সুমন:
ধন্যবাদ ।
সুন্দর ছবি
সাদাকালোটা বেশি সুন্দর। সবাই কত কিছু পারে, আমি কিছুই পারি না
বাসে বই পইড়েন। সময়টাও কাটবে বইও পড়া হবে। মাঝে বই পড়ার টাইম পাইতাম না, এই পলিসি ধরার কারণে ইদানিং কিছু বই পড়া হইতেছে।
বিরিয়ানী খাইতে মন্চায়
মন্তব্য করুন