একটি শোক সংবাদ
পত্রিকায় যখান ফেলানির সংবাদ পরি... ক্যামন যেন একটা চিনচিনে ব্যাথা বুকের বাম পাশটায়। ১৫ বছরের জ্বলজ্বলে এক কিশোরী। এইতো আর কয়েক দিন পরেই তার দুই হাতে ঝলমাল করবে লাল নিল চুড়িতে... পায়ে মাখা থাকবে রক্তিম লাল আলতা... পায়ে বাজবে রিমিঝিমি নুপুর.... লাল টুকটুকে শাড়ী পরবে... কপালে লাল টিপ দিয়ে আয়নায় নিজেকে দেখবে... আমাদের নিম্নবিত্তদের মাঝে এই স্বপ্নটা সব সময়ই মনের মাঝে লালন করে সকল মেয়ে... স্বপ্ন আসলে শেষ পর্যন্ত স্বপ্নই... সেটা ফেলানি খুব যত্ন করে আমাদের দেখিয়ে দিল। আমরা ঠিক সকাল বেলায় ধোয়া ওঠা চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে দেখি আর আহা... বলে একটা দীর্ঘ্যশ্বাস ফেলি। এই পর্যন্তই... এর পর আবার নেক্সট কেউ। আমি এবং আমরা কেউ কেউ অবশ্য একটু বেশী ... দীর্ঘশ্বাস শেষে একটা ব্লগ ও লিখি। আমাদের দায় শেষ... আসলে এর বেশী কি কিছু করার আছে আমাদের? মাঝে মাঝে বুঝিওনা ঠিক মত
ঢাকায় থাকার সুবাদেই হোক বন্ধুদেরে দেখেই হোক ... সামান্য কিছুটা বুঝতে পারছিলাম শেয়ার মার্কেট... সেটাও আজকে ইন্তেকাল করলো (ইন্নালিল্লাহ.....)। আগামী যে কোন দিন হয়তো কুলখানী হতে পারে। সন্মানিত সকল বিনিয়োগকারী নিজ দায়িত্বে রুহের মাগফিরাতে অংশগ্রহন করবেন অবশ্যই।
সেই কবে চাকরিতে ঢুকছি সেটাও ভুলে গেছি। সারাদিন কামলা শেষ করে করে ৩০ দিন অতিবাহত হইলেই শুধু কিছু টাকা হাতে পাই। বৌ পোলাপাইন নিয়ে হয়তো কোন রকম চলেও যায়। কিন্তু চালের দাম যখন ২০ টাকা থেকে ৬০/৭০ টাকা হয় তার সাথে তাল রেখে বেতনের টাকা বাড়ে না। কপালের বলি রেখায় চিকন ঘাম দেখা দেয় বাজারে গেল। চোখে শর্ষে ফুল দেখি। স্বাভাবিক ভাবেই বিকল্প আয়ের পথে পা বাড়াতে হয়। বাড়তি আয় না হলে চাল কেনার পর ডালের টাকা থাকে না। এমন ঘটনাই আসলে সবারই। জীবন জিবিকার চাপে পরেই বাড়তি কিছু আয়ের হাতছানিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে কিছু টাকা বিনিয়োগ করে সংসার চালাই/চালায় অনেকেই। বয়ো:বৃদ্ধ লোকজনকে দেখি তার পেনশনের টাকাটা শেয়ার ব্যবসায় বিনিয়োগ করে বাড়তি কিছু লাভের আশায় সারাটা দিন বসে থাকে। আজ তার সফল সমাধি...
যেই ছেলেটা তার বাবার প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে ১ লক্ষ টাকা ধার করে সেই টাকা ইনভেষ্ট করে পড়ার খরচ চালাইতেছিল সেটা কি খুব অন্যায় হয়েছে? নাকি সরকারের অদুরদর্শীতার কারনে নিয়মের ফাকফোকর দিয়ে এই লোক গুলোকে পথে বসানোটা ঠিক হয়েছে?
কত মানুষ কত কি করতে পারে ... যত্ত সমস্যা সব আমাদেরই... উঠতে সমস্যা বসতে সমস্যা
... অনাগত সন্তানের ভবিষ্যত যে কি হবে ভাবতে পারি না ... ক্যামন যেন আন্ধার লাগে সব কিছু... বিদেশেও গেলামনা... দেশেও ভাত নাই ...
যাই ডিএসিইতে... যদি একটা ইটা ভাগে পাই সেইটাও ২/৩ টাকায় বেচন যাইপে 
তোমার সমাধি ফুলে ফুলে ঢাক... কে বলে আজ তুমি নাই... তুমি আছো... মাল বলে তাই ...





ছবি কৃতজ্ঞতা: দেলোয়ার সাঈদ

ফকিরাপুলের ছবি
কিছুক্ষন আগে আমি ওই এলাকা থেকে আসলাম। বলার কিছু নাই। কারে কি বলব!
দারিদ্রতাই আমাকে টানে!
অধিক শোকে পাথ্থর। আল্লাহ শোক সহ্য করার ক্ষমতা দিক। আমিন।
বড়লোক হওয়া কপালে নাই।
তাইলে জনসমক্ষে স্বীকার গেলেন যে, আপনে ছোটলোক
হ আমি ছোটলোক আর আপনে বড়লোক।
শুধু বড়লোক বল্লে হপে না, বলতে হবে কুটিপতি। @ রায়হান ভাই
আল্লাহ আমাগো এই শোক সইবার শক্তি দিক। আমিন।

ফটো পেয়ে ভালো হলো। কেন ভালো হলো সেটা এখন বলবো না!!!
ফেলানির জন্য বুকটা এখনো কেমন যেন করছে।
রশীদা আফরোজ, এমন করে লুকিয়ে আছেন কেন ?
ভাগের ইট আমারে একটা দিয়েন, পারলে অর্ধেকটা, সেইটা বেইচা কটকটি খামু, ট্যাকা নাই, সব শেয়ার বাজারে
আহারে। জামাতে কান্দেন। মিলাদ দিমু?
দিবি? দে, মিলাদের জিলিপি খেয়ে দিনগুজরান করি।
আপনারা তাও কটকটি,জিলাপী খাইয়া দিন পার করবেন।আমি কি খাইয়া থাকুম।

আপনেও যে বাজার করেন তাতো জানতাম না!
হ সে এক বিরাট ইতিহাস।ঘরে নাই কেরোসিন।এদিকে বাইরে ঝড় উঠছে সেই সময় ছোট ভাই কইলো....থাক সে দুঃখের কথা।

অতি লোভে তাতী নষ্ট...
বি এস এফ যেমন কুত্তা!! আমাদের সরকার তেমন ______ (একটা কমন গালি) ।
নিজেরা আবার দেশপ্রেমের লুতুপুতু ছিনেমা বানাবে । একের পর এক হত্যা করে যাচ্ছে সীমান্তে । আর আমাদের টনক নড়ছেনা এখনো । ওনাদের কাছে তিন বছরের বাচ্চারেও দুষ্কৃতকারী মনে হবে সে যদি কাটাতারের বেড়ার কাছে যায় । যত্তসব ......... ।
ফেলানির সংবাদ আর শেয়ার বাজারের ইন্তেকাল দুটোই মর্মান্তিক নিঃসন্দেহে । হা-হুতাশ আর মাগফিরাত কামনা করা ছাড়া আর কিছু করার আছে কিনা বুঝতে পারছিনা ।
এইবার মাঠে নামুম ভাবতাছি।
অলরেডি নাইমা গেছি দুলাভাই। দোয়া দরখাস্ত...
কোটি টাকার শেয়ার লাখ টাকায় কিনে শেয়ারপতি হবার দিন আসতেছে। (আলুপোড়া)
এতো এতো মানুষ বিশাল লস খাবার পর সেইটা নিয়া এরে ওরে দোষ দিয়া বা তাত্বিক আলোচনা করাটাকে ভাল্লাগে না।
জামাতে কান্নাকাটি করার লিগা হাজিরা দিয়া গেলাম... মার্কেট নিয়া কিছু বলার নাই...আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিয়া মাল সিঙ্গাপুরে সিঙ্গারা খাইতাছে এখন...
আমার চিন্তা আমারো হয়েছিলো এক সময়।
এরপর ব্যবসা চালায়ে গেলেও আওয়ামী সরকার আসার সাথে সাথেই পুজি উঠায়ে নিবেন ।
আওয়ামী সরকারকে আগে যেতে দিন, তার পরে না আবার আসবার কথা বলবেন !
আমি অবাক হয়ে চেয়ে থাকি
আল্লায় বাচাইছে নামি নাই
টুটুল ভাই আপনার কিছু কথা আমারি মত মনে হয়েছে। সেই কথা গুলো অন্য এক জায়গায় কোট করে দিলাম। মাইন্ড করবেন না আশা করি।
যারা চিল্লাইয়া বলছে ৯৬ এর পুনরাবৃত্তি হবে না তাদের কে মতিঝিলের সিটি সেন্টারের উপর থেকে নিচে ফেলে দেয়া উচিত

শেয়ার বাজারের এই পরিণতি দুঃখজনক। তাত্ত্বিকদের কানমলা দেওয়া উচিত। আর রেগুলেটরদের জুতার বাড়ি।
অনুরোধ: ভারত- বাংলদেশ সীমান্ত নিয়ে একটা আলোচনা পোস্ট হোক। সূত্র উল্লেখ সহ।
উল্টাচন্ডালের সাথে সহমত।
অভ্যাস হয়ে গেছে এগুলোর মধ্যে, বলার কিছুই নেই। বরং কেউ না মরলে, কিছু না ঘটলে খারাপ লাগে, পত্রিকায় পড়ার কিছু নাই, আহা উহু করার কিছু নাই, সুশীল সাজার চান্স মিস
তবু গলা ছেড়ে গাই- আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি!
এখন গা ঝাড়া দেবে কিছু শকুন.....পানির দামে তারা শেয়ার কিনবে....ছিনতাই করে নেবে অসংখ্য যুবকের স্বপ্ন।এরাই একমাস আগে উচ্চ মূল্যে শেয়ার বেচে মোটা দাগে লাভ করে এমন একটা পতনের জন্য কাঠখড় পোড়াচ্ছিল।
বুঝতেছি না আসলে কি বলব...ঘৃণা ক্ষোভ দুঃখ...সব অনুভুতিই ভোতঁ হয়ে গেছে।আন্তর্জাতিক মিডিয়া তো অনেক কিছু নিয়ে লাফালাফি করে, একজন খুনীকে বাচঁনোর জন্যও মানবাদিকার সংঘঠন উঠে পরে লাগে... আসলে মানবতাই বিক্রি হয়ে গেছে
আর কত দিন এইসব দেখতে হবে।
চিন্তা করতাছি টাকা পয়সা ধার করে আবার নতুন করেইনভেস্ট করব কিনা?
১।শেয়ার বাজারে ঝুঁকি থাকবেই। শেয়ার বাজার কোন আলাদিনের চেরাগ না, লাভও হবে, লোকসানও হবে। ক্যাপিটালিস্ট সমাজের এই সত্যটা মেনে নিতে হবে।
২। শেয়ারবাজারে ঝুঁকি থাকবে, তারপরও সেখানে রেগুলেশনের দরকার। গতবার বা এবার সেরকম কি কি ঘটেছিল, জানতে চাই।, ব্যাপারটা কি আইনের অভাব, না প্রয়োগের অভাব, নাকি আইনের ফাঁক-ফোকরের অপব্যবহার।? ১৪ বছরেও কাহিনী জানলাম না।
৩। রেগুলেশন থাকলেই হবে না। নতুন পরিস্থিতি মোকাবেলায় রেগুলেশনকরে সময়মত বদলাতে হবে। সংসদ, প্রশাসন, মিডিয়া, পেশাজীবিদের সেরকম ডায়নামিক হতে হবে, কয়েকজন শেয়ারবাজারী যাতে পুরো সিস্টেম ম্যানিপুলেট করতে না পারে। উই শুড নট লেট ফিউ ক্যাপিটালিস্ট ইট দ্য হোল ক্যাপিটালিজম
৪। অন্য একটি খ আদ্যাক্ষরের এক ব্লগার একটা ভালো জিনিষ বলেছেন, শেয়ারবাজারের দুই নাম্বারি/ধ্বস সব জায়গায়ই হয়, তবে সেটা হয় বাবলের অন্তিমে। বাংলাদেশের বাবলটা কি? রিয়েল এসটেট? টেলিকম?
৫। ফালািনর মত মানুষেরা সবসময়ই মরে। এই ব্যাপারটা নিয়ে ইন্টারন্যাশনালি সিরিয়াস ক্যাম্পেইন করা দরকার। । সরকারের কথা যত কম বলা যায় ততই মংগল। সরকার বানানটা বদলায় এমন করা দরকার "সারকাস"
১. একমত
২,৩. জানি না
৪. আগেরবারের বাবল ছিলো পাবলিকের অনভিজ্ঞতার (মতান্তরে নির্বোধ লোভের) সুযোগে ম্যানুপুলেশন। এবারের বাবল বোধহয় ইয়ারলি ক্লোজিঙের আগে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলোর লিকু্ইড অ্যাসেট উইথড্রয়াল।
৫. ঘটনা কতদূর গড়ালে বিএসএফ-এ কর্মরত থাকার হিস্ট্রি থাকলে (হি্উম্যানিটি গ্রাউন্ডে অনুত্তীর্ণ হয় বলে) কানাডা ভিসা দেয় না। (সিদ্ধান্তটি খুব বেশিদিনের পুরনো না)
লাইফ সাপোর্ট দিয়া রোগীকে বাঁচানোর চেষ্টা চলছে।
ভাগ্য ভালো এই জুয়ায় নামি নাই।
এক ধমকে বাজার আপ
জয়তু পিএম
হল্ট্রেড
ছবি: শুভ্রদ্বীপ পাল
সীমান্তে গুলিতে নিহত কিশোরী
নিজস্ব সংবাদদাতা • দিনহাটা
সীমান্তের বেড়ার গায়ে মই বেঁধে কাঁটাতার পেরোনোর সময়ে বিএসএফ জওয়ানদের গুলিতে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের দিনহাটা থানার চৌধুরীহাটে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া গ্রাম খিতাবের কুঠি এলাকায়। এ দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত লাগোয়া কোনও ভারতীয় গ্রামের বাসিন্দাই মৃতদেহটি দাবি না-করায় ওই কিশোরী বাংলাদেশের নাগরিক বলে সন্দেহ পুলিশের। পুলিশ দেহটি ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। পাশাপাশি বিএসএফের তরফে কিশোরীর পরিচয় জানার চেষ্টা হচ্ছে। এ দিন সকালে কাঁটাতারের বেড়ার গায়ে লাগানো মইয়ের উপরে কিশোরীর ঝুলন্ত দেহটি দেখতে পেয়ে এলাকার বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। ওই কিশোরী বেআইনি ভাবে সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টা করায় গ্রেফতারের চেষ্টা না-করে গুলি চালানো হল কেন সেই প্রশ্ন তোলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কোচবিহারের জেলাশাসক স্মারকী মহাপাত্র বলেন, “বিএসএফের গুলিতেই ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। নিহত কিশোরী বাংলাদেশের নাগরিক বলে মনে করা হচ্ছে।”
এ দিন সকালে কিশোরীর দেহ উদ্ধারের পরে পরিচয় নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিক তদরে পরে পুলিশি সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচবিহারের সীমান্ত লাগোয়া এলাকার গ্রামগুলির বহু বাসিন্দাই দুই দেশের বিভিন্ন গ্রামে চোরাপথে যাতায়াত করেন। ওই কিশোরীও তার বাবার সঙ্গে সে ভাবেই হয়তো কোনও ভারতীয় গ্রামে বেআইনি ভাবে এসেছিল। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তিনটি মই লাগিয়ে ওই কিশোরী এবং তার বাবা কাঁটাতারের বেড়া পার হওয়ার চেষ্টা করে। তার বাবা ওপারে চলে গেলেও বিএসএফ জওয়ানদের গুলিতে কিশোরীর মৃত্যু হয় বলে গ্রামবাসীদের সন্দেহ। তবে এলাকার বাসিন্দারা এই নিয়ে মুখে কুলুপ আঁটায় কিশোরী কোন গ্রামের কোনও বাড়িতে এসেছিল সেটা পুলিশের কাছে স্পষ্ট নয়। কোচবিহারের পুলিশ সুপার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। মৃতার পরিচয় জানারও চেষ্টা হচ্ছে।”
এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সিপিএমের জগাই সাহা বলেন, “ওই কিশোরী যে দেশেরই নাগরিক হোক না কেন, যে ভাবে দেহটি বেড়ার উপরে ঝুলছিল তা চোখে দেখা যায় না। সেই কারণেই এলাকার বহু বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গ্রামবাসীদের অনেকেই মনে করেন, গুলি না-করে কিশোরীকে গ্রেফতার করা যেতে পারত।” বিএসএফ কর্তারা এ দিন ওই ঘটনা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন। কাঁটাতারে ঝুলছে সন্দেহভাজন বাংলাদেশি কিশোরীর দেহ।
http://anandabazar-unicode.appspot.com/proxy?p=archive/1110108/8uttar2.htm
অসহ্য ! শুধু প্রতিবাদ নয়, প্রতিশোধ নিতে ইচ্ছা করে । কিন্তু কেমন করে ?
জরুরী ভিত্তিতে শেয়ারবাজার শিখতে চাই।
এখন পোলাপানের ভবিষ্যত, নিজের ভবিষ্যত নিয়া ভাবতে ইচ্ছা হয় না। ভাইব্যা কিছু হয় না।
মন্তব্য করুন