মৃত্যুর অপচয় থামাই:: শাশ্বত এবং রাসেলকে নিয়ে ...
অনিবার্যকে উপেক্ষা করে মানুষের বেঁচে থাকবার লড়াই চিরন্তন। কিছু কিছু সংগ্রামী মানুষের দৃঢ়তা দেখে শ্রদ্ধা জাগ্রত হয়।
আজ শ্বাশত সত্যকে নিয়ে লেখা প্রতিবেদন পড়ে শ্বাশত সত্যের সংগ্রাম দেখে শ্রদ্ধায় অবনত হলাম। মৃত্যুকে অবজ্ঞা করে তার বেঁচে উঠবার লড়াইয়ে সঙ্গী হতে অনুরোধ করতে পারি। কাউকে বাধ্য করতে পারি না।
মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও মরিয়া মানুষ অসম্ভবের ডানায় ভর করে বেঁচে উঠবার স্বপ্ন দেখে। মানুষের প্রতি মানুষের আস্থা আর বিশ্বাসের প্রতিদান দিতে পারে শুধু মানুষ।
আমারা সম্মিলিত ভাবে একজন শাশ্বত সত্যকে বাঁচিয়ে তুলতে পারি।

ক্যাম্পেইনে ঋককে নিয়ে রাসেলের অংশগ্রহন।
এই লেখাটা পড়ে আপনাদের কি মনে হয়? মানুষকে বাঁচিয়ে তোলাটা অন্যায়? মানুষের জন্য হাত বাড়িয়ে দেয়াটা অন্যায়? এখন থেকে কি মানুষ মানুষের পাশে দাড়াবে না? উপরের কোট করা লেখাটা রাসেলের... আর সে আজ জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে দিনাতিপাত করছে শুধুমাত্র লেখালেখির কারণে। গতকাল পর্যন্ত সরকার তার বিরুদ্ধে কোন মামলা দায়ের করতে পারে নাই... শুধু মাত্র সন্দেহের বশবর্তী হয়ে ৫৪ ধারায় সে আটকে আছে জেলখানায়
... এ এক আজব দেশে বসবাস আমাদের
আমার দেখা এমন কোন ক্যাম্পেইন নেই যেখানে রাসেলের অংশগ্রহণ ছিল না। এমন কয়টা ব্লগার আছে যার এমন সব ক্যাম্পেইনে অংশ নেয়ার আগ্রহ আছে? ইচ্ছা আছে? শ্রম আছে? অংশগ্রহণ আছে? গ্রেফতারের ২ দিন আগেও মইনুল এইচ সিরাজির ভাতিজার আমেরিকায় সুযোগ পেয়েও না পড়তে পারা সংক্রান্ত স্টেটাস নিয়ে আমাকে নক করে বললো.. "আমাদের কি কিছু করার আছে? একটু কথা বলে দেখোতো... যদি কিছু করতে পারি"।
গতকাল শাশ্বত সত্যর সাথে দেখা হলো... পুরানা ব্লগারদের হয়তো এখনো কিছুটা মনে আছে... অফিসে আইসাই জড়াইয়া ধরলো... এক আবেগী মুহুর্ত... গল্প করলাম অনেকখন... দ্যান ওকে বাসে তুইলা দিলাম। এক ধরনের প্রশান্তি ছিল সবটা সময়... এই ছেলেটাকে হাটতে দেখাটাই সবচাইতে আনন্দময় ঘটনা ছিল। রাসেলের আবেগের প্রকাশ নাই... কিন্তু আমি জানি আজ রাসেল বাইরে থাকলে অনেক খুশি হইতো...
শাশ্বত সত্যকে নিয়ে একটি ভিডিও চিত্র... যেখানে জানতে পারবেন কে ছিলো শাশ্বত
তবুও আশা বাঁধে কেউ
কারা যেন আসবে ছুটে
আর কিছুই নয় শুধুই প্রাণের টানে
সকল পাহাড় হার মেনে যায়
হার মেনে যায় ভাঙ্গন শেষে
ভালবাসার গন্ধ থাকে,
সব মানুষের বুকে
সব ভাললাগাই শাশ্বত হয়ে যায়,
শুধু শাশ্বত একা আটকে থাকে,
এই শহরের গলির মুখে
শাদা মেঘের কুচির ফাঁকে
সেই আলোর লুকুচুরি খেলায়
সবুজ পৃথিবীর নিঃশ্বাস মেখে
বেঁচে যাওয়া কি অনন্ত সাধ
শাশ্বত'র......
http://www.youtube.com/v/-sKnY4IUxxc





শাশ্বত ভালো আছে- ভাবতেই ভালো লাগছে। আজ সেসব নাম না জানা মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই- যাদের একটু একটু সাহায্য আর সহযোগিতায় আজ ছেলেটি হাঁটতে পারছে। পড়াশুনা করতে পারছে। সেসময় আমরা- এই 'নাস্তিক ব্লগাররা' উদ্যোগ নিয়েছিলাম বলেই আজ নতুনরুপে জীবন চালিয়ে যাচ্ছে শাশ্বত। জয় হোক জীবনের। শাশ্বতরা এমনি করে ভালো থাকুক।
শাশ্বত ভালো থাকবে ইনশাল্লাহ
মানুষকে বাঁচিয়ে তোলাটা অন্যায়? - অন্যায়
মানুষের জন্য হাত বাড়িয়ে দেয়াটা অন্যায়? - অন্যায়
এখন থেকে কি মানুষ মানুষের পাশে দাড়াবে না? - না
সে আজ জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে দিনাতিপাত করছে শুধুমাত্র লেখালেখির কারণে। গতকাল পর্যন্ত সরকার তার বিরুদ্ধে কোন মামলা দায়ের করতে পারে নাই... শুধু মাত্র সন্দেহের বশবর্তী হয়ে ৫৪ ধারায় সে আটকে আছে জেলখানায় ... এ এক আজব দেশে বসবাস আমাদের - হয়ত আমরাও আজব । আজব দেশ বলাও হয়ত অন্যায় ।
কোথায় যাচ্ছি আমরা!!! কেউ কি জানে!!!
ঋক, ঋত আর কতদিন বাবা ফিরে আসার অপেক্ষা করবে !!! কেউ কি জানে!!!!
মন খারাপের পোস্ট নিজেদের ব্যর্থতার কথা বারতা
রাসেলের ছবিটা অপরাধী ভাবায় নিজেকে
এটা অবাক করার মত, এই লোকটার মাঝে কি আছে যে সবাই ওকে পছন্দ করে! আপনার যারা কাছাকাছি মিশেছেন তারা আরও ভাল জানবেন বৈকি! তারপরে যেটুকু জানি, তাতে যে সন্মান আসে মনে তা হয়ত অনেকের জন্যই আসে না!
রাসেলের সাথে যদি মিশেন... আড্ডা দেন... কথা বলেন... দেখবেন এর চাইতে সাদামাটা কোন মানুষ হয় হয় না। হয়তো পায়ে থাকবে সাধারন এক জোড়া স্যান্ডেল... গায়ে টিশার্ট আর নরমাল একটা প্যান্ট পরেই সবখানে হাজির।
কিন্তু রাসেলের লেখা পাঠে টের পাওয়া যায় কি অসাধারণ ওর ভাবনা চিন্তা।
আলি মাহমেদ ভাইয়ের একটা লেখা..ব্লগ-ব্লগিং, একজন রাসেল পারভেজ এবং...
গতকালকে মুক্তি হয় নি, কবে হবে কোন নিউজ আছে? রাসেল ভাই ফিরে আসুক ব্লগের মাঝে, এই কামনায় করি!
কোন নিউজ নাই
মন্তব্য করুন