আসেন একটা গফ শুনি
সে বহুকাল আগের কথা যখন আরব্রা গুহায় বাস কর্তো... আম্রা তখন সামুতে খাইয়া না খাইয়া পইরা থাক্তাম... অচিনদা পোস্টানোতো দুরের কথা ... কোন কিছু ভাবলেই ব্যান খাইতেন... সেই বর্ণিল সময় পেরোতে পেরোতে কত্ত কি দেখলাম এর মধ্যে ময়ুরাক্ষী নদীতে কত রঙের জল গড়াইয়া গড়াইয়া পর্লো.. এখন শুকাইয়া সেখানে ময়ুরাক্ষী হাউজিংও উইঠা গেল...
যাউক্গা.. স্মৃতী তুমি হ্যান্ড শাওয়ার ... এইসব বৈলা ফয়দা নাই ... আসেন একখান জ্ঞানের কথা শুনি
একদা এক জেলে ভদ্রলোক চারিদিকে আলো ফোটার আগেই ঘুম হইতে জাগিয়া গৃহ কর্ম সম্পাদনে অবশিষ্ট কিছু না পাইয়া অভ্যাস বশত: সমুদ্রে পানে ছুটিলেন। সমুদ্রই তাহার জীবন যাপন... বেশ কিছুদিন সে এইখানে বসত গড়ছেন... এই জায়গাটা তার মুগ্ধতা জাগায়...
চমৎকার দিল খোলা বয়ে যাওয়া বাতাসে ভোরের আলো স্বল্পতায় তাহার ভালোই লাগতেছিল। নাই কাজ তো "ভুট্টার পপকর্ন" ভাজ
... আম্রা যেইরম ঘাসের উপ্রে বসিয়া বসিয়া ঘাস ছিড়িয়া দাত দিয়া কুট্টুস কুট্টুস করিয়া কাটিয়া থাকি ... তাহারো সেইরম অভ্যাস.. তিনি সাগর পাড়ে বসিয়া বসিয়া মাঝে মাঝে পায়ের কাছে ছড়িয়ে থাকা পাথর খন্ড সমুদ্রে নিক্ষেপ করিতেছিলেন। আর পানির লাফিয়ে ওঠার দৃশ্যে মৎস কল্পনায় বিভোর ছিলেন
সময়ের চক্করে শিফটিং ডিউটি হেতু সূর্য আংকলকে দুনিয়াতে ফিরিতেই হয় ... উনি যথাসময়েই পুবাকাশে উকি দিলেন ... আর এই দিকে আমাদের জেলে মহাশয়ের হাতে সর্বশেষ প্রস্তর খন্ডটি ছুড়িয়া মারার নিমিত্তে হাতে লইতেই দেখিলেন ইহা একটি ডায়মন্ড খণ্ড
... উনি এতক্ষন বসিয়া বসিয়া ডায়মন্ড পানিতে নিক্ষেপ করিয়াছেন
... জমিদার আর কারে কয়
|
|
|
|
|
|
|
|
এই গফে আম্রা কি শিখলাম?
|
|
|
|
|
|
|
|
কখনো ভোর বেলায় ঘুম থেকে উঠতে হয় না 





এই গল্ফে আম্রা শিখলাম, না দেখিয়া ছোঁড়াছুঁড়ি, ছোঁয়াছুঁয়ি -কিছুই করিতে নাই।
যার মনে যা
এই গল্প এখনো শেষ হয় নাই, টুটুল ভাই পরের পর্ব ছাড়েন।
আরে পর্ব পাইলেন কৈ?
আম্রা যারা দেরিতে ঘুম থিক্কা উঠি... এইটা হৈলো এক্টা যাস্টিফিকেশন
আর পর্ব নাই!
ডায়মন্ড দেইখা চোখ চকচক করছে ভাবছিলাম ঐটা পাওয়ার তরিকা শিখাইবেন।
ক্যান ছুডু কারে পড়েন্নাই
কেন? ভোর বেলায় উঠলে কি হয়? এইটা কেন শিখলাম?
আপনি পছন্দ করেছেন
আপনি পছন্দ করেছেন
পোস্টটি ৩ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন
তুমি কি "৩ জন" ব্লগার
জাল ভোট দেয়ার, কারচুপি করার সিস্টেম কেন নাই?আমি যতবার পড়মু ভালু লাগলে লাইক করমু?অসুবিধা কি?
তাইলে একটা রেটিং মেশিন কিনো
আন্ধারে পাথর ছুড়িলে তা ডায়মন্ড হইয়া যায়, আর আলোতে ছুড়িলে তা পাথরই থাকে ডায়মন্ড আর হয় না। খেক খেক খেক..
ওইদিন অনেক গুলা সূত্র পর্লাম... এখন ভাবতাছি আপ্নারটাও ওইখানে থাকন দর্কার আছিল
বকলমের সূত্র:
আন্ধারে পাথর ছুড়িলে তা ডায়মন্ড হইয়া যায়, আর আলোতে ছুড়িলে তা পাথরই থাকে ডায়মন্ড আর হয় না।
দেখি সময় কইরা প্যাটেন্ট কইরা ফালামু
তারাতারি কৈরা ফেলেন
বাকি সূত্রগুলো আপ্নার জ্ঞাতার্থে
::
কিছু অখন্ডনীয় সূত্র:
লরেন্জ-এর সূত্র: ইন্ঙ্জিন বা মোটর সারাবার পর যখন হাতে তেল লেগে থাকবে তখনই নাক চুলকাবে।
কোভাক-এর সূত্র: টেলিফোনে ভুল নম্বর ডায়াল করলে কখনো তা বিজি থাকে না।
ক্যানন-এর কার্মিক সূ্ত্র: বস-কে যদি মিথ্যে অজুহাত দেন যে টায়ার ফাসার জন্য আসতে দেরী হয়েছে, তবে পরের দিনেই টায়ার ফাসবে।
ও'ব্রায়ানের সূত্র: যে লাইনে দাঁড়িয়েছেন, সেই লাইন ছেড়ে অন্য লাইনে দাঁড়ালে দেখবেন আগের লাইনটা দ্রুত এগোচ্ছে।
বেল-এর সূত্র: বাথরুমে ঢুকে পানি দিতে না দিতেই শুনবেন টেলিফোন বাজছে।
রুবী'র সূত্র: কাউকে নিয়ে যখন ঘুরছেন, তখন যাকে চান না আপনাদের একসঙ্গে দেখেন- তাকে দেখার সম্ভাবনাই বেড়ে যাবে।
উইলোবি'র সূত্র: যখন কাউকে দেখাতে চান যে, একটা জিনিষ কাজ করছে না, তখন সেটা ঠিক ঠাক কাজ করে বসে।
জাদ্রা'র সূত্র: যে জায়গায় চুলকোতে যখন অসুবিধা হয়, সেই খানেই চুলকানি বাড়ে।
ওয়েন-এর সূত্র: যখন গরম চা নিয়ে সবে মাত্র বসেছেন, তখনই বড় সাহেব ডেকে পাঠিয়ে কোন কাজ দেবেন যা করতে গিয়ে চা ঠান্ডা হয়ে যাবে।
হাইডেনের সূত্র: মেইলবক্স বা পোষ্টবোক্স দেখা মাত্র আপনার মনে পড়বে যে চিঠিটা পোষ্ট করার কথা ছিল, সেটা সঙ্গে নেই।
কিচেন-এর সূত্র: বাসে উঠে বা অফিসে এসে ভাবনা শুরু হবে, বাড়ির ফ্যানটা বা পাম্পটা বন্ধ করে এসেছেন কিনা।
যেই দিন আপনার তাড়াতাড়ি যেতে হবে, সেই দিন রাস্তায় স্বাভাবিকের থেকে বেশি জ্যাম থাকবে।
যেদিন আপনি অফিসে লেট যাবেন, সেদিনই আপনার বস আপনার থেকে আগে অফিসে পৌছে যাবেন, যদিও প্রতিদিন তিনি অনেক পরে অফিসে আসেন।
বই খোঁজারও একটা ছিলো মনে হয়। একসারি (নাকি কলাম?) বইয়ের মধ্যে দরকারীটা পাওয়া যাবে সবার নীচে। সেটা ভেবে নীচের দিক থেকে খুঁজলে আবার ব্যতিক্রম হবে।
এই সকল গনমানুষের সুত্রগুলো নিয়ে একটা বই বের হ্ওয়া উচিত
মারফির সূত্রেরই প্রয়োগ সবগুলান। এইটা নিয়া ফারিহান মাহমুদের একটা পোস্ট ছিল অ-সা-ধা-র-ণ!
আমি তো অন্য একটা জিনিষ শিখলাম...পাত্থর অনেক সময় ছুড়তে হয় না, বরং তার সঠিক ব্যবহার করতে হয়...
হায় হায় এতো পুরাই আধ্যাত্মিক গল্প! ইমাম গাজ্জালীর দর্শনের বইতে এমন একটা গল্প আছে। গুরু দেখি গভীর জলের মৎস
চৈত্র মাসে জল পাইলেন কৈ বস?
এই গফে আম্রা শিক্লাম-
১. একদা অচিন্দা কিছু ভাবলেও ব্যান খাইতো
২. একদিন স্মৃতিরা বদ্না না হয়ে হ্যান্ডশাওয়ার হয়ে যায়
৩. একদিন ময়ূরাক্ষী হাউজিংএর জায়গায় ময়ূরাক্ষী নদী ছিলো
৪. যেখানে দেখিবে ছাই উড়াইয়া দেখো তাই তবে রাইতের বেলা হইলে উড়াউড়ি ছোঁড়াছুঁড়ি বাত্তি জ্বালায়া করা চাই
চ্রম অবজারভেশন
চ্রম অবজার্ভেশন। 8)
নুশেরার মন্তব্যে জাঝা ।
আপ্নেতো তাও "ছোঁড়াছুঁড়ি" পাইলেন... মুকুল তো খালি "ছোঁয়াছুঁয়ি" পায়
এখানে গলপের শেষ দিব্যি একটা এ্যাড শুরু করা যায়, ফিলিপস বালব অথবা আলমের হারিকেন। নাচেগানে ভরপুর এ্যাড।
ভোর বেলা পাথর ও ডায়মন্ড হয়ে যায় ।
পুরানা গাড়িও নতুন হৈয়া যায়
আমার অফিস টাইম নয়টায়। ঘুম থেইক্কা উঠি ৮.১০ মিনিটে। নয়টার মধ্যেই
অফিসে হাজির হৈয়া যাই... সুতরাং পাথ্থর খোঁজনের বা পানিত ফেলনের
টাইম নাই... ডায়মন্ড বা সোনাদানা, কোনোটার প্রতি আমার আগ্রহ নাই... গফ
পইড়া কিছু শিখতে চাইনা। মজা পাইতে চাই... মজা পাইছি... পিলাস দিলাম
মেছেঞ্জারে আহেন ইয়াযিদ ভাই।
ফোনদিয়া ম্যাসেঞ্জারে আইতে কন
নুশেরা আপুর গোয়েন্দা গিরির কথাও শিখলাম!
খাইছে এত সূত্র এত শিক্ষা?!!
ব্লগ দেখি ইস্কুল হয়া যাইতাচে!!!
হাহাহাহা
আপ্নেরা গফসফ করেন ,আমি এইফাঁকে এট্টু চা খায়া আসি
.
আম্মো খাইয়াম
আপনারে অস্কার দেয়া হউক এই গফের জইন্যে
আপ্নারে লবিস্ট নিয়োগ করা হৈল
আমিই কি খালি আসল মোরাল বুঝলাম? নাকি সবাই বুইঝাই অন্যদিকে মশকরা করতাছে?
মোর জ্বালা
নিজে দেরি কৈরা ঘুমথিক্কা উঠি... এইডারে যাস্টিফাই করার ট্রাই দিলাম... আর বদ লুকজন খালি উল্টা বুঝে
আসল মোরাল কি ? আমি বুঝতে চাই
গেল্পের শেষে কইছিতো
কওন যাইবো না। মডুমিয়া ব্যান মারতে পারে
এই গপ্প শেষে আম্রা এই বিষয়ে উপনিত হৈতে পার্লাম যে, "ভুলেও বিয়া কৈরো না।"
এই মন্তব্যেরে যেনো কেউ অশ্লীল হিসাবে না নেয়
আমি লৈই নাই
আমি কুনোদিন সক্কাল্বেলা ঘুম থেকে উঠি না, খিকজ
আমি আইসা পড়লাম
কামেল্লুক

স্বাগতম
এখন কি হাসতে হবে ?
লেখাপড়ার টাইমে হাশ্তে হয় না

বাসায় যাইয়া হাইসো
বিয়াপক উপাদেয় গল্প !
মাগার মহাবেকুব প্রজাতীর মধ্যে নিজেকে গণ্য করায় গফের মর্মার্থ ধরিতে অক্ষম হই
এইখানে কবি দেরি কৈরা ঘুম থিক্কা উঠার কথা ইনিয়ে বিনিয়ে বর্ণনা করিয়াছেন
হাহা! চমৎকার শট। সোজা অফ স্ট্যাম্পের বাইরে দিয়ে অ্যান্টেনার উপর দিয়ে চলে গেলো।
হাহাহাহাহা
এইখানে কবি দেরি কৈরা ঘুম থিক্কা উঠার কথা ইনিয়ে বিনিয়ে বর্ণনা করিয়াছেন
ভোর হয়ে আসছে প্রায়, আমি ঘুমাইতে গেলাম
এইটা ভালা হৈছে

কোন রিস্ক আর থাকপে না
দেখিয়া ছুড়িও ঢিল
ছুড়িয়া দেখিওনা
বাহ।।! টুটুল তো ভাল লিখে...!
লাইক করলাম...!
ব্যপক
নিরোলস সমই মানুস কে ওনেক সুজগ এর হাটসানি ডেই। .........
আমি ভোর বেলায় ঘুমাতে যাই। উঠবে কেমনে?
আমি ভোর বেলা ঘুমাইতে যাই-----
সারারাইত কি করেন?ইন্দুর মারেন নি????
গফ্ শুইন্যা মজাক পাইলাম। চাইলেও সকালে ঘুম থিকা উঠতে পারি না। সেই দুঃখ একটু হাল্কা হৈল
টুটুল ভাইরে ধইন্যাপাতা
মন্তব্য করুন