মেসবাহ য়াযাদ'এর ব্লগ
জানো, এই ব্রিজের মধ্যে আমার রক্ত আছে...
নভেম্বর মাসে ছেলটির বিয়ে হলো। দীর্ঘ ১২ বছরের প্রেমের সফল পরিণতি। ছেলেটি তখন কুমিল্লাতে চাকুরী করে। মেয়েটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। এম এ ক্লাসে। মেয়েটির বাবা থাকেন নারায়ণগন্জ। সেই সূত্রে মেয়েটিও নারায়ণগন্জ থাকে। মাঝে মাঝে কুমিল্লাতে যায়। ছেলেটি আসে নারায়ণগন্জ।
সেইযে আমার নানা রঙ্গের দিনগুলি...
আমাদের বাসায় (যার নাম ছিলো " যন্ত্রণা ") ছিলো বন্ধুদের যখোন তখোন আড্ডার স্থান। আমার বাবা ছিলেন মাই ডিয়ার টাইপের মানুষ। ছোট ৩ ভাই-বোন ছিলো বজ্জাতের হাঁড়ি। ওদের বন্ধু-বান্ধবীরা সবসময় আমাদের বাসা ভরে থাকতো। ছেলে-মেয়েগুলো হোস্টেলে থাকতো। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে পড়তো ওরা। ভালো-মন্দ খেতে মন চাইলেই আমাদের বাসায় চলে আসতো। চেটে-পুটে ফ্রিজের সব খাবার নিজেরাই রান্না করে, খেয়ে তারপর হলে ফিরে যেতো। ভাই-বোনদে
কেউ কি একটা চিঠি লিখবেন ?
একসময় অনেক চিঠি লিখতাম। প্রায় প্রতিদিন ৪/৫ টা চিঠি আসতো আমার নামে। অনেক কলম বন্ধু ছিলো আমার। আজ আর কারো কাছে চিঠি লিখিনা। পাইনা। মোবাইলে যত কথাই হোক, চিঠির ব্যাপারটাই ছিলো অন্যরকোম। এখনো সংগ্রহে হাজার দুয়েক চিঠি আছে। মাঝে মাঝে সেসব খুলে বসি। পড়ি। বউ, ছেলেকে পড়ে শুনাই। এরমধ্যে ছেলের মায়ের চিঠি আছে। বন্ধুদের আছে। যাদের প্রায়
আগামীকাইল কিন্তু পিকনিকের চাঁদা দেবার শেষ দিন
আপনেরা সবতে জানেন, এবির সাথে সংশ্লিষ্টরা মিলে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, শুক্কুরবার সকালবেলায় অজানার পথে পাড়ি জমাইবার খায়েস করিয়াছি। আমরা একখান বাস লৈয়া সকালবেলায় চিল্লা-ফাল্লা করিতে করিতে যাত্রা শুরু করবো। সকালে নাস্তা , দুপুরে ভাত/পোলাউ, আবার বিকালে নাস্তা খাইবার ইচ্ছা রাখি। এইছাড়া সারাদিন গান-বাজনা-ক্যাটায়াক-আড্ডা-ঘুম-বাথরুম এইসবতো আছেই...। তা এইসব করিবার জন্য আমাদের যা যা লাগিবে :
১. কতজন যাইবো, তা নিশ্চিত হয়া
২. সবার টেকা পয়সা এক জায়গায় জড়ো করা
? ! ? !!!!
হাসি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, আসুন
হাসি...
পিকনিক সংবাদ
সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, গতকাল ফুচকা-চটপটি খাইতে খাইতে ৫ ফেব্রুয়ারির পিকনিকের ব্যাপারে বিস্তর কথা-বার্তা হয়। প্রস্তাবিত একটা ভ্যানু প্রাথমিকভাবে ঠিক করা হয়। অদ্য সকালে সেই ভ্যানুর মালিকের সাথে কথা বলার পর তিনি তার বাগানবাড়িটি ব্যবহারের জন্য সদয় সম্মতি দেন।
তার বাগান বাড়িতে যাবার রাস্তা হচ্ছে :
বেডা মানুষ আর মাইয়া মানুষ
বেডা মাইনষের হাতে কিছু টেকা পয়সা হৈলে তারা দুষ্টামী কইরা সেইসব টেকা পয়সা খরচ করে...
মাইয়া মানুষ একটু দুষ্টামী কৈরা সেইসব টেকা পয়সা আয় করে...
সম্প্রদান কারক !!!
স্বত্ব ত্যাগ করিয়া যাহা দান করা হয়- তাহাকে সম্প্রদান কারক বলে। ছোডকালে এইরকম একখান কতা পড়ছিলাম। তো যা কৈতে চাই তা হৈলো : এবি'র বেবাকতেরে ২০১০ সালের ক্যালেন্ডার ২টা কৈরা দিতে চাই (টেবিল , দেয়াল) । খালী শর্ত একটাই.... নিজে অাইয়া নিতে অইবো...
আমাদের আনন্দ
আমাদের আনন্দের জীবনটাই জানি কেমন! মফস্বল শহেরর ছেলে সে। স্মার্ট, সুদর্শন। পড়াশুনাটা শেষ করে জীবন জীবিকার সন্ধানে একই ট্রেনে ঢাকা আসার পথে পরিচয় হয় মেলিতার সাথে। মেলিতা ঢাকার কোনো এক বিখ্যাত কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। সাত ঘন্টা খুব বেশি সময় না, আবার কমো না ! মেলিতা আনন্দের জীবনটা এলোমেলো করে নেমে যায় এয়ারপোর্ট স্টেশনে।
মাত্র ১ দিন বাকী...
মাত্র ১ দিন বাকী । ৩০ ডিসেম্বর সকাল ১১ টায় সুন্দরবন যাইতেছি। সূর্য উৎসব করতে। ১৫৫ জনের মতো। ভালো, মন্দ, চিকন, মোটা, সাদা, কালো, শ্যামলা, লম্বা, বাঁইট্টা, পোলা, মাইয়া, ভালো মানুষ, খারাপ মানুষ.....
কী যে করি....
আজ কয়েকদিন থেকে বেশ ঝামেলায় আছি। দুপুরের পর কম্পুতে বসে কাজ করার সময় এ সমস্যাটা প্রকট হয়ে দেখা দেয়। ইদানীং ব্যাচেলর লাইফ কাটাচ্ছি বলে রাত জেগে টিভি দেখে ঘুমাতে যাই ২/৩ টার পর। সিগারেট পোড়াচ্ছি দ্বিগুন হারে। রাতে বাসায় ফিরে নিজে রান্না করে খাই।
আমি বহুত খুশি। শোকর আলহামদুলিল্লাহ !!
অবশেষে আজ দুপুর বারোটার সামান্য সময় পরে একান্ত নিজের করিয়া আমি তাহাকে পাইলাম। আমি বহুত খুশি। শোকর আলহামদুলিল্লাহ !! 

