ইউজার লগইন
ব্লগ
"যাত্রা "
অদ্ভূত সব বর্ণিল বিস্মৃতি..
স্মৃতির বিষন্ন কারাগারে,
আধখানা সুখের আধময়লা অনুভুতি..
আর নির্মম বাস্তব ;
চেনা পথজুড়ে অচেনা ঝাপসা চোখ
কলের গাড়ির তীক্ষ্ণ হুইসেল ..
পুরনো আকাশ , পুরনো মেঘ ..
একলা রাত্তিরে বর্ণিল আকাশে
একলা তারা গোনা প্রহর..
হাতে পুরনো কাব্য ,উপন্যাস ...
কিংবা খবরের কাগজের
প্রথম পাতা ,
আধো ঘুম আর জেগে থাকার মাঝে
পুরনো শৈশবে হেঁটে যাওয়া ,
কোনো পুরনো স্মৃতি ...
রোমন্থন করে
আনমনে হেসে ওঠা ,
বিস্তীর্ণ জনসমুদ্র পিছে পড়ে...
পড়ে থাকুক নদী - পাহাড় আর
কষ্টময় বর্তমান ..
কতদিন পর
শিকল ভেঙে,
আজ মুক্ত হলাম পাখির মত ..
ভাসলাম সাদা মেঘের ভেলায়..
ধুলোমাখা রাজপথ..
অস্থির কোলাহল.. আর ..
কলের আওয়াজ আস্তাকুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলে..
রং ভরা কিছু অতীতকে মুঠোয় পুরে...
একরাশ স্বপ্নকে সঙ্গী বানিয়ে ...
আজ আবার পথিক হলাম..
আমি চললাম..
এই আমার একলা পথ ,
পাইরেটস অফ দা সোমালিয়া । বিগেনিং
সোমালিয়ান পাইরেটস । ৫/৬ বছর ধরে মেরিটাইম বিশ্বে একটি ক্যান্সারের নাম । ইউরোপ হয়ে যে সব জাহাজ এশিয়া / মিডল ইস্ট / ফার ইস্ট ট্রেড(বা ভাইস ভারসা) করে তাদের জন্য ব্যাপারটা দিন দিন আতঙ্ক হয়ে উঠছে । নাবিকদের নিরাপত্তা / জাহাজের নিরাপত্তা / পণ্যের নিরাপত্তা নিয়ে জাহাজ মালিকরা শঙ্কিত ।সুয়েজ খালের ব্যাবহার দিন দিন কমছে ।। গালফ অফ এডেন এখন মেরিনারদের কাছে একটি দুঃস্বপ্ন । সবচেয়ে বড় খারাপ সংবাদ হল পাইরেটদের এরিয়া দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশী জাহাজ এম ভি জাহান মনি আটক এবং মিডিয়াতে এর ব্যাপক প্রচার বাংলাদেশী মেরিনারদের পারিবারিক জীবনকেও বিপর্যস্ত করেছে । আগে ব্যাপারটা তেমন কেউ জানত না বা খোঁজ নিত না । কিন্তু এখন সবাই খোঁজ নেয়া শুরু করেছে । জাহাজের উঠার কথা আসলেই সবাই জিজ্ঞাসা করে রুট কোথায় ।
টুকরো সংবাদ টুকরো ভাবনা
যদে দেওয়ার মতো কোনো সংবাদ থাকে তাহলে সে সংবাদ হলো অনেক দিন পর কিবোর্ড কেনা হলো, কিংবা অন্যভাবে বলা যায় কিবোর্ড কিনতে বাধ্য হলাম। নিতান্ত বাধ্য না হলে কোনো পরিবর্তনে যেতে আগ্রহী না আমি, এতদিন অনেক কৌশলে কাজ চললেও সকালে বন্ধুর সাথে কথা বলার সময় বুঝলাম কিবোর্ডের ম্যাল ফাংশন গুরুতর, এখন 'এম' কাজ করছে না। আমার শব্দভান্ডার সীমিত, সুতরাং 'এম' কিংবা 'ম' নেই এমন শব্দ বাছাই করে দীর্ঘ সময় আলোচনা করা রীতিমতো অসম্ভব, নতুন কিবোর্ডে নতুন লেখা বলা যায় এটা।
[১ ]
আমাদের জাতীয় চরিত্র উপলব্ধিতে হাইকোর্ট যে বিভ্রান্তিতে ছিলো গতকাল সেটা সংশোধন করেছে সুপ্রীম কোর্ট, তারা ফতোয়া বিষয়ে ফতোয়া জারী করেছে, বলেছে ফতোয়া জায়েজ কিন্তু কাউকেই মানসিক কিংবা শাররিক শাস্তি প্রদান করা যাবে না।
উদার আবদার
আবদার ছিল দেখা দেয়ার।প্রথমে খুনসুটি লগ্ন নিয়ে। কোন সময়টিতে দেখা হতে পারে।
ভাত দুপুরে, যখন সবাই একটু বেসামাল?
না অসম্ভব। অপর্ণাদের বাড়ির বুড়িটা এসময় শাক তুলতে বেরোয়। বুড়ি কখন কোথায় ঢুঁ দিয়ে বসে।
তাহলে ভোরে, লোকে আড়মোড়া ভাঙ্গার আগে।
বাহ খুব উত্তম প্রস্তাব, তবে জনাব আমার আড়মোড়া ভাঙ্গাবে কে ?
অতএব মধ্যরাতে। আলগোছে দরজার খিল থুলে..।
বোকা কোথাকার। বাইরে তখন জোনাকি আছে না।
আচ্ছা লগ্নের কথা আপাতত শিকেয় তোলা থাক। আগে ঠিক হোক কোথায় হচ্ছে দেখা।
ওমা, এনিয়ে আর বাছ-বিচারের কি আছে। চলে এসো স্কুল ঘরের পেছনের কল তলায়। বড়ই গাছের আড়ালে।
হা হা তাহলে তুমি গাছ তলে আর আমি মগডালে।
তামাশা ছাড় আসবে কিনা বলো।?
বড়ই গাছে কাটা। পায়ে কাটা বিধঁতে পারে। অন্য কোথাও।
তাহলে নৌকা ঘাটে আসো।
সেইতো একই হলো...পায়ে ভাঙ্গা শামুক বিধঁবে যে!
কথিত "বাম দূর্গের পতন" বিষয়ে একটি রাজনৈতিক পর্যালোচনা প্রচেষ্টা...
পশ্চিমবঙ্গে বাম দূর্গে ধস। এই হইলো একটা সংবাদ সংস্থা পরিবেশিত সংবাদের শিরোনাম। দুই বছর আগে একই এলাকার লোকসভা নির্বাচনে একইরকম ফলাফলের পর সামহোয়্যারে আমি এই বিষয়ে একটা স্বল্পায়তন পোস্ট দিলে সেই পোস্টে বেশ কিছু তর্ক-বিতর্কমূলক আলোচনা হইছিলো। সেই পোস্টে আমার সাথে আলোচনায় অংশ নেয়া দুইজন ব্লগার আমরা বন্ধুতেও সক্রিয় আছেন। তাই বাম জাতির এই ক্রান্তিকালীন সময়ে (?) আরেকটা পোস্ট দেয়ার লোভ সামলাইতে পারলাম না।
আমার যাদুমনি (১৪)

ঋহানের নতুন গাড়ি 

দুই ধাক্কাতেই গাড়ি ভেঙ্গে চৌচির 

ঋহানঃ আমাল গালি'টা ভেঙ্গে গেল? আমাল মন খালাপ 

পাঙ্কু ঋহান
বউ ঋহান 
কি খুশি, মাশাল্লাহ!
আবারো চোখ টিপ 
শিরোনামহীন
সারাদিন বিছানায় , মাথায় অসহ্য যন্ত্রনা , ভদ্র ভাষায় মাইগ্রেন পেইন। দামী ডাক্তারের দেয়া ফ্রি প্রেশক্রিপসনের আনন্দ মুহূর্তে উরে গেছে দামী ঔষুধের কারনে
। আগে ঔষুধ কাজ করতো এখন তাও করে না মনে হয় হার মেনে গেছে। ক্লাশ , এসাইনমেন্ট , কাজ আরো অনেক ঝামেলার ভীড়ে মাথা ব্যাথা অনেকদিন আসার সুযোগ পায় নাই তবে আজকে তার শক্তির কাছে হেরে গেছি।
সারাদিন বিছানায় শুয়ে রেস্ট নিতে ভালোই লাগে তবে যখন ২০ ঘন্টা কাজের পারমিট থেকে ৭ ঘন্টা চলে যায় আজকের সিক কলে সাথে ডেলিভারী শপের বিরিয়ানী বিল যায় ১০ পাউন্ড তখন মাথার সাথে সাথে ওয়ালেটেও কিন্চিৎ প্রেশার পড়ে।
আধো ঘুম আধো জাগ্রত , ল্যাপটপে চলা গান সাথে ছোট ব্যালকনিতে বসে সিগারেট কেমন জানি নষ্টালজিক ব্যাপার স্যাপার , ভালোই একদিনের জন্য ভাবের জগতে হারায় যাওয়া খারাপ না।
রেসিপিঃ বিফ তেহারী [ইন রাইস কুকার!]
আনাড়ি হোন আর সুপার-কুক, ঝটপট নিমেষেই রান্নায় সহজে তেহারীইইইইই! তাও আবার যে সে তেহারী না! সরিষা তেলে বিফ তেহারী! 
উপকরনঃ
এর মাঝে পেতে একটু ঝামেলা হতে পারে মাত্র দুইটা জিনিষ কিন্তু সেইগুলা দেয়া মাস্ট! [* চিহ্নিত]
চাল – ৫ কাপ, তাহলে একই কাপে ৭ কাপ পানি, চাল পানিতে ধুয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে আগে।
মাংস – ৬০০ গ্রাম+ [যত বেশী তত মজা]
এলাচ + দারচিনি – আন্দাজ মতো!
টক দই – ৩০০ মিলিলিটার, মাংস সুন্দর ভাবে মাখাতে যতোটুকু দরকার মনে হয়।
আদা + রসুন বাটা – ১ চা চামচ করে
পিয়াজ কুঁচি – এক কাপ
সরষের তেল – আধা কাপ
গরম মশলা গুড়া – আন্দাজ মতো
শুকনা মরিচ গুড়া – ইচ্ছামতো
লবণ – যেটুকু খেতে চান
কেওড়ার পানি – তিন চার ফোঁটা *
শাহী জিরা – দুই চা চামচ *
এইবার চলেন ঝাঁপায় পড়ি রান্নাবান্নায়!
গ্রহণে বাষ্ফ নেই!
মেঘের কাছে হাত বাড়াই
মেঘ বলে-তোমার কাছে প্রত্যাখ্যান আছে?
বললাম না, আছে গ্রহণ।
মেঘ জানায়- গ্রহণে বাস্প নেই।
তাই ঝরতে বারণ!
মেঘ শিরিষকে বলি-
তোমার ঝরা পাতা দাও করি পবিত্র স্নান।
উত্তরে শুনতে হয়- দীর্ঘ শ্বাস ফুরিয়ে গেছে
বল তোমায় ভেজাবে কে?
অবশেষে মেঘবতী তোমার কাছে-
এক ফোটা নোনা জল দেবে?
তুমি শোনালে-কাজল দীঘিতে চর পড়েছে
চরাচরে কোথায় জল পাবে?
গ্রহণে বাষ্ফ নেই!
মেঘের কাছে হাত বাড়াই
মেঘ বলে-তোমার কাছে প্রত্যাখ্যান আছে?
বললাম না, আছে গ্রহণ।
মেঘ জানায়- গ্রহণে বাস্প নেই।
তাই ঝরতে বারণ!
মেঘ শিরিষকে বলি-
তোমার ঝরা পাতা দাও করি পবিত্র স্নান।
উত্তরে শুনতে হয়- দীর্ঘ শ্বাস ফুরিয়ে গেছে
বল তোমায় ভেজাবে কে?
অবশেষে মেঘবতী তোমার কাছে-
এক ফোটা নোনা জল দেবে?
তুমি শোনালে-কাজল দীঘিতে চর পড়েছে
চরাচরে কোথায় জল পাবে?
দায়হীন বন্ধুতা
রোদ্দূর জল কাদা মাখা
তোমার হাত আমাদের আনন্দ মেহেদী রাঙা,
অবাক বালিকার বাউল-দেউল হওয়া -
রুদ্ধ করলে যখন,
অভিমানের প্রতি স্তর গলতে লাগলো
স্নেহে পূর্ণ করলে জখম।
ব্রীড়ায়-আড্ডায়-ক্ষোভে, লাজে কার্তুজ আগুনে
প্রশ্ন করেছি যতবার, বলেছো এ প্রেম নয়-
তোমার একান্ত প্রকাশ হয়তো বা ভালোবাসার;
অমীমাংসিত বাস্তবে,
আকাশ পেরোনো স্বপ্নের সীমায়
জেনেছি প্রথমত-শেষ পযর্ন্ত আমরা "বন্ধু"
যেখানে নেই আর কোন দায়।
কবিতা লিখার পর বলে আমার লিখার দৈর্ঘ্য খুবই কম, নূনতম ৫০ শব্দ লাগবে । কি করি এখন??
এটা কেমন বিচার?? তাহলে হেলাল হাফিজের "পারমাণবিক বোমা বোঝ, মানুষ বোঝ না" এই লিখা তো আমরাবন্ধু তে জীবনেও পোস্ট হতো না 
Apnader notun bondhu
সুহৃদ বন্ধুবরেষু
বৈশাখীর শেষলগ্নে আমার উপস্থিতি। আমি সাগরিকা দাস। আমার একটি অপ্রচলিত ডাক নাম আছে। তা হলো বন্যা। একটি স্বপ্নের পৃথিবী আছে। আর তা হলো স্বপ্নধরা। পুরো নাম সোহাগ স্বপ্নধরা পাঠশালা। আর এই স্বপ্নকে গড়ার জন্য আমার পৃথিবীর সকল স্বপ্ন বর্তমানে গৌন। তবে এই স্বপ্নের সাথে সহযাত্রী আরও ছয়জন বন্ধু। যাদের সহযোগিতা ছাড়া আমার একার চলা একেবারেই অসাধ্য। ধীরে ধীরে না হয় বাকি গল্পগুলো বলবো। আর এজন্যেই আপনাদের দ্বারস্থ হয়েছি। হে বন্ধুবররা, কেমন আছেন সকলে। সুন্দর থাকুন, ভালো থাকুন এই কামনা হৃদয়ের ভেতর থেকে কামনা করি। আর প্রত্যেকের স্বপ্নের সিঁড়ির পথ মশৃন হোক এমনই কামনা সকলসময়। মধ্যহ্নদুপুরের শুভেচ্ছা রইলোর সকলের জন্যে। আজ এ পর্যন্ত। এই শুভ কামনায় সাগরিকা দাস। আপনাদের নতুন বন্ধু। আশাবাদী আপনাদের একজন বন্ধু হতে পারেবো এই প্রত্যাশায় আজ রাখলাম।
আর এক বসন্তের খোঁজে
ছোটবেলায় ঘাঁসফুলগুলোর দিকে যখন চেয়ে থাকতাম ওরা আমাকে দেখে প্রচন্ড হিংসা করতো। প্রচন্ড ক্ষোভে সবগুলোকে ছিড়ে ফেলে কান্না শুরু করতাম। আম্মু এসে বলতো কিরে, কাঁদছিস কেন? শুনে হেসে উড়িয়ে দিয়ে আবার ফুঁলগাছগুলো লাগিয়ে দিতো। এখন আর ঘাসফুলগুলোকে দেখা হয়না সেভাবে, সেই কথাগুলোই শুধু মনে পড়ে। আসলে জন্ম-জন্মান্তরের সংস্পর্শে ক্রমে আগত সৌহ্রদ্যের বাসনা গুলো কখনো ভোলা যায়না। এটাই মনে হয় দুঃখের রহস্য।
এই রহস্যঘেরা পৃথিবীতে এসে বার বার নিজেকে পৃথিবীর বুকে শপে দিতে মন চাই। হয়ে উঠেনা। বার বার খুব আপন করে কাছে ডাকলেও দুর হতে হাতছানি দিয়ে শুধু ফিরিয়েই দেয়। মানুষের আর্বিভাব পৃথিবীতে হলেও সে পৃথিবীর অনাত্নীয়ই থেকে যায় হয়তো। প্রকৃতির রুপ বৈচিত্র্য ও নানা রস রহস্যের মাঝখান থেকে যখন নৈসর্গিক মায়াজালের স্পর্শ খুজতে যায়, পৃথিবী আমাকে আশ্রয় না দিয়ে অনেক দূরে ঠেলে দেয়।
কষ্ট
ভাবছিলাম লিখব না। কিন্তু মনটা অনেক খারাপ।লিখে যদি মনটা ভালো হয়...
কষ্ট গুলো আছড়ে পরে বুকের মাঝে রক্তনালী জুড়ে
ছিন্ন করে দিতে চায়ে হিংস্রতার খুন পিয়াসের ছুড়ে
বন্ধ করে দিতে চায়ে জীবন প্রদীপ আশা
যেন মুছে দিয়ে যায়ে জীবনের সকল ভালবাসা
অশ্রু গঙ্গায়ে সিক্ত হয়ে শান্তি পায় নি হৃদয়
আশার ভাঙন সহ্য করতে তাই আরও কিছু অশ্রুর লাগবে সঞ্চয়
রাতের আধার পরে রবে সাথে কষ্টের দিন
স্বপ্ন গুলো মরীচিকায়ে মিলিয়ে কেন হয়ে যায়ে বিলীন?
কষ্টগুলো বাঘের থাবার মতন আছড়ে কেন পড়ে?
শান্তি নামের সুখ পাখিটা কেন বেথার আঘাতে ঝরে?
কেন নেতিয়ে যায়ে জীবনের মধুর স্মৃতি গুলো
জীবন কেন হয়ে উঠে হতাশার ধুলো?
রাতের বেলার শান্ত নির,
কষ্ট গুলো করে ভিড়
আবছা অন্ধকারের রাত জাগা ছায়া
মনের মধ্যে উকি দেয় শুধু জগতের মায়া
অবলীলায়ে ভাবনা আশে কতো কিছু মনে
শুধু আশাটাকে বাঁচাতে চায়ে মনে প্রানে
কিছু কথা
ভাবছিলাম কি লিখব,।শব্দ গুলো এলমেলো হয়ে ছড়িয়ে আছে। সাজাতে গিয়ে আমি হিমশীম ।
আমার দিনলিপি লেখার অভ্যাস আছে।তবে তা খুবই সোজাসাপ্টা ভাষায়। কোন কাবি্য ঢঙে নয় । বছরের পর বছর জমে ওঠা দিনলিপি গুলো দেখলে বেশ পুলকিত বোধ করি।
আমি শখ করে আমার জমে ওঠা দিনলিপি গুলোর নাম দিয়েছি স্মৄতির ঝাঁপি।যখন মনের মাঝে কালো মেঘ গুলো বড় বেশী আনাগোনা করে তখন স্মৄতির ঝাঁপি খুলে বসি।
ফেলে আসা মূহর্ত গুলো যেন জীবন্ত হয়ে ভেসে ওঠে। অলক্ষে কখনও ঠোঁটের কোনে ফুটে ওঠে এক চিলতে হাসি তো কখন অজান্তে চোখের কোন ভরে গড়িয়ে পড়ে দু'ফোটা জল।