ইউজার লগইন
ব্লগ
আমার দেশ
নীল সমুদ্রের রং মেখে তাই আকাশ হল নীল
তাকিয়ে দেখ নদীর তালে নাচছে যেন বিল
তাকিয়ে দেখ মাছরাঙ্গাটা মেলছে রঙের পাখা
এসব বলে ,আমার দেশটা ছবির মতন আঁকা।
হরিন দেখ তিড়িং বিরিং লাফিয়ে লাফিয়ে চলে
ময়না যেন কণ্ঠ ছেড়ে দেশের কথা বলে
মাঝি দেখ দাড় বেয়ে গায়, ভাটিয়ালি গান
এসব যেন প্রকাশ করে দেশের জন্য টান।
রোদে পুড়ে কৃষক দেখ কাটছে সোনার ধান
নকশি কাথা গাইছে যেন দেশের জয়গান
বিলের দেখ পানকৌড়ি নাচছে মনের সুখে
দেশের নামটি ভাসছে যেন সবার মুখে মু...
বাদল দিনে আমটি কুড়ে যখন ঘরে আসা
বারান্দা পেতে মায়ের হাতের গরম খিচুরি নিয়ে বসা
সাথে থাকে টিনের চালে রিমঝিমঝিম শব্দ
ঠাণ্ডা হওয়ায়ে আমের চাটনি...আহা !! মনটা করে জব্দ।
রোজ সন্ধ্যায় আসর বসে,গাজির পালা গান
ঘরে ঘরে জাগে যেন আনুন্দেরই বান
আরও আছে সবুজ মাঠ আর শান বাধানো ঘাট
এসব নয়ত রুপকথা, নয় কোন প্রবাদ।
দেশের কথা বলব কি আর, বলব তোমায়ে কিতা
না আমি লাদেন নিয়ে লিখবো না
মার্কিনিরা আবার একবার লাদেন খেলায় মেতেছে। দশ বছর আগে শুরু হওয়া ইদুঁর বিড়াল খেলার আবার একটি নতুন মোড় নিল। আর এজন্যই তো সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি জনাব ওবামা সাহেব দম্ভের সঙ্গে বলছে তার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার কথা। এজন্যই বলছি, তাদের ঠিক করে দেয়া বিষয়ে উপর চিন্তা করা বন্ধ করতে হবে। কারণ বিশ্ববাসীর কাছে এক সময়ের অচেনা রোগ 'সন্ত্রাসবাদ' আজ পুরো পৃথিবীর চিন্তার বিষয় হয়ে গেছে। কাদের জন্য (?) জানি এই উত্তর ব্লগার বন্ধুদের অজানা নয়। এই এক অদ্ভুত 'রাক্ষসের গল্পের' মতো। রাজার যখন যেখানে প্রয়োজন সেখানে হানা দেয় তাকে ধরার জন্য। কেউ রাজার এই কাজের বিরোধীতা করলে তাকে বানানো হয় রাক্ষসের বন্ধৃ। এই অবস্থায় সবাই খুব চিন্তিত, রাজা কবে কাকে রাক্ষসের বন্ধু বলে প্রচার করে তার বাড়িতে এসে হানা দেয়। আবার রাজার সাথে বন্ধুত্ব করলেও বিপদ কারণ, সবচেয়ে মৃল্যবান জিনিসটা না চাইতেই উপহার দিয়ে দিতে হবে
বৃষ্টিজলে ধুঁয়ে যাওয়া অক্ষর
১))
প্রায় দশ বছর পর বাবাকে দেখলাম। শেষবার যখন দেখি, আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম দোতলা বাড়ির বারান্দায় নিশ্চুপ দেয়ালের মতো। দেয়ালের কান আছে এমন কথা মাঝে মাঝে শোনা যায়, আমিও সেদিন সেই শোনা কথার আদর্শ ধরে রাখার জন্য কিছু কথা শুনে ফেলেছিলাম। নিচে দাঁড়িয়ে বাবা বলছিল, নামবি না খোকা?
আমি তখন দেয়ালের মতো অনঢ়। বাবা যখন দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে গেল, তখন কিছুটা সচল হয়ে উৎসুক চোখ নিয়ে বাইরে এদিক-সেদিক তাকিয়েছিলাম।
এই দশ বছরে বাবা কত বদলে গেছে। বয়স যেন বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। মাস্ক মুখে, সারা হাত-পায়ে কিসব জানি লাগানো। বাবাকে মনে হচ্ছে বৃদ্ধ কেউ। আমি পাশে গিয়ে তাকালাম কিন্তু বাবা দেখল না। পাশে মনিটরে অদ্ভুত কিছু চিহ্ন ওঠানামা করছে।
তোমার বাবা, এখন কোমায়। এজন্য আসতে বলেছিলাম।
পেছনে তাকিয়ে দেখি বয়স্ক মতো এক লোক। মলিন একটা শার্ট পড়নে। চোখে-মুখে রাজ্যের আধাঁর।
হট যোগ হট সমান কোল্ড
আজ থেকে প্রায় দুই বছর আগে জুন মাসে আমরা সাত জন রওয়ানা হলাম হানিফ এন্টারপ্রাইজের বাসে। আমি, রোদ্দুর, রোদ্দুরের মা, গিয়াস, শিপলু, অন্যতমা আর বর্ণমালা। বাস কল্যানপুর থেকে ছাড়লো বিকাল চারটায়। সব ভাল হলে রাত নয়টার ভেতরে পৌঁছে যাবার কথা গন্তব্যে। আমাদের বাস যখন যমুনা সেতুর কাছাকাছি অর্থাৎ টাঙ্গাইলের অ্যালেঙ্গা বাজার পার হবার পরই শুরু হলো- ঝুম বৃষ্টি। সন্ধ্যা হবে হবে। কী অসাধারন সে বৃষ্টি ! বৃষ্টির মধ্যেই যমুনা সেতু পার হলাম। কাকতালীয়ভাবে সেতুর অর্ধেকটা পার হবার পর বিপরীত দিক থেকে একটা ট্রেনও এল। হোকনা লোকাল ট্রেন ! তাতেও ছেলে মেয়েরা যা আনন্দ পেলো !
মনটা ভালো হয়ে যায়
প্রায়ই মনটা খুব খারাপ থাকত...কিন্তু বন্ধু ব্লগে আসার পর থেকে মনটা খারাপ থাকলেও বন্ধুদের অসাধারন সব লেখা পড়ে মনের অজান্তেই মনটা খুব ভালো হয়ে যায় ... আমি বন্ধু ব্লগে এসে আসলেই ধন্য.।তাই বন্ধুদের জন্য কিছু লেখার চেষ্টা করছি...
বন্ধু মোদের চির সাথী বন্ধু মনের টান
কাছে দূরে যেখানেই থাকি ,বন্ধু অনির্বাণ
বন্ধু মোদের খুশির সাথী,আনুন্দের বান
জীবন ভর থাকবে এই বন্ধুত্তের টান......
কুসংস্কার লইয়া ভাবনা চিন্তা-২
কুসংস্কারঃ- পরীক্ষা দিতে যাওনের আগে আণ্ডা খাওয়া বারণ, তাইলে নিকি পরীক্ষায় আণ্ডা পাওন লাগে।
সাম্ভাব্য ব্যাখ্যাঃ- আণ্ডার একটু গুরুপাক দোষ বা গুন, যেইটাই কন, আছে। মানে টাইমলি আণ্ডা হজম না হইলে প্যাটের ভিতর ভুটভুটায়। আবার লুজ মোশান শুরু হইয়া যাওয়াও অস্বাভাবিক কিছু না। আর পরীক্ষার হলে বইসা বারবার টাট্টিখানায় দৌড়াইলে সাধারণ ভাবেই আণ্ডা পাইয়া যাওনের চান্স থাকে।
কুসংস্কারঃ- রাইতের বেলা সুই / চুন বিক্রিতে অনিচ্ছা।
সাম্ভাব্য ব্যাখ্যাঃ- এইখানে মনেহয় নিরাপত্তার। স্পেসিফিক ভাবে কইতে গেলে ব্যাক্তিগত নিরাপত্তার কথাই চিন্তা করা হইছে।
যেই লোক সুই লইবো এক হইতে পারে সূক্ষ্ম জিনিস বইলা সেডি হারাইয়া যাওনের সম্ভাবনা থাকে, আবার এই জিনিস ভুইলা বিছানা বা পাটিতে ফালাইয়া থুইলে শরিলে বিঁধা আহত হওনের ব্যাপারটারেও ফালায়া দেওন যায় না।
১০ বছর আগে ও আজ
১০ বছর আগের কথা
ঠিক ১০ বছর আগের কথা। হিসেব করে দেখলাম ১০ বছর আগের কথাই। তখন ইত্তেফাকে কাজ করি। আমার এক সোর্সের বাসা ছিল উয়ারিতে। ইত্তেফাক থেকে কাছে, হেঁটেই যাওয়া যায়। আমার সেই সোর্স কিছু কাগজ পত্র বাসায় নিয়ে যেতেন, আমি বাসা থেকে সংগ্রহ করতাম। অনেকদিন এজন্য বাসায় গিয়েছি।
সেইদিনও অফিস থেকে বের হয়েছিলাম। আমার মনে আছে উয়ারিতে ঢুকেই ডান দিকের রাস্তায় যেতে হয়। কিন্তু সেদিন যে কী হল! আমি ডান দিকে ঢুকতেই পথ হারিয়ে ফেললাম। আমার মাথা পুরোপুরি শূন্য হয়ে গেল। কিছুতেই রাস্তা চিনতে পারলাম না। আমি কেবল উদভ্রান্তের মতো হাঁটছি তো হাঁটছিই। কিন্তু রাস্তা খুঁজে পাচ্ছি না। এভাবে মনে হয় আমি একঘন্টার মতো হেঁটেছি। ঘামছিলাম, কোনো রাস্তাই চিনতে পারছিলাম না। আমার মাথা পুরো ফাঁকা, খালি হাঁটছিই।
তারপর হঠাৎ দেখি সেই ডানের রাস্তা, একটু এগোলেই সেই বাসা। সহজ রাস্তা।
নতুন বন্ধু...নতুন যাত্রা !
আমি রিফাত।ঢাকা ভার্সিটি থেকে বিবিএ করার পর এখন সুইডেন এর গোটেবর্গ ইউনিভার্সিটি তে মাস্টার্স করতেছি।
ব্লগে লেখালেখির অভিজ্ঞতা আমার একেবারেই নাই। শুধু পড়ার অভিজ্ঞতা আছে।কয়েকটা ব্লগ এ ঘুরছি, পরিবেশ ভাল লাগে নাই। AmraBondhu তে চোখ রাখতেছি বেশ কিছু দিন ধরেই।আমার চিন্তা ভাবনার সাথে এই ব্লগের সদস্যদের চিন্তা ভাবনার মিল পাই, বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধাপরাধ এবং সমসাময়িক অন্য বিষয়গুলোতে ও। আলোকনিকেতন পড়তে প্রথমবার আসছিলাম AmraBondhu তে, এখন অনেক সিরিজ ই ভাল লাগে।
ভাল বন্ধু হওয়ার জন্য আশাকরি সবার সহযোগিতা পাব।
<সারাজীবনের প্রথম পোস্ট এইটা। আতলামি, ভুলত্রুটি ধরায়ে দিয়েন...>

মা
মা...প্রতিটি সকালের সূর্যের হাসি
ভোরের সবুজ ঘাসে শিশিরের রাশি
মা...এক জলক মমতা আর একটু কঠোরতা
মনের মধ্যে নব পুষ্পের আবহগতা
মা...এক মধুর বানি,প্রশান্তির আবেশ
তুমি যাই বল,লাগে বড় বেশ
মা...রুক্ষ চোখে তাকিয়ে বল ,করবি না এটা বাছা
তোমার কঠোরতার মাঝেই মমতার ছায়ায় আমাদের বাঁচা
মা... জীবন তুমি চিন্তে শিখাও জীবনের মত করে
বাঁচতে তুমি শিখাও মোদের মমতার ডরে
মা... ভালবাসতে শিখাও তুমি নিষ্ঠুর জীবনটাকে
মমতা দিয়ে ঢেকে ফেলো সকল বর্বরতাকে
মা...তুমি আমার জীবনে সবচেয়ে বড় পাওয়া
তুমি না থাকলে হতনা এই জীবনটা পাওয়া
মা..তোমার কথা বলতে গিয়ে শেষ হয় না বলা
শব্দ গুলো একত্র হয়ে গাথে সুরের মালা
মা... তোমার কথা বলে আমি পারবনা করতে শেষ
তুমি মোদের জীবনে সুখের আবেশ
মা...তুমি জীবনের শুরু, জীবন তোমাতে শেষ
কোলকাতায় প্রথম ভ্রমণ এবং দাদাবাবুদের কীর্তিকাহিনী ।
আমার অনেক দিনের শখ ছিল কোলকাতায় যাবার।শখটা একটু বেশি পরিমাণেই পূর্ণ হয়েছিল।তবে প্রথম বারের কথা এখন ভুলিনি ।কারন প্রতিটি পদে পদে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছিল ।তারই কিছু আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম । যারা প্রথম বারের মত যাবেন তাদের কিছুটা সহায়ক হতে পারে।
আমার যাদুমনি (১২)
ঋহান বেশ কিছুদিন যাবৎ নাকে কামড় দেয়া শিখেছে। ইদানিং আবার নাক থেকে আস্তে আস্তে নিচের দিকে নেমে আমার ঠোটেও কামড় লাগিয়ে দেয়। এবং মজার ব্যাপার হলো, ঠোটে কামড় শুধু আমাকেই দেয়, তার বাপ'রে দেয় না। 
এই দেখে তার বাপ সেদিন বললো, "পোলায় দেখি এখনই প্রেক্টিস শুরু কইরা দিছে। সে কি ভাবছে আমরা কিছুই বুঝি না? আরে এখন মা'রে দিয়া সেইফ সাইডে থাকতেছে আর কি, কয়দিন পর তো না জানি আর কারে কারে দেয়"।
আমি বললাম, "হু! অসুবিধা কি? সবাই যে বলে 'পুরা বাপ কা বেটা', এটা মনে হয় সেইটার আসল নমুনা"
বিছানা পেলেই ঋহানের চিৎপটাং হয়ে যেতে ইচ্ছে করে
এই পুতুলের চেয়ে পুতুলের পা টা ঋহানের অনেক পছন্দ 
আশা
আশা আচ্ছাদিত এক গুচ্ছ কল্পনার রাশি
বারে বারে সেই বিন্দুতেই ফিরে আসি
কতগুলো মুহূর্তের অবণ্টিত শাখা
উরন্ত পাখির আচ্ছাদিত পাখা
ভালো আর মন্দের নাই কোন মত বিরোধ
এ যেন একাকীত্ব মনের কিছু ক্ষোভ
গুঞ্জরিত মনের অপ্রকাশিত বানী
কল্পনার অংকিত ইচ্ছের রানী
আশা সেতো কণ্ঠনালীর অপ্রকাশিত শব্দ
জীবনকে করে এক গণ্ডীর মধ্যে জব্দ
আশা যেন কুলকুল রবে বয়ে যাওয়া এক নদী
মনকে তৃপ্ত করে,বাস্তব হয় যদি
আশা যেন নিঃশেষিত ভালবাসার এক প্রবাহমান ধারা
মন ও কল্পনার মিলনের অলংকিত বারা
আশা সেতো জীবনেরই এক অংশ
আশা সেতো ভালোবাসার বংশ......।
একালের পিকুদের ডাইরি ১
ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দিতে যাচ্ছি, সামনেই বংগবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মদিন, খুব ঘটাপটা করে নানা রকম ছবি, ব্যানার এ সাজান হয়েছে পথ-ঘাট। সারাদিন মাইকে ৭ই মার্চ এর ভাষণ বাজান হচ্ছে । আমার পাঁচ বছর বয়সী ছেলে, তার পৃথিবীকে জানার আকুল আগ্রহ ও সেই পরিমাণের বিপুল প্রশ্নবাণ নিয়ে জানতে চাইল এটা কার ছবি আম্মু, কেন সব জায়গায় এই ছবি টানান হল। বললাম আমাদের দেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট, আমাদের দেশের যুদ্ধেরর গল্প। এবার আমার ছেলের জিজ্ঞাসা তাহলে উনি এখন কোথায় আছেন, তাকে কি দেখা যাবে? আমি আমার ছেলেকে বুঝিয়ে বললাম, তিনি মারা গেছেন; পরবর্তী এটম বোমা গুলো হল...
-মারা গেলে এভাবে ছবি সাজান হয়? আমারটাও সাজানো হবে, সবার?
-না বাবা, সবার ছবি সাজান হয়না। উনি একজন অনেক বড় মানুষ।
-অনেক লম্বা? ও অনেক দুধ আর হরলিকস খায়, আর সগজি (সবজি) ও খায়? কী ভাবে মারা গেল?
-বললাম ওনাকে দুষ্টু লোকেরা মেরে ফেলেছে।
২০৭১ - এ ব্লগ স্টোরি (২১)
সাতসকালে আগন্তুক মানে অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনার হাতছানি। আমরা খুব সাধারণ জীবন যাপন করি। বাড়তি প্রযুক্তি এড়িয়ে। ঘরে কেউ আসতে চাচ্ছে শুনলে ভিডিও কানেক্টরগুলো অন করতে হবে, কমপক্ষে তিনটা ইয়োলো এলার্ট সেন্ড করতে হবে। কিছু স্যোশ্যাল উদ্যোগের সাথে ইদানিং আমরা জড়িত, ফলে তাদেরকে জানাতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা একটা গবেষণা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন যাবত পর্যবেক্ষণ করছে আমাদের বাসায় আগত অতিথিদের শ্রেণীবিন্যাস। আমরা যে কোন অভিশাপে তাদের গবেষণার গিনিপিগে পরিণত হয়েছিলাম জানি না, তবে এখন আর বের হবার উপায় নেই। কত ফ্রিকোয়েন্সিতে অতিথি আসে, তাদের বয়স, আগমনের উদ্দেশ্য, হিডেন, কমার্শিয়াল নাকি মেকানিক্যাল এমনতরো হাজারো বিষয় অনুসন্ধানে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আজ সকালে আগন্তুক এলার্ট পাবার পরে টাপুরের মা যথারীতি ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছে। যেসব বিষয়ে আমি বিরক্ত হবো, সেটাতেই তার ততোধিক উৎসাহ। যূথবদ্ধতার এই অমোঘ সূত্র অনুযায়ী বিশ্ব চলছে, আমিও
জোৎস্না ধরার গল্প
মানুষ দিন বদলের সাথে বদলে যায়। কথাটা সত্যি জেনেও কেন যেন বিশ্বাস হতো না। কিন্তু সময়ের প্রয়োজনে আজ আমিও বদলে গেছি। সেই বদলে যাওয়া আমার কথাই বলব এখন...