ইউজার লগইন
ব্লগ
হিসেব গড়মিল
ক্ষনিকের না চাওয়া ভুলে এখন বিনীদ্র রাত কাটে অপেক্ষার যন্এনা সাথে নিয়ে। নিশ্চুপ রাতে পাওয়া না পাওয়ার হিসাব মেলাতে গড়মিল হয় বড় । পাওয়ার চেয়ে না পাওয়ার ঝুরি ভরে যায়।
বাড়তে থাকে হতাশা আর অবসাদ। গ্রাস করে জীবনের রঙ্গিন মূহূর্ত কে। ঠেলে ফেলে দেয় অনাকাঙ্খিত অন্ধকারে। জলের গভীরে ডুবতে থাকা মানুষের মতো আমি খুঁজতে থাকি একটু আশ্রয়।
ভুলে যাই বারবার বড় নিষ্ঠুর এই দুনিয়া। প্রতি মূহূর্ত বাঁচার জন্য লড়তে হয়। লড়তে হয় নিজের সাথে।
আমার আনন্দের ভিতরে অনর্গল কথা বলছিল আর্তনাদ
প্রতিদিনের রোজনামচায় অতিষ্ঠ জীবন। কর্মবিমুখ সময়ের আঘাতে বিধ্বস্ত আমি তলিয়ে যাচ্ছি প্রতিদিন। সবকিছুতেই বিরক্ত হচ্ছি প্রতিমুহূর্তে। চিন্তা-শক্তি লোপ হচ্ছে প্রতিনিয়ত। বুঝতে পারছিলাম না কিভাবে সময় কাটাব। ভিষণ ক্লান্ত লাগছিল। আমার মনের অবস্থা বুঝলো পতিদেব। হঠাৎ একদিন আমাকে না জানিয়ে ব্লগ খাতায় আমার নাম লিখে দিলেন। আমিতো অবাক! লেখালেখি সম্পর্কে আমার কোন ধারনা নেই। এমনকি কিবোর্ড ব্যাবহারের ধরনটাও অজানা। আশ্চর্য হলেও সতি কথা। অতঃপর পতিদেবের অতি উৎসাহে ব্লগে মনোনিবেশ করলাম। দিনের পর দিন যাচ্ছে শুধু ব্লগ পড়ে যাচ্ছি, লেখালেখি আর হয়না। কিভাবে হবে? আমি কোনদিন একটি কবিতা কিংবা গল্প লিখিনি। এমনকি কোনোদিন ডায়েরিও লিখিনি নিজের জন্য। সে আমি লেখার স্পর্ধা দেখাই কি করে! এমনি করে কেটে গেল কয়েক সপ্তাহ।
পিছু টান
দেহ বলে অনেক বড় হয়েছি ,
মন বলে আজও ছোট রয়েছি,
আকাশে চাঁদ উঠলে দেখতে যেতাম ,
বৃষ্টি হলে ভিজতে যেতাম,
পাড়ার ছেলেদের সাথে খেলতে যেতাম,
দৌড়ে এসে নদীর বুকে ঝাপ দিতাম,
মাকে না বলেকতবার আম কুরাতে গেছি,
বৃষ্টিতে ভিজে কত বার অসূখ হয়েছি ,
অসূখের ঘোড়ে কত প্রলাপ বকেছি ,
ঘুমের ঘোড়ে কত চমকে উঠেছি ,
মা মা বলে কত কেঁদেছি ,
মায়ের আদরে সব ব্যথা ভূলছি ,
হারিয়ে যায়নি সেই স্মৃতি সব ,
চোখের সামনে আজও হয় উদ্ভব ,
সেই কাচালং নদীর পাড় ,
জল স্রোতে ভেঙে যায় যার দুইধার ,
আবার ও ফিরে যেতে চাই সেই পাড়ে ,
শহর ছেড়ে
চলমান ..........
'মেঘে ঢাকা তারা' : নীতা,নারী ও দেশভাগ ।
মধ্যবিত্তের মান কোন চরায় গিয়ে ঠেকে ! পূর্ববঙ্গের বাস্তুহারা এক স্কুলমাস্টারের খেদোক্তি এটা । ততোদিনে সব শ্যাষ । দেশ ভাগ হয়েছে । পূর্ববঙ্গের স্কুলমাস্টারের বিশাল পরিবারের ঠাই হয়েছে কলকাতার এক গিঞ্জি বস্তিতে । চক্রবর্তী মশায় অনেক কষ্টেসৃষ্টে একটা স্কুলে চাকুরীও জুটিয়ে নিয়েছেন । কিন্তু সংসারের চাকা যে সেই চরকার তেলে চলেনা , টিউশনি দিয়েও ছ'জনের সংসারের রাশ টানা যাচ্ছেনা । সোমত্ত দুই মেয়ে,ধাড়ি দুই দুইটা ছেলে আর কর্তা গিন্নি এই নিয়েই বাঁশের বেড়া আর হোগলা পাতার ছাউনি দিয়ে আটকানো ছোটো ছোটো তিনখানা ঘর নিয়ে চক্রবর্তী মশায়ের সংসার । বড় ছেলে কোনোরকমে টেনেঠুনে পাশটাশ করে বেকার । তবে তার অসম্ভব ভাল গানের গলা ; প্রতিদিন নিয়ম করে রেওয়াজও করে ।
মেঘের আলেয়া !
ফিরে এলো অভিসারের দিন। আনমনা মন। কখনো উড়াল। ছুতে চাওয়া দিগন্ত অফুরান। ইচ্ছে-খুশি নির্বাসনে যাওয়াটাওতো এক প্রকার অভিসার! নির্বাসনে কোথায়? নিজের কাছেই নিজের নির্বাসন। সেখানে কেউ নেই বলা ঠিক হবেনা। আছে মেঘ। আসলে মেঘতো আছে পুরোটা জুড়েই। সাদা মেঘ কালো মেঘ। তবে কালো সে যতোই কালো হোক সেই মেঘের জন্যই প্রান উচাটন। আষাঢ়-শ্রাবণ, ভাদ্র-আশ্বিন যায় আর কালো মেঘের দেখা নাই। কাশ রাঙা মেঘে কালোর ছোপ দেখেই তৃষ্ণা মেটানো। কিন্তু তাতে কি আর মন ভিজে? চৈত্রের খরখরে দুপুর বলে যায় মেঘ আসছে। বৈশাখের বিষন্ন গোধুলী জানায় আসছে মেঘ। যেই বলা সেই কাজ, এসে গেল সে। তার ফিরে আসায় চঞ্চল কৃষ্ণচূড়া- কেপে উঠে রাধা। কনক চূড়াও উদাসী হয়। হিজল পাতায় ছায়া নামে। তার অপেক্ষায় চোখও হয়ে উঠে মেঘ কাজল।
টুকটুক গল্প - ৩
কাল ছিলো কাঠ ফাটা রোদ, আর কলিজা শুকিয়ে যাওয়ার মত গরম। আমার মত যাদের বাসে-রিক্সায়, হেঁটে অফিস/ স্কুল কলেজে / কাজে যেতে হয় তারা বুঝে এই রোদ আর গরম কিভাবে কলিজা শুকিয়ে ফেলে। এই গরমের মধ্যে ঋহান নাকি কান্নাকাটি শুরু করেছে সে মাধূর্যকে দেখতে যেতে চায়, কোনভাবেই নাজ কান্না থামাতে না পারলো না। অবশেষে গরমে মোটামুটি সিদ্ধ হয়ে লীনাপার লোকাল গাড়িতে আমি , জেবীন, নাজ, লীনাপা, ঋহান গেলাম মাধূর্যের সাথে ঋহানের সাক্ষাৎ ঘটাতে। ঋহানের ফুপু, মাধূর্যের খালা জেবীন ভাতিজা, ভাগ্গ্নীর ডেটিং উপলক্ষে সাজগোজ-মেকাপ করতে গিয়া আমাদের পথে বসিয়ে রাখলো আধা ঘন্টা। লীনাপা রাগে চুল টানে, জিজ্ঞেস করি--- চুলে কি? বলে ...না, এমনি, গরম। অবশেষে গিয়ে তো তাজ্জব হলাম! মাধূর্য সাজুগুজু করে একটা ফুলপরী হয়ে আসলো। তাকে দেখে ঋহান মা-ফুপুদের সামনে ভীষণ লজ্জায় কাইকুই শুরু করলো। মাধূর্য তো দারুণ স্মার্ট!
আমি ক্ষণকাল সেই নৌকায় সওয়ার হয়েছি মাত্র
"শরীরই শ্রেষ্ঠতম সুখের আকর। গোলাপের পাপড়ির ওপর লক্ষ বছর শুয়ে থেকে, মধুরতম দ্রাক্ষার সুরা কোটি বছর পান ক’রে, শ্রেষ্ঠতম সঙ্গীত সহস্র বছর উপভোগ ক’রে যতোখানি সুখ পাওয়া যায়, তার চেয়ে অর্বুদগুণ বেশি সুখ মেলে কয়েক মুহূর্ত শরীর মন্থন ক’রে।"
কি কথা! এরকম করে বলে দেয়ার মতো মানুষ আজ আমাদের মাঝে নেই। তবে হুমায়ুন আজাদ স্যারের সব লেখা আমি পড়ি নি। পড়ে পরে বলতে পারবো, তিনি নেই বলে কি অসহায় মানবজীবন কাটাতে হবে? নাকি নতুন একটা ওয়ে-আউট খুঁজে নিতে পারবো।
গল্প না
অস্থির লাগছে খুব। কেন বুঝতে পারছি না।
আমার কি মন খারাপ?
নাহ। মন খারাপ হওয়ার মতো তো কিছু হয় নাই।
তাহলে? এমন লাগছে কেন?
কি যেন চিন্তা করতে ইচ্ছা করছে। কিন্তু চিন্তা করার মতো তেমন কিছু খুঁজে পাচ্ছি না।
খুব ইচ্ছা করছে কিছু লিখতে। কিছুই লিখতে পারছি না।
সবাই কতো সুন্দর সুন্দর গল্প লেখে। আমি কেন পারি না গল্প লিখতে! আমি কেন পারি না কাল্পনিক কিছু লিখতে!
আগে আমি ছিলাম বাসার চ্যাটার বক্স। সারাক্ষন বকবক করতাম। কেউ বাইরে থেকে বাসায় ফেরার সাথে সাথে শুরু করতাম সারাদিন কি কি হইছে, কে কি করছে, কেন করছে, আমি কি করছি ইত্যাদি। আর বকা খাইতাম। সারাদিন পর বাসায় ফিরছে একটু বসতে দাও!! পড়ে বলো।
আবার কোনো দিন যদি বকবক শুরু করতে দেরী হতো তাহলে ডাকা পড়ত - কি ব্যাপার আজকে বিবিসি চালু হয় না কেন?
এখনও বকবক করি। তবে আগের থেকে কম। বাসায় সবাই মনে হয় একটু শান্তি পাইছে।
প্রিয়, ফুল খেলবার সময় নয় অদ্য
অঙ্ক বিষয়টার প্রতি আমার একটা অমূলক ভীতি কাজ করতো ছোটবেলা থেকেই। সবচেয়ে কম নাম্বার এইটাতেই পেতাম। সাথে আরো পেতাম মায়ের বকুনি, টিচারের স্কেলের বাড়ি। হিসাবে এত কাঁচা ছিলাম যে দুই হাতের দশ আঙ্গুলে যোগ-বিয়োগ করে কুল পেতাম না। বড় আপা চশমার ফাঁকে কঠিন চোখে তাকিয়ে বলে, “সাত তেরো কত??” আমি বেকুবের মত তাকিয়ে থাকি আনলাকি থার্টিনের রহস্যভেদের আশায়। ক্লাস ফাইভে ফাইনাল পরীক্ষায় একশতে পেলাম উনচল্লিশ। বাসায় ফিরে আম্মুর কোলে ঝাঁপায় পড়ে বলেছিলাম – আমার কী দোষ, আমার হাতে কিছুতেই হিসাব মিলে না।
আজকে বুঝি, জীবনের সব অঙ্ক সবসময় মেলে না। হিসাবের খাতায় সব ইকুয়েশান সলভড হওয়া অনাবশ্যক। সম্পাদ্যের বিন্দুগুলো না হয় থাকুক একলা হয়ে – কী যায় আসে! নিয়মের বেড়া দিয়ে ক’জনাকে আটকানো যায়? থাকুক না কিছু কথা নিপাতনে সিদ্ধ।
গল্প: লি মোমেন্ত উ কিলকু শুঝ কমেন্স
দেখতে দেখতে চেহারাটা হনুমানের মতো হয়ে উঠলো।
মানুষের চেহারায় হনুমান ভাব ফুটে ওঠে অনিয়মিতভাবে বড় বড় দাঁড়ি রাখলে এবং সে সময় গালের হনু বেশিমাত্রায় উঁচু হয়ে গেলে। আমি এমন মানুষও দেখেছি যার পুরো শরীরটা পেটা, মুঠোর মধ্যে হাতের চ্যপ্টা হাড়গুলোর বেড় পাওয়া যায় না, দুই কাঁধ দুইদিকে নেমেছে তো নেমেছেই, সামনের দৃষ্টিপথ পুরোপুরি আড়াল করে তারপর থেমেছে। কিন্তু চোখের নিচে দু'টো হনু উঠেছে খাড়া পর্বতের মতো। সবকিছু ছাপিয়ে সবার আগে চোখে পড়ে।
একটা যৌতুক নেন সরি কৌতুক শোনেন
একবার এক পত্রিকায় শিরোনাম হইলো '' পুলিশের গু খেয়ে বক নিহত ''
পরদিন এইটা নিয়া ব্যপক আলোচনা সারাদেশে .........কেমনে কি হইলো ??? পুলিশের ক্রসফায়ারে পোলাপান মারা যাইতাসে কিন্ত গু খাইয়া বক কেমনে মরে ??????? আজিব !!!!!!!
পরদিন সেই পত্রিকা আবার হিট.......
''গতকালের শিরোনামটি
আসলে হবে ''পুলিশের গুলি খেয়ে যুবক নিহত ''
আমাদের এই অনাকাংখিত '''''''পাছার ''''''' ভুলের কারনে আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি ।
যারা এখনো বুজবার লাগেন নাই তাগো লাইগা ..ঐটা হইবো ''''ছাপার '''' ভুল......বুজ্জইন।

সকলকে মৌসুমী ফলের আমন্ত্রন
কেমন আছেন সবাই। আশা করি ভাল। সামনে আসছে মধুমাস। আমার বাগানে আছে দশটি কাঁঠাল গাছ, আটটি আম গাছ ও চারটি লিচু গাছ। প্রতিটি গাছে অসংখ্য ফল। কাঁঠাল গাছের শিকর হইতে শুরু করিয়া আমের মত থোকায় থোকায় কাঁঠাল গাছে ঝুলিতেছে। আম গাছের ও একই অবস্থা। গাছে পাতার চাইতে ফল অধিক। লিচুর গাছ গুলির দিকে তাকাইলে মন ভরিয়া যায়। ফলের ভারে গাছগুলি নত হইয়া এমন উচ্চতায় আসিয়া স্থীর হইয়াছে যে আমার ছয় বছরের ছেলেও উহা হাত দিয়া ধরিতে পারে।
সবাইকে আমার বাসায় আন্তরিক আমন্ত্রন জানাচ্ছি।
এবারে লিচু কাহিনী। লিচু যে অত্যান্ত লোভনীয় ফল তাহা আর বলিবার অপেক্ষা রাখে না। আমি বাজারেই লিচু দেখিয়াছি। লিচু গাছ দেখিয়াছি নার্সারীতে। আমার এই বাসায় যত বড় বড় লিচু গাছ ইহা আমার এই প্রথম দেখা। জানিলাম ইহা দিনাজপুরের বোম্বাই জাতের লিচু।
আমার বাংলা ভাষা আমি তোমায় ভালোবাসি
আগেই বলি , আমি আমার মনের কথা লিখতাছি , কারো ভালো নাও লাগতে পারে তাহলে আমার কিছু করার নাই ..।
প্রথম যখন মোবাইল কিনি তখন এসএমএস আসলেই আগ্রহ নিয়া খুলতাম ।কিন্তু মাঝে মাঝে মেজাজ খারাপ হইয়া যাইতো হিন্দিতে কেউ মেসেজ দিলে ...সরাসরি ডিলিট মারতাম । সেই ভুত আজো ছাড়ে নাই ।
আজকাল কার পোলাপাইন এর এই একটা বেকুবিপানা বুঝি না
যে কথা নিজের ভাষায় অনেক সুন্দর করে বলা যায় সেইটার জন্য কেন অন্য ভাষা ধার করা ????????????? যেখানে ইন্ডিয়ার মানুষ আজকাল হিংলিশ ব্যবহার করে হিন্দিকে বিলুপ্ত করতাসে সেইখানে আমরা কেন হিন্দি ভাষাকে টিকাইয়া রাখার দায়িত্ব নিচ্ছি ????????????????????????????
নস্টালজিয়া I গল্প
মাহামুদার সময়টা ভালো যাচ্ছে না। দেখতে দেখতে তিনটি বছর কেটে গেলো তার বিয়ে হয়েছে, কিন্তু সংসার জীবন নিয়ে যে রকম স্বপ্ন দেখেছিলো সেই স্বপ্নের সাথে এই বাস্তব সংসারের কোনো মিলই নেই। দশটা পাঁচটা সাদামাটা সংসারের মধ্যেই জীবনটাকে সমর্পণ করতে হলো। কাকে দোষ দেবে, নিজের ইচ্ছে মতেই এই জীবন বেছে নিয়েছিলো মাহমুদা। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে অল্প বয়সে জীবন সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে নেই, আরেকটু বুঝে নিয়ে সংসার ধর্ম পালন করা উচিৎ ছিলো। ইদানিং মাহামুদার এই পরিতাপের মধ্যে সময় কাটে।
মা আমি অভীমানে হাহাকার করি তোমাকে ছোয়ার জন্য
প্রতি দিনই থাকে কোনও না কোনও দিবস, আজ এই দিবস তো কাল ঐ দিবস।।। এখন ব্যাপারটা এমন দাড়িয়েছে যে নতুন আর কোনও দিবস ঘোষনার সুযোগ নেই।।। হয়তো এরপর দেখা যাবে দিনগুলোকে অর্ধেক করে ভাগ করে নেওয়া হবে দিবসের ঘোষনার জন্য।
তবে এতো সব দিবসের মাঝে কিছু কিছু দিবস মনকে নাড়া দিয়ে যায়।। ঠিক তেমনই একটি দিবস আজ। ।।
হ্যা আজ "মা দিবস"
মমতার অপর নাম হলো মা, জীবনের প্রতি পদে মিশে আছে ছায়ার মত যে মানুষটি তিনি হলেন মা।।। এতোই বেশি মিশে থাকেন তিনি যে মাঝে মাঝে আমরা ভুলেই যাই এই মায়ের অবদানের কথা।।। তাই তো এই একটি দিন, এই একটি দিবস একটু হলেও মায়ের মমতার কথা আমাদের মনে করিয়ে দেয়।।।।