ইউজার লগইন
ব্লগ
রঙ্গন ঝোপের পরে টুপুর-টাপুর বৃষ্টি ঝরে
১.
সেদিন তানবীরা'পু বলেছে, মানুষ মানুষকে ভালবাসবে এতে চেতার কি আছে? আইনটা চালু হওয়ার পর থেকে মেসবাহ ভাই সেটার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করতেসে। কাজটায় আমার পূর্ণ সমর্থনও আছে। কারণ আমি লীনা আপুর সঙ্গে একমত। ভালোবাসা পবিত্র জিনিস।
২.
কবে যেন একটা মহল্লায় গিয়েছিলাম। সেটা একটা গাছ-গাছালিতে ভরা পাখির কিচিরমিচিরে মুখরিত মহল্লা। সেই সন্ধ্যায় একটা ঝুম বৃষ্টি হয়ে যাওয়ার পর মহল্লায় কেউ ছিলো না। আমি একা একা বসেছিলাম এক কাপ চা হাতে।
তখন যে রকম স্নিগ্ধ নীরব একটা অনুভূতি মনকে আচ্ছন্ন করে ফেলেছিলো, তেমন সবসময় করে না। যেন একটা জমাট বরফের টুকরা আস্তে আস্তে গলে পানি হয়ে যাচ্ছে। আমি খুব নিবিড়ভাবে নিজের সঙ্গে বসে বসে সময় কাটালাম। মানুষ তার জীবনে কয়টা সন্ধ্যা নিজের সঙ্গে কাটাতে পারে?
৩.
শিরোণামবিহীন শিক্ষাপ্যাচাল
ইংরেজী মিডিয়াম থেকে যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বুয়েটে ভর্তি হচ্ছে তাদের সবার একটা সাধারণ অভিযোগ
কিছুতেই এডাপ্ট করতে পারছি না, পড়াশোনার ধরণ সম্পূর্ন আলাদা, পাতার পর পাতা অর্থহীন মুখস্ত করে যাওয়া, সংজ্ঞা আর ব্যাখ্যা মুখস্ত করে উগড়ে আসা পরীক্ষার খাতায়, মেধা কিংবা প্রজ্ঞা কিংবা উপলব্ধি যাচাইয়ের কোনো প্রক্রিয়া নয় এটি, বরং একটা অর্থহীন প্রতিযোগিতা যেখানে শেষ পর্যন্ত যে ছেলেটা পাতার পর পাতা অবিকল লিখে আসতে পারে সেই প্রথম হয়। আমাদের কারোই এমন পাতার পর পাতা মুখস্ত করবার অভ্যাস নেই, স্বভাবতই আমরা পিছিয়ে পড়ছি, এমন না ক্লাশে যে ছেলেটা টপ করছে সে আমার চেয়ে বেশী বুঝে, কিংবা এমনও না যে আমরা পরিশ্রম করছি না, কিন্তু পরীক্ষার নিয়মের কারণে আমরা পিছিয়ে পড়ছি, চেষ্টা করছি পাতার পাতার বর্ণনাত্মক ধাঁচে মুখস্ত করে যাওয়া, কিন্তু অভ্যাস নেই বলে রেজাল্ট ভালো হচ্ছে না। ফ্রাস্ট্রেশন চলে আসছে।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি-১
১৯৭১ সাল দেশে যুদ্ধ চলছে। তখন আমার বয়স ৬-৭ বছর। তাতে কী, এ সময়ের ঘটনা আজো স্মৃতিতে গেথে আছে। আমরা তখন সপরিবারে (মা-বাবা, মেজভাই-ভাবি, আমি ও আমার অগ্রজ ভাই) পুরান ঢাকার লালবাগের কাজী রিয়াজ উদ্দিন রোডে নিজবাড়িতে ছিলাম। তখন এখানে এতোটা ঘনবসতি ছিল না। আমাদের বাড়িটি লালবাগ কেল্লার ঠিক দক্ষিণে, মন্দিরের কাছে। এ মন্দিরে কখনো শাঁখের ধ্বনি শোনা যায়নি, এমনকি পূজা-অর্চনাও হতে দেখিনি কখনো। সম্ভবত এটি আগেই বেদখল বা বিক্রি হয়ে গিয়েছিল। এ মন্দিরটি এখন আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। প্রভাবশালীরা এটিকে হিন্দু বাবুদের কাছ থেকে কিনে ইট-বালির গাঁথুনিতে ঢেকে দিয়েছে। লোকচু থেকে আড়াল করে রেখেছে, তবে ভাঙা হয়নি। এ এলাকায় এখনো একাধিক মন্দির বা মঠ রয়েছে, যা পরিত্যক্ত অবস্থায় লোকচক্ষুর অন্তরালে রয়েছে। বলতে গেলে বুড়িগঙ্গার কাছে হলেও আশপাশে ছিল কয়েকটি পুকুর বা ডোবা। তবে তেমন ঘনবসতি না থাকায় প্রধান সড়কের লোকজন, গাড়ি-ঘোড়া এবং ল
দিন যায়..থাকে ক্লান্তি......।
১। ইদানিং খুব ক্লান্ত থাকি, ব্যস্ততার কারনেই হয়ত। একের পর এক ড্রাফট জমা দিচ্ছি থিসিসের বিভিন্ন পার্টের, তার সাথে থাকছে ডিলে করা এক্সপেরিমেন্টটা।যেহেতু ট্রাউজারের উপর আন্ডু পরি না, তাই এত ডামাডোলে ক্লান্তিটাকে এভয়েড করা সম্ভব হয় না।
২। মেয়ে বড় হয়ে যাচ্ছে। কেমন বড়? "আই নো এভরিথিং" টাইপের চাপাবাজি করার মত। তার সাথে নানা ধরনের পরামর্শ মুলক ডায়ালোগ থাকে।
ছোটবেলায় টিভির পোকা ছিলাম আমরা, তবে পুরাটা সময় টিভি দেখার ধৈর্য্য ছিলোনা, কারন কার্টুন ছবি চলতো সেই বিকেলেই শুধু। সন্ধ্যার দিকে হাতে দশটা আংটি পরে লোকজন কেতাবী আলোচনা শুরু করতো, তখন থেকে রাতের নাটক বা ইংলিশ সিরিয়ালের আগ পর্যন্ত টিভি দেখার কিছু ছিলো না। তাতেও আব্বার বকুনি...."এত মনোযোগ টিভিতে না দিয়ে পড়ালেখায় দিলেই তো হয়.....।" কথাটার ৬০% বাসার বড় সন্তান আপাকে উদ্দেশ্য করে বলা, কারন তার নেতৃত্বে আমাদের টিভি দেখা চলতো.....
বৃষ্টির কান্না শুনে মনে পড়লো তোমায়
বিলাসিতা করে বৃষ্টির আদর, ভালোবাসা, মাদকতায় ডুবে যাওয়া হয় না অনেকদিন। ইদানীং রোজ ভাবি ভোর থেকে টানা বৃষ্টি হতো সারাটাদিন! অফিস আসতে হতো না, আয়েশ করে বৃষ্টিতে ভিজতে যেতে না পারি, বারান্দায় বসে সামনের খোলা জায়গাটায় ফুটে থাকা অনেক ফুলের বৃষ্টিস্নান দেখে আরো একটু উদাস তো হতে পারতাম! কপালে সেই সুখটুকুও নেই। আজ কানের পাশ দিয়ে গেলো, আরেকটু আগে বৃষ্টিটা শুরু হলে অফিস ফাঁকি দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করা যেতো। যাকে ছুঁতে আজ আকাম থেকে একপশলা বৃষ্টি নেমে আসলো ধরণীতে, তাকে আমি কাল একটু আদর, ভালোবাসা পাঠালাম না বলে সে বদদোয়া দিয়েছে আর তাই বৃষ্টিটা সময় মতো ঝরলো না। সেই মেয়েটাকে একনজর দেখতে মাসুম ভাই আজকাল ঘনঘন চাটগাঁ চলে যায় আর ঢাকায় ফিরে এসে ডুবে যায়। সেই মেয়েটা হাত ধরে রাস্তা পার করে দিবে বলে কতজন যে আশায় দিন গুনে!
হলুদ স্মৃতির জন্ডিস
হলুদ স্মৃতির জন্ডিস
কলকল জলের তোড়ে
ভাসে একটা দুটো রেখা
সন্ধ্যার রঙ গাঢ় কিশোরীমুখে
ফুটন্ত হলুদ জন্ডিস
জ্বলমান ঠোঁট বলে ‘ব্যথা’।
কোথায় ব্যথা!!!
বরাহ বরাহ বলে ডাকে কেউ
কাঁপন তোলে স্নায়ুতে
নিনাদে অমল সময়;
দগ্ধডানা মেলি সূর্যালোকে
ব্যাধিঘোর কেটে বৃষ্টি নামুক
আড়ালে কুড়াবো স্মৃতিঝিনুক।
অপেক্ষা জাতক
প্রেতমুখ জাগে সন্ধ্যার আকাশে
সাপের খোলস ছাড়ি এইবেলা
ফ্যাকাশে চাঁদ মাথা তুলে
আমার মাংসে হবে নৈশভোজ
সিঁড়িতে শুয়ে মুত্যু ও ভালোবাসা
জানালার ওপারে ছায়াগণিকার মুখ
সাবধানে রাত্রি বেয়ে এসো শীর্ষে
মৃত্যুঞ্জয়ী সূর্যলোকের সাষ্টাঙ্গ আগুনে
বহুদিন পর উল্কাপথ দিয়ে যেতে
মনে পড়ে গেল দুর্বিনীত নীল প্রজাপতিকে
রাতের কমনীয়তায় মুহুর্মুহু রূপ বদলে
পরিণত হত হাড়সর্বস্ব কংকালে
তন্দ্রাঘুমে মুঠোতে ধরা স্বপ্ন
কোঁচড়ে রাখে যে বালিকা
টিপটিপ বৃষ্টির গল্প
গেট থেকে বের হয়ে ঘড়ি দেখল টিপটিপ, এমা ! প্রায় সোয়া নটা বাজে, ক্লাশ দশটায়! এই অফিস আওয়ারে রাস্তায় যা জ্যাম, নির্ঘাত আজ ক্লাশে ঢুকতে পারবে না। নিশাত জামান ম্যাডাম যে কড়া, চোখের দিকে তাকালেই ভয়ে গলা বুজে আসে আর কিছু বলার সাহস থাকেনা, কি জানি ক্লাশে ঢুকতে পারবে কি না, এসব সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে ছুটে গলি থেকে বের হবার সময় গলির মাঝখানে গিয়ে স্যান্ডেলটা ছিঁড়ে গেল টিপটিপের।
ইন্টার্ভিউ
এলোমেলো মাথা ঝাঁকড়া চুল
যদি করি একটু ভুল
টেনশন খাচ্ছে কুড়ে কুড়ে
কতো চিন্তা আসছে মাথা জুড়ে
তবু আমি উঠে দাড়াই
ভয়ের পথে পা বাড়াই
যা হবার তাই হবে
সময় হলে দেখা যাবে...
প্রথমে যেতে হবে ফিটফাট করে
দরজাটা একটু শব্দ করে
বলতে হবে ...আসতে পারি স্যার...
ব্যাস ভিতরে ধুকতে পারলেই সব খালাস...
ভাবছি যত সোজা
ভিতরে গেলে যাবে বোঝা
যখন ছুড়বে প্রশ্নের ঝাক
কোথা তখন খুজে পাব বাক.?..
যা হবার তাই হবে
সময় হলে দেখা যাবে
পারিনা তো কিচ্ছু আমি
বাংলাটা শুধু বলতে জানি
যদি বলে ইংরেজি
তখন আমি করব কি?
যা হবার তাই হবে
সময় হলে দেখা যাবে...।
যখন বলবে কাজের কথা
পারি আমি ঘোড়ার মাথা
গাধার মত তাকিয়ে থেকে
বলব আমি একটু বেকে
যা হবার তাই হবে
সময় হলে দেখা যাবে...।
মাথাটা পাতলা করে
ছুটবো এখন নিশানা ধরে
যা হবার তাই হবে...
সময় আমাকে বাঁচিয়ে দিবে...। 
আর রৌদ্র না উঠলেই কি হোত না ?
আজ রৌদ্র না উঠলেই কি হোত না ? কিছুক্ষন আরো বৃষ্টি ঝরতো আকাশ ভেঙ্গে। জল জমতো গাছের পাতায়, জানালার কাঁচে। জল জমতো ভাঙ্গা পথে। খোয়া উঠা রাজপথে। ধুয়ে যেত ঘাসের ডগার অনেকদিনের অবহেলার ধুলো। ঝুল বারান্দার গ্রীলে জমতো আরো কিছু বৃষ্টির ফোঁটা । হিম বাতাসে জড়িয়ে রাখতো কিছু ক্ষন।
কিছুক্ষন আরো বৃষ্টি ঝরতো আকাশ ভেঙ্গে। খিচুড়ী খাবার একটা বাহানা খুঁজতাম। গান শোনার বাহানা। ছুটে চলা নাগরিক জীবন কিছু বিরাম পেত , বৃষ্টির অজুহাতে। আলসেমি তা কাটতো সারা দিন, বৃষ্টি ভেজা অলস দুপুর। ঝিরি ঝিরি শব্দে কাটতো সময়গুলো।
আজ কি রৌদ্র না উঠলেই হোত না ? কিছুক্ষন আরো ঝরতো বৃষ্টি আমার আবেগের করিডোড়ে, খেয়ালী মনের খাতায়, কাব্যিক কিছু সময় ধরে।
শিরোনামহীন ৪
আমার কাজিনের কিচেন সরি চিকেন পক্স উঠছে তো আমার আরেক ফ্ল্যাটমেট বাসা ছেড়ে এক সপ্তাহের জন্য ভাগছে কারন তার নাকি আগে কখনোই পক্স হয় নাই তাই সে বুই পাইছে
লন্ডনের চেলসিতে প্রিন্স হ্যারির নেংটা কালের বন্ধুর নাইট ক্লাবের উপর বিধিনিষেধ জারি করছে লোকাল কাউন্সিল , স্থানীয় জনগনের অভিযোগের কারনে। আমাদের দেশের গনতান্ত্রিক যুবরাজগনের ( ! ) বন্ধুদের ক্লাব নিয়া এইসব করলে সবার গন্তব্য হবে বান্দরবান
মেয়েদের মন নাকি স্বয়ং সৃস্টিকর্তাও বুঝতে পারে না আর আমার মনে হয় লন্ডনের আবহাওয়া বোঝার সাধ্যও কারো নাই। দুপূরে কড়া রোদ বের হইছি জ্যাকেট ছাড়া তাও ঘামছি আর রাতে ফিরছি কাপতে কাপতে
লন্ডন আসার আগে কত কি নিয়া আসছি হুদাই ..কলম টলম কতকিছু আর এখন দেখি পাউন্ড শপে
মুক্তিযুদ্ধের সাদা কালো ইতিহাস রচনার প্রেক্ষাপট ও পরিণতি শেষ পর্ব
অতিকথনের ও অপ্রয়োজনীয় কথনের ভারে পর্যুদস্ত পূর্বের লেখাটার প্রয়োজনীয়তা হয়তো ছিলো না, আমি সরাসরিই মুক্তিযুদ্ধের সাদাকালো ইতিহাস রচনার পরিণতিতে আলোচনা শুরু করতে পারতাম। কিন্তু সে সময়ের বিশাল রাজনৈতিক জটিলতার সামান্য অংশও তাতে উঠে আসতো না। আমি যে খুব বেশী অভিজ্ঞ এ বিষয়ে এমন দাবী করাটাও অন্যায় হবে, কিন্তু যখন লেখাটা শুরু করেছিলাম তখন আমার আলোচনার আমার নিজের একটি সাধারণ পর্যবেক্ষণের উপরে ভিত্তি করেই আলোচনাটার বিস্তার করবো এমন ধারণা আমার ছিলো। প্রেক্ষাপটটা নির্দিষ্ট ছিলো কিন্তু অতিসাধারণ অনুভুতি কিংবা অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রান্তিকীকরণের বিষয়টি তাতে পরিস্কার বলা যেতো না। মুক্তিযুদ্ধের লড়াইটা মূলত ছিলো অর্থনৈতিক বৈষম্য কমিয়ে ধনভিত্তিক সমতার লড়াই যা একই সাথে মানুষের আত্মমর্যাদা এবং অস্তিত্বের স্বীকৃতির লড়াইও ছিলো। "মুক্তিযুদ্ধ ছিলো শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের মরিয়া লড়াই" এই বাক্য
মুক্তিযুদ্ধের সাদা কালো ইতিহাস রচনার প্রেক্ষাপট ও পরিণতি প্রথম পর্ব
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস এখনও প্রবল জাতীয়তাবাদী উচ্চ্বাসেই লেখা হচ্ছে, সেসব লেখায় স্মৃতিচারণে ঘটনা বিশ্লেষণেও জাতীয়তাবাদী মানসিকতার স্পষ্ট প্রভাব দেখা যায়, একদল বামনাকৃতির মানব, একজন দুইজন মহামানব এবং মুষ্ঠিমেয় কয়েকজন দানবের রূপরেখা তৈরীর এই জাতীয়তাবাদী প্রকল্প কেনো জনপ্রিয় সেটা আমার জানা নেই। হয়তো অতিজাতীয়তাবাদী উৎসাহে লেখা সাদা কালোর ইতিহাস সহজপাচ্য, সহজবোধ্য, সহজেই বিপণনযোগ্য এবং অধিকাংশ সময়েই সেটা সরল এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন। হয়তো এই ইতিহাস রাজনৈতিক ব্যবহারের যুৎসই উপাদান, হয়তো এভাবে জাতীয়তাবাদী আবেগ তৈরির রাজনীতিতে সাদা কালো ইতিহাস গ্রন্থগুলো ব্যবহার উপযোগী এবং সেটা গ্রহন করতে তেমন পরিশ্রম করতে হয় না লেখককে কিংবা পাঠককে।
ছুঁয়েছে এ গান আমার কান্নার সাত সুর
If you love something, set it free; if it comes backs it's yours, if it doesn't, it never was. রিচার্ড বাক’এর এই উক্তিটিকে মন্ত্র করে তিতলি সারাক্ষণ মনে মনে আউরাতে থাকে। নিজেকে শক্তি দিতে চেষ্টা করে। দশ বারের মধ্যে আট বার সে হেরে যায় নিজের কাছে আবার দু’বার জিতেও যায়। সে অপেক্ষা করে থাকবে সায়ানের ফিরে আসার। সায়ানতো তার নিজের অংশ, পথ ভুলে যায় না লোকে? সায়ান পথ হারিয়ে ফেলেছে, পথ খুঁজে ফিরে এসে তার সায়ান তাকে খুঁজবে তিতলি জানে। তিতলি তার সমস্ত দরজা, জানালা, ঘুলঘুলি খুলে দিয়ে সায়ানের ফেরার অপেক্ষায় রইলো। কতদিন করবে অপেক্ষা? দশ বছর? বিশ বছর? পুরো জন্ম কিংবা জন্মান্তর?
অনুভবে ।
ফেব্র্রুয়ারি মাসের পর আজ আমার প্রানের জায়গাতে গিয়েছিলাম সকালবেলা । প্রতি শুক্রবার কোন না কাজ ,কোন না কোন ঝামেলা এসে ভর করে বসে। িনয়মিত হতে চাইলেও কেন যেন নিয়মিত ভাবেই আমি অনিয়মিত। আমার বিরূদ্ধে তাই গাদাগাদা অভিযোগ,,,,ইচ্ছার অভাব,মনের টানের ঘাটতি,,আরও কত কি।
কিন্তু কি করে বোঝাই কবিতার অ আ ক খ না বুঝলেও,মন্এ মুগ্ধ করে ফেলার মত আবৄত্তি করতে না জানলেও আমার ভালোলাগা যে কতটা আছে ঐ জায়গাটার প্রতি.।।।
আজ বেশ নস্টালজিক হয়ে গিেয়ছিলাম। বেশ কিছু নতুন মুখ দেখলাম।ভালো লাগল।
কিন্তু পুরানো কিছু প্রিয় মুখ চোখের সামনে ভেসে উঠে বারবার অসহ্য যন্এনা দিয়ে খোঁচাতে লাগল। টেনে নিয়ে যেতে লাগল বৄন্দ আবৄত্তির সময় করা রিহাের্সল,আড্ডা, ফুর্তি,,,কি যে প্রানের মেলা।
এই সব দিন-রাত্রি
***
কয়েকদিন আগের কথা। আসলে কয়েক সপ্তাহ আগের। রিকশায়। রিকশাওয়ালার কথার ভীষণ আঞ্চলিক টানে নাড়িতে টান পড়ল।
- দিনাজপুর না ঠাকুরগাঁও?
- ঠাকুরগা। বিগলিত হাসিতে রিকশা চালাতে চালাতে রিকশাওয়ালার উত্তর।
- নতুন নাকি ঢাকায়?
- এক মাস হয় আসছি।
কথায় কিছুক্ষণ বিরতি । যাত্রী আর চালক যে যার ভূমিকায়। তারপর রিকশাওয়ালাই কথা পাড়লো।
-১০ হাজার টাকা জমা করার জন্য আইশছিলাম। তে ৮ হাজার টাকা হইসে। ১০ হইলে বাড়ি যাম।
- আর আসবেন না?
- পনের দিন থাকিম ওইঠে।
- ১০ হাজার তো অনেক টাকা। এতো টাকা দিয়ে কী করবেন?
- তে সংসার চালাইতে কম টাকা লাগেহ!
- টাকা তো জমেছে। ওইটা বাড়ান এখন। গ্রামে ব্যবসা করেন। দোকান দেন।
- হ্যাএএ! কিছু একটা তো করবা হোবে।
আর খুব বেশি কিছু কথা হয়নি। ভাড়া মিটিয়ে আসার সময় চালক আর যাত্রীর মাঝে অবশ্য শুভ কামনা বিনিময় ঘটেছিল- ভাল থাকেন তাইলে!
***