ইউজার লগইন
ব্লগ
রাজনীতি নিয়ে সিনেমা- ১: গণহত্যা পর্ব
কখনো সক্রিয় রাজনীতি করিনি। কিন্তু নিজেকে আমি রাজনীতিবিমুখ মনে করি না। রাজনীতি আমার প্রিয় বিষয়, পঠনেও। এমনকি সিনেমা দেখার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সিনেমা আমার সবচেয়ে পছন্দের। আর সেটি যদি সত্য কোনো ঘটনা নিয়ে হয় তাহলে আরও বেশি পছন্দের। এখনও আমি খুঁজে খুঁজে রাজনীতি নিয়ে তৈরি সিনেমা কিনি এবং দেখি।
একবার সামুতে রাজনীতি, সংঘাত ও কর্পোরেট ক্রাইম নিয়ে সিনেমার একটি তালিকা করেছিলাম। সেই তালিকা পূর্ণাঙ্গ ছিল না। অনেকদিন ধরে ভাবছিলাম পূর্ণাঙ্গ একটি তালিকা করবো। সেই চেষ্টা থেকেই এই লেখা।
এবার কর্পোরেট ক্রাইম বাদ দিলাম। এই ধরণের ছবি নিয়ে আলাদা করে লেখার ইচ্ছা আছে। এবার কেবলই রাজনীতি। আর রাজনীতি থাকলে সংঘাতও থাকবে। তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে ফিকশন বাদ দিয়েছি। আমার তালিকায় আছে সেই সব সিনেমা যার মধ্যে সত্যতা আছে। একটি লেখার মধ্যে সব সিনেমা আনা সম্ভব না। তাই পর্ব থাকছে। এটি প্রথম পর্ব।
স্মৃতির সড়ক
ইচ্ছে হলেই ভেজা যেতো। তুমুল বৃষ্টিতে ঘর বেসামাল। নিম গাছে চড়ুইর আনন্দ স্নান আরো লোভাতুর করে। হাত বাড়িয়ে এক মুঠো জল নিতে পারি। হাত বাড়িয়েও ফিরিয়ে আনি। বৃষ্টির ছটায় কেপে উঠছে বারান্দার ক্যাকটাস। যখন তোমার অপেক্ষায় কলেজ গেইটে, তখনো আকাশে ঝলমল রোদ। রোদে পুড়ছি আমি। আসছো তুমি তোমার কলেজ থেকে। এলে দেখি তোমার নাকে বিন্দু বিন্দু মুক্তো দানা। রুমাল দিয়ে মুছে নিতে চাইলে। বললাম থাকনা। বললে-এমনিতেই ঝরে পড়বে। বললাম- মুক্ত আনন্দে দেখবো মুক্ত ঝরা। তাল গাছে হেলান দিয়ে দাড়ালাম। আবদার করলে রিকশা বিহারের। চলছে রিকশা সবুজের খোজে। আমাদের ভাবনার রং, কথার রংও সবুজ। মনে পড়ে?
কাজী মোতাহার হোসেন এর কাছে লিখা কাজী নজরুল ইসলাম এর একটি চিঠি।
১৫, জুলিয়াটোলা স্ট্রীট
কলিকাতা
০৮-০৩-২৮
সন্ধ্যা
প্রিয় মতিহার
পরশু বিকালে এসেছি কলকাতা। ওপরের ঠিকানায় আছি। ওর আগেই আসবার কথা ছিল , অসুখ বেড়ে উঠায় আসতে পারিনি। ২/৪ দিন এখানেই আছি। মনটা কেবলই পালাই পালাই করছে। কোথায় যাই ঠিক করতে পারছিনে। হঠাৎ কোনদিন এক জায়গায় চলে যাবো, অবশ্য দু - দশ দিনের জন্য। যেখানেই যাই, আর কেউ না পাক, তুমি খবর পাবে।
বন্ধু, তুমি আমার চোখের জলের মতিহার, বাদল রাতের বুকের বন্ধু। যেদিন এই নিষ্ঠুর পৃথিবীর আর সবাই আমায় ভুলে যাবে , সেদিন অন্ততঃ তোমার বুক বেঁধে উঠবে। তোমার ঐ ছোট্ট ঘরটিতে শুয়ে , যে ঘরে তুমি আমায় প্রিয়ার মত জড়িয়ে শুয়েছিল, অন্ততঃ এইটুকু স্বান্তনা নিয়ে যেতে পারবো , এই কি কম সৌভাগ্য আমার !!!
আমি ফিরে যেতে চাই...
ইদানিং বৃষ্টিটা দেখাই হলো না। দেখা হয়েছে হয়তো কিন্তু ঠিক মতো উপলব্ধি করা হলো না।
অথচ একটা সময় বারান্দায় দাঁড়িয়ে রাস্তায় বৃষ্টি পড়া দেখতাম।
কি সুন্দর সেই দৃশ্য। বৃষ্টির ফোঁটা রাস্তায় পড়ে। আবার গাছের পাতায়ও পড়ে।
বৃষ্টি পড়ার শব্দ।
পাকা রাস্তায় মাটির গন্ধ পাওয়া যেতো না।
খুব ইচ্ছে করতো তখন মাটির গন্ধ শুকবার। কিন্তু উপায় কই?
উপায় নাই।
দিন দিন সব কিছু যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছে। ইদানিং কেনো জানি মনে হয়, কাজ করে হয়তো সময়টাকে হয়তো নষ্ট করছি।
কিন্তু কাজ তো করি ভবিষ্যতটাকে সুন্দর করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে।
মানুষ সবসময় ভবিষ্যতের জন্য কাজ করে, কষ্ট করে। কিন্তু সেই ভবিষ্যতটা কবে আসবে? সেই জন্মের পর থেকে ভবিষ্যতের চিন্তা কিন্তু ভবিষ্যতটা আর আসলো না।
সরোজ পাখি হতে চেয়েছিল
১
পাখিটাকে সরোজ ছেড়ে দিয়েছে ঠিকই। কিন্তু তার কেমন যেন মায়া পড়ে গেল ময়নাটার উপর। স্কুল থেকে বাসায় ফেরার একটা তাড়া ছিল প্রতিদিন, যতদিন পাখিটা ছিল। একটা সখ্যতাও তাদের মাঝে গড়ে উঠছিল। মার উপর এখন আবার কিছুটা রাগ হচ্ছে। মা যদি অমনভাবে না বলতো, তাহলে সরোজ পাখিটাকে এত তাড়াতাড়ি ছেড়ে দিতো না। এটাও ঠিকই তার ইচ্ছে হচ্ছিল পাখিটাকে খাঁচা থেকে ছেড়ে দেয়। কিন্তু পাখিটাকে হাতে তুললে সে ইচ্ছে আর থাকে না। কেমন তুলতুলে শরীর। এখন সে কী করে! স্কুল থেকে বাসায় ফিরলে কেমন সব ফাঁকা ফাঁকা লাগে। যখন ময়না ছিল না, তখন তো তার এত কষ্ট লাগেনি, এত খারাপ লাগা দূরে থাক, কোন কিছু এত ফাঁকা ফাঁকা লাগেনি।
রঙ্গন ঝোপের পরে টুপুর-টাপুর বৃষ্টি ঝরে
১.
সেদিন তানবীরা'পু বলেছে, মানুষ মানুষকে ভালবাসবে এতে চেতার কি আছে? আইনটা চালু হওয়ার পর থেকে মেসবাহ ভাই সেটার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করতেসে। কাজটায় আমার পূর্ণ সমর্থনও আছে। কারণ আমি লীনা আপুর সঙ্গে একমত। ভালোবাসা পবিত্র জিনিস।
২.
কবে যেন একটা মহল্লায় গিয়েছিলাম। সেটা একটা গাছ-গাছালিতে ভরা পাখির কিচিরমিচিরে মুখরিত মহল্লা। সেই সন্ধ্যায় একটা ঝুম বৃষ্টি হয়ে যাওয়ার পর মহল্লায় কেউ ছিলো না। আমি একা একা বসেছিলাম এক কাপ চা হাতে।
তখন যে রকম স্নিগ্ধ নীরব একটা অনুভূতি মনকে আচ্ছন্ন করে ফেলেছিলো, তেমন সবসময় করে না। যেন একটা জমাট বরফের টুকরা আস্তে আস্তে গলে পানি হয়ে যাচ্ছে। আমি খুব নিবিড়ভাবে নিজের সঙ্গে বসে বসে সময় কাটালাম। মানুষ তার জীবনে কয়টা সন্ধ্যা নিজের সঙ্গে কাটাতে পারে?
৩.
শিরোণামবিহীন শিক্ষাপ্যাচাল
ইংরেজী মিডিয়াম থেকে যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বুয়েটে ভর্তি হচ্ছে তাদের সবার একটা সাধারণ অভিযোগ
কিছুতেই এডাপ্ট করতে পারছি না, পড়াশোনার ধরণ সম্পূর্ন আলাদা, পাতার পর পাতা অর্থহীন মুখস্ত করে যাওয়া, সংজ্ঞা আর ব্যাখ্যা মুখস্ত করে উগড়ে আসা পরীক্ষার খাতায়, মেধা কিংবা প্রজ্ঞা কিংবা উপলব্ধি যাচাইয়ের কোনো প্রক্রিয়া নয় এটি, বরং একটা অর্থহীন প্রতিযোগিতা যেখানে শেষ পর্যন্ত যে ছেলেটা পাতার পর পাতা অবিকল লিখে আসতে পারে সেই প্রথম হয়। আমাদের কারোই এমন পাতার পর পাতা মুখস্ত করবার অভ্যাস নেই, স্বভাবতই আমরা পিছিয়ে পড়ছি, এমন না ক্লাশে যে ছেলেটা টপ করছে সে আমার চেয়ে বেশী বুঝে, কিংবা এমনও না যে আমরা পরিশ্রম করছি না, কিন্তু পরীক্ষার নিয়মের কারণে আমরা পিছিয়ে পড়ছি, চেষ্টা করছি পাতার পাতার বর্ণনাত্মক ধাঁচে মুখস্ত করে যাওয়া, কিন্তু অভ্যাস নেই বলে রেজাল্ট ভালো হচ্ছে না। ফ্রাস্ট্রেশন চলে আসছে।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি-১
১৯৭১ সাল দেশে যুদ্ধ চলছে। তখন আমার বয়স ৬-৭ বছর। তাতে কী, এ সময়ের ঘটনা আজো স্মৃতিতে গেথে আছে। আমরা তখন সপরিবারে (মা-বাবা, মেজভাই-ভাবি, আমি ও আমার অগ্রজ ভাই) পুরান ঢাকার লালবাগের কাজী রিয়াজ উদ্দিন রোডে নিজবাড়িতে ছিলাম। তখন এখানে এতোটা ঘনবসতি ছিল না। আমাদের বাড়িটি লালবাগ কেল্লার ঠিক দক্ষিণে, মন্দিরের কাছে। এ মন্দিরে কখনো শাঁখের ধ্বনি শোনা যায়নি, এমনকি পূজা-অর্চনাও হতে দেখিনি কখনো। সম্ভবত এটি আগেই বেদখল বা বিক্রি হয়ে গিয়েছিল। এ মন্দিরটি এখন আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। প্রভাবশালীরা এটিকে হিন্দু বাবুদের কাছ থেকে কিনে ইট-বালির গাঁথুনিতে ঢেকে দিয়েছে। লোকচু থেকে আড়াল করে রেখেছে, তবে ভাঙা হয়নি। এ এলাকায় এখনো একাধিক মন্দির বা মঠ রয়েছে, যা পরিত্যক্ত অবস্থায় লোকচক্ষুর অন্তরালে রয়েছে। বলতে গেলে বুড়িগঙ্গার কাছে হলেও আশপাশে ছিল কয়েকটি পুকুর বা ডোবা। তবে তেমন ঘনবসতি না থাকায় প্রধান সড়কের লোকজন, গাড়ি-ঘোড়া এবং ল
দিন যায়..থাকে ক্লান্তি......।
১। ইদানিং খুব ক্লান্ত থাকি, ব্যস্ততার কারনেই হয়ত। একের পর এক ড্রাফট জমা দিচ্ছি থিসিসের বিভিন্ন পার্টের, তার সাথে থাকছে ডিলে করা এক্সপেরিমেন্টটা।যেহেতু ট্রাউজারের উপর আন্ডু পরি না, তাই এত ডামাডোলে ক্লান্তিটাকে এভয়েড করা সম্ভব হয় না।
২। মেয়ে বড় হয়ে যাচ্ছে। কেমন বড়? "আই নো এভরিথিং" টাইপের চাপাবাজি করার মত। তার সাথে নানা ধরনের পরামর্শ মুলক ডায়ালোগ থাকে।
ছোটবেলায় টিভির পোকা ছিলাম আমরা, তবে পুরাটা সময় টিভি দেখার ধৈর্য্য ছিলোনা, কারন কার্টুন ছবি চলতো সেই বিকেলেই শুধু। সন্ধ্যার দিকে হাতে দশটা আংটি পরে লোকজন কেতাবী আলোচনা শুরু করতো, তখন থেকে রাতের নাটক বা ইংলিশ সিরিয়ালের আগ পর্যন্ত টিভি দেখার কিছু ছিলো না। তাতেও আব্বার বকুনি...."এত মনোযোগ টিভিতে না দিয়ে পড়ালেখায় দিলেই তো হয়.....।" কথাটার ৬০% বাসার বড় সন্তান আপাকে উদ্দেশ্য করে বলা, কারন তার নেতৃত্বে আমাদের টিভি দেখা চলতো.....
বৃষ্টির কান্না শুনে মনে পড়লো তোমায়
বিলাসিতা করে বৃষ্টির আদর, ভালোবাসা, মাদকতায় ডুবে যাওয়া হয় না অনেকদিন। ইদানীং রোজ ভাবি ভোর থেকে টানা বৃষ্টি হতো সারাটাদিন! অফিস আসতে হতো না, আয়েশ করে বৃষ্টিতে ভিজতে যেতে না পারি, বারান্দায় বসে সামনের খোলা জায়গাটায় ফুটে থাকা অনেক ফুলের বৃষ্টিস্নান দেখে আরো একটু উদাস তো হতে পারতাম! কপালে সেই সুখটুকুও নেই। আজ কানের পাশ দিয়ে গেলো, আরেকটু আগে বৃষ্টিটা শুরু হলে অফিস ফাঁকি দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করা যেতো। যাকে ছুঁতে আজ আকাম থেকে একপশলা বৃষ্টি নেমে আসলো ধরণীতে, তাকে আমি কাল একটু আদর, ভালোবাসা পাঠালাম না বলে সে বদদোয়া দিয়েছে আর তাই বৃষ্টিটা সময় মতো ঝরলো না। সেই মেয়েটাকে একনজর দেখতে মাসুম ভাই আজকাল ঘনঘন চাটগাঁ চলে যায় আর ঢাকায় ফিরে এসে ডুবে যায়। সেই মেয়েটা হাত ধরে রাস্তা পার করে দিবে বলে কতজন যে আশায় দিন গুনে!
হলুদ স্মৃতির জন্ডিস
হলুদ স্মৃতির জন্ডিস
কলকল জলের তোড়ে
ভাসে একটা দুটো রেখা
সন্ধ্যার রঙ গাঢ় কিশোরীমুখে
ফুটন্ত হলুদ জন্ডিস
জ্বলমান ঠোঁট বলে ‘ব্যথা’।
কোথায় ব্যথা!!!
বরাহ বরাহ বলে ডাকে কেউ
কাঁপন তোলে স্নায়ুতে
নিনাদে অমল সময়;
দগ্ধডানা মেলি সূর্যালোকে
ব্যাধিঘোর কেটে বৃষ্টি নামুক
আড়ালে কুড়াবো স্মৃতিঝিনুক।
অপেক্ষা জাতক
প্রেতমুখ জাগে সন্ধ্যার আকাশে
সাপের খোলস ছাড়ি এইবেলা
ফ্যাকাশে চাঁদ মাথা তুলে
আমার মাংসে হবে নৈশভোজ
সিঁড়িতে শুয়ে মুত্যু ও ভালোবাসা
জানালার ওপারে ছায়াগণিকার মুখ
সাবধানে রাত্রি বেয়ে এসো শীর্ষে
মৃত্যুঞ্জয়ী সূর্যলোকের সাষ্টাঙ্গ আগুনে
বহুদিন পর উল্কাপথ দিয়ে যেতে
মনে পড়ে গেল দুর্বিনীত নীল প্রজাপতিকে
রাতের কমনীয়তায় মুহুর্মুহু রূপ বদলে
পরিণত হত হাড়সর্বস্ব কংকালে
তন্দ্রাঘুমে মুঠোতে ধরা স্বপ্ন
কোঁচড়ে রাখে যে বালিকা
টিপটিপ বৃষ্টির গল্প
গেট থেকে বের হয়ে ঘড়ি দেখল টিপটিপ, এমা ! প্রায় সোয়া নটা বাজে, ক্লাশ দশটায়! এই অফিস আওয়ারে রাস্তায় যা জ্যাম, নির্ঘাত আজ ক্লাশে ঢুকতে পারবে না। নিশাত জামান ম্যাডাম যে কড়া, চোখের দিকে তাকালেই ভয়ে গলা বুজে আসে আর কিছু বলার সাহস থাকেনা, কি জানি ক্লাশে ঢুকতে পারবে কি না, এসব সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে ছুটে গলি থেকে বের হবার সময় গলির মাঝখানে গিয়ে স্যান্ডেলটা ছিঁড়ে গেল টিপটিপের।
ইন্টার্ভিউ
এলোমেলো মাথা ঝাঁকড়া চুল
যদি করি একটু ভুল
টেনশন খাচ্ছে কুড়ে কুড়ে
কতো চিন্তা আসছে মাথা জুড়ে
তবু আমি উঠে দাড়াই
ভয়ের পথে পা বাড়াই
যা হবার তাই হবে
সময় হলে দেখা যাবে...
প্রথমে যেতে হবে ফিটফাট করে
দরজাটা একটু শব্দ করে
বলতে হবে ...আসতে পারি স্যার...
ব্যাস ভিতরে ধুকতে পারলেই সব খালাস...
ভাবছি যত সোজা
ভিতরে গেলে যাবে বোঝা
যখন ছুড়বে প্রশ্নের ঝাক
কোথা তখন খুজে পাব বাক.?..
যা হবার তাই হবে
সময় হলে দেখা যাবে
পারিনা তো কিচ্ছু আমি
বাংলাটা শুধু বলতে জানি
যদি বলে ইংরেজি
তখন আমি করব কি?
যা হবার তাই হবে
সময় হলে দেখা যাবে...।
যখন বলবে কাজের কথা
পারি আমি ঘোড়ার মাথা
গাধার মত তাকিয়ে থেকে
বলব আমি একটু বেকে
যা হবার তাই হবে
সময় হলে দেখা যাবে...।
মাথাটা পাতলা করে
ছুটবো এখন নিশানা ধরে
যা হবার তাই হবে...
সময় আমাকে বাঁচিয়ে দিবে...। 
আর রৌদ্র না উঠলেই কি হোত না ?
আজ রৌদ্র না উঠলেই কি হোত না ? কিছুক্ষন আরো বৃষ্টি ঝরতো আকাশ ভেঙ্গে। জল জমতো গাছের পাতায়, জানালার কাঁচে। জল জমতো ভাঙ্গা পথে। খোয়া উঠা রাজপথে। ধুয়ে যেত ঘাসের ডগার অনেকদিনের অবহেলার ধুলো। ঝুল বারান্দার গ্রীলে জমতো আরো কিছু বৃষ্টির ফোঁটা । হিম বাতাসে জড়িয়ে রাখতো কিছু ক্ষন।
কিছুক্ষন আরো বৃষ্টি ঝরতো আকাশ ভেঙ্গে। খিচুড়ী খাবার একটা বাহানা খুঁজতাম। গান শোনার বাহানা। ছুটে চলা নাগরিক জীবন কিছু বিরাম পেত , বৃষ্টির অজুহাতে। আলসেমি তা কাটতো সারা দিন, বৃষ্টি ভেজা অলস দুপুর। ঝিরি ঝিরি শব্দে কাটতো সময়গুলো।
আজ কি রৌদ্র না উঠলেই হোত না ? কিছুক্ষন আরো ঝরতো বৃষ্টি আমার আবেগের করিডোড়ে, খেয়ালী মনের খাতায়, কাব্যিক কিছু সময় ধরে।
শিরোনামহীন ৪
আমার কাজিনের কিচেন সরি চিকেন পক্স উঠছে তো আমার আরেক ফ্ল্যাটমেট বাসা ছেড়ে এক সপ্তাহের জন্য ভাগছে কারন তার নাকি আগে কখনোই পক্স হয় নাই তাই সে বুই পাইছে
লন্ডনের চেলসিতে প্রিন্স হ্যারির নেংটা কালের বন্ধুর নাইট ক্লাবের উপর বিধিনিষেধ জারি করছে লোকাল কাউন্সিল , স্থানীয় জনগনের অভিযোগের কারনে। আমাদের দেশের গনতান্ত্রিক যুবরাজগনের ( ! ) বন্ধুদের ক্লাব নিয়া এইসব করলে সবার গন্তব্য হবে বান্দরবান
মেয়েদের মন নাকি স্বয়ং সৃস্টিকর্তাও বুঝতে পারে না আর আমার মনে হয় লন্ডনের আবহাওয়া বোঝার সাধ্যও কারো নাই। দুপূরে কড়া রোদ বের হইছি জ্যাকেট ছাড়া তাও ঘামছি আর রাতে ফিরছি কাপতে কাপতে
লন্ডন আসার আগে কত কি নিয়া আসছি হুদাই ..কলম টলম কতকিছু আর এখন দেখি পাউন্ড শপে