ইউজার লগইন
ব্লগ
২০৭১ - এ ব্লগ স্টোরি (২৩)
যখন সময় থাকে তখন আমরা গান শুনি। নন-ডিভাইসাল। একটা পে-চ্যানেল আছে – যেখানে রিকুয়েস্ট পাঠালে শিল্পী সরাসরি গান শুনিয়ে থাকেন। এই বৃদ্ধবয়সে কোনধরণের গান উপযোগী হবে সে নিয়ে কিছুদিন আগে একটা মিউজিক্যাল ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছিলাম। ডাক্তার সাহেব মাইডিয়ার টাইপের। লাউড স্পিকারে উদ্ভট কিছু শুনছেন। আমাকে দেখে বললেন, বাহ! অনেকদিন পরে ভালো একজন প্যাশেন্ট পাওয়া গেলো! আমি একটু ভিমড়ি খেলাম, প্যাশেন্ট? তারপরে একটু ব্যাখ্যা করে বললাম, দেখুন আমি স্রেফ কিছু গানের রিকমন্ডেশন নেবার জন্য এসেছি! উনি বললেন, ওই হলো- আপনি হিউম্যান ভোকালই তো শুনতে চাইবেন! দেখেই বুঝেছি!
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর আওয়ামি ঘৃণাবাদি সংস্কৃতি বিষয়ে আলোচনা...
মুক্তিযুদ্ধ মানে কী? এই শব্দের মাজেজা কি ব্যক্তি বিশেষে আপেক্ষিক হইতে পারে? আমি একজন মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষ মানুষ হিসাবে মনে করি মুক্তিযুদ্ধ শব্দের সিগনিফিকেন্সে অনেক মাজেজা খুঁইজা পাইলেও তাতে আপেক্ষিকতা থাকতে পারে না। হয়তো আমার কাছে মুক্তিযুদ্ধ মানে বাঙালি জাতির অর্জন মনে হয় আরেকজনের কাছে এই অর্জনের পাশাপাশি পাকিস্তানি নির্যাতনের চিত্র ভাইসা উঠে। তবে আমার কাছে মুক্তিযুদ্ধরে পাকিস্তানি শোষণের বা বৈষম্যমূলকতার বিরুদ্ধে স্বাধীনতার সংগ্রাম বইলা মনে হয় কিন্তু আরেকজনের কাছে ২৫ মার্চের হামলার প্রতিবাদ মনে হইতে পারে কিনা সেইটা নিয়া আমার প্রশ্ন থাকে। মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির স্বপ্ন প্রচেষ্টাই ছিলো বইলা আমি মনে করি। এর বিপরীত যদি কেউ বলে তবে সেইটা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী একটা বচন।
ফুল রাঙা পথ
মে মাসটা বাংলাদেশের জন্য মোটেও সুবিধাজনক মাস না। দিনের দৈর্ঘ্য প্রতিদিন একটু একটু করে লম্বা হতে থাকে। তাতে অসুবিধা ছিলো না, যদি গরমটা এমন চাঁদি-ফাটানো না হতো। তার ওপর এই সময়ে লোড শেডিং-ও থাকে সর্বোচ্চ মাত্রায়। ফ্যান চালালেও আর্দ্রতা বেশি বলে বিশেষ সুবিধা হয় না। এমনকি রাতের বেলাও একটু হাঁটলে ঘামে জবজবে হয়ে যেতে হয়। তবু একটা কারণে মে মাসটা আমার কাছে অসাধারণ লাগে। আমি সারাটা বছর শুধু এই কারণে মে মাসের জন্য অপেক্ষা করি। কারণটা আর কিছুই না, এই সময় বনস্পতিরা রঙিন হয়ে ওঠেন।
আড়ি দিবস !
আজ আড়ি দিবস। আন্তর্জাতিক বা জাতীয় নয়। একান্ত আমার ব্যক্তিগত। আর আড়ি যার সঙ্গে,তার সাথে আমার সম্পর্কটাও ব্যক্তিগত। এমন একটি মূহুর্ত ছিলনা, যখন তিনি আমাকে বা আমি তাকে আকড়ে থাকতাম না। পৃথিবীতে যখন আধার নামতো, তখনও আমি তার আভায় আলোকিত। এক ভোরে আনকোরা আলো এসে পড়েছিল ঘরে। পূবের জানালা দিয়ে ঠিক তার মুখায়বে।কাচা হলুদ রঙে রাঙা ঐ মুখটির দিকে আমি মুগ্ধ হয়ে চেয়ে আছি। মুখটি তার আমার দিকে ফেরানো। ডান গালে এসে চুল লুটোপুটি খাচ্ছে ভোরের বাতাসে। আমি চুল সরিয়ে দিলাম আলতো হাতে। অপলক আমার পলক পড়লো তার মৃদু হাসিতে। হাসিটার আয়ু হয়তো এক সেকেন্ডও ছিলনা। তারপর কঠিন হতে থাকে তার মুখায়ব। হলুদ আভা ফ্যাকাশে হতে থাকে। আমি মুখ ফিরিয়ে নেই জানালায়। বাইরে ভোরের সূর্যটা চলে গেল মেঘের আড়ালে । তারপর থেকে আমার অমবস্যায় বসবাস। আর সেই দিন থেকেই মায়ের সঙে আমার আড়ি!
যদিও মা দিবস ......
আজ মা দিবস । মা'কে ভালোবাসতে দিন লাগে না তবুও একটা দিন একটু বেশী করে মা কে ভালোবাসার আইডিয়া টা খারাপ না। আজ তাই ফেসবুকে মা কে নিয়ে স্ট্যাটাসের ছড়াছড়ি, হয়তো অনেকে মা'র জন্য টুকটাক গিফট কিনবে ।
শীর্ষেন্দুর পার্থিব উপন্যাসে মা কে নিয়ে একটা লেখা পড়েছিলাম -মানুষ যখন ভয় পায়, যখন বিপদে পড়ে, যখন মনে হয় একা , তখন ভয়ার্ত শিশুর মত মা'কেই আকড়ে ধরে। " আসলেই মা'র প্রতি অনুভূতিই এমন । পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়।
মা'কে নিয়ে কিছু লিখতে পারিনা, আজও মা'কে নিয়ে লিখবো না। যদিও আজ মা দিবস, কিন্তু আমি লিখতে বসেছি আমার বড় বোন কে নিয়ে।
৩ বছরের ব্যবধানে বাবা - মা যখন মারা গেল, বড় বোন আবির্ভুত হল মা -বাবা তথা অভিভাবক এর ভূমিকায়। তখন সে মাত্র এস এস সি পরীক্ষা দিয়ে কলেজে ভর্তি হয়েছে। আর আমি সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র।
অবহেলিত মা দিবস : মা তোমায় সালাম

মা দিবস উপলক্ষ্যে আইরিন সুলতানার ব্যানার...
আজ ২৫শে বৈশাখ... বিশ্ব কবি রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরের জন্মদিন... অগণিত ভক্তকুলের হৃদয়ে বরিষ ধারার মাঝে শান্তির বাণী ছড়ায়। ভ্রাতৃপ্রতিম দুইটি দেশ বাংলাদেশ এবং ভারতে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মাঝে পালিত হচ্ছে জন্ম শত বার্ষিকী। বহুগুনে গুণান্বিত এই কবি একধারে কবি, জমিদার, ক্ষুদ্র ঋণের জনক (বিতর্কিত নয়), নোবেল লরিয়েট (এইটার ভাগ ও ভারত সরকার চায় নাই), আরো অনেক কিছু।
আবার...
মায়ের হাসিমুখ ........ছোট গল্প
রাশেদ বিয়ে করেছে আজ প্রায় দুই বছর হলো , আর প্রবাস জীবনের আট বছর হতে চললো। ওর বউ এরিকা আইরিশ । বাচ্চা হয়নি এখনো কিন্তু ওদের ভালোবাসা এখনো ঠিক সেইদিন গুলোর মতোই যখন ভার্সিটিতে ক্লাশ ফাকি দিয়ে প্রেম করতো ।
সারাদিন অফিসে ব্যস্ত সময় পার করার পর যতটুকু সময় পায় পুরাটাই নিজেদের মতো করে কাটায় ওরা আর সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্নে বিভোর থাকে।
উইকএন্ড নাইট ......সারা শহর অলস ঘুমিয়ে পরেছে।
ঠিকানা কেবলই ভুল হয়ে যায় !
শুকতারা কিন্ডারগার্ডেন। কলাবাগানের এই স্কুলটি এখন বিলুপ্ত। যখন চিনতে পেরেছি কোনটি ক আর কোন ইংরেজি এ। বা গড়গড়িয়ে বলতে পারি- ভোর হলো দোর খোল খুকুমনি উঠরে কিংবা বাশ বাগানের মাথার উপরে চাদ উঠেছে ঐ, মাগো আমার শোলক বলার কাজলা দিদি কই? ঐ বয়সটাতেই মায়ের হাত ধরে শুকতারা কিন্ডারগার্ডেনে ঢুকে পড়েছিলাম। ভর্তি পড়বো সেড়ে বলা হলো কেজি ওয়ানে গিয়ে বসতে। আমি চামড়ার একটি সুটকেস (যার ভেতরে ছিল একটা আদর্শ লিপি আর বাল্য শিক্ষার বই) নিয়ে একটা ক্লাসে নিজ নিজেই বসে পড়ি। যিনি ক্লাস নিচ্ছিলেন সেই আপা কেবল জানতে চাইলো- বাবু তুমি নতুন? আমি বললাম- উপস্থতি ম্যাম। সবাই কেনো যেনো হেসে ফেললো।পরের ঘণ্টাই ছিল টিফিন প্রিয়ড। আরেকজন ম্যাম এসে আমাকে বললো বাবু এটাতো ক্লাস ওয়ান। তুমি ভুল ক্লাসে এসে বসেছো!
মুক্তিযুদ্ধের ফ্যান্টাসী ছবি গেরিলা " দর্শক প্রতিক্রিয়া "
ডিসক্লেইমারঃ এটা হতাশ এবং ক্ষুব্ধ দর্শকের অনুভুতি, সুতরাং এই রিভিউ পড়ে যারা ছবিটা দেখতে না যাওয়ার কথা ভাবছেন তারা অবশ্যই হলে যাবেন। দিল্লীর লাড্ডু একা একা খেতে হয় না
মেহেরজানকে মুক্তিযুদ্ধের ফ্যান্টাসী সিনেমা বলা হলে গেরিলাও একই কারণে মুক্তিযুদ্ধের উপর ফোক ফ্যান্টাসি ঘারানার ছবি বিবেচিত হতে পারে। নাসিরউদ্দীন ইউসুফ এবং এবাদুর রহমানের যৌথ ধর্ষণে সৈয়দ শামসুল হলের নিষিদ্ধ লোবান উপন্যাস থেকে যেই চিত্রনাট্য পয়দা হয়েছে সেটার গভীরতা নেই, একজন মুক্তিযোদ্ধার অভিজ্ঞতা এবং নিষিদ্ধ লোবানের ছায়া অবলম্বনে আমার স্বল্প জীবনে দেখা মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে বাজে ছবিটা "গেরিলা"
তুমি ভালবেসেছিলে বলেই
তুমি ভালবেসেছিলে বলেই ,
মৃত্যুর উমমাদনাকে পেছনে ফেলে আরেকবার বেঁচে উঠা
পাগলের মতো করে বাচার লড়াই করা...
তুমি ভালবেসেছিলে বলেই ,
আমাকে নিয়ে আমার মেতে থাকা
নিজেকে সাজিয়ে গুছিয়ে তোমার পথ-পানে চেয়ে থাকা...
তুমি ভালবেসেছিলে বলেই..
লাল শাড়ি লালচুরি পরে মাথায় সিদুরের রেখা টানা...
স্বাধীনতা গুলো জড় করে তোমার সাজানো ঘরের ঘরনী হওয়া..
তুমি ভালবেসেছিলে বলেই ,
তোমার পথের সাথে নিজের পথের ঠীকানা লিখা
পুরানো পথের নাশানা মুছে ফেলা।
তুমি ভালবেসেছিলে বলেই ,
নিজের ভিতরে নিজেকে ভেঙেচুরে
নতুন করে গড়ে তোলা....
বাস রে বাস!!
অফিস থেকে যখন গাড়ি পাইনি, বাসই ছিলো ভরসা। বাসে যাতায়াত করার কথা শুনে একবন্ধু বলেছিল, “আহা, এবার দেখবা কতো ধাক্কাধাক্কিতে ওস্তাদ আর ঝগড়াটি তুমি”। আসলেই একেকদিন একেক কান্ড দেখতাম, ধাক্কা দিয়া বাসে ওঠা আগে সিটে বসা নিয়া। সবাই নিরুপায়, আর সবারই অফিস যাবার তাড়া থাকে, আরামে যাবার ইচ্ছে থাকে। বাসে ঝগড়াতে যোগ না দিলেও মজা করে সেইসব দেখাতেই আমার বিমলান্দ।
এখন ঢাকার বাসে মেয়েদের জন্যে ৯টা সিট বরাদ্দ করেছে সরকার। যদিও পাবলিক বাসে দেখিনি এটা, কিন্তু টিকিট কাটা বাসগুলোতে ডানদিকের ৯টা সিট মেয়েদের জন্যে রাখা হয়। বাসের গায়ে ডান পাশে লেখা থাকে “মহিলা, শিশু ও প্রতিবন্ধিদের জন্যে বরাদ্দকৃত”। এই বরাদ্দকৃত সিটের ব্যাপারে অনেকেই ওয়াকিবহাল এখন, তবু হরহামেশাই ঝামেলা বেধেঁ যায়।
লুকানো সংকট
ইয়াহু মেইলের সিনিয়র ডিরেক্টর (প্রডাক্ট ম্যানেজমেন্ট) ডেভিড ম্যাকডুয়েল সেদিন বলছিলো, ভাই আমরা কিছু চরম চরম ফিচার লাগিয়েছি আমাদের আপগ্রেড ভার্সনে। এতে তাড়াতাড়ি মেইল করতে পারবেন, আনলিমিটেড স্পেস পাবেন, আরো সহজে আপনার এ্যকাউন্ট ইউজ করতে পারবেন; অনেক কিছু করতে পারবেন।
আমি মুখটা অন্যদিক ঘুরিয়ে রাখলাম। কি পেইন! আমি কি চেয়েছি কোনো বাড়তি সুবিধা? শুধু যে সিস্টেমটায় আমি স্বচ্ছন্দ্য, সেটা বানচাল না হলেই হলো। কিন্তু ডেভিড একটা নচ্ছার। বীমা কোম্পানীর লোকগুলোর মতো পিছে লেগে থাকে। যদিও আমাদের দেশে বীমা কোম্পানীর চেয়ে বেশি দৌরাত্ম্য এমএলএম কোম্পানীর লোকদের। আসলে আমরা তো সবসময় পশ্চিম থেকে পঞ্চাশ বছর পিছিয়ে থাকি, তাই ওদের পঞ্চাশ বছর আগেকার পুরোনো আমের আঁটি নিয়ে বসে আছি এখনো।
টুপুর-টাপুর বৃষ্টি ঝরে রঙ্গন ঝোপের পরে
১.
সেদিন তানবীরা'পু বলেছে, মানুষ মানুষকে ভালবাসবে এতে চেতার কি আছে? আইনটা চালু হওয়ার পর থেকে মেসবাহ ভাই সেটার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করতেসে। কাজটায় আমার পূর্ণ সমর্থনও আছে। কারণ আমি লীনা আপুর সঙ্গে একমত। ভালোবাসা পবিত্র জিনিস।
২.
কবে যেন একটা মহল্লায় গিয়েছিলাম। সেটা একটা গাছ-গাছালিতে ভরা পাখির কিচিরমিচিরে মুখরিত মহল্লা। সেই সন্ধ্যায় একটা ঝুম বৃষ্টি হয়ে যাওয়ার পর মহল্লায় কেউ ছিলো না। আমি একা একা বসেছিলাম এক কাপ চা হাতে।
তখন যে রকম স্নিগ্ধ নীরব একটা অনুভূতি মনকে আচ্ছন্ন করে ফেলেছিলো, তেমন সবসময় করে না। যেন একটা জমাট বরফের টুকরা আস্তে আস্তে গলে পানি হয়ে যাচ্ছে। আমি খুব নিবিড়ভাবে নিজের সঙ্গে বসে বসে সময় কাটালাম। মানুষ তার জীবনে কয়টা সন্ধ্যা নিজের সঙ্গে কাটাতে পারে?
৩.
অচিন্তন অনুভূতি
এক ধোঁয়াশা সকাল
এক মুঠো রোধ
জলকণার রাশি বয়ে চলেছে নদীর কুল ধরে
এরই মাঝে আছড়ে পড়ছে গাঙচিল
বিচিত্র মানুষের এই জীবন প্রকৃতির লীলাখেলা
কখনও ভেসে যায়ে আপন আনন্দে
কখনও বা কারও জোর করা কিছু পদক্ষেপ
তবুও মানুষ চলছে তার জীবনের অববাহিকায়ে
কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু স্মৃতি কালক্ষেপণ চালাচ্ছে জীবনের এই ধারাতে
নষ্ট করতে চাচ্ছে প্রশান্তির ছায়াকে
কিন্তু সে কি তা আসলেই করতে পারছে?
না মরিচিকার মত দুমড়ে মুচড়ে পড়ছে জীবনের অন্ধকার কুটরিতে?
মাঝে মাঝে সুখের অবসন্নতায়ে মানুষের একি মাখমাখি...!
তার মাঝে কি দুঃখ গুলো তাকে মলিন পরশ বুলাতে চাচ্ছে?
মানুষ কি ভুলে যাচ্ছে জীবনটাকে?
রোবটের তৈরি ইঞ্জিনকে বেছে নিচ্ছে?
না, একটি শুভ্র সকালের প্রতীক্ষায়ে তীর্থের কাকের মত নুড়ি কুরচ্ছে?
সেই সুন্দর সকাল যা মানুষকে এনেদিবে অনাবিল প্রশান্তি
একগুচ্ছ মেঘ আর কিছু শিশির যুক্ত ঘাসের মুক্ত ছড়ান আবেশ
আমরা যাদের মৃত্যুকে মহীয়ান করতে চাই , আত্মতৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে যাদের আহার্য হরণ করি
জোনাথন সুইফটের ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প ডাবলিন উপকণ্ঠে শুরু হওয়ার প্রায় তিন শতাব্দী পরে জুতা আবিস্কারের মতো মুহাম্মদ ইউনুস আবিস্কার করলেন গ্রামীণ ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প, প্রায় তিন শতাব্দী প্রাচীন এই ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্পের মৌলিক কাঠামোতে কোনো পরিবর্তন আসে নি। সাপ্তাহিক ঋণ পরিশোধ ব্যবস্থা, কোনো রকম বন্ধক ছাড়া ঋণ প্রদান এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে হলেও ঋণের কিস্তি উত্তোলনের পন্থাটা পরিবর্তিত হয় নি।