ইউজার লগইন
ব্লগ
মনেরো বাগানে ফুটিলো ফুল রে
তৌকির আহমেদ আমার প্রিয় অভিনেতা। নাটকের ক্ষেত্রে। ছোটবেলায় তার নাটক দেখতাম তো, ওই সময়ের আবার কিছু ভিন্ন ব্যপার-স্যপার আছে। বয়োঃসন্ধিকালে কাউকে একবার 'দিল' দিয়ে ফেললে সেটা ফেরত পাওয়া কঠিন। তৌকিরের রূপনগর এবং আরো কিছু হিরোইক অভিনয় সে সময়েই দেখা। কি আর করা।
একই সময়ে খালেদ খান নামে এক ভদ্রলোক ভিলেনের অভিনয় করতো। যে কারণে তাকে কখনোই ভালো চোখে দেখতে পারি নি। এটাকে কি বলা যায়? দিল দিয়ে ফেলার উল্টোযুক্তি? কাউকে একবার চিনে রাখলে সর্বনাশ। জীবনেও আর ভোলার সুযোগ নেই। হতে পারে।
তৌকির আহমেদের সঙ্গে দেখা হওয়ার একটা সুপ্ত বাসনা মনে মনে পোষণ করতাম। কিন্তু দেখা হলে যদি হতাশ হই? তাই কখনো তাকে সামনাসামনি দেখার চেষ্টা করি নি। কৈশোরবেলার একজন নায়ককে বাঁচিয়ে রেখেছি এভাবেই। কিন্তু ইদানীং একটা বিষয় ভাবছি, ঘটনা যদি স্কারলেট জোহানসনের ক্ষেত্রে হয়, তখন কি করবো?
হাবিজাবি....
লেখার কিছু পাইনা... লিখতে ভালও লাগে না ক্যান জানি... ঋহানের জন্য একটা সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করেছিলাম... প্রথম দিকে প্রতি সপ্তাহে মেইল দিয়ে বাচ্চা সম্পর্কে শেখাত... এখন এটা পাই প্রতি মাসে... আজকের মেইলটা আপনাদের জন্য তুলে দিলাম
ঋহান বড় হচ্ছে প্রতিদিন... প্রতিদিন নতুন নতুন অভিজ্ঞতা হচ্ছে। এক এক দিন এক এক রকম। কোনোটার সাথে কোনোটার মিল নেই। এই ধরেন ঋহান মুখ দিয়ে কনটিনিউ উচ্চারণ করে যাচ্ছে... "কা.. কা... কা.. কা..." বাসার সব্বাই ভাবছে কাকারে ডাকতেছে/মিস করছে
... আসলে কি তাই?
প্রথম বছরের কাছাকাছি বাচ্চারা প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের শব্দ উচ্চারণ করে ... লাইক... বা - বা... গা - গা... দ্যান দা - দা... মা - মা... । সম্ভবত প্রথম দিকে দাদা উচ্চারণ করে কারণ উচ্চারণের ক্ষেত্রে মা - মা'র চাইতে দা - দা উচ্চারণ অনেক বেশী সহজ। আর অন্যদিকে আমরা মনে করি যে, পোলায় তার দাদারে ডাকে 
হেমন্তের সন্ধ্যায় আগুন ও আমার স্কুলে প্রত্যাবর্তন !
আমার যখন বছর চার, তখন আমার বাবা জীবিকার তাগিদে প্রবাসে চলে যান । বড় আপু,আমি আর আমাদের সবার ছোটো আনু । মা সংসারের নানান ঝামেলায় সারাদিন ব্যস্ত । বড় আপু তখন ক্লাস টু'তে পড়ে । কিন্তু স্কুলে যেতে যতো অনীহা । তখন আমিও আপুর সাথে বই খাতাবিহীন স্কুলে যেতাম । আমি তখনো স্কুলে ভর্তি হইনি । দেখতাম আপু স্কুলের কাছাকাছি আসলেই কেমন জানি ভয়ে গুটিয়ে যেতো । এটা ক্যানো করতো আমি বুঝতাম না।
শিরোনামহীন ৩
চলছে গাড়ী যাত্রাবাড়ী ..............................আর চলছে প্যাচাল দিন রাত্রি।
জলজ্যান্ত একটা দূর্ঘটনা দেইখা ফেললাম। ব্যলকনিতে বইসা ছিলাম ( হাওয়া খাওয়ার জন্য না
বিড়ি খাওয়ার জন্য ) হঠাৎ দেখি পো পো সাইরেন তুইলা ঠোলার গাড়ী চেজ করতেছিল আরেকটা গাড়ীরে ..।ঐ গাড়ী আবার আমার বাসার সামনের রাস্তা পার হইতে গিয়া আরেকটারে লাগায়া দিছে .....ফলাফল আমার কাজে দেরী ..........কারন রাস্তা বন্ধ কইরা গাড়ীর ছাদ কাটতেছিল ফায়ার সার্ভিসের লোকেরা।
আগে শুনতাম ব্রিটিশরা নাকি দুনিয়ার বুকে সবচেয়ে ভদ্র জাতি তবে এখন মনে হয় কথাটারে একটু এডিট মারতে হইবো '' ব্রিটিশরা দুনিয়ার বুকে সবচেয়ে ভদ্র জাতি ছিল তবে তারা তাদের অতীত ভুলে গেছে ''
অসমাপ্ত প্রেম কাহী্নি (শেষ থেকে শুরু)
(দুই)
কেন??
আমি তোমায় করি আপন,
আর তুমি কর পর।
আমি টানি কাছে,
আর তুমি যাও দূরে।
আমি গরি,
আর তুমি ভাঙো
আমি সাজাই,
আর তুমি কর এলোমেলো।
আমি বাধি,
আর তুমি ছিড়ো
আমি তোমার সব সহ্য করি,
আর তুমি কর না।
আমি সব মানি,
আর তুমি মানো না।
আমি তোমায় খুজে মরি,
আর তুমি যাও লুকিয়ে।
আমি ভাবি তোমায় নিয়ে,
আর তুমি ভাবো অন্যকে।
আমি করি কান্না,
অসমাপ্ত প্রেম কাহী্নি (শেষ থেকে শুরু)
(এক)
দুজনে মিলে লিখেছিলাম প্রেম কাহীনি,
শুদু আমি জানি তুমি জানো আর কেউ জানেনি,
শুরু করেছিলে তুমি শেষ করে যাওনি,
অসমাপ্ত তাই প্রেম কাহীনি ।
জীবন পাতায় লেখা গুলো রয়েছে আজও আগের মতো,
শুধু বদলছে স্বপ্নের রঙ,
রঙ্গিন থেকে হয়েছে ধূসর,
তার বিরহে ভেঙ্গেছে হৃদয়,
জমছে মৃত্যু খেলার আসর ।।।
তুমি থেমেছো আমি থামিনি,
জীবন...
জীবনের অর্থ কী? জিজ্ঞেস করেছিলাম অনেককে......বুঝেছিলাম কারো কাছেই পাবোনা এর সঠিক উত্তর....অবশেষে যার কাছে উত্তর পাবো বলে ব্যাকুল হয়ে জানতে চেয়েছিলাম, সে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলেছিলো, জীবন মানে নাকি লাইফ....আর লাইফটা জীবন.... এমনটাই নাকি জীবন। কী অদ্ভূত উত্তর!
এরপর আর কখনো কোনদিন কারো কাছে জানতে চাইনা, জীবনের মানে। জীবনের মাঝে জীবনকে বন্দী করে বেচেঁ থাকা! এটাও তো জীবন। একটা সময় ছিল, আমিই কতজনকে বলেছি জীবনের অর্থ। কত তত্ত্ব-জ্ঞান, কত ভারী-ভারী বাক্য, শক্ত শব্দ দিয়ে বুঝিয়েছি। সেই আমিই কিনা বুঝতে পারিনা জীবনের নিগুঢ় অর্থ কী? এ যেন নিয়তির নির্মম উপহাস!
প্রারম্ভিক...
যার দ্বারা উদ্বুদ্ধ হলাম! ঠিক উদ্বুদ্ধ বলব কি না জানিনা, তাড়িত হলাম....ব্লগে লেখালেখি! কখনো বিষয়টিকে মনযোগের সাথে নেইনি। যাক, যেদিন আমরা বন্ধু ব্লগে যেদিন প্রবেশের অনুমোদন পেলাম, সেদিন তাঁর কোন লেখা ছিলনা, পুরনো গুলোই দেখছিলাম।
সত্যি কথা বলতে, আমি বুঝতে পারছিনা কি লিখব, কি লিখতে হয়। তবে হ্যা, যদি আমার মন-মননের, প্রত্যাহিক ভাবনা জগতের বিষয়গুলো নির্বিঘ্নে প্রকাশ করতে পারি, হয়তো কিছুটা স্বস্তি পাবো। কে আমাকে একটু জায়গা দেবে কথা বলার.............
গল্প: নির্মাণাধীন
আমি যেখানে এসেছি জায়গাটার নাম বাংলা করলে দাঁড়ায় যেমন ছিলো। এখানে বেশিদিন হয় নি এসেছি। গত কয়েক বছরে আমার বন্ধু-বান্ধব কমতে কমতে একদম শূন্যের কোঠায় চলে এসেছে প্রায়। এখানে যারা থাকে তাদের কারো সঙ্গে এখন আর যোগাযোগ নেই। করতে ইচ্ছেও করে না। সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতে ভালবাসি।
এই ব্যস্ত থাকাই নিয়ে এসেছে ভিন্ন গোলার্ধের এই জায়গাটায়। এখানে একা একা থাকি, তাতে সমস্যা হয় না। কোনো কাজ করি না, তাতেও কেউ কিছু বলে না। নিজের মতো কাটাতে মজা পাই কারণ এখানে প্রায় সবাই'ই আমার মতো। একটু গরীব আর একটু লাগামছাড়া।
সেদিন মেয়েটির সঙ্গে দেখা হলো অদ্ভুত এক জায়গায়। আমি মাঝে মাঝে করি কি, কোনো একটা পাবে চলে যাই। ছেলেপিলেরা হৈ-হুল্লোড় করে। আমি নিজের মতো বসে থাকি। সান্তুরি সময় কাটাই।
আমার জীবনে ‘স’ আর ‘শ’
আমার জন্মই হয়েছে ‘স’ থেকে। মায়ের নাম- সমিরন নেসা (পরবাসী)। সংসার জীবনের শুরু ‘শ’ দিয়ে স্ত্রী- শাহানাজ। এছাড়া শিক্ষাজীবনে যাদের পেয়েছি- সিরাজ, শহিদুল হক, শামসুদ্দীন, শের ইসলাম, সোহেল, সানোয়ার, শামীম। ছেলেবেলার আড্ডায়- সামাদ, স্বপন, সাহিদ, শহিদুল ইসলাম। কর্মজীবনে- সালাউদ্দিন, শওকত, সামসু, শাহীন, শাহাদত, সঞ্জিত, সুজন। গানের কলি- ‘ফুলে বসন্ত আসে যে বারবার, জীবনে প্রেম আসে শুধুই একবার....’ মজার ব্যাপার হচ্ছে আমার জীবনেও প্রেম একবারই এসেছিল তার নাম- সুলতানা (শিমুল)। আমার জীবনে ‘স’ আর ‘শ’-এর এমন মিল বা আধিক্য কাকতালীয়। ‘স’ আমাকে স্বপ্ন দেখিয়েছে আর ‘শ’ বানিয়েছে শৈল্পিক। তাইতো ‘স’ আর ‘শ’-এর সঙ্গে বসবাসেই যেন আমি ধন্য।
ফেলে আসা দিনগুলো ...
দৃশ্যপট ১ :
বেশ ক'বছর আগের ঘটনা -
মাত্র কিছুক্ষণ আগেই সকাল হয়েছে | কিন্তু রোদের অসহনীয় তীব্রতা দেখে সে কথা বোঝার উপায় নেই | ঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে চার-পাঁচ বছরের ছোট্ট একটি ছেলে তাকিয়ে আছে দূরে- ছেলেটির
মন কিছুটা খারাপ | আজ তাকে প্রথম বারের মত স্কুলে যেতে হবে | কিন্তু সে এটা চাইছে না |তার মধ্যে একটা ভয় লাগা কাজ করছে | এর মূল কারণ -কয়েকদিন আগেই সে তার বন্ধুর কাছে শুনেছে স্কুল নাকি ভালো জায়গা না - ওখানে গেলেই শুধু বই পড়তে হবে , খেলতেও দিবে না , আর
আবারও এলেমেলো
ইন টু দ্যা ওয়াইল্ড ছবির ভবঘুরে নায়কের জন্য কিংবা তার এমন নিশ্চিত মৃত্যুর জন্য কিছুটা কষ্টবোধ ছিলো, জীবনের অপচয় মনে হতে পারে বিষয়টাকে, কিন্তু সে নিজেই এই জীবনযাপনের ধারা বেছে নিয়েছিলো। সে চাইলেই অন্য রকম একটা জীবন যাপন করতে পারতো, তার নিজের আগ্রহেই সে নিজের মৃত্যুর পথ বেছে নিয়েছে, সে নেশাসক্ত ছিলো না, কিংবা অন্য কোনো ভাবনার ব্যধি তার ছিলো না, কিন্তু তারপরও সে এমন ঠান্ডা কষ্টকর মৃত্যুর পথটা নিজেই বেছে নিয়েছিলো।
যেভাবে আমি মায়াবতী
ফেসবুকে নিয়মিত একজন আমারে মায়াবতী ডাকে। আমার স্ট্যাটাসে সে যত কমেন্ট করে, সে বলে আমি নাকি মায়াবতী। আমারে নিয়ে যদি সে কোনো পোস্ট দেয় সেখানেও বলে আমারে আমি মায়াবতী। আমার জন্মদিনে সে আমারে উইশ করে তখনও ডাকে মায়াবতী।
আমার জন্মের পরে বহুজনে বহু নাম বের করলো। যার যা মনে ধরলো ডাকলো, এখনও ডাকে। কিন্তু যে নামটা কাগজপত্রে ফাইনাল হলো সেই নামটা শুনছি তারই দেয়া। তো সেই মহীয়সী ব্যাক্তি যখন আমারে মায়াবতী ডাকলো আমি ভাবলাম ভালোই তো!!
এরপর যখন ব্লগ দুনিয়ায় নাম লিখাতে আসলাম তখন ভাবলাম দেই নাম মায়াবতী। কি আছে জীবনে!! সেই কারণে এবি'তে এ্যাকাউন্ট খোলার সময় নিক দিলাম একজন মায়াবতী।
অন্তরমাঝে তুমি শুধু একা একাকী
সকাল ছয়টা। হোটেল রূপসী বাংলার সামনে গিয়ে রিকশা থেকে নামলাম। পল্টন মোড়ে একটা নিউ রূপসী বাংলা হোটেল আছে। সেটা না, আমি নেমেছি পুরোনো শেরাটন হোটেলটার সামনে। স্টারউড গ্রুপ যাকে ছেড়ে যাওয়ার পর, নতুন নাম হয়েছে রূপসী বাংলা। আশা করছি নামের পাশাপাশি সেবার মানেও সৌন্দর্যবৃদ্ধি ঘটবে।
আবোল-তাবোল
সমুদ্র দেখতে মন চায়
কেউ কেউ যায়, জানিয়ে যায়। সাথে নেয়না।
যেতে চাইলে এটা সেটা অজুহাত দেখায়।
স্টারের কাচ্চি বিরিয়ানী ! আহা কী মজা যে খেতে
আমারও খেতে মন চায়
যেতে পারিনা তাই খাওয়া হয় না।
ময়মনসিংহ রাজু-সাজু-মুন্নারা আছে
পেদির মা আছে। মাসীমা আছেন, মাসীমার হাতের
রান্না বার পদের খাবারের প্রলোভন আছে...
সে কতদিন আগে একবার খেয়েছিলাম। আহা, আজও
ভুলিনি তা !
ইথারে রাজুর স্বর ভেসে আসে- চলে আসুন দাদা, যেকোন দিন...
যাবার ইচ্ছে হয় যেতে পারিনা। এবার ভেবেছি যাবোই যাব।
আগামী মাসের প্রথম দিকে। হয়ত এবারও যাওয়া হবেনা
কিংবা হয়ত যাব...
আর গেলে মাসীমার বার পদের খাবারের পাশাপাশি
এবার অন্য আরেকটা খাবারের আয়োজনও আছে ময়মনসিংহ
আমাদের শ্রেয়ার জন্মদিন। গেলে কি আর এমনিই ফিরিয়ে দেবে ?
ভাল-মন্দ কপালে না জোটারতো কারন দেখছিনা...
তাহলে ওই কথাই রইলো !!