ইউজার লগইন
ব্লগ
অসমাপ্ত প্রেম কাহীনি(শেষ থেকে শুরু)
(৩)
আজও ঘুমের ঘোরে স্বপ্ন দেখি,
তুমি ফিরে এসে,
আমার পাশে বসে,
অশ্রু সিক্ত চোখে বলছো আমায়,
তুমি কেমন আছো?
আমি নির্ভাগ নিরুত্তর হয়ে রই,
কাঁপা গলায় আমিও বলি,
সুখে আমায় রেখেছো কই?
যেমন চেয়েছিলে তেমনি আছি,
তুমি কেমন আছো?
কান্নার মতো মৃদু হেসে বলো তুমি,
তুমি যেমন আছো আমিও আছি তেমনি,
তোমার দিকে চেয়ে দেখি,
বদলে যাওয়া চুলে,
বদলে যাওয়া চেহাড়ায়,
বদলে যাওয়া গায়ের রঙে,
চোখের পাতায় জমানো কালো দাগে,
অশ্রু জলে সিক্ত চোখে,
খুজে পায় হাহাকার,
মনটা কেঁদে উঠে,
স্পর্শ করতে চাই আমি,
ঝাপছা হয়ে যাও তুমি,
মুহুর্তে মিলিয়ে যাও অন্ধকারে,
বুকটা বেদনায় যায় ছিড়ে,
ঘুম ভেঙে যায়,
কেঁদে ওঠে মন বেদনায়,
দুচোখ মেলে দেখি আছি তেমনি,
রেখে আমায় গেছো যেমনি,
একাকি .....
কে?
অন্য কারো নয়, নিজের ব্যাপারেই জানতে চাইছি! কে! কে আমি? অস্তিত্ব নিয়ে যে সংকট দেখা দিয়েছে, তার কোন সীমা-পরিসীমা নেই। ভাষণে বিরোধী দলের নেতারা সরকারের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করেন; তখন বলেন, দেশে নাকি সংকট আর সংকট। নয়াপল্টনের মুহুর্মুহু করতালি, স্লোগানে-স্লোগানমুখরতা আর বলিষ্ট কন্ঠের গগণবিদারী ভাষণের সীমা ছাড়িয়ে রৌদ্রতপ্ত ঐ আকাশের দিকে এক মূহুর্ত তাকিয়ে আপনমনে বলছিলাম, কেউ কি আছে আমার সংকট নিয়ে কথা বলার.....................
ক'টায় ঘুমাচ্ছি জানিনা, কখন উঠছি জানিনা সে সময়ও। হঠাৎ নিজেকে উদ্ধার করছি, রাজপথে, অফিসে, কাজে... দৌড়াচ্ছি...দ্রুত বেগে দৌড়াচ্ছি আমি.....সময় নেই মোটে....কারো সাথে কথা বলার, কারো সাথে দেখা করার, নিজের একদম দরকারি, নিত্যদিনের কাজগুলো করার, যেমন ধরো, নখ কাটার। আসলে সময় নেই, এত ব্যাস্ত যে সময় পাচ্ছিনা।
টিলো
দেয়ালের দিকে মুখ করে শ্যামার ত্রিশ গোনা শেষ। আর বিশ গোনার আগেই আমাদের লুকিয়ে পড়তে হবে। আমি লুকানোর জন্য দেয়াল টপকাতে গেলাম। কিন্তু পেছন থেকে তুমি আমার সার্ট টেনে ধরলে। তোমাকেও সঙ্গে নিতে হবে। হাত বাড়িয়ে দিলাম। উঠে এলে দেয়ালের উপর। তারপর হাত ধরাধরি করে এক সঙ্গে লাফিয়ে পড়লাম নিচের কচু বাগানে। তুমি একটু ভয় পাচ্ছিলে। সাপ জাতীয় কিছু এসে না কামড়ে দেয়। ভয় কাটাতে তোমার মনোযোগ নিয়ে গেলাম গঙ্গা ফড়িঙ এর দিকে। একটা ফড়িঙ তোমার হাতে ধরিয়েও দিলাম। সবুজ-হলুদের মিশেল একটা ফড়িং। তুমি কপট রাগ দেখিয়ে ফড়িঙটা ছেড়ে দিতে বললে। বললাম আমার যে একটা ফড়িঙ দরকার। তুমি বললে আছে তো। বললাম কই। উত্তর না দিয়ে হলুদ ফ্রক উড়িয়ে দেয়াল টপকালে। আমি এপার থেকে শুনতে পেলাম- টিলো।
বামপন্থীদের চক্রান্তে মুজিব ধর্মনিরপেক্ষ হইছিলো!!!???
কিছুদিন আগে আমার এক ফেইসবুক স্টেটাসে এক পরিচিত আওয়ামি সমর্থক কোনো এক যুক্তির প্রেক্ষিতে হঠাৎ একটা অভিযোগ নাজিল করলেন। তিনি দৃঢ়ভাবেই কইতে চাইলেন ৭২ থেইকা ৭৫'এ আওয়ামি লীগের ভেতরে থাকা বামপন্থী নেতারাই শেখ মুজিবের সর্বনাশ করছিলো। তার উত্থাপিত এই অভিযোগ আমি সেইসময়টায় পাত্তা না দিয়া উড়াইয়া দিলাম। মনে খানিকটা খচ খচ করতে থাকলো যদিও...বাংলাদেশের ইতিহাস যতোটুক জানি তাতে এই বাম প্রভাবের ক্ষেত্রে তাজউদ্দিন সাহেবরে দায়ী করতে চাইলো সেই পরিচিত এইটা বুঝতে পারতেছিলাম স্পষ্ট। এছাড়া বামপন্থার অভিযোগের জন্য আর কোনো উপলক্ষ্য পাইলাম না। তবুও এই দেশের মানুষের গড় উপলব্ধি আর চিন্তা কাঠামোর বিবেচনায় বিষয়টারে উপেক্ষা করনটাই শ্রেয় বইলা ভুইলা গেলাম সব ক্ষোভ।
ভালবাসার অন্য পাশে
জীবনটা প্রতিনিয়তই বদলে যাচ্ছে। দেখতে দেখতে তো বেশ খানিকটা পথ চলে এসেছি। বদলে যাওয়া এ জীবনের অর্থ খুজে দেখেছি অনেকবার, কিছুই পাইনি আমি। ভালবাসার খুব নিকট দিয়ে চলে গেছি শুধু ছুঁয়ে দেখতে পারিনি। শুনেছি মানুষের মাঝেই নাকি মানুষের বাস, এক পলক চোঁখ বন্ধ করলেই তাকে খুজে পাওয়া যায়। কতবার চেষ্টা করেছি, কিছুই খুঁজে পাইনি। জীবনের মাঝখানে থেকেও জানতে না পারার অপূর্ণতা আমাকে কুরে কুরে খাই। ভালবাসতে না পারার ব্যর্থ চেষ্টাগুলো বার বার আমার চোঁখে ধরা দেয়। ভাষাহীন মুখ আর গুমরে কেঁদে যাওয়া মুহূর্তগুলো এসে ধরা দেয় প্রতিনিয়ত।
মনেরো বাগানে ফুটিলো ফুল রে
তৌকির আহমেদ আমার প্রিয় অভিনেতা। নাটকের ক্ষেত্রে। ছোটবেলায় তার নাটক দেখতাম তো, ওই সময়ের আবার কিছু ভিন্ন ব্যপার-স্যপার আছে। বয়োঃসন্ধিকালে কাউকে একবার 'দিল' দিয়ে ফেললে সেটা ফেরত পাওয়া কঠিন। তৌকিরের রূপনগর এবং আরো কিছু হিরোইক অভিনয় সে সময়েই দেখা। কি আর করা।
একই সময়ে খালেদ খান নামে এক ভদ্রলোক ভিলেনের অভিনয় করতো। যে কারণে তাকে কখনোই ভালো চোখে দেখতে পারি নি। এটাকে কি বলা যায়? দিল দিয়ে ফেলার উল্টোযুক্তি? কাউকে একবার চিনে রাখলে সর্বনাশ। জীবনেও আর ভোলার সুযোগ নেই। হতে পারে।
তৌকির আহমেদের সঙ্গে দেখা হওয়ার একটা সুপ্ত বাসনা মনে মনে পোষণ করতাম। কিন্তু দেখা হলে যদি হতাশ হই? তাই কখনো তাকে সামনাসামনি দেখার চেষ্টা করি নি। কৈশোরবেলার একজন নায়ককে বাঁচিয়ে রেখেছি এভাবেই। কিন্তু ইদানীং একটা বিষয় ভাবছি, ঘটনা যদি স্কারলেট জোহানসনের ক্ষেত্রে হয়, তখন কি করবো?
হাবিজাবি....
লেখার কিছু পাইনা... লিখতে ভালও লাগে না ক্যান জানি... ঋহানের জন্য একটা সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করেছিলাম... প্রথম দিকে প্রতি সপ্তাহে মেইল দিয়ে বাচ্চা সম্পর্কে শেখাত... এখন এটা পাই প্রতি মাসে... আজকের মেইলটা আপনাদের জন্য তুলে দিলাম
ঋহান বড় হচ্ছে প্রতিদিন... প্রতিদিন নতুন নতুন অভিজ্ঞতা হচ্ছে। এক এক দিন এক এক রকম। কোনোটার সাথে কোনোটার মিল নেই। এই ধরেন ঋহান মুখ দিয়ে কনটিনিউ উচ্চারণ করে যাচ্ছে... "কা.. কা... কা.. কা..." বাসার সব্বাই ভাবছে কাকারে ডাকতেছে/মিস করছে
... আসলে কি তাই?
প্রথম বছরের কাছাকাছি বাচ্চারা প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের শব্দ উচ্চারণ করে ... লাইক... বা - বা... গা - গা... দ্যান দা - দা... মা - মা... । সম্ভবত প্রথম দিকে দাদা উচ্চারণ করে কারণ উচ্চারণের ক্ষেত্রে মা - মা'র চাইতে দা - দা উচ্চারণ অনেক বেশী সহজ। আর অন্যদিকে আমরা মনে করি যে, পোলায় তার দাদারে ডাকে 
হেমন্তের সন্ধ্যায় আগুন ও আমার স্কুলে প্রত্যাবর্তন !
আমার যখন বছর চার, তখন আমার বাবা জীবিকার তাগিদে প্রবাসে চলে যান । বড় আপু,আমি আর আমাদের সবার ছোটো আনু । মা সংসারের নানান ঝামেলায় সারাদিন ব্যস্ত । বড় আপু তখন ক্লাস টু'তে পড়ে । কিন্তু স্কুলে যেতে যতো অনীহা । তখন আমিও আপুর সাথে বই খাতাবিহীন স্কুলে যেতাম । আমি তখনো স্কুলে ভর্তি হইনি । দেখতাম আপু স্কুলের কাছাকাছি আসলেই কেমন জানি ভয়ে গুটিয়ে যেতো । এটা ক্যানো করতো আমি বুঝতাম না।
শিরোনামহীন ৩
চলছে গাড়ী যাত্রাবাড়ী ..............................আর চলছে প্যাচাল দিন রাত্রি।
জলজ্যান্ত একটা দূর্ঘটনা দেইখা ফেললাম। ব্যলকনিতে বইসা ছিলাম ( হাওয়া খাওয়ার জন্য না
বিড়ি খাওয়ার জন্য ) হঠাৎ দেখি পো পো সাইরেন তুইলা ঠোলার গাড়ী চেজ করতেছিল আরেকটা গাড়ীরে ..।ঐ গাড়ী আবার আমার বাসার সামনের রাস্তা পার হইতে গিয়া আরেকটারে লাগায়া দিছে .....ফলাফল আমার কাজে দেরী ..........কারন রাস্তা বন্ধ কইরা গাড়ীর ছাদ কাটতেছিল ফায়ার সার্ভিসের লোকেরা।
আগে শুনতাম ব্রিটিশরা নাকি দুনিয়ার বুকে সবচেয়ে ভদ্র জাতি তবে এখন মনে হয় কথাটারে একটু এডিট মারতে হইবো '' ব্রিটিশরা দুনিয়ার বুকে সবচেয়ে ভদ্র জাতি ছিল তবে তারা তাদের অতীত ভুলে গেছে ''
অসমাপ্ত প্রেম কাহী্নি (শেষ থেকে শুরু)
(দুই)
কেন??
আমি তোমায় করি আপন,
আর তুমি কর পর।
আমি টানি কাছে,
আর তুমি যাও দূরে।
আমি গরি,
আর তুমি ভাঙো
আমি সাজাই,
আর তুমি কর এলোমেলো।
আমি বাধি,
আর তুমি ছিড়ো
আমি তোমার সব সহ্য করি,
আর তুমি কর না।
আমি সব মানি,
আর তুমি মানো না।
আমি তোমায় খুজে মরি,
আর তুমি যাও লুকিয়ে।
আমি ভাবি তোমায় নিয়ে,
আর তুমি ভাবো অন্যকে।
আমি করি কান্না,
অসমাপ্ত প্রেম কাহী্নি (শেষ থেকে শুরু)
(এক)
দুজনে মিলে লিখেছিলাম প্রেম কাহীনি,
শুদু আমি জানি তুমি জানো আর কেউ জানেনি,
শুরু করেছিলে তুমি শেষ করে যাওনি,
অসমাপ্ত তাই প্রেম কাহীনি ।
জীবন পাতায় লেখা গুলো রয়েছে আজও আগের মতো,
শুধু বদলছে স্বপ্নের রঙ,
রঙ্গিন থেকে হয়েছে ধূসর,
তার বিরহে ভেঙ্গেছে হৃদয়,
জমছে মৃত্যু খেলার আসর ।।।
তুমি থেমেছো আমি থামিনি,
জীবন...
জীবনের অর্থ কী? জিজ্ঞেস করেছিলাম অনেককে......বুঝেছিলাম কারো কাছেই পাবোনা এর সঠিক উত্তর....অবশেষে যার কাছে উত্তর পাবো বলে ব্যাকুল হয়ে জানতে চেয়েছিলাম, সে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলেছিলো, জীবন মানে নাকি লাইফ....আর লাইফটা জীবন.... এমনটাই নাকি জীবন। কী অদ্ভূত উত্তর!
এরপর আর কখনো কোনদিন কারো কাছে জানতে চাইনা, জীবনের মানে। জীবনের মাঝে জীবনকে বন্দী করে বেচেঁ থাকা! এটাও তো জীবন। একটা সময় ছিল, আমিই কতজনকে বলেছি জীবনের অর্থ। কত তত্ত্ব-জ্ঞান, কত ভারী-ভারী বাক্য, শক্ত শব্দ দিয়ে বুঝিয়েছি। সেই আমিই কিনা বুঝতে পারিনা জীবনের নিগুঢ় অর্থ কী? এ যেন নিয়তির নির্মম উপহাস!
প্রারম্ভিক...
যার দ্বারা উদ্বুদ্ধ হলাম! ঠিক উদ্বুদ্ধ বলব কি না জানিনা, তাড়িত হলাম....ব্লগে লেখালেখি! কখনো বিষয়টিকে মনযোগের সাথে নেইনি। যাক, যেদিন আমরা বন্ধু ব্লগে যেদিন প্রবেশের অনুমোদন পেলাম, সেদিন তাঁর কোন লেখা ছিলনা, পুরনো গুলোই দেখছিলাম।
সত্যি কথা বলতে, আমি বুঝতে পারছিনা কি লিখব, কি লিখতে হয়। তবে হ্যা, যদি আমার মন-মননের, প্রত্যাহিক ভাবনা জগতের বিষয়গুলো নির্বিঘ্নে প্রকাশ করতে পারি, হয়তো কিছুটা স্বস্তি পাবো। কে আমাকে একটু জায়গা দেবে কথা বলার.............
গল্প: নির্মাণাধীন
আমি যেখানে এসেছি জায়গাটার নাম বাংলা করলে দাঁড়ায় যেমন ছিলো। এখানে বেশিদিন হয় নি এসেছি। গত কয়েক বছরে আমার বন্ধু-বান্ধব কমতে কমতে একদম শূন্যের কোঠায় চলে এসেছে প্রায়। এখানে যারা থাকে তাদের কারো সঙ্গে এখন আর যোগাযোগ নেই। করতে ইচ্ছেও করে না। সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতে ভালবাসি।
এই ব্যস্ত থাকাই নিয়ে এসেছে ভিন্ন গোলার্ধের এই জায়গাটায়। এখানে একা একা থাকি, তাতে সমস্যা হয় না। কোনো কাজ করি না, তাতেও কেউ কিছু বলে না। নিজের মতো কাটাতে মজা পাই কারণ এখানে প্রায় সবাই'ই আমার মতো। একটু গরীব আর একটু লাগামছাড়া।
সেদিন মেয়েটির সঙ্গে দেখা হলো অদ্ভুত এক জায়গায়। আমি মাঝে মাঝে করি কি, কোনো একটা পাবে চলে যাই। ছেলেপিলেরা হৈ-হুল্লোড় করে। আমি নিজের মতো বসে থাকি। সান্তুরি সময় কাটাই।
আমার জীবনে ‘স’ আর ‘শ’
আমার জন্মই হয়েছে ‘স’ থেকে। মায়ের নাম- সমিরন নেসা (পরবাসী)। সংসার জীবনের শুরু ‘শ’ দিয়ে স্ত্রী- শাহানাজ। এছাড়া শিক্ষাজীবনে যাদের পেয়েছি- সিরাজ, শহিদুল হক, শামসুদ্দীন, শের ইসলাম, সোহেল, সানোয়ার, শামীম। ছেলেবেলার আড্ডায়- সামাদ, স্বপন, সাহিদ, শহিদুল ইসলাম। কর্মজীবনে- সালাউদ্দিন, শওকত, সামসু, শাহীন, শাহাদত, সঞ্জিত, সুজন। গানের কলি- ‘ফুলে বসন্ত আসে যে বারবার, জীবনে প্রেম আসে শুধুই একবার....’ মজার ব্যাপার হচ্ছে আমার জীবনেও প্রেম একবারই এসেছিল তার নাম- সুলতানা (শিমুল)। আমার জীবনে ‘স’ আর ‘শ’-এর এমন মিল বা আধিক্য কাকতালীয়। ‘স’ আমাকে স্বপ্ন দেখিয়েছে আর ‘শ’ বানিয়েছে শৈল্পিক। তাইতো ‘স’ আর ‘শ’-এর সঙ্গে বসবাসেই যেন আমি ধন্য।