ইউজার লগইন
ব্লগ
মুক্তিযুদ্ধের সাদা কালো ইতিহাস রচনার প্রেক্ষাপট ও পরিণতি শেষ পর্ব
অতিকথনের ও অপ্রয়োজনীয় কথনের ভারে পর্যুদস্ত পূর্বের লেখাটার প্রয়োজনীয়তা হয়তো ছিলো না, আমি সরাসরিই মুক্তিযুদ্ধের সাদাকালো ইতিহাস রচনার পরিণতিতে আলোচনা শুরু করতে পারতাম। কিন্তু সে সময়ের বিশাল রাজনৈতিক জটিলতার সামান্য অংশও তাতে উঠে আসতো না। আমি যে খুব বেশী অভিজ্ঞ এ বিষয়ে এমন দাবী করাটাও অন্যায় হবে, কিন্তু যখন লেখাটা শুরু করেছিলাম তখন আমার আলোচনার আমার নিজের একটি সাধারণ পর্যবেক্ষণের উপরে ভিত্তি করেই আলোচনাটার বিস্তার করবো এমন ধারণা আমার ছিলো। প্রেক্ষাপটটা নির্দিষ্ট ছিলো কিন্তু অতিসাধারণ অনুভুতি কিংবা অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রান্তিকীকরণের বিষয়টি তাতে পরিস্কার বলা যেতো না। মুক্তিযুদ্ধের লড়াইটা মূলত ছিলো অর্থনৈতিক বৈষম্য কমিয়ে ধনভিত্তিক সমতার লড়াই যা একই সাথে মানুষের আত্মমর্যাদা এবং অস্তিত্বের স্বীকৃতির লড়াইও ছিলো। "মুক্তিযুদ্ধ ছিলো শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের মরিয়া লড়াই" এই বাক্য
মুক্তিযুদ্ধের সাদা কালো ইতিহাস রচনার প্রেক্ষাপট ও পরিণতি প্রথম পর্ব
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস এখনও প্রবল জাতীয়তাবাদী উচ্চ্বাসেই লেখা হচ্ছে, সেসব লেখায় স্মৃতিচারণে ঘটনা বিশ্লেষণেও জাতীয়তাবাদী মানসিকতার স্পষ্ট প্রভাব দেখা যায়, একদল বামনাকৃতির মানব, একজন দুইজন মহামানব এবং মুষ্ঠিমেয় কয়েকজন দানবের রূপরেখা তৈরীর এই জাতীয়তাবাদী প্রকল্প কেনো জনপ্রিয় সেটা আমার জানা নেই। হয়তো অতিজাতীয়তাবাদী উৎসাহে লেখা সাদা কালোর ইতিহাস সহজপাচ্য, সহজবোধ্য, সহজেই বিপণনযোগ্য এবং অধিকাংশ সময়েই সেটা সরল এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন। হয়তো এই ইতিহাস রাজনৈতিক ব্যবহারের যুৎসই উপাদান, হয়তো এভাবে জাতীয়তাবাদী আবেগ তৈরির রাজনীতিতে সাদা কালো ইতিহাস গ্রন্থগুলো ব্যবহার উপযোগী এবং সেটা গ্রহন করতে তেমন পরিশ্রম করতে হয় না লেখককে কিংবা পাঠককে।
ছুঁয়েছে এ গান আমার কান্নার সাত সুর
If you love something, set it free; if it comes backs it's yours, if it doesn't, it never was. রিচার্ড বাক’এর এই উক্তিটিকে মন্ত্র করে তিতলি সারাক্ষণ মনে মনে আউরাতে থাকে। নিজেকে শক্তি দিতে চেষ্টা করে। দশ বারের মধ্যে আট বার সে হেরে যায় নিজের কাছে আবার দু’বার জিতেও যায়। সে অপেক্ষা করে থাকবে সায়ানের ফিরে আসার। সায়ানতো তার নিজের অংশ, পথ ভুলে যায় না লোকে? সায়ান পথ হারিয়ে ফেলেছে, পথ খুঁজে ফিরে এসে তার সায়ান তাকে খুঁজবে তিতলি জানে। তিতলি তার সমস্ত দরজা, জানালা, ঘুলঘুলি খুলে দিয়ে সায়ানের ফেরার অপেক্ষায় রইলো। কতদিন করবে অপেক্ষা? দশ বছর? বিশ বছর? পুরো জন্ম কিংবা জন্মান্তর?
অনুভবে ।
ফেব্র্রুয়ারি মাসের পর আজ আমার প্রানের জায়গাতে গিয়েছিলাম সকালবেলা । প্রতি শুক্রবার কোন না কাজ ,কোন না কোন ঝামেলা এসে ভর করে বসে। িনয়মিত হতে চাইলেও কেন যেন নিয়মিত ভাবেই আমি অনিয়মিত। আমার বিরূদ্ধে তাই গাদাগাদা অভিযোগ,,,,ইচ্ছার অভাব,মনের টানের ঘাটতি,,আরও কত কি।
কিন্তু কি করে বোঝাই কবিতার অ আ ক খ না বুঝলেও,মন্এ মুগ্ধ করে ফেলার মত আবৄত্তি করতে না জানলেও আমার ভালোলাগা যে কতটা আছে ঐ জায়গাটার প্রতি.।।।
আজ বেশ নস্টালজিক হয়ে গিেয়ছিলাম। বেশ কিছু নতুন মুখ দেখলাম।ভালো লাগল।
কিন্তু পুরানো কিছু প্রিয় মুখ চোখের সামনে ভেসে উঠে বারবার অসহ্য যন্এনা দিয়ে খোঁচাতে লাগল। টেনে নিয়ে যেতে লাগল বৄন্দ আবৄত্তির সময় করা রিহাের্সল,আড্ডা, ফুর্তি,,,কি যে প্রানের মেলা।
এই সব দিন-রাত্রি
***
কয়েকদিন আগের কথা। আসলে কয়েক সপ্তাহ আগের। রিকশায়। রিকশাওয়ালার কথার ভীষণ আঞ্চলিক টানে নাড়িতে টান পড়ল।
- দিনাজপুর না ঠাকুরগাঁও?
- ঠাকুরগা। বিগলিত হাসিতে রিকশা চালাতে চালাতে রিকশাওয়ালার উত্তর।
- নতুন নাকি ঢাকায়?
- এক মাস হয় আসছি।
কথায় কিছুক্ষণ বিরতি । যাত্রী আর চালক যে যার ভূমিকায়। তারপর রিকশাওয়ালাই কথা পাড়লো।
-১০ হাজার টাকা জমা করার জন্য আইশছিলাম। তে ৮ হাজার টাকা হইসে। ১০ হইলে বাড়ি যাম।
- আর আসবেন না?
- পনের দিন থাকিম ওইঠে।
- ১০ হাজার তো অনেক টাকা। এতো টাকা দিয়ে কী করবেন?
- তে সংসার চালাইতে কম টাকা লাগেহ!
- টাকা তো জমেছে। ওইটা বাড়ান এখন। গ্রামে ব্যবসা করেন। দোকান দেন।
- হ্যাএএ! কিছু একটা তো করবা হোবে।
আর খুব বেশি কিছু কথা হয়নি। ভাড়া মিটিয়ে আসার সময় চালক আর যাত্রীর মাঝে অবশ্য শুভ কামনা বিনিময় ঘটেছিল- ভাল থাকেন তাইলে!
***
গল্প: কালবৈশাখী
পর্ব-১
পাচ্ছি না একটুও শান্তি। নীলামনিকে সেদিন স্বপ্নে দেখলাম। দেখলাম কি, সে আমাদের বাড়ির একটা ঘর ভাড়া নিয়েছে। স্বপ্নে তো কতকিছুই দেখা যায়। আমি দেখলাম, এক ঘুঘু ডাকা স্তব্ধ দুপুরে ও ঘুমিয়েছে কিংবা ঘুমোনোর ভান করছে এমন সময় আমি গিয়ে ওকে জড়িয়ে ধরেছি। ধরে বিছানা ওপরে দুইটা পাক দিয়ে দিয়েছি। তারপর হুটোপুটি শুরু করেছি দু'জনে মিলে। নাকের সঙ্গে নাক ঘষছি আর দুইজনই খুব হাসছি। ও আমাকে বজ্জাত, হাড়কেলো ইত্যাদি বলে বলে রাগ দেখানোর আর কিল দেয়ার চেষ্টা করছে। আমি দুইহাতে ওর হাত দু'টিকে বালিশের দু'পাশে ঠেসে ধরে আটকে দিলাম। ওর ঠোঁট থেকে তখন আমার ঠোঁট ঠিক এক ইঞ্চি দূরে। একটা রিনরিনে হাসির শব্দ তখনও দূরে কোথাও ভাসছিলো। আমি সে সময় ওর বুকের ভেতরকার তুমুল তোলপাড় স্পষ্ট অনুভব করতে পারছিলাম।
সোহাগ ভাল থাকুক
বন্ধুরা ভুল করে পোস্টটি মন্তব্যের ঘরে গেছে। তার জন্য আমি দুঃখিত।
তব মুখ সদা মনে...
গানটি সবাই পছন্দ করে না হয়তো, জানি রবি ঠাকুরের গানগুলি সবাই শুনতেও চায়না আর আজকাল। যাকেই বলি, দেখি পাশকাটানো ভাব। তাদেরকে বোঝাতে পারিনা, সব অবস্থার, সব ধরনের পরিস্থিতির ও মূহুর্তের গান আছে কবিগুরুর.................
একজনের কাছে সারা পেয়েছি, আমার মত আনন্দচিত্তে তাকেও শুনতে দেখেছি, পুলকিত হতে দেখেছি..............
আপনি আনন্দে আছেন! কষ্টে বেদনাবিধূর! চমকিত! পুলকিত! শুভেচ্ছা জানাবেন! আমন্ত্রণ-আগমন অথবা বিদায়....জানাবেন ভালোবাসা....মরবেন প্রেমে.............
তবে, কান দিয়ে নয়, মন দিয়ে হৃদয় পেতে শুনুন.........................
..........তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা,
এ সমুদ্রে আর কভু হব নাকো পথহারা ।।
যেথা আমি যাই নাকো তুমি প্রকাশিত থাকো,
আকুল নয়নজলে ঢালো গো কিরণধারা ।।
তব মুখ সদা মনে জাগিতেছে সংগোপনে
টিস্যু
চায়ের কাপে ঠোটের সমবায়ী স্পর্শ গ্রহণীয়। এক কাপ চা তিন চুমুকে শেষ করে ফেলা- এর ভেন্যু অবশ্যই হতে হবে কলেজ ক্যান্টিন বা কোন মামা'র টঙ। এই আচরনে কোন অপবাদ বা অবরোধ নেই। কারো দিকে সমবায়ী দৃষ্টি রাখা। এটা কোন ভাবেই জায়েজ কাজ হতে পারেনা। কিন্তু ওরা তিনজন তো তাই করলো। ওরা বলতে যোশেফ, হিরন আর মামুন। তিনজন মিলে টিস্যু'র দিকে নজর রাখলো। আসলে মেয়েটার মূল নামটাই ভুলে গেছি। করিডোর দিয়ে মিছিল করে যাচ্ছি। দেখি কমন রুমের দরজায় একটা নতুন মুখ। একদম ধবধবে সাদা। মুখে লাবন্যের ঘাটতি আছে। মিছিল শেষে ক্লাসে ফিরে জানান দিলাম- একটা নতুন মুখ দেখলাম একেবারে টিস্যু!
ঘুরে ফিরে নিশীথ সূর্যের দেশে... ৬
ডিসক্লেইমার: সফরের একটা ছবিও আমার ক্যামেরায় নাই, কারণ ক্যামেরা হারাইয়া ফেলছিলাম দুই সপ্তাহের জন্য। কিছু অন্য ক্যামেরার ছবি, আর কিছু কপিরাইট যোগ করে গুগল মামু থেকে পাওয়া ছবি দিচ্ছি। এই পর্বে তাই ছবির সংখ্যা খুবই কম... বেশিরভাগটাই আমার ব্যাগব্যাগানি।
----------------------------------------------------------------------
পর্দা বদলে যায়
তুমি বলেছিলে মসজিদের পাশের গলি দিয়ে ঢুকতে হবে। তারপর নাক বরাবর হেটে যেতে হবে। গেলাম। থামতে হবে সেলুনের সামনে। থামলাম। তোমার কথা মতো এখন নারকেল গাছ ওয়ালা বাড়িটার তিনতলায় চোখ রাখতে হবে। বিশেষ করে যে জানালায় সাদাকালো পর্দা ঝুলছে। পর্দা সরিয়ে সেখানেই এসে তুমি দাড়াবে। কোচিং এ নোট পেপার বিনিময়ে যেটা আমার হাতে এসেছে, সেখানে এমন নির্দেশনাই দেয়া। নোট পেপারটা সংগে আছে। বারবার পড়ে নিলাম নির্দেশনা মানতে কোন ভুল হলো কিন? না শতভাগ মেনেই এখানে এসে দাড়িয়েছি। কিন্তু সাদা-কালো পর্দা কোথায়? রাস্তা থেকে যে দুটো জানালা চোখে পড়ে তিনতলায় সেখানে ঝুলছে নীল পর্দা। সাদা-কালো নেই। এমনকি এক তলা, দোতালাতেও পর্দার রং কোনটায় লাল, কোনটায় হলুদ। আমি ভুল করছি?
অপরাজিতা...
অনেক দিন লেখা হয়না! আর লিখতে গেলেই কেন জানি এইসব আব্জাব পয়দা হয়! বড় লেখক হয়ে গেসি মনে হয়!
অপরাজিতা
শ্যামলা সরল মেয়েটির মনে হালকা গোলাপির সাথে কোথায় যেন একটু নীল মেশানো
গাঢ় ঘন নীল
মনের রঙ্গে কোথায় যেন বেগুনীর আবছা ভাব,
সন্ধ্যা হবার ঠিক আগে আগে
সূর্যের শেষ রশ্মিগুলো মিলে যেরকম বেগুনীর ছায়া নিয়ে খেলা করে,
সেরকম।
আমি তাকে চিনি বেশীক্ষণ না।
বান্ধবীর বাড়িতে পৌঁছে দিতে হবে বলে হুট করেই বোন আমাকে এখানে নিয়ে এলো।
মেয়ে দেখতে।
অপরাজিতা কে দেখতে।
ফুটে উঠা ফুলের মতো কাউকে দেখবো ভাবিনি।
অপরাজিতাকে দেখলাম,
মনের সমস্ত রংগুলোকে চোখে সাজিয়ে বসে আছে সে
প্রদর্শনীর অপরাজিতা।
সেখানেই আমি দেখি বেগুনীর কোলাহল,
শূন্য চোখ নিয়ে বসে থাকা একটি মেয়ে
তার বাবা মায়ের ইচ্ছাকে মূল্য দেয়া একটি মেয়ে
দোকান সাজিয়ে বসে আমার সামনে
আমার বোন সেই দোকানের এটা সেটা দেখায়,
আমি থমকে যাই,
আবারও পেচ্ছাপেচ্ছি
১.
আবহাওয়া খারাপ। প্রবল বৃষ্টি হয়েছে। রাস্তায় পানি জমে আছে।
দুই ভিক্ষু হেঁটে হেঁটে যাচ্ছে কোথাও। পথে দেখে খুব সুন্দরী একটি মেয়ে, রাস্তা পার হতে পারছে না। সামনে হাঁটু সমান পানি জমে আছে। মেয়েটিকে দেখে ভিক্ষুদের একজন মেয়েটাকে কোলে করে নিয়ে রাস্তা পার করে দিল। মেয়েটাও কৃতজ্ঞতা জানালো।
তারপর আবার হেঁটে হেঁটে দুজনে আগের মতো পথ চলতে লাগলো।
অনেকক্ষণ, অনেকক্ষণ পরে দ্বিতীয় ভিক্ষুটি হঠাৎ বললো,-এটা কী করলা তুমি। মেয়েটা সুন্দরী দেখে এভাবে তাকে এতোটা রাস্তা কোলে বহন করে রাস্তা পার করে দিলা?
প্রথম ভিক্ষুটি তখন একটু হেসে বললো,-আমি তো মেয়েটাকে ওখানেই রেখে এসেছি। বহন তো করছো এখন তুমি।
এই গল্পটা আমার অনেককেই আজকাল শুনাতে ইচ্ছা হয়।
২.
কবিতা: সহস্র সারস পাখি আকাশের আঙিনায়
জ্যৈষ্ঠ মাস চলছে। এবারে গ্রীষ্মের শুরুতে প্রকৃতি অনেক প্রসন্ন ছিলো। প্রতিদিন ঝড় না হলেও, এক-আধবার বাতাস ছাড়তো ঠিকই। এখন সেটা একটু কমে এসেছে। দু'তিন দিন গরমে অসহ্যও লেগেছে। কিন্তু অসহ্য হতে পেরে খারাপ লাগে নি।
ঝড় শুরু হলেই আমি রাস্তায় নেমে যাই। প্রকৃতিদেবীর এই উপহারটির সঙ্গে আসলে কোনোকিছুর তুলনা চলে না। এখন আবার মনে আরেকটা ইচ্ছা তৈরী হয়েছে। একটা ভীষণ ঝড়ের মধ্যে রমনা পার্কে গিয়ে বসে থাকবো। সোহরাওয়ার্দী পার্কের প্রতি বর্গইঞ্চি চিনি। ঝড়ের সময় কি হয়, কে কই আশ্রয় নেয়, কোন দিকে তাকিয়ে বাতাসের কীর্তিকলাপ দেখে মুগ্ধ হয়; সব জানি। অথচ ঠিক উল্টোদিকেই রমনা। তার কিচ্ছু চিনি না!
ছোটমা’র জন্যে একরাশ ভালোবাসা
দেশে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলাম তখন এক আড্ডায় বান্ধবীরা একটু অনুযোগ করলো আমার কাছে, এতো গল্প লিখি কিন্তু স্কুল, কলেজ, ভার্সিটি লাইফের কোন গল্প মানে বান্ধবীদের নিয়ে গল্প কেনো লিখিনি এখনো। কি দুর্দান্ত দিন ছিলো আমাদের। সবসময় পড়াশোনায় ভালো কিন্তু দুষ্টমীতে ওস্তাদ হিসেবে আমাদের বান্ধবীগ্রুপের নাম ছিল সব ইন্সটিটিউটে। আমিও ভাবলাম তাইতো কেনো লেখা হয়নি সেগুলো এখনো?