ইউজার লগইন
ব্লগ
International Art Festival 2015
আমরা সবাই স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি । আর সেই স্বপ্নগুলি যখন পূরণ হতে থাকে তখন আনন্দতে মেতে উঠি। নৃত্যশিল্পী হিসেবে আমারও ইচ্ছে/স্বপ্ন আছে। বড় বড় উৎসবে নাচবো, নাচ শিখাবো, নৃত্য পরিচালনা করবো। ২০১৫ এর ডিসেম্বর এ সেই স্বপ্নগুলোর মধ্য থেকে একটা স্বপ্ন পূরণ হলো
! হ্যাঁ, বন্ধুরা আমার নৃত্য পরিচালনায় একটি নৃত্য প্রদর্শন হয়েছিল নৃত্য উৎসব ২০১৫ -বেইজিং এ
! আমরা নেচে ছিলাম #পাশান নৃত্য !
এটা চীনের লোকনৃত্য ।
মার্চে আবার সেই সুযোগ পেতে যাচ্ছি
! সবাই দোয়া করবেন!
সবার স্বপ্ন পূরণ হোক সেই আশায় আপনাদের এই ছোট্ট বন্ধু
তন্ময়
পারব কি ফিরে যেতে
এখন আর কবিতা লেখা হয় না। খুব যে লিখতাম তাও না। মনের এলোমেলো ভাবনাগুলোকে ডায়রির পাতায় সাজিয়ে লেখা পর্যন্তই আমার কবিতা। বন্ধুদেরও দেখাই নি সবগুলো। শুধু তাদের জন্য লেখাগুলো পড়ে শোনাতাম।
বন্ধুদের অনেকেই জীবনানন্দ দাসের কবিতা গুলোকে গলা কাপিয়ে আবৃত্তি করত। বলতাম, তোরা বুঝিছ কবি কি বলতে চেয়েছে? এভাবে হয় না। কবির কথাগুলোকে বুঝতে হবে, চিন্তাটাকে নিজের চিন্তায় আনতে হবে। না বুঝে বলাটাকে পড়া বা মুখস্ত বিদ্যা বলব আবৃত্তি বলব না।
ওরা বলত, তোর একটা কবিতা দে তোর ভাবনা তো বুঝতে পারি , এবার আবৃত্তি হবে।
না, ডায়রির পাতায় বন্দি কথাগুলো আবৃত্তি হয় নি উচ্চস্বরে। লেখাগুলোয় হাত বুলিয়ে শূন্য চোখে তাকিয়ে থাকি। কারো কাছে এগুলো কথা, কারো কাছে কবিতা, কারো কাছে বা ভাবনা।
ভালোবেসে, ছবিতা..![অ'ড টু মাই বিলাভড]
ছোট্ট চিঠির
আদর পরশ
ঘুম চোখ ভোর
রাত দুপুরে,
মন কেমনের
অবাক হরষ
বুক শিরশির
হৃদয়পুরে।
চোখ পাকানো
মারার ছলে
ঘোর শাসনে
হাসির লহর,
চুপটি বসে
মন হারানো
শালিক গোনার
অলস প্রহর।
ঘাসজমিনে
পা দোলানো
অবাধ
চুলের ঢেউ,
চারুকলার
দুপুররোদে
পুকুরধারে
কেউ।।
রুপকথা ক্ষন
চায়ের কাপে
চুমুর টানে
সাঁঝের ছায়া,
কিংবা বিকেল
খানিক দুরে
পথের ডাকে
আধেক মায়া।
কি আসে যায়
বিষ্টি এলে?
হুট বাতাসে;
পরান মেলে।
খুব অকারন
তোমায় ছুঁলে?
ছোট্ট দুহাত,
আর কিছু নেই।
জগৎ জুড়ে
খেলার ছলেই,
চাই বা কি আর;
তোমায় পেলে?!
ধূসর গোধূলিঃ প্রথম স্বপ্নপূরণ
অনেক প্রতীক্ষার পর অবশেষে এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হতে যাচ্ছে আমার প্রথম উপন্যাস ‘ধূসর গোধূলি’। আমার প্রথম স্বপ্নপূরণ। প্রকাশকঃ সৈয়দ রহমতুল্লাহ রাজন, র্যামন পাবলিশার। বই প্রকাশে সার্বিক সহযোগিতা এবং প্রচ্ছদের জন্য দুরন্ত দুরা ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। বইটি ১৪ই ফেব্রুয়ারী মেলায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে। পাওয়া যাবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ১৯৭-১৯৮ স্টলে। এবি’র সকল বন্ধুদের বইমেলায় আমন্ত্রণ।


শূন্যে আটকে যাওয়া চিৎকার
কম্পিউটারের স্পীকারটার ওপর চাপ ফেলতে ভাল লাগে। কাজ হচ্ছে না কোনকিছুতেই! কাকে যেন একবার বিপ্লবের ডাক শুনিয়ে কনভিন্স করেছিলাম। আজ আর মনে নেই, সে কে ছিল। কেন সে মাঝখানে কয়দিন বিপ্লবের স্বপ্ন চোখে নিয়ে দিন-রাত আমার সাথে সাথে ঘুরেছিল?
মানুষ কিসের আশায় জীবন যাপন করে? পৃথিবীতে নিজের উপস্থিতিকে অন্তত নিজের কাছে স্মরণযোগ্য করে রাখতে, নাকি নিজের লিগেসি টিকিয়ে রাখতে? আচ্ছা, যে সুপারহিরোর কোনো পাওয়ার নাই, সে যদি পৃথিবীর জন্য নিজেকে সন্তপর্ণে বিলিয়ে দিতে চায়; তার কি কোনো উপায় আছে? তার পক্ষে কি কোনভাবে নিজের ইচ্ছেপূরণ করার সুযোগ আছে?
ওসুওফিয়া ইন লন্ডন সিনেমায় মানুষের চরিত্রের খুব 'র' ভার্সনটা দেখানো হয়েছে। যেখানে কৌতুক, প্রেম, আর মহত্ব হাত ধরে পাশাপাশি হাঁটে। অপর পাশে নীচতা আর ব্যর্থতার হাহাকার।
শেষ একুশে ফেব্রুযারি
" অমর একুশে ফেব্রুয়ারি" রাত ১২ টায় বন্ধুর ম্যাসেজ পেয়ে সাথে সাথে কল করলাম।
কল ধরতেই ঐ পাশে চিৎকার চেঁচামেচি ।
"কি রে শহীদ মিনারে ফুল দিয়েছিস?"
" হ্যাঁ, তুই এত রাতে সজাগ কেন? ঘুমা। সকালে উঠতে হবে না?"
"সরি রে, আমি হোস্টেলে। পরশু হিসাব বিঞ্জান পরীক্ষা। বাড়ি যাই নি। কাল মাঠে যাচ্ছি না।"
" ভাষা দিবসে বাংলায় কথা বল, সরি না বলে দুঃখিত বল"
যাক, একটু শান্তি হলো। দুপুর থেকেই টেনশন হচ্ছিল কি করে বন্ধুকে বলব যে এবার ২১ শে ফেব্রুয়ারি তার সাথে থাকতে পারব না। গত ১৯ বছরেও যা হয় নি।
আমার এই বন্ধুটা হচ্ছে আমার প্রাণের বন্ধু। আমার সাথে তার পছন্দ অপছন্দ চিন্তা ভাবনা ৯০% মিলে। আমাকে এতটা আমার আম্মাও বুঝে না। তবে সেদিন সেখানেই কথা শেষ হয় নি। তারপর কি হল বলছি। আরও অনেক কথা শেষে বললাম,
"এখন রাখি রে। অংকটা মিলিয়ে ঘুমিয়ে পরব।"
"তুই আয় না বন্ধু। তোকে ছাড়া,,,,,,,"
দি গ্রেট রেড স্পট
১.
ভালার মুরঘালিস্। অর্থ, অল মেন মাস্ট ডাই। ডানেরিস টারগেরিয়েন নামের ছোট্ট রুপালী চুলের মেয়েটির আকর্ষণে 'গেম অব থ্রোন্স' দেখতে বসে আটকে গেছি। আচ্ছা; এখানে একটা ম্যারি, ফাক, অ্যান্ড কিল ট্রিভিয়া দিই। গেম অব থ্রোন্সের ডানেরিস, স্টার ওয়ার্সের রে, আর হ্যারি পটারের হারমিওনি; তিনজনের মধ্যে কাকে আপনি বিয়ে করতে চান, কার সাথে সেক্স, এবং কাকে খুন করতে পারবেন? আমার সিরিয়াল হচ্ছে, বিয়ে- হারমিওনি, সেক্স- ডানেরিস আর কিল- রে। রে-কে কিল করতে চাই শুনে জিমি অবাক হচ্ছিল কারণ ওর সবচেয়ে পছন্দের চরিত্র হচ্ছে রে, ওই তিনজনের মধ্যে। আমার অবশ্য কাউকেই খারাপ লাগে না। জাস্ট বন্ধুদের প্রায়োরিটি মাথায় রেখে সিরিয়াল সাজাচ্ছিলাম।
২.
বই মেলায় আসুন--আমার বই কিনুন...
বই মেলায় আসুন--আমার বই কিনুন

১৯৯৪ সালের বই মেলায় আমার প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘হৃদয়ের এপিঠ-ওপিঠ’ ২০১১ সালে ২য় বার মুদ্রণ হয়েছিল রোদেলা প্রকাশনী থেকে(স্টল নং১৫৩-১৫৪-১৫৫)। ২০১৩ সালে জিনিয়ান পাবলিকেশন্স থেকে আমার গল্পগুচ্ছ ‘ভাদ্র ভাসান’ প্রকাশিত হয়েছিল( স্টল নং১০১-১০২)। এ বছর অণুপ্রাণন প্রকাশন থেকে আামার উপন্যাস ‘গন্তব্যহীন দূঃখবিলাস’ প্রকাশিত হয়েছে(স্টল নং ২৬৮)। সবগুলো স্টলই সোহরাওয়াদ্দী উদ্যানে। বাংলা একাডেমির লিটল ম্যাগ চত্বরে আছে অণুপ্রাণন এর ম্যাগাজিন স্টল, অণুপ্রাণন এর ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিনে আমার লেখা বেশ কিছু গল্প আছে।
সকল বন্ধুদের প্রতি অনুরোধ রইলঃ বই মেলায় আসুন--আমার বই কিনুন...
বিয়ে
ছেলেমেয়েরা বড় হলে বাবা মা সবার আগে যা নিয়ে ভাবে তা হল "বিয়ে"। জন্মের পরই বলতে গেলে, মেয়ে কাল হলে কি করে বিয়ে দিবে , সাদা হলে রাজপুত্র কোথায় পাবে। ছেলে কাল হলে, সাদা মেয়ে ঘরে তুলতে হবে। সাদা হলে মেয়ে দেখতে সমস্যা হবে না।
বড় হয়ে গেলে আত্মীয় স্বজন , পাড়া প্রতিবেশী , চেনা জানা সবাই মিলে বিয়ে দেয়ার পিছনে লাগে। মেয়ের বাবা মায়েরা একটু বেশিই ঝামেলায় পরে।
যাহোক, মেয়ের জন্য ছেলে দেখতে গেলে, সবার আগে , কি করে, পড়াশোনা কতদ্দুর। ব্যাংকে চাকরি, কোম্পানীর চাকরি আরেকবার ভেবে দেখি হলেও ডাক্তার ইন্জিনিয়ার হলে এক কথায় প্রায় রাজির সংখ্যা অনেকটাই বেশি।
তবে মেয়ের বয়ফ্রেন্ড থাকলে আলাদা। মেয়ে বাবা মা কে উচ্চশিক্ষার কথা বলে বিয়ে ভেংগে দেয়। (অনেকে সত্যিই পড়তে চায়)
মুহাম্মদ জাফরি ইকবালের অভব্য নিবন্ধের প্রতিক্রিয়া এবং অন্যান্য
কোনো লেখকের উপন্যাসের চরিত্ররা উপন্যাসের প্রেক্ষাপটে যে ধরণের উপলব্ধি প্রকাশ করে কিংবা যেসব বক্তব্য দেয়- লেখকের বক্তব্য হিসেবে সেসব উপস্থাপন করাটা লেখকের প্রতি এক ধরণের অন্যায় আচরণ। লেখক যখন কোনো উপন্যাসের চরিত্রচিত্রন করেন, উপন্যাসের প্রেক্ষাপটে সেসব চরিত্র নিজের মতো জ্যান্ত, তারা লেখকের কল্পনায় বসবাস করলেও আদতে তারা এক ধরনের স্বাধীন স্বত্ত্বা, তাদের নিজস্ব অভিমত আছে, লেখক সেসব স্বাধীন সত্ত্বার উপলব্ধিগুলো লেখার সময় নিজের অভিমত সব সময় চরিত্রের উপর চাপিয়ে দিতে পারেন না।
কিন্তু লেখক ব্যক্তিগত নিবন্ধে কিংবা সাক্ষাৎকারে যেসব অভিমত ব্যক্ত করেন, সেসব বক্তব্যের দায়ভার সম্পূর্ণই লেখকের। সেটা লেখকের সুচিন্তিত স্বাধীন অভিমত এবং লেখককে সেসব বক্তব্যের দায়ভার বহন করতে হয়।
ফেইসবুক আর আমি
বাংলাদেশে ফেইসবুক জনপ্রিয়তা পাওয়ার সময়টাতে আমারও একটা একাউন্ট ছিল। বন্ধু মোটামুটি ১০০ পেরিয়ে ছিল ৬ মাসেই। সবসময় দেখা হয় এমন বন্ধুরাও ছিল। অনেক রাতই কেটেছে চ্যাট করতে করতে। কারও ম্যাসেজের উত্তর না দিলে বা দেরি হলে খুব বকা খেতে হত, তার উপর কোন বন্ধুর স্ট্যাটাসে লাইক বা কমেন্ট না করলেও দেখা হলে একচোট হত। আর আমার পোস্ট করা ছবিতে অপমান জনক কমেন্টও অনেকে করত। সত্য কথা একটু তিতা তো,,,, তাই ভাল লাগত না। সেই কারনে আগাম সতর্ক সংকেত না দিয়েই দিলাম একাউন্ট ডিএক্টিভ করে।
বন্ধুদের সাথে তো রোজই দেখা হয় , চিন্তা কি? তবে ঝামেলা হল তাদের থেকে দূরে এসে। নতুন দেশ, সব নতুন, নিজেকে গুছাতে গুছাতে বছর পেরিয়ে গেল যে কখন টেরই পাই নি। স্থির গতিতে এসে বন্ধুদের ছাড়া আর থাকতে পারলাম না। তাই ফেইসবুকে আবারও একাউন্ট খুললাম।
আজ আমার বুবুর জন্মদিন
সেদিনও মাঘের হাড় কাঁপানো শীতটা বেশ জেঁকেই বসেছিল। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে দেখি বাসায় আম্মা নেই, আব্বা নেই, শেফু আন্টি নেই। নানু বসে বসে কাঁদছিল।বাসা ভর্তি ছিল মেহমান।নানা, নানু, শেফু আন্টি,শেফু আন্টির ছেলে মিশু, মেয়ে শান্তা, জুয়েল মামা, রিয়েল মামা আর আমরা তো আছি।
সকাল বেলা থেকে আমাদের অপেক্ষা শুরু। একে একে আশেপাশের সব আন্টিরা এসে জিজ্ঞেস করছিল আমার আম্মা কেমন আছে, হাসপাতাল থেকে কোনো খবর আসছে কিনা। অনেকের আবার নানান ধরনের আশংকা। রোজার মাস ছিল। নানু কাঁদছিল আর আমাকে বলছিল আম্মার জন্য যেন দোয়া করি। সন্তানের দোয়া নাকি আল্লাহ বেশি কবুল করে।নানুর কথা শুনে আমি জায়নামায বিছিয়ে কুরআন শরীফ পড়া শুরু করি।চোখের পানিতে সব ঝাপসা হয়ে যাচ্ছিল।তবুও পড়ে যাচ্ছিলাম।
কি সুন্দর পৃথিবী
প্রত্যেকটা মানুষই জীবন পথে একবার হলেও ভাবে, "ধূর , কেন যে জন্ম নিলাম? বেঁচে থেকে কি হবে। মরে যাই না কেন। ইত্যাদি ইত্যাদি জীবনের প্রতি হতাশা মূলক কথা"
আমার মত একজন যে জীবন বোঝার আগেই ভাবতে শুরু করেছে যে মরে গেলে ভাল হত, তার জন্য এই ধরনের কথা ছিল স্বাভাবিক। " জীবন কতই না সুন্দর " টাইপ কথাগুলো হাস্যকর। তবে, সবসময় একটা কথা মাথায় ঘুরত, কেন বেঁচে আছি? আল্লাহ্ আমাকে এখনও বাঁচিয়ে রেখেছেন কেন? সবাই বলে তিঁনি নাকি উদ্দেশ্য ছাড়া কিছু করেন না। আমাকে বাঁচিয়ে রাখার উদ্দেশ্যটা খোঁজে পাচ্ছিলাম না।
প্লেনটা যখন আকাশে উঠে পরেছে জানালা দিয়ে রাতের বাংলাদেশটা কত সুন্দরই না লাগছিল। তবে আস্তে আস্তে ছোট হয়ে যাওয়া আমার দেশটার দিকে তাকিয়ে মনে মনে আল্লাহ্পাককে বলেছিলাম, আর কত কষ্ট রয়েছে আমার জন্য? শুধু কষ্ট পাওয়ার জন্যই কি আমার জন্ম?
কাকতালের পৃথিবী: অগভীরতা যখন সকলের আরাধ্য
১.
সৌন্দর্য্য এমন একটা বিষয় যেটার প্রতি পৃথিবীর সব মানুষের একটা আকণ্ঠ তৃষ্ণা রয়েছে। অথচ সৌন্দর্য্য বিচার করার স্বাভাবিক ক্ষমতা কিন্তু তাদের বেশিরভাগেরই নেই। সাধারণত আমরা চেহারার বৈশিষ্ট্য যেমন চোখ, মুখ ও নাকের আয়তনিক গড়ন, চুলের রং, দৈর্ঘ্য ও ঘনত্ব, শরীরের বলিষ্ঠতা ও রং-এর মতো কিছু বিষয়কে সৌন্দর্য্যের মূল প্রতিনিধি মনে করি এবং সেগুলোর উৎকর্ষকেই কেবলমাত্র গুরুত্ব দিই। এই বিচারে পৃথিবীর তাবত খাটো, কালো, নাকবোঁচা, টাকমাথা, ভুরিওয়ালা, দৃশ্যমান জায়গায় জন্মদাগ কিংবা জরুল সমৃদ্ধ সবাই বাদ পড়ে যায়।
অথচ একবার ভেবে দেখুন উল্লিখিত ওই চেহারার বৈশিষ্ট্যগুলোর কোনো একটিরও কি প্রকৃত কোন মূল্য রয়েছে? তারপরও আমাকে যদি উপরোক্ত বৈশিষ্ট্যসমূহে সমৃদ্ধ, কিন্তু মানসিকভাবে "দৈন্য" কোনো ব্যক্তির সঙ্গে সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী কারও তুলনা করে, একজনকে সঙ্গী হিসাবে বেছে নিতে বলা হয়, তাহলে আমি অবশ্যই দ্বিধায় পড়ে যাবো।
বিজ্ঞান
কেনো বিজ্ঞান নিয়ে এত মাতামাতি? অস্তিত্বের মৌলিক প্রশ্নগুলো মীমাংসিত হয়ে গেলে আমাদের সামষ্টিক জীবনযাপনরীতিতে কোনো পরিবর্তন কি আদৌ আসবে? আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন অনেকটাই অভ্যাস আর সংস্কৃতিনির্ভর, সেখানে বিজ্ঞানচেতনার খুব বেশী উপস্থিতি নেই
আমাদের নিত্যদিনের জীবনযাপনে হকিং আইন্সটাইন ডারউইন হাক্সলের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা টহলপুলিশ। মহাবিশ্ব "লেট দেয়ার বি লাইট এন্ড দেয়ার ইজ লাইট" ভঙ্গিতে শুরু হয়েছে না কি শূণ্য থেকে মহাবিশ্বের স্বতঃস্ফুর্ত বিকাশ হয়েছে প্রশ্নের চেয়ে অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ রাজধানী থেকে বিক্যাশের টাকা মোবাইল একাউন্টে ঢুকলো কি না এই প্রশ্নের সঠিক জবাব।