ইউজার লগইন
ব্লগ
অদ্ভুত আঁধার এক
তিন মাস হয়ে গেল। মাসের হিসাবে হয়তো এটা শুধুই একটা সংখ্যা। কিন্তু যাদের বুক খালি হলো তাদের কাছে কত সহস্র বছর মনে হচ্ছে তা বোঝার ক্ষমতা কি আমাদের আছে? তনু’র কথা বলছিলাম।সেই তনু। যে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী ছিল, যে নাটক করত, আবৃত্তি করত, স্বপ্ন দেখত, প্রাণ খুলে হাসত, এমনকি নিজের হাত খরচ চালাতে গিয়ে বাবার উপর যেন চাপ না পড়ে সেজন্য টিউশনিও করতো।কেমন লক্ষী মেয়েটাই না ছিল বাবা-মায়ের।
ভুলের ভাণ্ডার
এক.
‘ভুল’ বানানটি সঠিক বটে
লিখবেন না কেউ ভূল
তুল লিখেন টুল লিখেন
লিখবেন না বানান মুল।
‘মূল’; কিন্তু মুল নয়
রাখবেন মনে সবে
মুল যদি লিখে কেউ
ভুল জানবেন তবে।
‘কুল’ যদি বরই হয়
‘কূল’ নদীর পাড়
ভুল বানানে অভ্যস্ত
লজ্জা পাবে সবার।
‘তুলা’ লিখেন ‘কুলা’ লিখেন
লিখবেন না কেউ মূলা
‘মুলা’ বানান সঠিক তবে
লিখবেন না ফরমূলা।
ফরমূলা নয়, ‘ফরমুলা’
জেনো নিশ্চয়
ইংরেজি উচ্চারণে
(ূ) ঊ-কার নাহি হয়।
কারণ বারণ মরণ লিখেন
ধরণ লিখবেন না
ধরণ যেন ‘ধরন’ হয়
লিখতে ভুলবেন না।
‘গুণ’ লিখেন ঘুণ লিখেন
গুন লিখবেন না
গুণিতকের মর্মকথা
এতে পাবেন না।
‘কাঁটা’-‘বোঁটা’ সবই লিখেন
ফাঁটা লিখবেন না
ফ-এর ওপর চাঁদ বসালে
‘ফাটা’ হবে না।
‘হাসি’ লিখেন ‘কাশি’ লিখেন
হাস লিখবেন না
চাঁদ ছাড়া ‘হাঁসফাঁস’
কিছুই হবে না।
বাড়ি-গাড়ি সবই লিখেন
হাড়ি লিখবেন না
‘হাঁড়ি’র ওপর চাঁদের টিপ
দিতে ভুলবেন না।
পরবাসী বাবা
আমার বাবার ছবি নেই
আছে স্মৃতি অল্প
ছড়ায় ছড়ায় লিখছি তাই
আমার বাবার গল্প।
সংসারের ছোট ছেলে
আদর পেতাম মস্ত
বাবা শুধু বাবাই নয়
ছিলেন জানি দোস্ত।
কর্মজীবী বাবা ছিলেন
সাদামাটা স্বভাবের
রাগতে তাকে দেখিনি তো
ছিল না ভাব নবাবের।
গ্যাস ব্যামোতে মাঝেসাঝে
কষ্ট পেতেন দিনরাত
অন্যের ভালোয় ভালো তিনি
বুঝতো না কখনো পাঁচসাত।
রোগে ভোগে বাবা একদিন
গেলেন পরপারে
ফিরলো না সে আর কোনোদিন
খুঁজবো কোথায় তারে।
জুন ২০, ২০১৬
তথ্য বাতায়ন
১৯৯০ সালে সার্নের গবেষক টিম বার্ণার্স লি যখন গবেষকদের তথ্য আদান প্রদানের সুবিধার জন্যে কম্পিউটারগুলোর ভেতরে আন্তঃসংযোগ গড়ে তোলার পদ্ধতি উদ্ভাবন করলেন এবং পরবর্তীতে এই ধারণা বিস্তৃত করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের ধারণা নিয়ে কাজ শুরু করলেন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে একটি নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থায় বিভিন্ন দুরবর্তী কম্পিউটারের ভেতরে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হলো।
সংখ্যালঘুত্ব
মানুষ শুধু মানুষ পরিচয়ে অপূর্ণাঙ্গ বোধ করে তাই নিজেদের আলাদা আলাদা বর্গে ভাগ করে। রাষ্ট্র মানুষের পরিচিত কাঠামো মেনেই আদম শুমারি করে নাগরিকের গায়ে গোত্র, ধর্মের লেবাস জড়ায়। রাষ্ট্র তার নাগরিকদের শরীর থেকে জাতি,গোত্র, ধর্মের লেবাস মুছে ফেললে হয়তো বিভিন্ন ধরণের সাম্প্রদায়িকতা প্রশ্নকে নাগরিক অধিকারের জায়গা থেকে মোকাবেলা করা সম্ভব হতো, তবে রাষ্ট্রে সহসা এমন বৈপ্লবিক পরিবর্তন আশা করা অনুচিত।
ভারতীয় জনতা দলের একজন নেতা বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতিত হচ্ছে এমন বক্তব্য উপস্থাপনের পর বদরউদ্দীন উমর সনাতন ধর্মাবলবীদের সংখ্যালঘুত্ব প্রশ্নটিকে ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করেছেন। বাংলাদেশে প্রকৃত সংখ্যালঘু কারা? বদরউদ্দীন উমর অসস্তিকর এই প্রশ্নের উত্তরে মতায় প্রতিনিধিত্ব এবং নির্যাতনের বাস্তবতা বিবেচনা করে দেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে প্রকৃত সংখ্যালঘুর মর্যাদা দিয়েছেন।
সাড়ে চার বিলিয়ন বছর, হে ক্ষুদে নক্ষত্রকণা
ছোট ছোট গল্পরূপী, ঘাসের শাদা ফুলরূপী, তোমার কানের দুলরূপী, আগুনরঙা চুলরূপী, সাঁঝবিকেলের মাঝরূপী, পানকৌড়ির ডুবরূপী, একেকটা অপার কষ্ট। ওরা ছুটছে যেন কোথায়, ওদের কার সাথে যে ছন্দ, ওদের নিত্য দেখা যায়, ওদের ভেতরটা খুব বন্ধ।
তোমার বুকে বিঁধেছে ওটা কি? তোমার চোখ থেকে ঝরছে বলো কি? তোমার হাতে লালরঙা ওসব কি? তুমি কাঁদছো কেন মেয়ে, তোমার নামটা বলো তো কি? তোমার দুঃখটা যেন কি? তোমার হৃদয়টা চায় কি?
ও, তাই? ওটা ছুরি? বাব্বাহ, খুব বাহারি নকশা কাটা বাঁটে। ঝরে অশ্রু? দারুণ, তুলছে ছবি ফুটিয়ে ললাটে। ওসব রক্ত? সুন্দর, ঠিক যেমন পলাশ ফুটে বৈশাখে। নাম নেই? অদ্ভুত। বহুরূপী প্রভুর তুমি রইবে খুব নিকটে। দুঃখ নেই? অনন্য, তোমার পাথর কেন পকেটে? হৃদয়ও অকেজো? অসাধারন, তুমি ধন্য মেয়ে বটে।
জাপানের জনজীবনের যত ঘটনা
সংস্কৃতি বা জনজীবনের কথা বলতে গেলে বলতে হয় মানুষ আসলে কী করে আনন্দ পায় বা সময় কাটাতে ভালোবাসে। যেকোনো সংস্কৃতির এই প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলতে গেলে টেলিভিশনের কথা প্রথমেই চলে আসে। জাপানীরাও সবার মতই টেলিভিশন, সংবাদমাধ্যম বা রেডিওর দ্বারা প্রভাবিত হয়। তবে টেলিভিশন দেখার ব্যাপারটাও বদলে গেছে- কেননা জাপানী গৃহবধূরা যেসব টেলিভিশন নাটক দেখে থাকেন তাতে সমাজে ঘটে যাওয়া নিকৃষ্ট বিষয়গুলোই প্রাধান্য পায়।
ম্যাগাজিনের কথায় আসলে সেসব ম্যাগাজিনের প্রসঙ্গই প্রধানত চলে আসে- যেসব কাগজ মানুষের মনে সুপ্ত থাকা বাসনা নিয়েই লেখে- কেননা জনমানুষ সাধারণ সংবাদপত্র পড়ে পড়ে একঘেয়ে হয়ে যায়। জাপানের কমিক্স ছেলে বুড়ো সবার অবসরের অনেকটা জায়গা জুড়েই রয়েছে এখনো।
গল্প: সম্ভব শুধু প্রাণপনে পোকার ফেস ধরে রাখার চেষ্টা করা
১.
ইয়াহু মেইলের ভক্ত ছিলাম অনেকদিন। সম্ভবত ২০০১-০২ থেকে নিয়ে ১১-১২ পর্যন্ত। তারপর একদিন জিমেইলে অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়েছিল, একটা জরুরি দরকারে। এক সন্ধ্যায় একটা গুরুত্বপূর্ণ ই-মেইল পাঠাতে হয়েছিল, কিন্তু যেকোন কারণেই হোক সে সময় ইয়াহু'র সার্ভার ভীষণ ব্যস্ত ছিল। অনেক চেষ্টা করেও ইয়াহু খুলতে না পেরে, শেষমেষ একটা জিমেইল অ্যাকাউন্ট খুলে মেইলটা পাঠাতে হয়েছিল। পাঠানোর পাঁচ মিনিটের মাথায় উত্তর এসেছিলো- ধন্যবাদ, যথাসময়ে ই-মেইল পাঠানোর জন্য আপনাকে আমাদের পরবর্তী পর্যায়ের যাচাই প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভূক্ত করা হলো।
এমন যদি হত
- সারাদিন আজ কি করলে?
; এই তো, ঘুম থেকে উঠে চা বানিয়ে বিস্কুট দিয়ে খেলাম। তার পর একটা রেসিপি লিখার চেষ্টা করলাম, জানো আজ গল্প ও রান্না’য় তেইশ লক্ষ হিট হয়ে গেল!
- আমরা বাসায় নেই এখন তো তোমাকে লেখায় আর কেহ বাধা দিচ্ছে না!
; না, এখন তোমরা না থাকলেও আর লিখতে পারি না, না লিখতে লিখতে অভ্যাস হয়ে গেছে, তার পর ফেসবুকে এতটা অসক্ত হয়ে পড়ছি যে, লেখার চেয়ে ফেসবুকে থাকতেই আনন্দ পাই। অন্যের লেখা পড়ি আর লাইক কমেন্ট করি! ওহ, আর ফেসবুকের ওয়ালে শুধু সেলফি দেখি!
- আজ নামাজ পড়োনি?
; হ্যাঁ, পড়েছি, সেই পুরানো সপ্তাহের মতই। বাসার কাছে মসজিদ, এই ঢাকা শহরে।
- দুপুরে খাবার খাও নাই?
কালচে রক্তের শহর
ঘটনা আসলে তেমন কিছু না। নতুন করে কিছু বলার না। যা ঘটছে চারপাশে তাই বলা। যা ঘটছে কিছুই নতুন না, কিন্তু বারবার ঘটছে আর আমরা বারবার ভুলে যাচ্ছি। ভাবছি সব ঠিকঠাক, দিব্যি চলছে বেশ। কেউ কেউ শুনতেই চায় না কিছু, কেউ আছে শুনেও না শোনার ভানে। দিন সপ্তাহ মাস চলে যাচ্ছে অবিরত বিছিন্ন ঘটনায়। তেমন এক বিচ্ছিন্ন ঘটনার কথা বলি গত সপ্তাহের। যা আমার মনকে পুরো চূর্ণ বিচূর্ণ করে বিষিয়ে ফেলেছে। বাসায় যাবো বৃষ্টি হচ্ছে। হুট করে দেখি ভারী কিছু পতনের শব্দ। আমার ধারনা ছিল ট্রান্সমিটারের কিছু হয়েছে। কিন্তু দেখলাম চারপাশ থেকে মানুষ দৌড়ে আসছে। আমিও গেলাম কৌতূহল বশত। যেয়ে মস্ত বড় ভুল করে ফেলেছি। সামনে আগালাম না। একজনের দেহ পড়ে আছে। আর বৃষ্টি আর রক্তে পুরো রাস্তা ভেসে গেছে। পুলিশরা দাঁড়িয়ে ছিল তাঁরা বিল্ডিং এর ভেতরে ঢূকে পড়েছে। মারা তো গিয়েছেই তবুও একটা গাড়ী পাওয়া গেল সেটা করে উনাকে ঢাকা মেডিকেলের আনুষ্ঠানিকতা সারতে নে
নারীর শরীর
I am not the wheatfield.
Nor the virgin land.
—Adrienne Rich
কিছুদিন আগে সেন্টমার্টিন বেড়াতে গিয়েছিলাম। যে কটেজটাতে উঠেছি সেটা সমুদ্রের খুব কাছে। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়া যায়। মনে হয় শরীরের উপর ঢেউ গড়িয়ে পড়ছে।
মে দ্য ফোর্থ বি উইথ ইউ
আজকাল ফেইসবুকই সবচেয়ে ভাল বন্ধু হয়ে থাকছে আমার সাথে। সকালবেলা প্রতিদিন কোনো না কোনো উপায়ে আমার সাথে যোগাযোগ করে সে। কোনোদিন বলে, মীর স্টে ড্রাই টুডে। রেইন ইজ দ্য ফোরকাস্ট; আবার কোনোদিন বলে, এনজয় দ্য সান। তবে আজ সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। লিখেছে, মে দ্য ফোর্থ বি উইথ ইউ।
সিনথিয়ার মামার সাইকেল
সিনথিয়ার স্কুলে এক সপ্তাহের গ্রীষ্মকালীন ছুটি দিয়েছে। সিনথিয়া আগে থেকেই বাবা-মাকে বলে রেখেছে এবারের গরমের ছুটিতে সে নানু বাড়িতে বেড়াতে যাবে। নানু বাড়িতে নানা,নানু,টিয়া আন্টি আর দুই মামা আছে। আসাদ মামা আর আরফান মামা। আরফান মামার সাথে সিনথিয়ার বেশ ভাব।
সে নানু বাড়িতে গেলে আরফান মামার সাথে বিকাল বেলা মাঠে খেলতে যায়। আবার ঘুড়ি ওড়ানোর দিনে আরফান মামা ঘুড়ি ওড়ানোর সময় মাঝে মাঝে সিনথিয়ার হাতে নাটাই ধরিয়ে দেয় ঘুড়ি ওড়ানোর জন্য। আবার নানা যখন কৃষক দিয়ে মাটির নিচ থেকে নতুন আলু তুলে আনে তখন আরফান মামা সিনথিয়াকে বলে, আলু তুলবি? সিনথিয়া যখন বলে তুলবে তখন আরফান মামা তাকে জমিতে নামিয়ে হাতে নিড়ানি দিয়ে দেখিয়ে দেয় কিভাবে মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে নতুন আলু তুলতে হয়।নতুন আলু তোলার এই প্রক্রিয়াটা সিনথিয়ার বেশ মজা লেগেছিল।ওর মনে হয়েছে কেউ যেন আলুগুলো মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছিল।
পংকিল মুখবন্ধ
চোখের ঘষাকাঁচে তাকিয়ে থাকা বৃদ্ধলোকটা খুব কাছ থেকে ফুলের রংটা বোঝার চেষ্টা করছে। ভ্রু কুঁচকে ডানে বায়ে কাঁত হয়ে বোঝার চেষ্টা করছে ফুলটা কি হতে পারে! পাশের পিংক কালারের ফ্রক পড়া মেয়েটির সেখানে মনোযোগ নেই। সে ছুটে চলেছে উড়ে যাওয়া প্রজাপতির ধরতে। বুড়োটা রণেভঙ্গ দিয়ে তাকিয়ে দেখে আশেপাশে নেই মেয়েটি। উদ্ভ্রান্তের মতো "সামারা" "সামারা" বলে ডাকতে শুরু করলো। তার এলোমেলো হাটা দেখে আশেপাশের বোরখা ঢাকা এক সোমালীয়ান মহিলা এগিয়ে এলো। মেয়েটির নাম জেনে সেও ডাকতে শুরু করলো। আস্তে আস্তে পার্কের সবার মুখেই এক নাম। কিছুক্ষন পর পুলিশ এলো, মেয়েটিকে খুজে বের করলো। মেয়েটিকে জড়িয়ে ধরে বৃদ্ধ লোকটি পাগলের মতো কাঁদছে। তার পাশে দাড়িয়ে আছে অফিস ফেরত মা বাবা। তারাও দাড়িয়ে দাড়িয়ে কাদছে। মেয়েটি অপরাধীর মতো মুখ করে কি যেনো বলছে। তাতে কারো ভ্রুক্ষেপ নেই।
কথা ছিল, আঙ্গুলের ফাঁকে থাকবে; তুমি..
# # # #
কিছু কথা নয় অজানাই থাক।
কি ই বা যায় আসে?
ভুলে পথ,
যদি;
শঙ্খনীল শব্দগুলো -
বৃষ্টি হয়ে ঝরে
বুকের ভেতর?
হিম হিম হিম কুয়াশায়,
যদি;
মিলে যায় এক সমুদ্র আমার?
সব্বার বুকে জমাট ঘুমের মতন,
অগোছালো স্মৃতির স্বপন ছুঁয়ে;
হারানো ডায়েরির মত নির্বাক?
# # # #
বুঝি, দেখেছিলেম তোমায় কিছু দিন; নীলে।
এলো চুলে ফিরে চাওয়া,
মৃদু হাসি ;
অবাক মায়ায় ভরা সাগর ছোঁয়ায় -
হৃদি মাঝে, নীলাকাশ; গেল মিলে।।
# # # #
মাঝে মাঝে; শুধু ইচ্ছে জাগে মনে।
কেবলই ইচ্ছে জাগে,
মাঝে মাঝে।
কথার কথায় না হাসিয়ে,
কথায় কথায়; কথকতায় -
তোমার বাদলা দিনের মেঘলা চোখে,
চকিত খুশি; লুকিয়ে ফেলার -
কারন হতে, ইচ্ছে জাগে; মনে।।
# # # #
তোমার না থাকার মাঝেই আছি আমি,
আমার পাশে থেকেও
তোমার তুমিতেই হারিয়ে খুঁজেছো যতটা;
এই আমাকেই - অনাদিকাল..
..অযথাই।।
# # # #
খোদার রহম,