ইউজার লগইন
ব্লগ
কালও কি তুমি আমায় ভালবাসবে?
একবার এক ময়ূরের রাজ্যে হারিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে চোখ খুললে কিছু দেখা যায় না, চোখ বন্ধ করলে সব পরিস্কার। কান পাতলে শুনতে পাই হাহাকার, আর মনোযোগ অন্যত্র সরিয়ে নিলে পরিস্কার শোনা যায় ঝর্ণার কুল কুল ধ্বনি।
হঠাৎ কোত্থেকে যেন একটা কাঠবিড়ালী লাফিয়ে আমার কোলে এসে পড়েছিল। আদর করে তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতেই, সে রাজকুমারী এরিয়েলের কণ্ঠে কথা বলে উঠলো। আমি চমকে চোখ খুলে দেখি এক অর্ধনগ্না, বিশালবক্ষা, মধ্যবয়সী; আমায় ব্রার্টভার্স্টের সসেজ ভেবে খুব করে মায়োনিজ আর ক্যাচাপ মাখাচ্ছে। আরেকটু হলেই হজম হয়ে যেতাম আর কি!
ভাগ্যটা ভাল থাকায় আরও একবার সুখ পাহাড় আর দুখ পাহাড়ের সেই "লিজেন্ড" উপভোগের জন্য একটা এক্সট্রা লাইফ বোনাস পেয়েছি। তবে তারপর থেকে নীল রক্তই শুধু ক্ষরণ হয় হৃদয় থেকে। আর ভালবাসা ভরে থাকে কোনো এক হারিয়ে যাওয়া বেলুনের ঢাউস পেটে।
সেইসব দিনেরা
স্কুল জীবনে ২৫ শে মার্চ কি যে উত্তেজনাপূর্ণ দিন ছিল। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাব, আর উচ্চ বিদ্যালয়ে গার্লস গাইড। মাঠে কত মানুষের সামনে প্রথমে প্যারেড , তারপর শারিরীক কসরত। পিরামিড তৈরী করা নিয়ে কত টেনশন। মাঠে ভেংগে পড়বে না তো। সেজন্য একমাস কত পরিশ্রম। সারাদিন ক্লাস করে মাঠে প্র্যাকটিস। ২-৩ ঘন্টা। ময়লা আর ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফেরা। শুক্রবারেও রক্ষা মিলত না।
২৫ মার্চ সারাদিন স্কুলে প্রাকটিস। বিকালে বাসায় ফিরে স্কুল ড্রেস ধুয়ে , সাদা ওড়ণা, স্কার্ফ, আর সালোয়ারে নীল দেয়া, বেশি বা কম না হয়ে যায় তা নিয়ে সর্তক থাকা। সেগুলো ঠিকমত শুকানোর পর আয়রন করা। পিটিসু পরিষ্কার করা। চুলের সাদা ফিতা না থাকলে আম্মা বা আপার চারপাশে ঘুরে ঘুরে ঘ্যাণ ঘ্যাণ করা। ফিতার সাথে নতুন রবার ব্যান্ড আর ক্লিপ পেলে ঈদের খুশির মত লাগত। টেনশন আরও বাড়ত অবশ্য। এবছর আমাদের স্কুল ফার্স্ট হতে পারবে কি না এই নিয়ে।
এক যে ছিল ছোট্ট রাজকুমার..
আমি যখন ছোট ছিলাম, অনেক ছোটই বলা যায়। আমি বই পড়তে খুব ভালোবাসতাম, গল্পের বই।
এখনও ভালবাসি, কিন্তু তখনকার মত অতটা না। ওই মনটাই আসলে আর নেই, অথবা কেমন ছিল তা মনে নেই।
যা মনে রাখার কথা সেটাই বরং ভুলে বসে থাকি। এজন্যই হয়তো মাঝে মাঝে নিজেকে বড় বড় মনে হয়!
যাই হোক, আগের কথায় আসি। সেই ছোটবেলায় আমার নিজের তো আর বই কেনার উপায় ছিল না। কেউ উপহার দিলে পড়তাম, সেই সময়ে আমার নানার কাছ থেকেই পেয়েছিলাম সবচেয়ে বেশি বেশি।
মাঝে মাঝেই পেতাম নতুন একেকটা বই, নতুন কোন কাহিনী পড়তে কি যে ভালো লাগতো তা বলে বোঝানোর নয় আসলে। যে জানে, সে জানে। তখনই একবার একটা বই পেয়েছিলাম, আতোয়াঁ দ্যু সাঁ-জ্যুপেরীর লেখা 'ছোট্ট রাজপুত্র'।
অন্যরকম এক রাজপুত্রের গল্প ছিল তা, অনেক কিছু বুঝি নি তখন পড়ার সময় তাই অত বেশি ভালোও লাগে নি। তবে বইটার পাতায় পাতায় আঁকা ছবিগুলোর জন্যই হয়তো তাকে ভুলে যাই নি।
সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত কিন্তু স্বশিক্ষিত লোক মাত্রই সুশিক্ষিত নয় - এতদিনে মানে বোঝলাম।
আমার একটা ছোট ভাই আছে। তার সবচেয়ে অপছন্দ একটা কাজ হল, পড়াশোনা। কিন্তু পড়াশোনা তো করতেই হবে। তার এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার আগে একদিন আম্মা বাসায় আসে ভীষণ রেগে। কারনটা হল, ভাইয়ের ক্লাসের ফার্স্ট বয় নাকি পাঠ্যবইয়ের গন্ডি পেরিয়ে সৃজনশীল গাইড বই পড়ছে। যেখানে একই প্রশ্ন বিভিন্নভাবে এবং প্রশ্নের উত্তরও সৃজনশীল ভাবে লেখা রয়েছে। যেহেতু সৃজনশীল পদ্ধতিটা নতুন, তাই তাকেও সেই গাইড বই পড়তে হবে। আম্মা আমাদের কোনদিন গাইড বই পড়তে বলে নি। নিজের হাতে নোট তৈরি করে পড়তাম। আজ হঠাৎ গাইড বই কেন? এত্ত বড় একটা বই কিনেও এনেছেন। ভয়ে ভয়ে বললাম, গাইড বইয়ের চেয়ে পাঠ্যবই পড়াই তো ভাল। আপনিই তো বলতেন। আজকে কেন?
বৃষ্টি কাহিনী
কাল সারারাত বৃষ্টি পরেছে। প্রায় ভোর রাত পর্যন্তই টালির ছাদে বৃষ্টির শব্দ শুনেছি। অনেকটা বিখ্যাত টিনের চালের শব্দের মতই। দেশের কথা মনে পরছিল। বৃষ্টিতে না ভিজলে আম্মা খুবই বিরক্ত হতো। বলত, এটা কেমন মেয়ে? বেরসিক। তোর বোনদের দেখে শেখা উচিত। বাঙ্গালী হয়ে বৃষ্টিতে ভিজবি না?
অমরত্বের সন্ধানে
বব মার্লে মাত্র ৩৬ বছরে বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তার পায়ের আঙ্গুলে প্রায় নিরাময়যোগ্য স্কীন ক্যান্সারের অস্তিত্ব ধরা পরার পর ডাক্তাররা তাকে পায়ের আঙ্গুল কেটে ফেলার পরামর্শ দিয়েছিলো। বব মার্লে বিশ্বাস করতেন শাররীক বিকৃতি কিংবা অঙ্গচ্ছেদ অনন্ত পরকালে তার পুনর্জন্মকে বাধাগ্রস্ত করবে। সমস্ত শরীরে ক্যান্সার ছড়িয়ে পরায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
সভ্যতার ইতিহাসে বব মার্লেই এমন অদ্ভুত ধারণায় বিশ্বাস করতেন এমনটা ভাবা ভুল। মিশরীয় সভ্যতার ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় অন্তত মিশরের ফারাওরা পূনর্জন্মে বিশ্বাস করতেন এবং শাররীক কাঠামোকে প্রায় অক্ষত রাখার প্রক্রিয়াও তারা উদ্ভাবন করেছিলেন। শব সংরক্ষণ প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করেছিলো মায়া সভ্যতার মানুষেরাও।
নীল রক্ত
রুম
ব্যালকনিতে আমার গাছটার সাথে আরও বেশ কয়েকটা গাছ। একটা বাগান বিলাস, বাকিগুলোর নাম জানি না। নেশাখোর ছেলেটাকে হাউস টিউটর অন্য রুমে পাঠিয়ে দিয়েছে। আহ কি আরাম লাগলো শুনে। নতুন ছেলেটাই এসব বলতে শুরু করল। একটু পর মেহেদিকে দেখা গেলো। ও মেডিক্যালে পড়ে। গদগদ হয়ে বলল- দোস্ত আমি তোর রুমে উঠেছি।
লিফট
আবোল তাবোল - ১৮
মনে হইতাছে কয়েক হাজার বছর পর কিছু লিখতে বসছি। কিছু লিখার নাই যদিও, লেখালেখি ভুইলা গেছি কতদিন হইছে তাও ভুইলা গেছি। তাও, একটা কিছু লিখতে ইচ্ছে করতাছে তাই রাতদুপুরে গান শুনতে শুনতে হঠাৎ টাইপ করতে বসা। সকালে উইঠা মন চাইলে ডিলিট দিয়া দিলাম, কি আছে!
গত বছরের শেষের দিকে একবার ঠিক করছিলাম নিয়মিত আসমু আবার এখানে, কিসের কি! আজকে আইসা অবশ্য বেশ ভালো লাগতাছে। মীর ভাই এখনও আছে, দেখে একটু সাহস পাই পাই করতাছে। শান্ত ভাই এর লেখা নাই প্রথম পাতায়, ব্যাপারটা হজম করতে কষ্ট হইতাছে। শারমিন আপু নিয়মিত লিখতেছে, চমৎকার।
নিজেরে আজকাল মাঝে মাঝেই রোবট রোবট লাগে, 'অফিসিয়াল' লাইফে না ঢুইকাই! খাই, দাই, ঘুমাই। মুভি দেখি, গান শুনি। মাঝে মাঝে বন্ধুদের সাথে ঘুড়াঘুড়িটা না থাকলে মনে হয় আমার থাকা না থাকার কোন গুরুত্বই থাকতো না নিজের কাছেই।
র্যানসমওয়্যার ও সচেতনতা শর্টকাটে
কম্পিউটার কি?
কম্পিউটার হল দুনিয়ার সবচেয়ে বোকা জিনিষ। আপনি যেইভাবে বলবেন ঠিক সেইভাবে কাজ করবে।
হাল আমলের নতুন সাড়া জাগানো কম্পিউটার থ্রেট হল র্যানসমওয়্যার। ভাইরাস, ওয়ার্ম, এ্যাডওয়্যার, ম্যালওয়্যার, রূটকিট ফেলে এখন আমরা র্যানসমওয়্যারের যুগে। আগে মানুষ বিনোদনের জন্য ভাইরাস লিখে ছেড়ে দিত এরপর মজা দেখত। কিছু হ্যাকার টাকা পয়সার ছোট বড় চুরি চামারী করে। আর কিছু হ্যাকার ডিফেন্স ইনফরমেশন সংগ্রহ করে। এটা হয় বিভিন্ন দেশের সরকারী যোগসাজসে। মানুষ বাড়ার সাথে সাথে এখন মানুষের চাহিদা বেড়ে গেছে অনেক গুন সেই সাথে বেড়েছে টেকনোলজির পরিধি। ব্যাঙ্ক একাউন্ট হ্যাক করা এখন বেশ কষ্ট সাধ্য আর ধরা পড়ার সুযোগ অনেক বেশী। তাই আবিষ্কার হয়েছে র্যানসমওয়্যারের।
এখন প্রশ্ন হল এটা কি জিনিষ আর কাজ করে কিভাবে?
ট্র্যাডিশন
“আমরা যদি রাজকীয় কার্যক্ষেত্রে প্রবেশ করিতে না পারি, তবে কৃষিক্ষেত্রে প্রবেশ করিব। ভারতে বর দুর্লভ হয়েছে বলিয়া কন্যাদায়ে কাঁদিয়া মরি কেন? কন্যাগুলিকে সুশিক্ষিতা করিয়া কার্যক্ষেত্রে ছাড়িয়া দাও, নিজের অন্নবস্ত্র উপার্জন করুক।“ বেগম রোকেয়ার এই উক্তি প্রসঙ্গেই মনে পড়ে গেল একটা ঘটনা।
নিকট আত্নীয়ের সুপুত্রের জন্য বছর দু’য়েক ধরে হন্যে হয়ে পাত্রী খোঁজা হচ্ছিল।এদিক হলে ওদিক হয় না, পাত্রী পছন্দ হলে পাত্রীর ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড পছন্দ হয় না, ফ্যামিলি পছন্দ হলে পাত্রী’র হাইট (উচ্চতা) কম, হাইট ঠিক থাকলে পাত্রীর গায়ের রঙ ঠিক ততটা উজ্জ্বল কিংবা ফর্সা নয়, আর টেনে টুনে সব মিলিয়ে পছন্দের একটা মাপকাঠিতে আসার প্রানান্তকার চেষ্টা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়ে যায় পাত্রী পক্ষের ছেলে পছন্দ হয়নি, কিংবা ছেলের চাকরি পছন্দ হয়নি টাইপ সমস্যার কারণে।
বন্ধু ছাড়া একা আমি
আজও সময়ের পনের মিনিট পর কাজ থেকে বের হলাম। ওরা সবাই নিশ্চই চলে গেছে। লকার রুম থেকে তাড়াতাড়ি ড্রেস পাল্টে বের হয়ে এলাম। ওরা ঠিকই চলে গেছে। থাকবে না নিশ্চিত ছিলাম। কখনও ওরা আমার জন্য অপেক্ষা করে না। তবুও মনের কোথাও একটা আশা বা গোপন ইচ্ছা ওরা আমার জন্য কাজ শেষে অপেক্ষা করবে। এই দূর প্রবাসে একই দেশ থেকে এসেছি সবাই। একই জায়গায় কাজ করি। ওদের চারজনের একজন দেরি করলে ঠিকই তো অপেক্ষা করে। আমার জন্য কেন করে না?
আমি হয়তো মেনি পোলার ছিলাম, শুধু বাইপোলার না
নিজেকে নিয়ে অনেক বড় একটা রিয়ালাইজেশন হয়েছে সম্প্রতি। সে ব্যপারটা জানানোর জন্যই এই লেখাটা। তবে রিয়ালাইজেশনটা বলার আগে কিছু পরিকল্পনার কথা বলতে চাই। অনেকে এগুলোকে ফ্যান্টাসী বলে কিন্তু আমি পরিকল্পনাই বলি। বলতে পছন্দও করি। পরিকল্পনাগুলোর সাথে আমি সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলাম, এখনও আছি। তবে সেগুলোর কোনোটিই এখনও বাস্তবায়িত হয় নি। কোনটা যে বাস্তবায়িত হবে, জানি না। কোনোটা কি আদৌ বাস্তবায়িত হবে? তাও জানি না।
পরীক্ষা
আমি সব সময়ই মাঝারি মানের ছাত্র ছিলাম। ক্লাশের শেষ ব্রেঞ্চে বসে অন্য সব অমনোযোগী ছাত্রদের বিভিন্ন ধরণের কায়দাকেতা দেখে প্রতিনিয়ত বিস্মিত এবং মুগ্ধ হতাম। পরীক্ষার আগের রাতে নাক-মুখ গুঁজে বইয়ের পাতা উল্টানোর সময় ক্লাশে প্রথম হয়ে সবাইকে চমকে দেওয়ার অলীক ভাবনা মাথায় আসতো না, কোনোমতে ৫৫ থেকে ৬০ পেলেই আমি খুশি। আমার পরীক্ষাময় জীবন সব সময়ই প্রথম শ্রেণীর নম্বর পেয়ে পরবর্তী ক্লাশে উত্ত্বীর্ণ হয়ে মাণ-সম্মান বাঁচানোর লড়াই।এভাবেই হেলতে দুলতে যখন এইচএসসি পাশ করলাম, ভালো ছাত্রেরা সবাই বুয়েট- মেডিক্যাল কোচিং করে ভীষণ রকম ব্যস্ত জীবন কাটাচ্ছে। আমার যেহেতু এত বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখার দুঃসাহস নেই, আমার লক্ষ্য কোনোমতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া।
ফিরে দেখা ২৬শে ফেব্রুয়ারী
লিখতে হুট করে কার না ভালো লাগে। আমার আরও বেশী ভালো লাগে। অনেকদিন কিছুই লেখি না। সময় পাই না লেখার। আর লেখার সময় টুকুতে বই পড়ি, নয়তো সিনেমা দেখি। নয়তো অলস ভাবি। লেখার ভাবনা সব সময় থাকে আবার হারিয়ে যায়। এই জন্য আমার এক প্রিয় মানুষ বলছিলো-- সেই একদিন কখনোই আসবে না। যদি তুমি প্রতিদিন না লেখতে পারো অথবা লেখার ভেতরে না থাকলে। কোনও যাদুকর এসে বর দেবে না তোমাকে'। আমি অবশ্য উনার কথা শুনি নাই। ব্লগ লেখাই ছেড়ে দিয়েছি। ফেসবুকেও কম লিখি। একাউন্ট ডিএক্টিভেট করে বসে থাকি। মাঝে মাঝে ব্লগে আসি, চুপচাপ চলে যাই। কমিউনিটি ব্লগের এই দুর্দিনে আমার কিবা করার ছিল, হয়তো সপ্তাহে চারটা পোষ্ট দিতাম। লোকজন পিঠ চাপড়াতো। কিন্তু দিনশেষে সেই একই অবস্থা। আমাদের কারো জন্যেই কিছু যায় আসে না, কারো শুন্যতায় কিছু যায় আসে না। আজ আমি লিখতে আসলাম মেইনলি কারন, অভিজিৎ রায়ের নির্মম খুনের পর ১ বছর হয়ে গেল। মাসকাবারীতে খুন হলো আরো চার প
একঘর জোৎন্সা
হুমায়ুন আহমেদের "আকাশ জোড়া মেঘ" বইটা পড়ে এত কষ্ট পেলাম যে অনেকক্ষণ কাঁদলাম। যদিও আত্মহত্যাকে আমি ঘৃণা করি। তবুও এত কষ্ট হচ্ছিল। ভাবলাম লিখি। আমার আগের লেখাটাতে মীরের মন্তব্যটা পড়ে ইউটিউব থেকে শিরোনামহীনের গানটা শোনলাম। মীর ঠিকই মিলিয়েছে। অনেকদিন পর শিরোনামহীনের গান শুনলাম। "তুমি চেয়ে আছো তাই" গানটা অনেকবার শুনলাম। এক সময় এই গানটা প্রিয় তালিকায় ছিল।
এখন রাত ২:১৫। মাঝে মাঝে দূরের বড় রাস্তায় একটা দুইটা ছুটে যাওয়া গাড়ির শব্দ ছাড়া আর কোন শব্দ নেই। বিছানার মাঝে বসে আছি। কাচের বড় জানালার অর্ধেকটা পর্দা সরিয়ে দিয়েছি। বাইরে ভরা পূর্ণিমা আজ। গোল চাঁদটার দিকে তাকিয়ে আছি। জোৎন্সার আলো বিছানার অর্ধেকে ছড়িয়ে পরেছে। পুরো ঘরে অদ্ভুত এক আলোয় ভরে গেছে। মুগ্ধ হয়ে দেখছি বলব না। তবে চোখ ফেরাতে পারছি না।