ইউজার লগইন
ব্লগ
এইসব দিনরাত্রি
প্রতিদিন সকালে উঠে বাথরুম যাওয়া, দাঁত মাজা, সেভ করা, গোসল করা, নাস্তা করা, অত:পর কাজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ি। কর্মস্থলে এসে কম্পু চালু করি। নেট কানেকশন দেই। এবিতে লগ ইন করি। তারপর মেইল চেক করি। তিন নম্বরে ফেবুতে ঢুকি। ছুটির দিন ছাড়া এটা আমার নিত্য রুটিন।
যতক্ষণ অফিসে থাকি, লগ ইন অবস্থায় ব্লগে থাকি। ফেবুতেও। তারমানে এই নয় যে, সারাদিন প্রয়োজনীয কাজ কর্ম ফেলে শুধু নেটে ঘুরি। কাজের ফাঁকে একটু উঁকি মারি মাঝে-মধ্যে। এবির দিকে তাকিয়ে অবাক হই। দুই জন বা সর্বোচ্চ তিনজন লগ ইন থাকে। ২৫ থেকে ৩০ জনকে নিয়মিত অনলাইনে দেখায়।
আমার ধারনা, এরা লগ ইন করতে লজ্জা পায় বা ভয় পায়। কেনোনা, যে হারে ব্লগাররা আহত-নিহত হচ্ছে, তাতে না আবার জানের উপর দিয়ে যায় ! গায়ে একবার ব্লগারের ছাপ পড়ে গেলেতো সমস্যা। জানের মায়া কার না আছে ! ঠিকইতো। নিজের জানের চেয়ে বেশি প্রিয় কিছু থাকবে না, থাকতে নেই- এটাইতো স্বাভাবিক।
শিরোনাম খুঁজে পাই না
বাংলার সাথে ইংলিশ মিলাইয়া যে ভাষার মিশ্রণ তৈরী হয় তাকে স্মাটর্ ভাষা বলে। ভাষাকে শুধু মনের ভাব প্রকাশ করিবার জন্য ব্যবহার করা হইলে অপচয় তো বটেই নিজের শিক্ষিত পরিচয়টাও প্রকাশ করা হয় না। যে যত শিক্ষিত, সে ইংলিশ বেশি বলিবে এইটাই তো নিয়ম। বাংলা ক্লাসে বাংলা বুঝাইবার জন্য ইংলিশে অনুবাদ করাটাই আদর্শ পথ। দেশে থাকাকালীন বাংলা আর ইংলিশ মিশাইয়া কথা কইতাম। নতুন দেশে আইসা পরলাম বিপদে। এরা আমার বাংলা ভাষা দূরে থাকুক ইংলিশ এর "ই" বলতে গেলেই চোখ উল্টাইয়া দম আটকাইয়া মরে মরে অবস্থা দেখা দেয়। হায়রের উন্নত দেশ। আমার দেশে গিয়া দেখ , যত উন্নত পরিবার তত বেশি ইংলিশ বলে। নিজের দেশের ভাষা তত কম জানে। ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারের পড়াশোনাও সব ইংলিশে করে। তোদের ডাক্তার সামান্য থ্যাংকইউ কে বলে "সানকিউ"!!তারপর এমন একটা ভাব করে যেন ইংলিশে সে বিশাল বড় ভাষণ দিয়া ফালাইছে। "ইংলিশ" শব্দটাও তো
আমাদের হাতে বেশি সময় ছিল না
১.
আমি জীবনে খুব বেশি ভ্রমণ করি নি। অল্প কয়েকবার কক্সবাজার গিয়েছি। যার মধ্যে একবার ছিল হানিমুনের জন্য যাওয়া। সেটাই হচ্ছে কক্সবাজারে আমার সবচেয়ে আনন্দদায়ক আর উত্তেজনাকর ভ্রমণের স্মৃতি। তবে কক্সবাজার ভ্রমণের চেয়ে অনেক বেশি উত্তেজনার, আনন্দের আর শিহরণের ছিল প্রত্যেকটা বান্দরবান ভ্রমণের স্মৃতি।
টেকনোলজি ও সবুজ কোক
ফেসবুক বন্ধ থাকার কারণে যদি দেশের একটা মানুষ খুশি হয়ে থাকে, তাহলে সেইটা ছিলাম আমি
কারণ ভাবছিলাম অন্তত এই কারণে দুই-চারজন ব্লগার এইদিকে পদধূলি দেবে
যাই হোক, সেই আশার গুড়ে বালি পড়ছে। এক মেসবাহ ভাই আর এক টুটুল ভাই ছাড়া কারও দেখা পাই নাই
অবশ্য আমার আলোচনার বিষয় সেটা না। আমার আইজকার বিষয় হৈল টেকনোলজি
কেউ কি জানে ব্লগে কিছু যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দিছে?
যার মধ্যে অন্যতম ও একমাত্র হৈল গিয়া, বিগড়ানো ছবি আপলোড করার যন্তর মন্তর।
আমি কয়েকবার ছবি আপলোড করার চেষ্টা করে দেখলাম, কিছুই হয় না
ফটোব্লগ টিউটোরিয়ালে ঢুকে দেখি লেখা আছে কিন্তু ছবি নাই
ছবি মুছে যাওয়ার বিষয়টা দেখে মনে হইলো, এইভাবে যদি লেখাও মুছে যায়, তাহলে তো বিরাট সমস্যা 
আমরা কেমন আছি !
লিখতে ভালো লাগছে না। মনটা বিক্ষিপ্ত। কত কিছু ভাবনায় আসে। সময়, সুযোগ আর ইচ্ছের সমন্বয় ঘটছে না। কী যে করি ?
চারদিকে কেমন একটা থমথমে ভাব। প্রাণচাঞ্চল্য নেই কোথাও। কেমন মরা মরা। আকাশটাও কেমন জানি গোমরামুখো হয়ে আছে।
চারদিকে কেমন একটা তাল-লয়-সুর কাটা অবস্থা। দুই যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির আদেশ বহাল রেখেছেন আদালত। যে কোনো সময় ঝুলে যাবে তারা। দেশের অবস্থা নাকী অস্থিতিশীল। আম জনতা বলে। মন্ত্রী, এমপি, রাজনীতিবিদরা বলছেন- ভিন্ন কথা। টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে আর সংবাদপত্রে তাদের কথা শুনে মনে হয়, দেশের কোথাও কোনো সমস্যা নেই। সবাই নিরাপদে, নিশ্চিন্তে, দুধ-ভাত খাচ্ছে প্রতিদিন।
ধরে নিলাম তাদের কথাই ঠিক।
আমার হিজাব আমার পরিচয়
দূর থেকে হিজাব পরা কাউকে দেখলেই সমস্ত আকর্ষণ তার দিকে চলে যায়। সে মুসলিম। সেও আমাকে দেখে অবাক আর খুশি হয়। যেন রাস্তায় কোন বন্ধুর সাথে হঠাৎ দেখা। কাছাকাছি আসতেই হাসি মুখে সালাম দিই দুজনেই। কথা হয় না। দু'জন দু'জনের রাস্তায় চলে যাই। কোন ভাষায় কথা বলব জানি না। সে কোন দেশের তা তো জানি না। তবে সে মুসলিম। তাই মনটা আনন্দে ভরে উঠে , আপন মানুষ দেখার আনন্দ যেমন সে রকম। ঈদের দিন বা ঈদের পরের বন্ধের দিনগুলোতে শপিং মল বা পাকর্ে, মুসলিম দেখে ঈদের শুভেচ্ছা জানাই।"ঈদ মোবারক" বলতে পারায় যে এত আনন্দ, আগে জানতামই না। আফ্রিকান নিগ্রোও কত সহজে বুঝে ফেলে। সারা পৃথিবীর সব মুসলিমদের একটা জানা ভাষা। আমার হিজাব আমাকে এই আনন্দ হাতে তুলে দিয়েছে। হিজাব না থাকলে কি এত সহজে বুঝত আমি মুসলিম?
আর সকালবেলায়
স্টেশণ থেকে বের হতেই ঠান্ডায় শরীর কেঁপে উঠল। ট্রেণের ভিতরটা গরম ছিল আর মাটির নিচের স্টেশণটাতে ঠান্ডা পৌছায় নি। এখনও পুরোপুরি শীত শুরু হয় নি। আজ মেঘলা দিন। সূযর্ দেখা দিতে চাইলেও মেঘের দল তা হতে দিচ্ছে না। বার বার ঢেকে দিচ্ছে। স্কুলে যেতে ১৫ মিনিট হাটতে হবে। এক বোতল গরম চা কিনে হাঁটতে শুরু করলাম। প্রতিদিনের মতই সব। রাস্তায় গাড়ি ছুটে চলছে। সকাল ৮ টা থেকে ৯ টা রাস্তাগুলো ভীষণ ব্যস্ত। সিগনাল লাল হলে তবেই না রাস্তা পার হব। ঐ যে, আনুমানিক ৭০ বছর বয়সী দাদীআম্মা প্রতিদিনের মত সাইকেল নিয়ে হাজির। কাজে যায় হয়ত। রাস্তা পার হতে হতে চারপাশে তাকাই। ঐ তো দুই বাচ্চাকে সাইকেলের সামনে আর পিছনে বসিয়ে মা'টা স্কুলে নিয়ে যাচ্ছে। হাত নাড়ল প্রায় ৯০ বছর বয়সের দাদীআম্মাটা। প্রতিদিন দেখা হয়। সকালে সেজেগুজে বসে থাকেন এখানে , বয়স্কদের দেখাশোনার লোকেরা এসে নিয়ে যাবে। সারাদিন থেকে সন্ধ্যায় বাসায় ফিরবে।
কবিতা: কেন?
কেন তুমি মারিয়া বা ফ্রান্সির মতো
ক্লাবে বা ক্যাফেটেরিয়ায় বা রাস্তায় বা সিটি সেন্টারে
মুখোমুখি হয়ে যাও না?
কেন তুমি জাস্ট কোনো কারণ ছাড়া
আরও একবার মেয়েদের কমন রুমের সামনে দাঁড়িয়ে
আমার জন্য অপেক্ষা করো না?
সময়টা আমরা পার হয়ে এসেছি তাই না?
অনেকদূর চলে এসেছি তারপর, একা একা
আমাদের একসাথে চলাটা এবং একসাথে ভালবেসে বেসে
কাছে থাকাটা, বোধহয় এখন খুব দুঃখিত মুখে
বসে আছে কোথাও, একা একা।
কোথায় বলোতো, হয়েছিল আমাদের প্রথম দেখা?
প্রথম ক্লাসে? যখন তুমি বলেছিলে- সত্য কথাটা কেবল তুমিই বললে।
হাহাহা, সেটা আসলে ঠিক না,
যেদিন তুমি প্রথম আমাদের ডিপার্টমেন্টে আসলে, যেদিন একটা ছেলে প্রথম
তোমায় দূর থেকে দেখেছিল,
যাক সেসব কথা, শুধু বলি তুমি সেদিন একমাত্র যে ছেলেটার সাথে কথা বলেছিলে
সে ছেলেটা তোমার কথা নেয়ার মতো ছিল না, এবং
যে ছেলেটা সেদিন দূর থেকে শুধুই তোমায় দেখছিল,
কি বলব জানি না
কি লিখব, কিভাবে লিখব, কিছুই বুঝতে পারছি না। বাংলায় অনুবাদ করা কথাগুলোর চেয়ে জাপানী ভাষা বোধহয় ভাল। টেনশনে হাত কাঁপছে রীতিমত। ব্লগের জগতে প্রথম। এটাই প্রথম লেখা। ঠিক জায়গায় লিখতে পারছি কি না তাও জানি না। কিভাবে পোস্ট করব তাও জানি না এখনও। কেউ পড়বে তো? ট্রেণে বসে লিখছি। মেইল ১৩ তারিখে পাঠানো হলেও, আজ পেয়েছি। লগ ইন করেই লিখছি। কি লিখতে চাচ্ছি আর কি লিখছি কিছুই বুঝতে পারছি না।
বর্তমানের ভাবনা
সমাজের বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সমাজের নীতি-নৈতিকতা নির্ধারণ করে। ধর্ম যে কৃষিভিত্তিক সামাজিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বিকশিত হয়েছে সেখানে ধর্ম দাসের প্রতি মানবিক হতে অনুরোধ করলেও যেহেতু তৎকালীন অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দাসের উপস্থিতি প্রয়োজনীয় ছিলো তাই কোনো ধর্মই সরাসরি দাস ব্যবসাকে নাকচ করে দিতে পারে নি। সমাজে দাসবিষয়ক মানসিকতা পরিবর্তনের জন্যে শিল্পবিপ্লবের প্রয়োজন হয়েছে। শিল্পবিপ্লবের ফলে বিদ্যমান কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা অপ্রচলিত হয়ে যাওয়ায় অর্থনৈতিক ক্ষমতাকাঠামো টিকিয়ে রাখতে দাসদের খুব বেশী প্রয়োজন ছিলো না। সমাজ সংস্কারকদের চাপে, বিভিন্ন ধরণের মানবতাবাদী উপাখ্যানে মুক্ত মানুষের ধারণা প্রচলিত হওয়ার পর ধীরে ধীরে ইউরোপের অধিকাংশ দেশেই দাসব্যবসা বিলুপ্ত হয়ে যায়। আফ্রিকা থেকে জাহজ ভরে মানুষ ধরে নিয়ে এসে যুক্তরাষ্ট্রে খোলা বাজারে নিলাম করে মানুষ বেচা বন্ধ হয়ে যায় ১৮০৮ সালে কিন্তু সে সময়
আলো আসবেই
ঐ দূরের অন্ধকারচ্ছন্ন পথটাতে হঠাৎ করে আলো আসতে শুরু করলো । শত শত বছরের কুসংস্কার কে পিছনে রেখে, অন্ধবিশ্বাস কে দূরে রেখে , সত্যকে সত্য বলে অকপটে স্বীকার করে, জানার আগ্রহ কে প্রবল করেই আজ তারা আলোর পথে!!!
একটি ঘর থেকে একটি বাড়ি আলোকিত হবে তারপর গ্রাম তারপর জেলা, বিভাগ,এরপরই তো একটি দেশ আলোকিত হবে।
একটি মানুষের আত্মকাহিনী
আমার যে ভার্সনটা আমি সবচেয়ে অপছন্দ করি সেটা ঘুরে ফিরে আসে। প্রতি দুই-তিন মাসে একবার। কয়েকটা দিন খুব মাজুল অবস্থায় কাটে। মার্ফি'জ ল-কে সত্য প্রমাণ করতে সেই দিনগুলো আসে সেমিস্টারের ব্যস্ততম সময়গুলোতে। পড়া-শোনা লাটে উঠে থাকে আর আমি বায়বীয় কষ্টের সমুদ্রে ভাসতে ভাসতে অশরীরি মাথা নাড়িয়ে সিস্টেম অফ আ ডাউন শুনি।
চিঠির যুগ শেষ হয়ে গেছে। শুধু আমরা আমাদেরকে যেসব চিঠি লিখেছিলাম সেসব রয়ে গেছে। কি আশ্চর্যের বিষয়, তাই না? পাখি উড়ে যায়, রয়ে যায় ঝরা পালক। ভালবাসা মরে যায়, রয়ে যায় বিবর্ণ স্মৃতি।
ডাক্তার বলেছে সিঙ্গেল রুম চেঞ্জ করে জয়েন্ট অ্যাপার্টমেন্টে উঠতে। একা থাকাটা নাকি এখন আমার জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর। আমি নাকি এখন খুবই ভালনারেবল। এ সময়টায় আমাকে নাকি সবসময় বন্ধু-বান্ধব অথবা জনমানুষের কাছাকাছি থাকতে হবে। যাতে একেবারে শেষ মুহূর্তে যদি ফিরে আসতে চাই, অন্তত যেন সাহায্যের জন্য কাউকে ডাকতে পারি।
একটি ছহি নুডলসবিক্রেতা কোপানিবৃত্তান্ত
পৃথিবীর এক কোনায় একটি গ্রাম ছিলো, সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা। সেই গ্রামের লোকেরা মাছ দিয়া ভাত খাইয়া, জারি-সারি গান গাহিয়া মনের সুখেই দিনাতিপাত করিত। কিছু কিছু মানুষ অবশ্য ভাতের বদলে তখন রুটি কিংবা নুডলস এই জাতীয় দ্রব্যাটি খাইত। যাহারা ভাতে অভ্যস্ত তাহারা তাহাতে আঁৎকাইয়া উঠিতো। রুটি না হয় সহ্য করা গেলো, ভাতের পাশাপাশি তাও চলিয়া যায়, তাহাদের মতই দেখিতে অন্য গোত্রের মানুষরা সেইটা খায়। তাই বলিয়া নুডলস! সেতো পুরোই অশাস্ত্রীয় অনাচার!
তুমি আমার কাছে থাকো.. [বাউন্ডুলের গান!]
তুমি
আমার কাছে থাকো
যেমন
থাকে শহর জোড়া
পিচের পথ
ঘেষা মায়া,
তুমি
আমার কাছে থাকো
যেমন
থাকে শহর ছাড়া
মেঘের দল
পাখির ছায়া।
তুমি
আমার কাছে থাকো
যেমন
থাকে শহর জোড়া
সড়ক বাতি
নেভা জ্বলা,
তুমি
আমার কাছে থাকো
যেমন
থাকে শহর ছাড়া
রেলের পথ
থামা চলা।।
তুমি
আমার কাছে থাকো
যেমন
থাকে শহর জোড়া,
বাঁধা ছক
সুখ খোঁজা
মুখোশ আর
মেকি হাসা।
তুমি
আমার কাছে থাকো
যেমন
থাকে শহর ছাড়া,
ছায়াপথ
মায়া চোখ
অনাবিল
ভালোবাসা।।
তুমি
আমার কাছে থাকো
যেমন
থাকে শহর জোড়া;
রেলিং ছোঁয়া
চায়ের কাপ
অক্লেশে উড়া ধোঁয়া।
তুমি
আমার কাছে থাকো
যেমন
থাকে শহর ছাড়া;
বুড়ো বুকে অভিমান
চোখে হাসি তবু স্থির
এলো চুলে কথকতা।।
আমরা ভালো আছি!
খুব স্বাভাবিক আর অন্য দশটা দিনের মতোই কেটে যাচ্ছে দিন।তরকারিতে লবন হলো কিনা, মাংসটা আরেকটু সেদ্ধ হলে ভালো হতো, চায়ের লিকারটা একটু পাতলা হয়ে গেছে এই বোধগুলো যখন এখনো জীবিত তার মানে সব ঠিক ঠাক আছে। শীতটা আসি আসি করছে।আলমারিতে তুলে রাখা শীতের কাপড়্গুলো নাড়াচাড়া করি। সেখান থেকে কর্পুরের গন্ধ ভেসে নাকে লাগে। শীতের প্রসাধনী কেনার লিস্ট করি। জীবনযাত্রা তো স্বাভাবিকই আছে।বাজার নিয়ে ভাবতে হয়। অফিসে যাওয়া, সংসার করা , এই শীতে কোথাও বেড়াতে যাব কিনা সেসব ভাবনা ও তো ঠিকই চলছে।রোজকার নিয়ম অনুসারে সকালে ঘুম থেকে ওঠা, রাতে ঘুমাতে যাওয়া, দিনভর নিত্য রুটিন কাজ সবই যখন ঠিক্টহাক আছে তাহলে নিশ্চয়ই আমরা ভালো আছি। হয়তো বেশ ভালোই আছি।
রাতের অন্ধকার ছাড়িয়ে এখন দিনের ফকফকা আলোয় যতই কুপিয়ে হত্যা চলুক না কেন আমরা ভালো আছি।