ইউজার লগইন
ব্লগ
বন্ধু , আমি আসব...
বহুদিন লেখি না। ফোনের নোটে কত লেখা জমেছে। সবাইকে বলব বলব করেও বলা হয় না। গ্রীষ্মের ছুটির আরও কত দিন আছে। পড়ার চাপ নেই একদম। কাজের চাপ আছে।আজ অসম্ভব ক্লান্ত। কাল সারারাত কাজ করে আজ সারাদিনও কাজ করেছি। ঘুমাতে এসে ঘুমাতে পারছি না। বন্ধুত্ব দিবসে কোন মজাই হয় নি। অবশ্য হবেই বা কেমন করে? বন্ধুই তো নেই।
কিন্তু নেই বললে তো ভুল হবে। ওরা সবাই আমার চারপাশে থাকে।
কারও সাথে আমার যোগাযোগ নেই। কিন্তু তাই বলে তাদের খবর জানি না তা তো না। আমার অনেক বন্ধুই এখন বন্যার ত্রাণ সংগ্রহে ব্যাস্ত। অনেকেই বিভিন্ন কাজে ভলান্টিয়ার। একদিন আমিও স্বপ্ন দেখতাম, বন্যার্তদের ত্রাণ জোগাড় করছি, অসহায়দের সাহায্য করছি, বন্ধুদের আড্ডায় একবার জোড় গলায় সবাইকে বলেছিলাম, বাংলাদেশ সুন্দর হবেই। কারণ আমাদের হাতে গড়বে বাংলাদেশ। আমরা করব সুন্দর।
কান্নার রাত
বিষাদ বিষাদ-
অনন্ত বিষাদ এসে ছুঁয়ে যায় স্মৃতির খেলাঘর;
দু’ঠোঁটের ভাঁজে বিদ্রূপের হাসি,
কটাক্ষে অচেনা রহস্যময়তা
আর, অভিশপ্ত নিষ্ঠুর সময়ের দহন।
দেয়ালে সাঁটানো ছবিটা- স্থির, ম্লান;
মায়ায় জড়ানো ইতিহাসের সাক্ষী।
নীরব রাত্রির অশ্রুত অন্ধকারে
ছায়ার মত কেবলই খুঁজে ফেরা
ক্ষয়ে যাওয়া অতীতের একমুঠো জোছনা প্রহর,
রূপালি কঙ্কণ পড়া বিহঙ্গী, কলকল হাসির ঝংকার;
তারপর, সীমাহীন অন্ধকারে মিশে যেতে যেতে
বিলীন হয়ে যাওয়া আবার, রাত্রির মাঝে।
বিষাদের সব ঘোর লাগা কালরাত্রিতে-
নিস্তব্ধতা গ্রাস করে নেয় ভেতর-বাহির,
অস্থিরতার চাদর মুড়ি দিয়ে কেটে যায় সময়,
স্মৃতির চোখের নদীটাও জলশূন্য বেলাভূমি;
নির্বাসন শেষে বুকে বাজে-কান্নার রাত।
শ্রাবণের সন্ধ্যা...
শ্রাবণের ঘোলাটে মেঘের বিকেলে, সরু পাকা পথ ধরে হেঁটে এসেছি বহুদূর। তেজহীন মৃদু আলোর বিষণ্ণ বিকেল, বরষার আহাজারি, মেঘদলের অন্তহীন ছুটে চলা, প্রেমাসক্ত হৃদয়ে ক্ষরণ, চঞ্চল হওয়ার উন্মাদ ছুটে চলা সবই প্রাণ ছুয়ে গেছে। দেখেছি– সীমানা ছেড়ে আসা গরুর পাল, ভেজা বাতাসে কাকের স্বর, সীমান্তহীন আকাশের অকারণ গর্জন, সন্ধ্যার আধারের স্বচ্ছ আচ্ছাদন। ভেজা কাপড়ে পথিক চলেছে উওর দক্ষিণ বরাবর। এখানে জীবনের স্থবিরতা আছে, তবু মিলে চাঞ্চল্যের দৃশ্য। দূরের বিলে জাল ঠেলে যাচ্ছে কেউ, কেউ ছুটছে গরু নিয়ে, রিক্সা চলছে দুই একটা, আকাশ মিলে যাওয়া দূরের গ্রাম থেকে আসছে আযানের ধ্বণি। আমি তবু হেঁটে চলেছি নিরুদ্দেশ পথে, অকারণে। দিনান্তে ঘরে ফেরা পথিক, সাদা আকাশে ডানা মেলা বলাকা, আপন দ্রুতিতে ছুটে চলা রেল, পাটের আঁশ ছাড়ানো বৃদ্ধ কেউ ভ্রুক্ষেপ করছে না আমায়। দিন দিন ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে মন, আজকের দিনকে অর্ভ্যথনা জানাতে ইচ্ছা হয় না, কৌ
সন্ধ্যাবাতি জ্বলছে কোথাও টিমটিমে
১.
''আমাদের সময় আসবে একদিন
এবং আমরা পাবো সবকিছু...''
শোনার ফাঁকে ফাঁকে এরফুর্টের রংধনু শিশুনিকেতনের মেঝে ফিনাইল মেশানো পানি দিয়ে পরিস্কার করতে করতে ভাবি- গানটা গাওয়ার সময় এমি কি সত্যিই বিশ্বাস থেকে গাইছিল, নাকি শুধুই দায়িত্ব পালন করছিল? যদি দায়িত্ব পালনেও সীমিত থেকে থাকে, তাও সে সেটা এত ভালভাবে পালন করেছে যে, ভক্তদের সামনে একটা চিরকেলে চূড়ান্ত মাত্রার দ্বিধান্বিত পথ ছাড়া আর কিছু খোলা থাকতে পারে নি। সবকিছুকে বন্ধ হয়ে যেতে হয়েছে প্রবলভাবে।
ময়না কাহিনী
ছোট বোনের নাম সুলতানা শিপলু। তার এক বান্ধবীর নাম মিতু। ক্ষাণিকটা 'স্থুল' স্বাস্থ্যের অধিকারীনি বলে তাকে ছাত্রজীবন থেকেই 'পরোটা' ডাকা হয়। আরে না, আমি না। ডাকে আমার ছোট বোন আর তার অন্য বান্ধবীরা। সম্প্রতি ছোট বোনের বাচ্চা হবার পরে হাসপাতালে সেই 'পরোটা'র সাথে দেখা হয়েছে। তিনি এখন আর পরোটা নাই। মাশাল্লাহ দেখতে তিনি 'পাঁচ পয়সা'র মতন। বাংলাদেশে একসময় পাঁচ পয়সার মুদ্রা ছিলো, যারা দেখেছেন তারা বুঝতে পারছেন আশা করি। আর যারা দেখেননি, তাদের জন্য বলি, পরোটা আপা এখন আক্ষরিক অর্থেই চারকোনা। নায়িকা মৌসুমি, শাবনুরের মতন। তো, আজকের লেখার ক্যারেকটার কিন্তু পরোটা আপা না। তার খালাতো বোন ময়না।
কখ
জ্ঞুলশান হত্যাযজ্ঞের বিহ্বলতা আমরা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারি নি। গত দশকের বাঁশখালী ঘটনা যখন ঘরের দরজা বাইরে থেকে তালাবন্ধ করে একই পরিবারের ১১ জনকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিলো কিংবা ৩ বছর আগে বিহারী ক্যাম্পের অন্তত ৪টি ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে দিয়ে ৬-৭ জনকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিলো, ঘটনাগুলোর বীভৎসতা আমাদের ভেতরে ততটা দাগ কাটতে পারে নি। বাঁশখালীর ঘটনায় আক্রান্ত পরিবারটি সনাতন ধর্মাবলম্বী ছিলো এবং বিহারী ক্যাম্পের ঘটনায় আক্রান্ত মানুষগুলো মোটা দাগে ঘৃনিত উর্দুভাষী বাংলাদেশী বলেই সম্ভবত জিঘাংসা এত মর্মান্তিক হয়ে বাজে নি।
সেবা প্রকাশনীর রূপান্তর/অনুবাদ কড়চা
জ্ঞান হওয়ার পর থেকে বাড়িতে আর কিছু দেখি আর না দেখি, সব সময়ই অল্প-বিস্তর বই দেখে এসেছি। তাই পড়া কম হলেও বইয়ের প্রতি আলাদা একটা টান আছে। বইয়ের জন্য ভালোবাসার সিংহভাগের দখল নিয়ে আছে প্রজাপতির মনোগ্রামওয়ালা একটা প্রকাশনী। প্রজাপতির কথা বলার সাথে সাথেই নিশ্চয়ই সবাই বুঝে ফেলেছেন সেবা প্রকাশনীর কথা বলেছি। সেবার প্রতি এই গাঢ় ভালোবাসার কারণ হচ্ছে, হাফপ্যান্ট ছেড়ে প্যান্ট পরতে শুরু করেছি সেবার বই পড়তে পড়তে, স্কুল থেকে কলেজ, কলেজ থেকে ভার্সিটি ধরেছি সেবার বই পড়তে পড়তে। তাই সেবার জন্য কলিজায় আলাদা একটা টান বরাদ্দ থাকেই। এজন্য প্রিয় এই প্রকাশনীর দিকে যখন দেখি কেউ অহেতুক আঙুল তোলে, তখন কষ্ট লাগে।
কবিতা: মাঝির বিভ্রম কিংবা জোনাকি
অন্ধকারের ভেতর থেকে সুধার মতো উঠে আসা আলোর ঝলকানি
রাংতা মোড়ানো উপহারের বাক্সে সাজানো নতুন জীবন হাতে নিয়ে,
খুঁজে বের করে নীল দরিয়ায় লুকিয়ে থাকা এক অশরীরি মাঝিরে,
ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে আবার, এই পুরোনো গোলক-সংসারে।
কারা যেন সে সময় ফিস ফিস করে বলে- মাঝি শোনো,
যে জীবন আলনায় বহুকাল ঝুলে ছিল জমানো
নতুন শাড়িটার মতো, পড়া হবে কোনো এক নবান্ন-সন্ধ্যায়
দেখা হবে দু'জনের, হাসি ছড়িয়ে পড়বে তারায় তারায়,
সে জীবন ঝরে গেছে; গোলাপের কুঁড়ি যেভাবে
শুকিয়ে যায় যত্নের অভাবে।
আজও কি জেনেছো মাঝি এ জীবন বিভ্রম না জোনাকি?
সাগরের হাতছানি আবার দাঁড়িয়েছে ধরে ভাঙা দুয়ার
সজনের ডালে ধরেছে শাদা রঙয়ের বাহার, আর তুমি কি
ঠিক-ঠাক জানো ওদের সাথে সময় কাটাতে পারে মন এখনও?
নাকি মাঝি তুমি ভুলে গেছো?
তোমার হয় না, হয় নি কখনো।
---
তানবীরা আপু, জন্মদিনের শুভেচ্ছা নিন!
শিরোনামটা কি দিবো ভাবছিলাম, বেশীর ভাগ এক্সপেক্টেড শিরোনাম দিয়ে আগেই পোষ্ট লিখে ফেলেছি। গুগলে ক্লিক করলেই ভেসে উঠে আমার আগের লেখা। দিন তো খালি চলেই যাচ্ছে। চোখের সামনে হারিয়ে যাচ্ছে সময়গুলো। সেদিন ২০১৬ শুরু হলো। এখন চলে জুলাই, নিমিষেই আসবে সেপ্টেম্বর অক্টোবর, ব্যস বছর শেষ। অঞ্জন দত্ত তাই আগেই হুশিয়ার করে গেছেন, কিছুই তো হলো না বাজানো গেল না সময়। সেই আমাদের কিছুই হলো না, এই দেশটার অবস্থাও দিন দিন জঘন্য। জীবনে ভাবি নাই, ঈদের দিন সকাল বেলা, শোলাকিয়াতে মানুষ মরবে, জংগীদের উন্মত্ত আক্রমণে। ঈদ এমনিতেই আমার বোরিং কাটে, এবারের ঈদ গেল অবষাদ আর বিষণ্ণতায়। আমাদের জন্যেও অঞ্জন দত্তের গান আছে, কত কি করার ছিল যে। আসলেই আমরা কিছুই করি নাই, তাই তিলে তিলে এই দশা, এই পরিনতি। তবুও দিন চলে যায়, ঘটনা দুর্ঘটনায়। এসে পড়লো দিন, তানবীরা আপুর জন্মদিন। আমার প্রিয় সিস্টার কাম বন্ধুর এত খুশীর দিনে একটা ব্লগ
নিজেদেরকে স্তব্ধ হয়ে যেতে দেয়ার ক্ষমতা আছে কেবল আমাদেরই
পথভ্রষ্ট কিছু মানুষ আর ভ্রান্ত কিছু ধারণা মানুষের পর মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে। গুলশান ট্র্যাজেডীর রেশ কাটতে না কাটতেই শোলাকিয়ায় হামলা হলো। প্রতিটি ঘটনায় এমন সব মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, যারা শেষ মুহূর্তের আগ পর্যন্তও জানতো না, সময় শেষ হয়ে এসেছে।
সন্ত্রাসবাদ এখন পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত ইস্যুগুলোর একটি। সমস্যার কারণ হিসেবে কতজন, কতোই না সমীকরণ দেখাচ্ছে। আমি শুধু দেখতে পাচ্ছি সমীকরণের আড়ালে চাপা পড়ে থাকছে মানুষের মরদেহ। নির্মমভাবে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হওয়ার হতাশার ছাপ স্থায়ীভাবে পড়ে যাওয়া মুখের মরদেহ। তাদের স্বজনদের বিহ্বল দৃষ্টি। অসহায়ের মতো নিজের জন্মদাত্রীকেকে মরে যেতে দেখা সেই যুবক কি তার চোখ দিয়ে পৃথিবীর কোনো রং আর কখনও দেখতে পাবে? আর কি কখনও তার পক্ষে মন খুলে হাসা সম্ভব হবে? আর কি কখনও সে পারবে ভালবেসে কারও জন্য হৃদয়ের আগল খুলে দিতে?
পেইন্ট ইট ব্ল্যাক!
সবাই জানেন শিরোনামটা রোলিং স্টোনের বিখ্যাত গান থেকে ধার করা। গানটা খুবই বিখ্যাত। মুক্তি পাওয়ার সাথে সাথেই বিলবোর্ড চার্টের প্রথমে জায়গা করে নেয়। প্রচুর কাভার, প্রচুর জায়গায় ব্যাবহার হয়েছে গানটা। আমার কাছে রোলিং স্টোনের সব চাইতে প্রিয় গান। যদিও মানে ভিন্ন, আমিও সবকিছুকে কালো করে দিতে চাই, সব রং হারিয়ে যাক বেঁচে থাক শুধু কালো। এত রঙ্গিন দেখার, রঙ্গিন ভাবার কি আছে। সব কিছুই জাহান্নাম, সব সুন্দরই জঘন্য, আমাদের কোনও কারন নেই সুন্দর সুন্দর জিনিস ভাবার। রাতে ঘুম আসে না, সকালে ঘুমাই ক্লান্তিতে। দুদিন পরে ঈদ একফোটা আনন্দ নেই। একটু পর ট্রেনে চেপে বাড়ি যাবো কতদিন পর, সামান্যতম উত্তেজনা কাজ করছে না। মনে হচ্ছে কোথাও হারিয়ে যাই, কেউ খুঁজে পাবে না। একা একা গাছের নীচে বসে থাকি সারাদিন। যে দুর্বিষহ অবস্থা এই শহরের, মনে হয় একটা ভূমিকম্প হোক সব শেষ হয়ে যাক একবারেই।
হঠাৎ শ্রীমংগল
সাজ্জাদ ভাই বলল, চল শ্রীমংগল যাই । কোন কথা নাই ব্যাগ গুছিয়ে তৈরী হয়ে নিলাম। ৩ জুন ভোর ছয়টায় গাড়ী ধরতে হবে। তাই ভোর পাচটায় সাজ্জাদ ভাই এর ফোন গাড়ী নিয়ে আসতেছি বাসা থেকে বের হও। কোথায় থাকবো , কোথায় যাবো কিছুই জানি না, সাজ্জাদ ভাই বলল যে রাস্তায় যেতে যেতে বিস্তারিত বলবো।
রাস্তার বিড়ম্বনা-
সকাল ৬ টায় সায়দাবাদ থেকে হানিফ এর বাস শ্রীমংগল এর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করলো এবং রাস্তার জ্যাম এর কারনে ফ্লাই ওভার পার হতে ৮ টা ও ভুলতা পার হতে ৯:৩০ বেজে গেল অতপর শমশেরনগর গিয়ে গাড়ীর চাকা পাংচার হল, সময় তখন দুপুর ১২:৩০ টা। চাকা ঠিক করে দুপুর ২ টার দিকে শ্রীমংগল এবং সেখান হতে সিএনজি নিয়ে আমাদের গন্তব্য শ্রীমঙ্গল শহর থেকে ২৩ কি.মি দুরে শহরস্থী বাজার (পাচাউন) এর কাছে ক্যাপ্টেনস হাউজে ।
আথিতিয়তা গ্রহন-
কষ্টের প্রাসাদ
কষ্টের প্রাসাদ
রাকিবুল ইসলাম
সেদিন না বলেছিলে, কখনো
কষ্ট দেখনি তুমি!
হ্যা, তবে চলো, আসো আমার সাথে
তোমাকে আজ কষ্টের প্রাসাদে নিয়ে যাব।
সেখানে ধূলোয় ছেয়ে যাওয়া
দালানের আল্পনার প্রতিটি
তুলির ছোঁয়ায় কষ্ট লুকিয়ে আছে ;
সেখানে কার্পেটের প্রতিটি সুতোয়
বাধা পড়ে আছে আমার কষ্টগুলো।
কষ্ট দেখনি বলেছিলে না তুমি!
সেই প্রাসাদের দরজা, জানালা, সিঁড়ি
আল্পনা আকা করিডোর, জীর্ণ হয়ে
যাওয়া পুরোনো কাঠের চেয়ার
সবকিছুতেই কষ্ট লেগে আছে।
কত রকমের কষ্ট তা না দেখলে
বুঝবে না তুমি।
প্রতিটি কষ্ট মাকড়শার জালে
আটকে যাওয়া উইপোকারর মত
ছটফট করে সবটা সময় জুড়ে ;
প্রতিটি কষ্ট সেখানে ক্ষুধার্ত কাকের
মত ডানা ঝাপটাতে ঝাপটাতে
নিঃসাড় হয়ে পড়ে।
কষ্টের সেই প্রাসাদে আমার
কষ্টরা সব বাধা পড়ে আছে।
কষ্টগুলো সব, সারাদিন ব্যস্ত থাকে
নিজেদের সূচালো করতে, আর রাত্রির আধারে
ফেরা
বালিশে মাথা রেখে যারা ঘুমিয়ে আছে
তারা ঘুমিয়ে থাকে;
কাল ভোরে জাগাবার জন্য।
যে-সব ধূসর হাসি, গল্প, প্রেম, মধুরেখা
পৃথিবীর
পাথরে কঙ্কালে অন্ধকারে মিশেছিলো
ধীরে-ধীরে জেগে ওঠে তারা।
.
সচরাচর ভোরে ওঠার সুযোগ কম হয় আমার...
তাইমোহভঙ্গ সকালটায় হারমোনিয়াম
বাজিয়ে যেমেয়েটা নেক্সটফ্লোরে গলা
সাধে সাত সকালে, তার বিষাদীকণ্ঠ খুব
একটা শুনতে পাই না।তক্ষকডাকা একটা রাত
রবীন্দ্রনাথের গল্পগুচ্ছেরপাতা ওল্টাতে
ওল্টাতে ঘাড়বাঁকা করে কখন অদ্ভুতভাবে
ঘুমিয়ে পড়েছি, টেরপাইনি। জানালার কাঁচ
ভেঙে দেয়ার মতো বৃষ্টিযখন ঘুম ভাঙালো
বাইরে তখন ধূসরধ্রুব ভোর প্রায়....
.
এল্যার্ম এর কর্কশ ধ্বণি শুনে যখন চোখ দুটো
খুললাম তখন ঘড়ির কাটায় ঠিক ভোর পাঁচটা!
সচরাচর ভোরে ওঠা আমার কাছে বাহুল্য মাত্রই
বলা চলে! সচরাচর আমার ভোর হয় সূর্যি যখন
অগ্নিঝড়া চোখে মধ্যগগণে তীব্র অভিশাপ
দিতে থাকে আর সেই অভিশাপের ফল এক
ভাবনা দিয়েছি ছেড়ে, এত ভেবে হয় কি?
খুব লিখতে ইচ্ছে করছে, তাই নিরুপায় হয়ে লিখতে বসা। মাঝে মাঝে এমন হয় খুব লিখতে ইচ্ছে করে, বিশেষ করে এমন রোজার দিনগুলোতে। আগে তো রাতে জেগে থাকা মানেই আমার ব্লগ লেখা। সামান্য দিনগুলোকে নিয়ে লিখে গেছি সামান্য সব লেখা। এখনও রাত জাগি, লেখতে ইচ্ছে করে, কিন্তু লেখা আর হয় না। বই পড়ি, টিভি দেখি, মোবাইলে হেডফোন নিয়ে কেটে যায় সময়। আজ অনেকদিন পর লিখতে বসলাম শুধু লেখার ইচ্ছা পূরণ করার জন্য। সারাদিন অফিসে ব্যস্ত সময়, ইফতারীর পর আড্ডা, রাতে কম ঘুমানো সব মিলিয়ে এ কদিনে চেহারায় কেমন জানি বয়স্ক মানুষের ছাপ পড়ে গেল। তার ভেতরে চুল গুলো ঝড়ছে সমানে। এইসব নিয়ে আর ভাবি না, মানুষ মরে যায়, বানের জলে ভেসে যায় মানুষ, আর রূপ যৌবন দিয়ে কি হবে। যে অপ্রেমের অতি সাধারণ জীবন আমার তাতে ওতো ভেবে কি হয়, তাও ভাবি ভাবতে ভাবতে দিন চলে যায়। এখনও আমার পুরোনো লেখা অচেনা কেউ কেউ পড়ে, ফেসবুকে সেই ভালো লাগা জানায়। অবাক হই, কত আগের সব লে