ইউজার লগইন
ব্লগ
আলো আসবেই
ঐ দূরের অন্ধকারচ্ছন্ন পথটাতে হঠাৎ করে আলো আসতে শুরু করলো । শত শত বছরের কুসংস্কার কে পিছনে রেখে, অন্ধবিশ্বাস কে দূরে রেখে , সত্যকে সত্য বলে অকপটে স্বীকার করে, জানার আগ্রহ কে প্রবল করেই আজ তারা আলোর পথে!!!
একটি ঘর থেকে একটি বাড়ি আলোকিত হবে তারপর গ্রাম তারপর জেলা, বিভাগ,এরপরই তো একটি দেশ আলোকিত হবে।
একটি মানুষের আত্মকাহিনী
আমার যে ভার্সনটা আমি সবচেয়ে অপছন্দ করি সেটা ঘুরে ফিরে আসে। প্রতি দুই-তিন মাসে একবার। কয়েকটা দিন খুব মাজুল অবস্থায় কাটে। মার্ফি'জ ল-কে সত্য প্রমাণ করতে সেই দিনগুলো আসে সেমিস্টারের ব্যস্ততম সময়গুলোতে। পড়া-শোনা লাটে উঠে থাকে আর আমি বায়বীয় কষ্টের সমুদ্রে ভাসতে ভাসতে অশরীরি মাথা নাড়িয়ে সিস্টেম অফ আ ডাউন শুনি।
চিঠির যুগ শেষ হয়ে গেছে। শুধু আমরা আমাদেরকে যেসব চিঠি লিখেছিলাম সেসব রয়ে গেছে। কি আশ্চর্যের বিষয়, তাই না? পাখি উড়ে যায়, রয়ে যায় ঝরা পালক। ভালবাসা মরে যায়, রয়ে যায় বিবর্ণ স্মৃতি।
ডাক্তার বলেছে সিঙ্গেল রুম চেঞ্জ করে জয়েন্ট অ্যাপার্টমেন্টে উঠতে। একা থাকাটা নাকি এখন আমার জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর। আমি নাকি এখন খুবই ভালনারেবল। এ সময়টায় আমাকে নাকি সবসময় বন্ধু-বান্ধব অথবা জনমানুষের কাছাকাছি থাকতে হবে। যাতে একেবারে শেষ মুহূর্তে যদি ফিরে আসতে চাই, অন্তত যেন সাহায্যের জন্য কাউকে ডাকতে পারি।
একটি ছহি নুডলসবিক্রেতা কোপানিবৃত্তান্ত
পৃথিবীর এক কোনায় একটি গ্রাম ছিলো, সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা। সেই গ্রামের লোকেরা মাছ দিয়া ভাত খাইয়া, জারি-সারি গান গাহিয়া মনের সুখেই দিনাতিপাত করিত। কিছু কিছু মানুষ অবশ্য ভাতের বদলে তখন রুটি কিংবা নুডলস এই জাতীয় দ্রব্যাটি খাইত। যাহারা ভাতে অভ্যস্ত তাহারা তাহাতে আঁৎকাইয়া উঠিতো। রুটি না হয় সহ্য করা গেলো, ভাতের পাশাপাশি তাও চলিয়া যায়, তাহাদের মতই দেখিতে অন্য গোত্রের মানুষরা সেইটা খায়। তাই বলিয়া নুডলস! সেতো পুরোই অশাস্ত্রীয় অনাচার!
তুমি আমার কাছে থাকো.. [বাউন্ডুলের গান!]
তুমি
আমার কাছে থাকো
যেমন
থাকে শহর জোড়া
পিচের পথ
ঘেষা মায়া,
তুমি
আমার কাছে থাকো
যেমন
থাকে শহর ছাড়া
মেঘের দল
পাখির ছায়া।
তুমি
আমার কাছে থাকো
যেমন
থাকে শহর জোড়া
সড়ক বাতি
নেভা জ্বলা,
তুমি
আমার কাছে থাকো
যেমন
থাকে শহর ছাড়া
রেলের পথ
থামা চলা।।
তুমি
আমার কাছে থাকো
যেমন
থাকে শহর জোড়া,
বাঁধা ছক
সুখ খোঁজা
মুখোশ আর
মেকি হাসা।
তুমি
আমার কাছে থাকো
যেমন
থাকে শহর ছাড়া,
ছায়াপথ
মায়া চোখ
অনাবিল
ভালোবাসা।।
তুমি
আমার কাছে থাকো
যেমন
থাকে শহর জোড়া;
রেলিং ছোঁয়া
চায়ের কাপ
অক্লেশে উড়া ধোঁয়া।
তুমি
আমার কাছে থাকো
যেমন
থাকে শহর ছাড়া;
বুড়ো বুকে অভিমান
চোখে হাসি তবু স্থির
এলো চুলে কথকতা।।
আমরা ভালো আছি!
খুব স্বাভাবিক আর অন্য দশটা দিনের মতোই কেটে যাচ্ছে দিন।তরকারিতে লবন হলো কিনা, মাংসটা আরেকটু সেদ্ধ হলে ভালো হতো, চায়ের লিকারটা একটু পাতলা হয়ে গেছে এই বোধগুলো যখন এখনো জীবিত তার মানে সব ঠিক ঠাক আছে। শীতটা আসি আসি করছে।আলমারিতে তুলে রাখা শীতের কাপড়্গুলো নাড়াচাড়া করি। সেখান থেকে কর্পুরের গন্ধ ভেসে নাকে লাগে। শীতের প্রসাধনী কেনার লিস্ট করি। জীবনযাত্রা তো স্বাভাবিকই আছে।বাজার নিয়ে ভাবতে হয়। অফিসে যাওয়া, সংসার করা , এই শীতে কোথাও বেড়াতে যাব কিনা সেসব ভাবনা ও তো ঠিকই চলছে।রোজকার নিয়ম অনুসারে সকালে ঘুম থেকে ওঠা, রাতে ঘুমাতে যাওয়া, দিনভর নিত্য রুটিন কাজ সবই যখন ঠিক্টহাক আছে তাহলে নিশ্চয়ই আমরা ভালো আছি। হয়তো বেশ ভালোই আছি।
রাতের অন্ধকার ছাড়িয়ে এখন দিনের ফকফকা আলোয় যতই কুপিয়ে হত্যা চলুক না কেন আমরা ভালো আছি।
উদ্ভট বাংলাদেশ
পত্রিকা পড়া বাদ দিয়েছি বহুদিন, যদিও বা কখনো পড়ি তাহলে তার পরিধি খেলার পাতাতেই সীমাবদ্ধ থাকে। পত্রিকা খুললেই আমরা যে একখন্ড নরকে বাস করছি তার চিত্রগুলো চোখের সামনে ভেসে ওঠে। হত্যা, র্ধষণ, মিথ্যা, অনাচার-অত্যাচার, নিপীড়ন, বিবেকহীনতা, ভন্ডামীর যেন এক মুক্ত রাজ্য এই দেশ। সারা পত্রিকা খুঁজে ভালো সংবাদ পাওয়া যায় হতে গোনা। দিনকে দিন আমরা একটা লক্ষ্যহীন, ভন্ড আর মানসিক ভারসাম্যহীন জাতিতে পরিণত হচ্ছি। সাম্প্রতিক সময়ে দেশ জুড়ে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রবাহগুলোই এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের কোন কাজই যে ঠিকঠাক হচ্ছে কিংবা হবে এবং তার উপরে কেউ ভরসা করে কিংবা করবে এমন একজনও হয়ত খুঁজে পাওয়া যাবে না। রাষ্ট্রীয় কর্তাব্যক্তিদের কর্ম পরিকল্পনার অসংগতি, অসারতা, সীমাহীন র্দুনীতি, অসাদুপনার পরিমাণ সহ্য সীমাও পার হয়ে গেছে বহু আগে। এখন সবার সামনেই সবকিছু ঘটছে, সবাই সবকিছু দেখছে কিন্তু সবাই কেবল নির্বাক। কেউ মু
পাওলো কোয়েলহোর পেন্সিল
সময় নামের বইটার পাতা পেছনে উল্টিয়ে মাঝে মাঝে তোমার আমার যৌথ জীবনে উঁকি দিতে যাই। সাধারণত ঘটনাটা ঘটে যখন রাতের আকাশ আলো করে চাঁদের আনাগোনা দেখা দেয়। অথবা প্রকৃতির খুব কাছাকাছি চলে গেলে (যতোটা কাছাকাছি গেলে পৃথিবীর প্রতিটি জিনিসের সৌন্দর্য্যই চোখে পড়ে) তোমার কথা মনে পড়ে।
কক্সবাজারের ইনানী সৈকতে গিয়ে তোমায় শিশুর মতো খুশি হতে দেখেছিলাম। তখনই মনে মনে ঠিক করে ফেলেছিলাম আমরা পৃথিবীর প্রতিটি সুন্দর জায়গায় ঘুরতে যাবো। তোমাকে হাসতে দেখলে আমার মাঝে এক অজানা শিহরণ জন্ম নিতো। শুধুমাত্র সেই অনুভূতিটা বারবার পাওয়ার জন্য অনেকটা স্বার্থপরের মতোই তোমায় নিয়ে ঘুরতে বের হওয়ার সিদ্ধান্তটা নেয়া হয়েছিল।
সাম্প্রদায়িকতা
বাঙালির সনাতন ধর্মীয় উৎসব ‘দূর্গা পূজা’ শুরু হওয়ার সাথে সাথে প্রাসঙ্গিকতার কারণে ফেসবুকের নিউজ ফিড ভরে উঠলো বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর আলোকে “বাংলাদেশের মানুষের মনোভাব কি সাম্প্রদায়িক নাকি অসাম্প্রদায়িক”, তাদের আচার আচরন নিয়ে ব্যাখ্যা আর বিশ্লেষণে। রোজই সেসব পড়ি আর আমার সেই পুরাতন সমস্যা আবার জেগে উঠে, যার বিশ্লেষণ পড়ি তার কথাই আমার ঠিক বলে মনে হয়।
একদল লিখলো, “ধর্ম যার যার কিন্তু উৎসব সবার” ... তাহলে গুগলে প্রতিমা ভাঙা কিংবা মণ্ডপ ভাঙা লিখে সার্চ দিলে, লাইন ধরে যা আসে তা কোন মনোভাবের পরিচয় বহন করে?
একটি মেডিক্যাল ডায়াগনোসিস এবং ছোটখাটো মানুষের ভাগ্যলিপি(!)
ঘটনার শুরু কি আসলে হিস্টেকটোমি বা জরায়ু অপসারণ দিয়ে? তাই বা বলি কি করে! সেই ৯১ সালের পর থেকে তো বাড়ন্ত রক্তচাপ আর হার্ট এনলার্জ ছাড়া আর সব ঠিকই ছিল। মানব শরীরের সব ই তো হরমোনের খেলা, সেই হরমোনের খেলায় ফাউলটা হয়ে গেছে জরায়ু অপসারণ দিয়েই হয়তো। ছোট সাধারণ মাথায় কত কি ভাবি রাত বিরাতে! আহা যদি পেতাম কোন উপায় বা টাইম মেশিন, এ আয়ুর কিছুটা দিয়েও যদি তাকে আমি ধরে রাখতে পারতাম!
ডায়াবেটিস নেই, পঁয়ষট্টি বছরের প্রায় পাঁচ ফুট ছোটখাটো মানুষটা টুকটুক করে রিটায়ারমেন্টের পর থেকে কাজ করে যায় বাসায়। মামুলি কিছু অসুখ বিসুখ ছাড়া তেমন কোন শারীরিক অভিযোগ নেই।
১
গতকাল সারাদিন " আইডেন্টিটি ক্রাইসিস" সংক্রান্ত ঝঞ্ঝাট পোহাতে হলো। এয়ারপোর্টে ঠিক সময়ে পৌঁছালে ঠিক প্লেনে ওঠা সম্ভব, টিকেট নাম্বার, ফ্লাইট নাম্বার এবং অন্তত ৫টা মানুষ সব সময় যাত্রাপথ ঠিক করে দেয়। সমস্যা হলো ঠিক সময়ে এয়ারপোর্টে পৌঁছানো, গত পরশু অন্তত সঠিক সময়ে এয়ারপোর্টে পৌঁছেছি, টিকেটের নাম, পাসপোর্ট ভিসা মিলিয়ে দেখে কোনো ঝঞ্ঝাট ছাড়াই প্লেনে উঠেছি। আশা ছিলো শেষ পর্যন্ত কোনো অঘটন ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ভ্রমন হবে, তবে ঝঞ্ঝাট এড়ানোর সকল চেষ্টা আসলে ঝঞ্ঝাটের পরিমাণ বাড়ায়।
২
শহরের রাতের নিজস্ব চরিত্র আছে, শহরের রাস্তায় অনবরত হেঁটে বেড়ানো মানুষের মুখের আলাদা গল্প আছে। দিনের আলোয় যেসব চেহারার অন্ধকার অবসাদ খুঁজে পাওয়া যায় না, সন্ধ্যের আবছায়ায় আর রাতের অন্ধকারে সেসব অবসাদ স্পষ্ট ফুটে ওঠে। দিনের ব্যস্ততায়, উজ্জ্বল আলোতে বুঝে ওঠা কঠিন ছাঁটা ঘাস আর সাজানো গাছের আশেপাশে বসে থাকা মানুষগুলোর অনেকের স্থায়ী নিবাস আসলে পার্কের বেঞ্চ। রাতের শহরের হল্লা, মাতাল উচ্ছ্বাস আর উল্লাসের ভেতরে কোনোমতে মাথা গুঁজে এরা ভোরের অপেক্ষায় থাকে।
যে মানুষটা শরীরে সোনালী রঙ মেখে সন্ধ্যার রাস্তায় ভ্রমনার্থীদের বিনোদিত করছে, সে মানুষটা হয়তো দিনের আলোয় চুপচাপ বসে থাকে লেকের পাশে, প্রগলভ তরুণ যে হিপহপের তালে নাচছে আর সামনে ফেলে রাখা টুপিতে যারাই পয়সা ফেলছে তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছে দিনের আলোয় সে একেবারে নিশ্চুপ।
নিজস্ব ভাবনা ২
তথ্যপ্রযুক্তি যুগে বৈষম্য নির্ধারণের একটি চমৎকার উন্নয়নমুখী শব্দ তৈরী হয়েছে, ডিজিটাল ডিভাইড। মূলত শব্দটা দিয়ে সমাজের এমন একটা শ্রেণীকে চিহ্নিত করা সম্ভব যারা এখনও কোনো যন্ত্রের সাথে নিজের অস্তিত্ব জুড়ে দিতে অসমর্থ। আধুনিকতা একটা পর্যায়ে এসে যন্ত্রসম্ভোগে পরিণত হয় এবং ডিজিটাল ডিভাইড মূলত যন্ত্রসম্ভোগে অসমর্থ শ্রেণীকে যন্ত্রসম্ভোগে আগ্রহী করতে চায়।
কখনও রিকভার হবে বলে মনে হচ্ছে না
অথচ আমি খুব যে কষ্টে আছি তাও কিন্তু না। খালি মাঝে মাঝে সঞ্জীবদা'র 'চোখটা এতো পোড়ায় কেন' গানটা শোনার জন্য অদ্ভুত এক অস্থিরতা অনুভব করি। ভেতরে ভেতরে। ধ্রুব সেদিন জানতে চাচ্ছিল, আপনি কি রিকভারি করে ফেলেছেন? আমি নিজের ভেতরে প্রশ্নটার উত্তর খুঁজে যা পেয়েছিলাম তা হলো, না। এখনও রিকভারি করতে পারি নি। সারাটা দিন যতো হিহিঠিঠি-ই করি না কেন, বেলাশেষে কোথায় যেন একটা কষ্টের সুর বাজে, শুনতে পাই। মনে হয় অনেক দূর থেকে কোনো রাজকুমারীর কান্নাভেজা কণ্ঠের গান ভেসে আসছে। সেই সময়টায় ভীষণ অস্থির লাগে। একটার পর একটা সিগারেট পোড়াই। হুমায়ুন আজাদ স্যারের সেই কবিতাটার মতো,
"শুধু তোমার মুখের ছাঁয়ায় বুকটা কেঁপে উঠলে
রাতটা জেগেই কাটাই, বেশ ভাল লাগে
সম্ভবত বিশটির মতো সিগারেট বেশি খাই।"
ষড়যন্ত্র ও ভুলের মাশুল-৩ নভেম্বর
১৯৭৩ সালে আলজিয়ানে জোটনিরপেক্ষ সম্মেলনে ফিদেল ক্যাস্ট্রোর সঙ্গে দেখা হয় শেখ মুজিবুর রহমানের। দুইজনের মধ্যে একান্তে কিছুক্ষণ কথাও হয়। বাংলাদেশের অবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে শেখ মুজিব বলেন- দেশ গড়ার কাছে দক্ষ লোক না পাওয়ার ফলে কিছু পদে এমন কিছু লোককে বসাতে হয়েছে যারা স্বাধীনতা বিরোধী ছিল। ক্যাস্ট্রো তখন সর্তক করে মুজিবকে বলেন- “এ কাজ কক্ষনো করবেন না। দক্ষতার চেয়ে এসময় অনেক বেশি প্রয়োজন দেশপ্রেমের। দক্ষতা না থাকলেও যারা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছে তাদেরই দায়িত্ব দিয়ে দিন। দেশের প্রতি ভালোবাসা থাকলে দক্ষতা তৈরি হতে সময় লাগে না। আমার কিউবার অভিজ্ঞতায় তাই দেখেছি।”
তাদের সাথে দেখা হওয়ার অপেক্ষায় আছি
আচ্ছা, যদি বলি ইদানীং হিন্দি গান শুনছি তাহলে কি কেউ আমাকে মারতে চাইবেন? খুবই কমন গান শুনছি তাও আবার। লাগ যা গালে..., হিনা কি খুশবু.., আর দিলবর জানিয়া। কি যে সমস্যা, বুঝি না। আর অালসেমী রোগটা আবার বাসা খোঁজা শুরু করেছে। যতোই বলি আমার বাড়িতে জায়গা নেই, ততোই আরও জেঁকে ধরতে চায়। কাজও আজকাল এত কম করি আর এত অদরকারী কাজ করি, যে বলার মতো না। তবে একটা জিনিস জানলাম।