ইউজার লগইন
ব্লগ
রাজীব হায়দার হত্যাকান্ডের রায়- ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ
রাজীব হায়দার হত্যা মামলার রায় দিয়েছে আজ। রায়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রাজীব হায়দারের বাবা জানিয়েছেন “ আমি ন্যায়বিচার পাইনি। আমি হতাশ।” সকল আসামীর সর্বোচ্চ শাস্তি ( ফাঁসী কিংবা যাবজ্জীবন) না হওয়ায় অনেকেই মনে করছেন রাজীব হায়দার হত্যাকান্ডে অভিযুক্তদের অপরাধের ভয়াবহতা আদালত যথাযথ উপলব্ধি করেন নি, আদালত নমনীয় রায় দিয়েছে।
হোয়াইট সান্টা আর ব্ল্যাক পিটের গল্পটি
উত্তর আমেরিকার সান্টা ক্লজের ওলন্দাজ রূপটি হলো ‘সিন্ট নিকোলাস’ বা ‘সিন্টারক্লাশ’। যদিও আজকাল আমেরিকার দখলে সান্টা ক্লজ কিন্তু সান্টা ক্লজের আদি দাবিদার কিন্তু ওলন্দাজরা। বলা হয়ে থাকে, আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের সমসাময়িক কাল থেকে, নিউ ইয়র্কের ওলন্দাজ কলোনিতে (নিউ আমর্স্টাডামে) বসবাসকারী অভিবাসী ওলন্দাজ নাগরিকরা সেখানে এই রীতিটির পালন পুনরায় শুরু করেছিলেন। আজকের এই আনন্দময় রীতিটির পেছনের গল্পটিই এখানে বলব। কেমন করে সান্টা সব বাচ্চাদের আপন হলো।
বর্তমানের ভাবনা ১
হঠাৎ করেই সমাজে জঙ্গীবাদ, পরধর্মঅসহিষ্ণুতার সংস্কৃতি বিস্তৃত হয় না। মানববৈরী মানসিকতা সামাজিক গ্রহনযোগ্যতা পেতে দীর্ঘ প্রস্তুতিকালীন সময়ের প্রয়োজন হয়।
ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবোধ উনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধ থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ পর্যন্ত আমাদের রাজনৈতিক অধিকার আন্দোলনের প্রধান স্বর ছিলো। আমরা অন্তত ৫ প্রজন্ম ধরে অমুসলিম প্রতিবেশীদের প্রতি ঘৃণার সংস্কৃতির চর্চা করেছি। আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে অন্যতম প্রতিবন্ধতা হিসেবে চিহ্নিত করেছি তাদের, তাদের শিক্ষানুরাগ, তাদের কৃষ্টিলগ্নতা আমাদের ঘৃণা উস্কে দিয়েছে।
গ্রে-ক্লাউড
গ্রে-ক্লাউড আমার রাউটারের নাম। খুব কাজের জিনিস। অনেকটা সিথ্রিপিও'র মতো। ওরকম একটা রোবট পেলে খারাপ হতো না। কেন যে আরও ৩০ বা ৫০ বছর পরে জন্মালাম না!
অ্যানিকিন আর পাডমের গর্ভে জন্ম নেয়া জমজ সন্তানেরা আবারও একদিন গ্যালাক্সিতে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে। অ্যানিকিন কি জানে, নিজের অজান্তেই সে জড়িয়ে যাচ্ছে ডার্ক সাইডের সাথে? পাডমেও বুঝতে পারছে না বিষয়টা। আহা স্টার ওয়ার্স! কিভাবে সম্ভব এতোটা অসামনেস নিজের ভেতরে ধারণ করা?
শেলডন আর অ্যামি শেষ পর্যন্ত সেক্স করেছে! ওদের ব্রেক-আপটা দেখতে দারুণ লাগছিল। জানতাম যে একদিন ওরা ঠিকই এক হয়ে যাবে আবার। নাটক-সিনেমায় সবসময় অবাস্তব জিনিসপাতিই দেখায়, তাই না? ওই জন্যই আমরা নাটক-সিনেমা এত পছন্দ করি। বাস্তব জীবনে তো যেটা ভাবি, সেটা কখনোই ঘটে না।
আমি এমন কেন?
কিছুক্ষণ আগে আমার ফোনটা হাত থেকে পরে ভেংগে গেল। ভাংগা স্কিণটার দিকে তাকিয়ে থাকতে কষ্ট হচ্ছে। কান্না পাচ্ছে। কাউকে কষ্টটা বলতে ইচ্ছে হচ্ছে। কিন্তু কেউ নেই , যাকে বলতে পারব মনের দুঃখটা।
আসলে আমি যত্ন নিতে জানি না। সেটা কোন বস্তু হোক বা সম্পর্ক। মায়ের সাথে মেয়ের যে সহজ সম্পর্ক, সেটা আমার কোনদিন হয় নি। চাইলে হয়ত হতে পারত। মা কাজ নিয়ে ব্যস্ত বলে আমিও কখনও সেই নিজেকে সেই ব্যস্ততার অংশ করি নি। আজ নিজের ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে মাসে একবার মায়ের সাথে কথা বলি।
বড় বোনদের থেকেও নিজেকে সবসময় আলাদা করে রাখতাম। একা একা খেলতাম। ওদের পছন্দ কিছু নিজের পছন্দ হলেও বলতাম উল্টোটা। আস্তে আস্তে তাদের পছন্দের উল্টোটাই আমার পছন্দ হয়ে গেল।
এক্সএক্সওয়াইওয়াইএক্সএক্স
কংকালেরা কিন্তু সিগারেট খায়। একটা কংকালকে চিনি যার প্রিয় সিগারেট হচ্ছে গোল্ড লীফ। একটু কড়া ধরনের টোব্যাকোগুলো আসলে অদ্ভুত।
ঠিক তেমনি অদ্ভুত একটু কড়া ধরনের সঙ্গীতায়োজনগুলি। রড স্টুয়ার্টের একটা দুই মিনিটের ট্র্যাক আছে। অ্যামেইজিং গ্রেস। শেষ মুহূর্তে এক প্যারার একটা লিরিক মাত্র। পৃথিবীতে যে কত রকমের অবাক করা জিনিস আছে!
ইন্টারস্টেলার সিনেমাটা আমার কাছে একটু হরর হরর লাগলো কেন যেন। তবে বেস্ট সায়েন্স ফিকশন মুভি আমার দেখা। স্টার ওয়ার্সগুলো দেখতে দারুণ লাগছে। আরটুডিটু খুবই কুল।
আর পড়ি হচ্ছে রিসার্চ পেপার। অতিরিক্ত ভিডিও গেইম খেলার আসক্তিকে কেউ কেউ নেগেটিভ হিসেবে দেখে থাকে, কিন্তু বেশিরভাগ গবেষণা বলছে ভিডিও গেমে আসক্ত হওয়ার সঙ্গে ভায়োলেন্ট হওয়ার সম্পর্ক খুবই কম।
---
হেমন্তের গল্প
চাঙ্খারপুলের ঐ বাড়িটিতে আমি আগে কোনোদিন যাইনি। ওইদিন আমাদের কোথা থেকে কি শুরু হয়েছিল জানি না। আমি, পদু, গনেশ, রাখাল, অমিতাভ, রঞ্জন, গৌতম মিলে কিছু একটা শুরু করেছিলাম। সেই কিছু একটার শুরু হয়েছিল গাঁজা খাওয়া থেকেই। এরপর চান্দা তুলে মাল খাইতে খাইতে আমরা আরও এক লেভেল উপরে ওঠার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে শুরু করলাম।
সেই অনুভবের বশবর্তী হয়ে দলেবলে পৌঁছে গেলাম চাঙ্খারপুলের ঐ বাড়িটিতে। তিনতলা। একটা অপ্রশস্ত করিডোর চলে গেছে ফ্ল্যাটের দরজা থেকে পেছনের দিকের ওয়াশ রুম পর্যন্ত। এটি একটি নটিপাড়া। ম্যানেজারটি দেখতে ঠিক নটিপাড়ার ম্যানেজারদের মতো নয়। আমাদের জেনারেশনের ছেলেদের মতো মুখে দাড়ি। বেশ ভদ্র গোছের মনে হল। আমরা বললাম- আমাদের কাছে কাউকে পাঠিয়ে দিতে।
শেষ থেকেই শুরু
শেষ থেকেই শুরু করতে হবে। দিন শেষে প্রথম কাজ হচ্ছে দ্রুত বিছানায় যাওয়া। একজন সুস্থ মানুষের ছয় ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। সেই হিসেবে ঘুমাতে যেতে হবে যাতে ঘুম আসার আগের অস্থিরতা পাশ কাটিয়ে ছয় ঘণ্টা ঘুম হয় এবং সূর্যোদয়ের দেড় ঘণ্টা আগে ঘুম ভাঙ্গে। পৃথিবীর প্রকৃতি, আবহাওয়া ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এটাই একটি সুস্থ, কর্মময় এবং আনন্দময় জীবনের সঠিক স্লিপিং সাইকেল।
কখন
প্রতিটি জাতীয়তাবাদী ধারণাই সংখ্যালঘুর প্রতি নির্মম হয়ে উঠতে পারে। ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতিচর্চার আরোপিত রাজনৈতিক কাঠামোতে বঞ্চনার ক্ষোভ প্রকাশ করা এবং ন্যায্য অধিকার আদায় করে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় অবধারিতভাবেই একই ভৌগলিক পরিসরে বসবাসরত ভিন্ন ধর্ম-ভাষা-সংস্কৃতিজীবী গোষ্ঠী অপর হয়ে যায় এবং জনপ্রিয় রাজনৈতিক আন্দোলনে তাদের স্বর হারিয়ে ফেলে।
ডিলাইটফুল ডিসেম্বর
সেই ক্লিশে কিছু কথা দিয়েই লেখা শুরু করতে হয়। প্রথমেই আসবে, ব্লগে লেখি না অনেকদিন। লেখার সময় পাই না খুব একটা। আর যা সময় পাই তখন অন্য ডজনখানেক কাজে ব্যস্ত থাকি। ব্লগ লেখাটাও আর মিস করছি না। তবুও নিজে নিজে লেখি সময় পেলে- অবশ্যই তা ডায়রীতে, সেইজন্যেই লেখা আমি ভুলি নাই, লেখা যদি ভুলে যেতাম তাহলে হয়তো ব্লগ মিস করতাম। ব্লগ লেখার জন্য মন উশখুশ করে না আর। উপলক্ষ্য ছাড়া ব্লগে লেখা আর হয়ে উঠে না। আজও লিখছি বিশেষ কারনে। দ্বিতীয় কথা হলো এখন ব্লগ পড়িও না। ফেসবুকেই থাকি। ট্যাবে অটোমেটিক ওপেন হয়। কিন্তু আগে যেমন এক পোষ্ট ছয় সাতবার পড়তাম তেমন পড়াই হয় না। আর নিজের লেখা তো পড়ি না খুব একটা। কারন প্রতিটা লেখা পড়লেই মনে হয় ট্রেন ধরার তাড়া নিয়ে লিখেছিলাম, অজস্র ভুল, আরও গুছিয়ে-ভালো করে লেখা যেত। কিন্তু হলো না। কি আর করা যাবে। সবার সব কিছু হয় না। তাই ব্লগের চার্ম হারিয়ে ফেললাম আবার। সামহ্যোয়ার ছাড়ার পর অনেকদিন লি
অসমাপ্ত ঝিকিমিকি গল্প (২)
তবে আনা যে কথাটা খুব গুরুত্বের সাথে নিয়েছিল, তা কিন্তু না। ও থাকে সবসময় ওর মনে। আর ওর সেই থাকার মধ্যেই আশপাশের প্রত্যেকটা মানুষ জেনে যায় যে, সে আছে কোথাও, আশপাশে। ওর হুটহাট গলা ফাটিয়ে হাসার শব্দে মাঝে মাঝে বুড়োদের গ্লাসের বিয়ার চলকে পড়ে। আমার কাজ ছিল মূলত ওর পাশে বসে বসে ওকে কথা বলতে দেয়া। তার মানে অবশ্য এই না যে, আনা অনবরত বক বক করতে থাকে। বরং ওর কথা শোনাটা অনেক ইন্টারেস্টিং একটা ব্যাপার ছিল। পৃথিবীর কোন কোন টপিক থেকে যে সে মজার মজার জিনিস জোগাড় করে আনতে পারতো, তার কোনো ইয়ত্তা ছিল না।
ggggg
গত এক দশকে বিশ্বে মুসলিমবিদ্বেষ বেড়েছে। এয়ারপোর্টে সিক্যুরিটি ক্লিয়ারেন্সে দাঁড়িয়ে দুটি কারণে মেজাজ খারাপ হয়, প্রথমত বেশীর ভাগ এয়ারপোর্ট এখন নন-স্মোকিং, একবার সিক্যুরিটি ক্লিয়ারেন্স অতিক্রম করলে আয়েশ করে ধুমপানের কোনো সুযোগ নেই। দ্বিতীয়টা সিক্যুরিটি চেক আপ। পাসপোর্ট হাতে নিয়ে লাইনে দাঁড়াও, একের পর এক বাঁক অতিক্রম করে অবশেষে জুতা খুলো, তারপর স্ক্যানারের সামনে দুই পা ৩০ ডিগ্রী ফাঁকা করে হাত দুটো মাথার উপরে তুলে দাঁড়াও, একবার এই দিকে তাকাও, আরেক বার অন্যদিকে, ল্যাপটপ, মানিব্যাগ, পকেটের সবকিছু দেখে শেষ করার পর দুর্ভাগা হলে বায়োলজিক্যাল হ্যাজার্ড চেক আপ। শরীর ঘাঁটাঘাঁটি করার সময় নিরাপত্তাকর্মকর্তা নরম সুরে বলবে আমি তোমার পাছের ওখানে নাড়বে তবে তখন আমি হাতের তালুর উল্টোদিক ব্যবহার করবো। দুই পায়ের মাঝখানেও একই রকম অবস্থা। তোমার শরীরে স্পর্শ্বকাতর কোনো জায়গা থাকলে জানাও।
পাকিস্তানী সেনা অফিসারদের কন্ঠেই গণহত্যার সাক্ষ্য
১৯৭১ সালে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানী সেনা অফিসারদের বিভিন্ন সময়ের কথা বার্তায় উঠে এসেছে তাদের অপরাধের সত্যতার প্রমাণ, তারা কিভাবে পরিকল্পিতভাবে এই দেশে গণহত্যা চালিয়েছে সেসকল তথ্য।
হামিদুর রহমান কমিশনের কাছে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আজিজ আহমেদ খান তার সাক্ষ্যতে বলে, "জেনারেল নিয়াজি ঠাকুরগাঁও এবং বগুড়াতে আমার ইউনিট পরিদর্শনে এসে আমাদের কাছে জানতে চান, আমরা কি পরিমাণ হিন্দু হত্যা করেছি। মে মাসে একটি লিখিত নির্দেশ আসে হিন্দুদের হত্যা করার জন্য। এই নির্দেশ ২৩ ব্রিগেড এর ব্রিগেডিয়ার আবদুল্লাহ মালিক প্রেরণ করেছিলেন।"
ব্রিগেডিয়ার পাকিস্তানী অপর এক সেনা কর্মকর্তা তার এক বিবৃতিতে বলেছিলো, অফিসারদের খুশী করতে পাকিস্তানী সেনাসদস্যরা পাখির মতন গুলি করে বাঙ্গালীদের হত্যা করতো। সে আরো বলে ততকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জেনারেল গুল হোসেন তার কাছে প্রায় জানতে চাইতো সে কি পরিমাণ বাঙ্গালীকে গুলি করেছে।
হাহাকার......
কোন কাঁটা তারের প্রাচীর নেই যে ছুঁয়ে গেলে ই রক্তাক্ত হবে। কোন ইট সুরকির মজবুত দেয়াল নেই যে মাথা খুড়ে মরতে হবে। কোন মানব বসতি শুন্য জমির অস্তিত্ব নেই সেখানে। প্রতি মুহুর্তের অনুভব জ্যান্ত। নিশ্বাসের শব্দ শুনে বলে দেয়া যায় বুকে জমে থাকা ব্যাথার অস্তিত্ব।শরীরী উষ্ণতা অনুভুত হ্য় শরীরে। শান্ত শ্রান্ত স্বপ্ন কাতর মুখ ভেসে থাকে সামনে। তাও ছোয়া যায় না। ঘুমন্ত শরীর ছুটে চলে অজান্তে ই। তাও এই রেশমি বাঁধা ডিঙ্গানো হয় না। রাত জেগে দেখে যাওয়া মশাদের অবাদ বিচরণ। কত অনায়াশে দুই পৃথিবীর দুই রকম মানুষের রক্ত একাকার করে দিচ্ছে। কেমন করে আমাদের ছুঁয়ে দিচ্ছে বিকারহীন।
সিগারেট খাওয়া এবং না খাওয়া
পুরনো আলাপ। নিচে নেমে ভাত খেয়ে একটি বেনসন নিয়ে উপরে উঠলাম। একজন ধূমপায়ীর জন্য মাত্র একটা সিগারেট একটা যাচ্ছেতাই ব্যাপার- তাও যদি হয় সারারাতের জন্য বরাদ্দ মাত্র একটি শলাকা- তাহলে ব্যাপারটা হাস্যকর পর্যায়ে চলে যায়- এক গেলাস জল দিয়ে ঘরের আগুন নেভানোর চেষ্টা করা যেমন হাস্যকর ঠিক তেমন। একজন ধূমপায়ী-যে মিথ্যে আবেগে রাত জাগে- তার ঘরে অন্তত কয়েক প্যাকেট সিগারেটের মজুদ থাকা দরকার।
ধুমপান ছাড়তে চাই কি চাই না সে ব্যাপারে আমি নিজেই নিশ্চিত নই- আজ পর্যন্ত হতে পারিনি। প্রথমে ভাবলাম ছেড়ে দেব- দিনে দুই একটি এবং রাতে মাত্র একটি শলাকা বরাদ্দ করলাম। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর সিগারেটের বদলে বরাদ্দ একটা কলা। আমি প্রতিরাতে একটি কলা নিয়ে ঘরে ফিরতে লাগলাম। এসবের পেছনে অবশ্য একজন মানুষের অবদান ছিল। মেয়েটির ব্যাপারে আমি প্রায় পাগল ছিলাম। ঠিক করে ফেললাম ছাইপাঁশ ছেড়ে দিয়ে প্রেমের নাও বাইবো।