ব্যানারের মুখগুলো।
কাদের মুখ দেখছেন আপনি ব্যানারে ?
আমরা বন্ধু ব্যানারে আজ দেখি ৫ টা মুখ । অনেক ক্ষন খেয়াল করে দেখলাম বাম দিক থেকে প্রথম মুখ টার সাথে টুটুল ভাইয়ের সাথে মিল আছে, ২য় টার সাথে হাসান রায়হান ভাইয়ের পুরো মিল।
৩য় টার সাথে বিষাক্ত মানুষের চেহারার কি আশ্চর্য জনক মিল, যে এঁকেছে তাকে বাহবা দিতে হয়, আবার যদি ৪র্থ ছবি তে এই চেহারার সাথে জয়িতার চেহারার হুবহু মিল।
সেই কচি মেয়েটি এবং আমি
ভূমিকাঃ-
রাতের ভেতর হলুদ বারান্দায়
বৃষ্টি ছুঁয়েছে ঘাসফুল
ঘাসফুলে মন ধরেছে খুব।
চিবুকে শুয়ে থাকা মেঘের দৃশ্য
ভেসে উঠছে ভেজা বাতাসের কোরিওগ্রাফিতে!
চিবুকে যখন পড়ে রোদের ফোঁটা
মেঘগুলো হয় সোনালী;
মেঘ ধরার ইচ্ছে অনেকদিনের
এই কথাটি ক্যামনে বলি!
হাত বাড়ালেই ছুঁতে পারি চিবুক
তবু থাকি দ্বিধায়
ছুঁতে গেলে পালায় যদি স্তনের মহিমায়!
তারচে' থাক,
দ্যাখা হোক রাতের ভেতর হলুদ বারান্দায়...
আজ মালা'র জন্মদিন, এই দিনে যে একদিন কারো জীবন থেকে চলে গিয়েছিলো
আজ ১২ই মে।
আজ মালা'র জন্মদিন।
অপর্ণা সেনের মত ছিলো যার অভিমান। মধুবালার মত যে কথা বলতো।।
আজ এই দিনে যে মালা কারো জীবন থেকে সোফিয়া লরেনের মত যে হেঁটে হেঁটে চলে গিয়েছিলো। সেই মালা'র জন্য গান...
মালা
তোমার জংলা পাড়ের ঢাকেশ্বরী শাড়ি
তোমার পিসি চন্দ্রের ঝুমকো কানের দুল
আজ ১২ই মে, তাই সকাল থেকে
জন্মদিনের তোড়া তোড়া ফুল।
তোমার সানন্দার পাতা থেকে ছিঁড়ে নেয়া
রেনী পার্কের সংসার
তোমার স্বামী আজ অনেক দিনের পড়ে
তোমার ঘরে নিয়ে
হাজারো বিদেশি উপহার
এই শুভ দিনে নানান কাজের ফাঁকে
পড়ছে কি মনে তোমার
এই ১২ই মে তুমি চলে গিয়ে ছিলে
জীবন থেকে আমার
আজ যাও তুমি কোথায় চলে রোজ রাত্তিরে
মনের ভেতর ঘুমের ঘোরে
তোমার সাজানো শরীরের ভেতরে
মালা তুমি কে, তুমি কে
তোমার কথা বলা যেন মধুবালা
তোমার হাঁটা চলা সোফিয়া লরেন
তোমার গন্ধ ফরাসী আনায় আনায়
অভিমান অপর্না সেন
রম্য সিক্যুয়েল-- একটি নাতিদীর্ঘ প্রেমের গল্প
***টুটুল ভাইয়ের রিকোয়েস্ট(কমান্ড:P) এ শিরুনাম বদলানো হইলো।
ভূমিকাঃ-
পাইরেটেড সুরঞ্জনা
সুরঞ্জনা,
তোমাকে কখনো বলিনি ওই যুবকের পানে যেও না।
তাই বলে চলে যাবে যার সাথে নেই কোন জানা শোনা?
সুরঞ্জনা,
তোমাকে আজকাল নিয়মিত দেখছি না।
আছি আমি ঘরে-বাইরে রাস্তায় হাটে মাঠে ঘাটে
তোমাকে খুঁজছি সবখানে- কোথাও পাচ্ছি না।
সুরঞ্জনা,
তোমাকে কতবার বলেছি আমাকে ছেড়ে দুরে যেও না।
তবু তুমি দুরে যাও- দুর থেকে দুরে চলে যাও
আবার ফিরবে কিনা সে ভাবনায় রাত্রে আমার ঘুম আসে না।
সুরঞ্জনা,
পাঁচ পরহেজগার ব্যক্তির গল্প
সেইকালে আরব দেশে অত্যন্ত পরহেজগার এবং নামজাদা একজন কাজী সাহেব ছিলেন। যেমন প্রখর ছিলো তাঁহার বুদ্ধিমত্তা, তেমনই বিশাল তাঁহার ব্যক্তিত্ব। আরব দেশের সংস্কৃতি অনুযায়ী অতিকায় নামের অধিকারী হইলেও লোকে তাঁহাকে "আল মকসুদ" নামেই অধিক চিনিত। এক প্রত্যুষে স্বপ্নে আদিষ্ট হইয়া আল মকসুদ শহরের মূল ফটকের সামনে আসিয়া আশেপাশের লোকদিগকে উদ্দেশ্য করিয়া বলিলেন, "চারজন পরহেজগার ব্যক্তিকে খুঁজিতেছি, যাহারা নিজের সম্পদ ও
আত্মমগ্ন কথামালা (অসতর্ক রক্তবীজ)
।
রৌদ্রের গান শুনে ঘুমিয়ে পড়ে বাসন্তী ফুলের সুঘ্রাণ..
ভেজা দুপুরের স্বপ্ন, ছায়াচিত্র আঁকে এলোমেলো সাপের কক্ষপথে...
গোপন জিহ্বার ঘাসদল, চেটে নেয় অসমকামী পশুদের নগ্ন বাহুমূল...
আর বিবর্ধিত জোছনারা জমা হতে থাকে ক্যামেরার শীতল ডিসপ্লে জুড়ে
ওদিকে
পদাতিক মেঘেদের মহড়ায় ঘরময় উড়তে থাকে মনখারাপের ছেঁড়া পাতা
এবং অসতর্ক সময়ের রক্তবীজ...
।
।
।
।
____________________________
পছন্দের বাংলা ছবি
প্রিয় ১০ বাংলা ছবির এই তালিকা আমি তিন ভাগে ভাগ করেছি। প্রথম ভাগে ভারতীয় বাংলা ছবি। তবে প্রথম তালিকায় আমি সত্যজিত রায়কে রাখিনি। তাঁর জন্য আমার আলাদা একটি তালিকা। আমি সব ভাষার ছবি দেখতেই পছন্দ করি। ভাল হিন্দী ছবিতেও আমার আপত্তি নাই। আজকাল নন হলিউডি ছবি দেখতে বেশি ইচ্ছা করে। খুঁজে খুঁজে তাও দেখছি। বলে রাখছি এই তালিকা এলোমেলো, পছন্দের ক্রম না।
চাইনি তোমার বন্ধুতা
তুমি আমাদের কেউ নও। তোমাকে আমরা চাইনি। চাইনি বলেই আসার আগেই তোমার বিদায় জানানোর প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। নাড়ী কেটে মায়ের গর্ভ থেকে বাদ দেয়ার বাদানুবাদে লিপ্ত হয়েছিলাম ডাক্তারের সাথে। আগমনের পুর্বেই তোমাকে কেটে বাদ দিয়েছিলাম মানব সমাজের তালিকা থেকেও।
কক্সবাজার ও নারিকেল জিঞ্জিরা ভ্রমন ২ : সমূদ্র সৈকতে
ঝলমলে শীতের সকাল। কোমল রোদ্দুরের পরশ শরীরে নিয়ে উঠে বসলাম রিক্সায়। ছুটির দিন, চারিদিকে নেই ব্যস্ততা, মানুষ ও গড়ির ভীড়। বাসা থেকে মিনিট বিশেকের পথ সোহাগ বাস কাউন্টার। বেশ কয়েকদিনের জন্য ঢাকার কোলাহল ছেড়ে সমূদ্রের পাশে থাকার আনন্দ ভাবনায় প্রান উৎফুল্ল। মন গান গেয়ে উঠে, কোথাও আমার হারিয়ে যেতে নেই মানা।
রেফারেন্স...।
মামা চাচা না থাকলে চাকরী পাওয়া যায় না জানতাম যদিও এটা ভুল প্রমানিত করে বাংলাদেশে পাক্কা আড়াই বছর বাংলাদেশের এক নম্বর ঔষুধ ফ্যাক্টরীতে চাকরী করে এসেছি।।কিন্তু এই অচিন দেশে এসে বন্ধু হতে গিয়ে রেফারেন্স লাগলো।।
গতকাল এটা নিয়ে কথা বলছিলাম রাফি ভাই এর সাথে সে বললো রেফারেন্স লাগবে তুমি আমার নাম দিয়ে দাও.।কিন্তু আমি ঠিক করেছিলাম দিবোনা।কিন্তু কিছুক্ষন পর তার নাম রেফারেন্সে দিয়ে আবার রেজিষ্ট্রেশন করলাম।।আজ সারাদিন ল্যাবে কিছুক্ষন পর পর ঘোড়ার ডিম সারফেস প্লাজমন রেজোনেন্স এর পেপার থেকে মাথা তুলে তুলে চেক করি আর দেখি আমারে বন্ধু হিসাবে নিছে কিনা??
না সারাদিন সেই চেকই করে গেলাম আর কিছু খুব সুন্দর লেখা পড়লাম.।মাঝে মন খারাপ করে হাসান রায়হান ভাইরে কমেন্ট দিলাম সে উত্তরে জানালো সে আমার জন্য সুপারিশ করবে.।।।দেখে খুব খুশি হলাম যাক চাচা-মামা (রাফি ভাই-রায়হান ভাই) তাইলে পেয়ে গেছি.।
একটি জ্যাকেট, একজন বুড়ো আর একটি ব্লগের কাহিনী
অন্ধকারের রং কালো। আমাবস্যার অন্ধকার এর রং নিকষ কালো। ভয় ধরানো। আমার জীবনে এখন ঠিক সেই ভয় ধরানো অন্ধকারের রাজত্ব। অদক্ষ খেলোয়াড়দের পরিনতি যা হয়, আমার বেলাতেও তাই হতে চলেছে বোধ করি। দলথেকে বাদ পড়া। আমি পৃথিবী থেকেই বাদ পড়ে যাবো সম্ভবত।
স্বপ্নভঙ্গ
আমার মূলত পরিচয় ছিলো যুবকের স্বপ্নটার সাথে। কান্নাটুকু দেখতে হয়েছিলো বলেই, পিছনের স্বপ্ন আর স্বপ্নভঙ্গটুকুও দেখা হয়ে গিয়েছিলো।
