ইউজার লগইন

রুমানা মঞ্জুর :: প্রতিদিন ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার প্রকাশ মাত্র

দুই/তিন হলো সংবাদটা একটু চেপে চেপেই প্রকাশ হচ্ছে। কেউ ঠিকমতো মুখ খুলছিল না। হয়তো আমাদের সামাজিক অবস্থার কারণেই মধ্যবিত্তের কাছে বিষয়টা খুবই লজ্জার। ঘটনা প্রকাশ পেলে যে ঘটনা ঘটাল তার কিছু হয় না... বরং যারা ঘটনার শিকার তাদের লজ্জাটাই বেশী হয়ে দাঁড়ায়। চারিদিক্‌ থেকে বিভিন্ন প্রশ্নের বান ছুড়ে আসে.... মামলা কোর্টে উঠলে তো আরো বিব্রতকর অবস্থা করে ছাড়েন প্রতিপক্ষের আইনজীবী Sad ... এরম একটা সামাজিক অবস্থায় আসলে কেউ ঠিক মত প্রকাশ করতেও চায় না....

প্রায় সকল প্রিন্ট মিডিয়া এবং স্যাটেলাইট চ্যানলগুলো অবশেষে সময় পেল ঘটনাটি জনসম্মুখে আনার। গতকাল থেকে প্রায় সকল পত্রিকায় প্রথম পাতায় ... সকল নিউজ মিডিয়ায় বারবার সংবাদ এবং এর পর্যালোচনা... কিন্তু ঘটনাটি ঘটে জুনের ৫ তারিখে...

রুমানা মনজুর। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। ৫ জুন রাজধানীর ধানমন্ডিতে বাবার বাড়িতে স্বামী হাসান সাইদের হাতে নির্মমভাবে নির্যাতিত হন তিনি। পারিবারিক এই নির্যাতনের খবর সভ্য সমাজকে চরমভাবে নাড়া দেয়।

হায়রে সভ্য সমাজ... এতদিন লাগলো নাড়া দিতে...

ছবি: রুমানা মঞ্জুর

সেদিন আমি কম্পিউটারে কাজ করছিলাম। পাশেই বসে আমার মেয়েটি খেলছিল। হঠাৎ আমরা স্বামী রুমের দরজা লাগিয়ে পেছন থেকে আমার মাথায় আঘাত করে। তারপর আমাকে টেনে-হিঁচড়ে বিছানায় নিয়ে ফেলে। আঙ্গুল দিয়ে খুবলে ফেলার চেষ্টা করে আমর দু’চোখ। প্রচন্ড ব্যাথায় আমি চিৎকার করতে থাকি। রক্তে ভরে যায় চোখ-মুখ।এরপর থেকে আমি শুধু বুঝতে পারি আমার চোখ উপড়ে ফেলতে চাইছে।

হাসপাতালের বেডে শুয়ে কথা বলার সময় তিনি চোখ মেলে থাকাতে পারছিলেন না। চোখ দুটি থেতলে গেছে ভয়ংকরভাবে। কামড়ে বিকৃত করে দেওয়া হয়েছে নাক। গালে, ঠোঁটে ও হাতে গভীর কামড়ের দগদগে দাগ। যেন কোনও মাংসাশসী বন্য প্রাণী হিংস্র ভাবে হামলে পড়েছিলো তার উপর।

কি ভয়ংকর অবস্থা। উচ্চ শিক্ষিত একটি পিচাশের এমন বর্বরতায় সত্যি আমরা হতবাক।

রুমানা মঞ্জুর বলেন, ‘আমাকে সে মেরে ফেলতে চেয়েছিল। শরীর বিভিন্ন স্থানে কিল-ঘুসি, থাপ্পড়, কামড়াতে থাকে। এসব দেখে আমার মেয়েটি চিৎকার করছিলো। এক পর্যায়ে আমি তার হাত থেকে ছুটে আসতে চাইলেও চোখে কিছু দেখতে না পাওয়ায় দরজা খুঁজে পাইনি। চিৎকার শুনে বাসার কাজের লোকেরা আমাকে উদ্ধার করে।’

রুমানার বাবা মেজর মেজর (অব.) মঞ্জুর হোসেন বলেন, ‘রুমানা অত্যন্ত ভদ্র, নম্র ও ধৈর্য্যশীল। এতদিন ধরে স্বামীর নির্যাতনের শিকার হওয়ার পরও কোনো দিন সে আমাদের মুখফুটে কিছু বলত না। সংসার জীবনের তার এত দু:খের কথা আমরা জানতামই না।

==
হাসান সাইদ
ঘটনার পর থেকে সাইদ পলাতক। সাইদ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে পাস করা প্রকৌশলী। একসময় ব্যবসা করলেও তিনি এখন বেকার। থাকতেন শ্বশুরের বাসায়। সেখানেই চলত স্ত্রীর ওপর নির্যাতন। সাইদের মা-বাবা দুজনই যুক্তরাষ্ট্র-প্রবাসী।

অনেক সংবাদের ভিড়ে হঠাৎ হঠাৎ এমন সংবাদ চারদিকে ছড়ায়... আমরা একটু নড়েচড়ে বসি... আবার কিছুদিন পর সেই আগের মতোই...

ভিডিও লিংক:
এটিএন বাংলা

পোস্টটি ১৫ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

রাসেল আশরাফ's picture


দুই/তিন হলো সংবাদটা একটু চেপে চেপেই প্রকাশ হচ্ছে। কেউ ঠিকমতো মুখ খুলছিল না। হয়তো আমাদের সামাজিক অবস্থার কারণেই মধ্যবিত্তের কাছে বিষয়টা খুবই লজ্জার। ঘটনা প্রকাশ পেলে যে ঘটনা ঘটাল তার কিছু হয় না... বরং যারা ঘটনার শিকার তাদের লজ্জাটাই বেশী হয়ে দাঁড়ায়। চারিদিক্‌ থেকে বিভিন্ন প্রশ্নের বান ছুড়ে আসে.... মামলা কোর্টে উঠলে তো আরো বিব্রতকর অবস্থা করে ছাড়েন প্রতিপক্ষের আইনজীবী ... এরম একটা সামাজিক অবস্থায় আসলে কেউ ঠিক মত প্রকাশ করতেও চায় না....

আসলেই তাই।

শুধু উচ্চশিক্ষা যে মানুষকে প্রকৃত মানুষ বানায় না তার প্রকৃষ্ট উদহারণ। এদের জন্য করুনা হয় আর নিজেই নিজের কাছে লজ্জিত হই।

লীনা দিলরুবা's picture


কোন পৃথিবীতে বাস করছি আমরা!

মিতুল's picture


আমি এই কথাগুলোই বার বার বলতে চেয়েছি। আমরা এখনো বেঁচে আছি বুঝে বা না বুঝে, দেখে বা না দেখে।

মেসবাহ য়াযাদ's picture


কী বলবো ?! Sad

এস এম শাহাদাত হোসেন's picture


এই তথাকথিত উচ্চশিক্ষা হাসান সাইদকে মানুষ করতে পারেনি, করেছে কুশিক্ষিত। এরকম কুশিক্ষিত হওয়ার চেয়ে অশিক্ষিত থাকা অনেক ভালো।

হাসান সাইদ এক কথায় জানোয়ার। কিন্তু, রুমানাকে পূর্ণাঙ্গ মানুষ বলা যাচ্ছে না। কেন তিনি নিজেই নিজের জীবনের মূল্যায়ন করলেন না। প্রথমত এমন স্বামী নির্বাচন করে তিনি চরম অযোগ্যতার পরিচয় দিলেন। এরপর এমন স্বামীর ঘরে সন্তান জন্ম দিয়ে ভুল করলেন।

একজন প্রতিষ্ঠিত নারীর এমন ছেলেমানুষী জীবন-যাপন কিছুইতে মেনে নেওয়ার মতো নয়। তিনি আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক! নারীরা কবে নিজেরাই নিজেদের মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করতে সক্ষম হবে!

রুমানার উচিত, যথাযথ মানসিক শক্তি অর্জন করে ঐ জানোয়ারটাকে অন্তত সারা জীবন জেলে রাখতে তৎপর থাকা। না-কি এত কিছুর পরও তিনি নারীই থেকে যাবেন?

পৃথিবীর সব নারী মানুষ হোক, পৃথিবীর সব পুরুষ মানুষ হোক।

রায়েহাত শুভ's picture


বলতে ইচ্ছে করছে অনেক কিছুই Sad কিন্তু বলতে পারছি না...

শুধু এটুকুই বলি, হেমা আপিকে কখনোই হাসিমুখ ছাড়া দেখিনি...

আর টুটুল ভাই, প্লিজ আপির ছবিটা সরিয়ে দিয়ে একটা লিংক হিসেবে রাখবেন?

রাসেল আশরাফ's picture


কিন্তু, রুমানাকে পূর্ণাঙ্গ মানুষ বলা যাচ্ছে না। কেন তিনি নিজেই নিজের জীবনের মূল্যায়ন করলেন না। প্রথমত এমন স্বামী নির্বাচন করে তিনি চরম অযোগ্যতার পরিচয় দিলেন। এরপর এমন স্বামীর ঘরে সন্তান জন্ম দিয়ে ভুল করলেন।

একজন প্রতিষ্ঠিত নারীর এমন ছেলেমানুষী জীবন-যাপন কিছুইতে মেনে নেওয়ার মতো নয়। তিনি আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক!

এই কথাগুলোর সাথে একমত হতে পারলাম না।

লীনা ফেরদৌস's picture


টুটুল, রুমানার ব্যাপারটাতে আমি এতই হতবাক যে সকাল থেকে মাথায় আর কিচ্ছু ঢুকছে না!!!

এই মেয়েটার থিসিস পেপার দেখ

http://www.codesria.org/IMG/pdf/Rumana_Monzur.pdf

.

ওকি তখনো জানতো যে ও নিজেই একটা domestic violence এর শিকার হবে।

বাবা মারা কেন যে এমন নরপশুদের হাতে আমাদের তুলে দেন ! বিয়ে না হলে কি হয়! আমরাও পারি নিজের দায়িত্ব নিজেরা নিতে।

ভাস্কর's picture


রুমানা মঞ্জুরের ঘটনাটারে আমার এই দেশের স্বাভাবিক চিত্রেরই একটা প্রতিফলন লাগে। তার "শিক্ষক" আর "মধ্যবিত্ত" স্টেটাস বিষয়ে কনসার্ন্ড থাকাতে আমরা হতবাক হইতে চেষ্টা করি। তার জামাই বুয়েট শেষ করছিলো কি করে নাই এই তথ্য দিয়াও দেখলাম ঘটনাটারে জাজ করনের চেষ্টা চালাইতেছে বহুজনে। আমাগো মধ্যবিত্ত জাজমেন্টাল মানসিকতা আসলে কতোটা নোংরামি ধারণ করতে শুরু করছে সেইটা ভাবতেছি। বউ পিটানি, ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স বিষয়গুলি আমরা গরীব আর অশিক্ষিতের বিষয় বইলা ভাবতে শুরু কইরা দিছি। এইরম কতো হাজার রুমানা প্রত্যেক বছর বছর এর চাইতে আরো তুচ্ছাতিতুচ্ছ কারনে নির্যাতিত হয় এই দেশে সেইসবে আমাগো খুব বেশি আগ্রহ থাকে না।

যাই হোক রুমানা মঞ্জুরের নির্যাত জামাই হাসান সাঈদ সুমনের বিচার হওয়াটা জরুরী। তার চাইতে বেশি জরুরী পুরুষতন্ত্রের অবসান।

রুমানার থিসিস তো শ্রীলঙ্কার শান্তিচূক্তি নিয়া লেখা এইটার সাথে এই ভায়োলেন্সের কি সম্পর্ক বুঝলাম না। আর বাবা-মা বিয়া না দিলেও এইরম ঘটনা ঘটতে পারে। কারণ রুমানা মঞ্জুর প্রেম কইরাই বিয়া করছিলো বইলা জানতে পারলাম পত্রিকা আর বিভিন্ন তথ্যসূত্রে...তাতে কিবা আসছে গেছে!?

১০

টুটুল's picture


আরেকটা সংবাদ... Sad
==

১১

রুম্পা's picture


িকছু িলখেত িগেয় মুেছ িনলাম..আল্লাহ উনার সহায় হউন..
এবং এই েলাকিটর সাজা েহাক জনতার সামেন..

১২

ফিরোজ শাহরিয়ার's picture


বেশ কিছুদিন পরে ব্লগে এসেই আতকিংত হলাম। এটাই কি তাহলে আমাদের সমাজ?

১৩

জ্যোতি's picture


কাল রাতে টিভি তে খবরে দেখলাম রুমানা মন্জুর বলছিনের তার এই নির্যাতনের কথা। তাকাতে পারছিলাম না মুখের দিকে। কি ভয়ংকর! ভাবতেই ভয়ে কুকড়ে যেতে হয় যে এই পশুটার সাথেই এই মেয়েটার এতগুলো দিন কেটেছে।

১৪

সামছা আকিদা জাহান's picture


আমি বুঝিনা এ ক্ষেত্রে আমরা কি করতে পারি। এমন চরম পরিনিতির জন্য কেন রুমানা অপেক্ষা করলো? সে কি বুঝতে পারে নাই যে তার স্বামী এতটা উন্মাদ হবে। বোধ হয় বুঝতে পারেনি? কেন বুঝতে পারেনি? সেকি খুব ভালবাসতো তার স্বামীকে যে তার নির্যাতনগুলি চোখ বন্ধ করে মেনে নিত?

-- এখানে আমি খুব কষ্টের সাথে বলত বাধ্য হচ্ছি যে সব মেয়েরা এই ধরনের নির্যাতন সহ্য করে করে জীবনের চরম মূল্য দেয় তারা ভিষন বোকা। খুব খুব অন্ধের মত ভালবাসে এই পাশান্ডটিকে। হতো কিছু টাকার জন্য সে একটু নরম হয়ে ভালবাসার কথা বললো অনমি সে গলে যায় স্বামীর প্রেমে। এই ক্ষেত্রে আম তৃতীয় পক্ষ কোন কথাবললেই উভয়ের অক্রমনের স্বীকার হব।

এই সব মেয়েরা সমাজকে খুব ভয় পায়। অযথাই ভয় পায় কে কি বলবে তাই নিয়ে থাকে। তার সন্তানের জীবন নষ্ট হবে এই ভায়ে তারা স্বামীর নির্যাতন মেনে নেয়। আর স্বামীরাও এই সুযোগের সফল সৎ ব্যবহার করে।

১৫

শওকত মাসুম's picture


তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকেই শুরুতে নাম ও ছবি প্রকাশ নিয়ে দ্বিধা ছিল, অনুরোধ ছিল। একারণে মিডিয়া প্রথমদিন চুপ ছিল। পরে পরিস্থিতি বদলে যাওয়ায় একটু পরে হলেও সংবাদটি এভাবে ছাপা হয়েছে।

বউ পিটানো শিক্ষিতদের মধ্যেও কোনো অংশে কম নয়।

১৬

রোহান's picture


নিজের ভালোবাসার মানুষটার চোখ উপড়ে তার নাক কামড়ে সেই মাংস চিবাতে চিবাতে পালিয়ে যাওয়া -- এইটা কোনো অবস্থাতেই একজন সুস্থ মানুষের প্রতিক্রিয়া হতে পারে না। পুরো ঘটনাটার নিউজ কাভারেজটা দেখার পর থেকে অসুস্থ একটা অনুভুতি হচ্ছে। শিক্ষিত সভ্য সমাজের একটা মানুষের কাছ থেকে এমন পাশবিক আচরণ ধাক্কা লাগার মতোই একটা ঘটনা...আরো খারাপ লাগছে ঐ বাচ্চাটার কথা ভেবে, বাবার এমন পাশবিক চেহারা তাকে খুব কাছে থেকে দেখতে হয়েছে, ছোট্ট মনে কি বিশ্রী একটা আঁচড় পরে গেলো।

মিডিয়াগুলোর কাভারেজে একটা জিনিস খুব অবাক লাগলো কোনো চ্যানেল কিংবা পেপারে (অন্তত আমার চোখে যে কয়টা পড়েছে) কালপ্রিটের কোনো ছবি আসতে দেখলাম না। পশুটা এখনও পলাতক, দেশের সবকটি বৃহৎ মিডিয়ায় খবরটার সাথে যদি পশুটার একটা করে ছবি লাগানো থাকতো তাহলে তো তাকে খুঁজে পাওয়ায় সহযোগীতাই হতো তাই না। এই ঘটনাটা সবসময় দেখি, এসিড ভিকটিম কিংবা নারী নির্যাতন ম্যাক্সিমাম কেসে মিডিয়াতে নির্যাতিতের ছবি দেখে আসি, নির্যাতকের একটা ছবি বড় করে ছাপাতে কাউকে দেখি না।

১৭

রাফি's picture


কি আর বলবো। Sad সমবেদনা-ক্ষোভ আর প্রার্থনা ছাড়া কিছু দেয়ার নেই।

প্রচলিত বিচার ব্যবস্থায় এই অপরাধের যে শাস্তি হবে (যদি হয়) তা কোন ভাবেই দৃষ্টান্তমুলক হবে না, কারন এরপরেও এই অপরাধ থেমে থাকবে না। আগে ভাবতাম মানুষ শিক্ষিত হলেই এই অপরাধ কমে যাবে, এখন হয়তো বলবো "প্রকৃত শিক্ষিত" হলেই এই অপরাধ কমে যাবে। সেইটাও ভুল।

আসল কথা হলো "মাইরের শিক্ষা" দিতে হবে। এই টাইপের জানোয়ারদের জনসম্মুখে শাস্তির ব্যবস্থা করলে সেটা বাকি সুপ্ত জানোয়ারদের মাথায় সরাসরি ঢুকবে।

১৮

রাফি's picture


ও বলতে ভুলে গিয়েছিলাম।

অন্য একটা ব্লগে পড়লাম, হাসান সাইদ সাহেব নাকি বন ও পরিবেশ মন্ত্রী হাসান মাহমুদের ভাতিজা।। Dont Tell Anyone

সত্যি কিনা জানি না। তবে সাইদ সাহেবের কোন ডিটেল পত্রিকায়। যেন আসমান থেকে এসে বুয়েটে ভর্তি হয়েছে।

১৯

মাহবুব সুমন's picture


ঘটনাটা আমাদের দেশের নিত্যকার ঘটনা। প্রতিদিন পত্রিকার পাতায় এরকম খবর সব সময়ই আসে। পিটিয়ে মেরে ফেলা - আগুনে পুড়িয়ে মেরে ফেলা- গলা টিপে মেরে মুখে বিষ ঢেলে দেয়া - খুন করে গলায় রশি লাগিয়ে ঝুলিয়ে দেয়া - এসিড ছুড়ে মারা ইত্যাদি প্রতিদিনকার অতি স্বাভাবিক খবর। হয়তো পত্রিকার মাঝ পাতায় মফস্বলের পাতায় ছোট করে ওমুক দিন মজুর - তমুক কৃষকের স্ত্রী হত্যা করেছে বলে সংবাদ আসে বলে আমাদের তথাকথিত আরো তথাকথিত শিক্ষিত মধ্যবিত্ত মানুষগুলোর চোখ এড়িয়ে যায় খুব সহজেই। এব ঘটনা ঘটে কিন্তু আমাদের শ্রেনীচেতনায় আঘাত হানে না, যেটা এবার এসেছে কারন এবারের ভিক্টিম আমাদের শ্রেনী বন্ধু। বউ পেটানো - বউ মারা - প্রেমিকাকে সব বন্ধু মিলে ধর্ষন করা - সিগারেট দিয়ে ছ্যাঁকা দেয়া - চোখ উপরে ফেলা যেনো সবই সেই সব নিম্ন বিত্ত মানুষগুলোর কাজ যাতে আমাদের কিছু যায় আসে না। এটাই আমাদের সমাজের বাস্তব অবস্থা। খারাপ লাগলেও খুব একটা খারাপ লাগে না এখন আর। সব কিছু সয়ে গেছে। সুমন নামের পশুটি হয়তো ধরা পরবে শীঘ্রই কিন্তু বাংলাদেশের তথাকথিত বিচার ব্যবস্থায় এর বিচার কত টুকু হবে সেটা নিয়ে ভাবছি।

২০

গৌতম's picture


আপনার শিরোনামটাই সব বলে দিয়েছে। নতুন কিছু বলার নেই।

সুস্থ হোন রুমানা, প্রতিবাদী কণ্ঠ বাড়ুক আরেকটি।

২১

একজন মায়াবতী's picture


Puzzled Sad

২২

তানবীরা's picture


একটা মজার জিনিস দেখেন, রুমানা ভারতে গেলো, তার স্বামী গর্ত থেকে বের হলো। বের হয়ে গল্প দিচ্ছে। যথেষ্ট সময় সে পেয়েছে, উকিলের সাথে পরামর্শ করে, যত সম্ভব নিজেকে সেভ করে গল্পটা সে বানিয়েছে। মনে হয় উকিল মুখস্থ করিয়ে দিয়েছে।

ভাবছি প্রভা, রুমানা এরা যারা নিজ নিজ জগতে এতোটা প্রতিষ্ঠিত হয়েও যদি এদের এই অবস্থা, তাহলে সাধারণ মেয়েদের কি অবস্থা ।

প্রভাকেওতো একজন ঠিক এভাবেই খুন করে রেখেছে। বেঁচেও মরে আছে সে।

২৩

টুটুল's picture


এখনো কিন্তু তিন্নি হত্যার কোন বিচার হয় নাই Sad

সেই পুরানা কথা... অদ্ভুত উটের পিঠে বাংলাদেশ Sad

২৪

মীর's picture


চৌধুরী সাহেব, আপনের কি অবস্থা? আছেন-টাছেন কেমন? নতুন লেখা কই? আমাদেরকে তো একটু সময়ও দেন না। কেন যে সারাদিন এত ব্যস্ত থাকেন!

২৫

মীর's picture


ওহ্ আমার কমেন্টটারও কোনো জবাব দিলো না লোকটা..

২৬

টুটুল's picture


আপ্নে লেখা চাহিয়া তাগাদা দিয়েছেন Smile ... এর জন্য এই মন্তব্যের কোন উত্তর হয় না Smile

আম্রাতো লেখালেখির লুক না ... ব্লগানিটা পারি Smile ... Smile

২৭

মীর's picture


লেখা চাইলাম, সময় চাইলাম, আপ্নারে চাইলাম- কোনো কিছুই দিলেন্না।
দেয়ার চেষ্টা করতেসেন ঝাড়ি, কিন্তু সেটায় লাভ হচ্ছে না। জয়িতা'পু একবার বলছিলো, আপনে ঝাড়ি দিলে নাকি হাসতে হয় আর হাততালি দিতে লাগে। Love
যাক্ আম্রা মানে কারা? আপনার স্ত্রী-পুত্র কেমন আছে?

২৮

টুটুল's picture


আমারে চাইলে হপে না ... নাজ হু না Wink

আম্রা মানে আমি Smile ...
সব্বাই ভালু... ঋহান ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মাঝে তার প্রথম জন্মদিন পালন কর্লো Smile ...
নেন এইটা আপ্নের লাইগ্গা... কাইত হইয়া দেইখেন Wink
http://www.youtube.com/watch?v=ZXxD6FPORDw

২৯

মীর's picture


ভিডিউ'র জন্য অজস্র অসংখ্য ধইন্যা পাতা

আর কেন হপে না? ভালুবাসা কি খ্রাপ কোনকিছু? আজব হয়া গেলাম দুপুরবেলা মহল্লায় আইসা Surprised

৩০

টুটুল's picture


পোলায় পোলায় ভালুবাসা ভালু না Wink

৩১

মীর's picture


তারমানে আপ্নে আমারে ভালোই বাসেন্না একদম? Crying
খালি ঋহানের ভিডিউ'টা দিসেন বইলা কিছু কৈলাম না। কিন্তু দিলে বড় দাগা পাইলাম।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

টুটুল's picture

নিজের সম্পর্কে

আমি আছি, একদিন থাকবো না, মিশে যাবো, অপরিচিত হয়ে যাবো, জানবো না আমি ছিলাম।

অমরতা চাই না আমি, বেঁচে থাকতে চাই না একশো বছর; আমি প্রস্তুত, তবে আজ নয়। আরো কিছুকাল আমি নক্ষত্র দেখতে চাই, শিশির ছুতেঁ চাই, ঘাসের গন্ধ পেতে চাই, বর্ণমালা আর ধ্বনিপুঞ্জের সাথে জড়িয়ে থাকতে চাই, মগজে আলোড়ন বোধ করতে চাই। আরো কিছুদিন আমি হেসে যেতে চাই।

একদিন নামবে অন্ধকার-মহাজগতের থেকে বিপুল, মহাকালের থেকে অনন্ত; কিন্তু ঘুমিয়ে পড়ার আগে আমি আরো কিছু দুর যেতে চাই।

- হুমায়ুন আজাদ