আগুন....

শ্যামলীতে আজকে সকালে লাগা আগুনের ছবি...
সকালেই বসের ফোন... তাদের বাসার পাশে আগুন লাগছে... দৌড়াইয়া গেলাম অফিস খালি কইরা... অফিসে কিছু অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি আছে... সিকিউরিটির লোকজন সেগুলো নিয়ে রওনা হলো... আমরা একটা পাশে সর্বৌচ্চ চেষ্টা চালালাম... প্রায় গোটা ৫০ লোক আমাদের... সমন্বিত প্রচেষ্ঠায় একটা সাইডে আগুনকে আর বাড়তে দেই নাই...
অফিস থেকে যাওয়ার সময় মনে হইছিল একবার ক্যামেরাটা নিয়ে বের হই... আবার এটা মনে হইলে ছবি তোলার চাইতে অনেক বড় কাজ হয়তো সেইখানে আছে... নেয়া হইলোনা আসলে ক্যামেরাটা... অনেকেই বলছে চমৎকার কিছু ছবি মিস করলাম... সব ছবি হয়তো তোলা হবে না আমার
আগুন দেখতে একবার ছাদে গিয়েছিলাম... সেখানেই ছবি তুলেছিলাম... রায়হান ভাই ফোন দিলো... তার সাথে কথা কইলাম... আম্মারে জানাইলাম... দ্যান আর টাইম পাই নাই.. ইউটিউব লিংক:





কারো ঘরে আগুন জ্বলে কেউ ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলে!
সাবাশ, কঠিন কমেন্ট !!!
কারো ঘরে আগুন জ্বলে কেউ ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলে!
আগুনের আর দেখছেন কী, আরও মনে আসিতেছে
ছবি তোলা নিয়ে কিছু মানুষের পাগলামী এমন পর্যায়ে যাচ্ছে যে এরপরে হয়তো এমনিতে আগুন না লাগলে তথাকথিত ক্যামেরাম্যানরা নিজেরা বা লোক দিয়ে আগুন লাগিয়ে কিছু ভাল শটের অপেক্ষায় থাকবে...
~
ছবিটা ভালো আসছে। আগুনের ভয়াবহতাটা টের পাওয়া যায়। এসিরুমের ভিতরে বসে এই ভয়াবহতা টের পাওয়ার জন্য ছবিরও দরকার আছে।
স্যার
... খিয়াল কৈরা 
এসি রুমে বইসা কিন্তু ফটুক তুলি নাই... স্পটেই তুলছিলাম... প্রথমে স্পটে গিয়ে আগুনের অবস্থা যাচাইয়ের জন্য আগুনের পাশেই একটা বিল্ডিংয়ের ছাদে উঠছিলাম... নিউজটা দ্রুত শেয়ার করার জন্য মোবাইলে ছবি তুইলা ফেসবুকে আপলোড কর্ছি
ইস! কি ভয়ঙ্কর!
ছবিটা ভালো আসছে। আগুনের ভয়াবহতাটা টের পাওয়া যায়। এসিরুমের ভিতরে বসে এই ভয়াবহতা টের পাওয়ার জন্য ছবিরও দরকার আছে।
কালকে ঋহানের সুন্নতে খাতনার জন্য দ্রুত অফিস ত্যাগ করার কারনে পোস্টে আরো অনেক কিছু লেখা সম্ভব ছিল না ... সরি
কতগুলো অবজার্ভেশন ...
>> যারা আগুনের কবলে পরছে এবং পরতেছে তারা সবাই নিজেদের বউ-বাচ্চা, সংসার, জিনিষপত্র সামলাইতেই ব্যাস্ত ছিল... আগুন নেভানোতে কেউ ছিল না। আমাদের এই পিছুটানটা ছিল না... তাই আমরা পুরোটা মনোযোগ আগুনেই দিতে পারছি।
>> আমরা ফায়ার ব্রিগেড বাহিনীর মত অর্গানাইজ ছিলাম না ... তাই ঠিক সংঘবদ্ধ ভাবে আগাতে পারি নাই
... যে যখন যেদিকে বলে সেদিকেই দৌড় দিছি
>> আমাদের অগ্নিনির্বাক যন্ত্রের ব্যবহারের জ্ঞান সীমিত... সেটা আমাদের সীমাবদ্ধতা ছিল... বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় পানির যোগানে সমস্যা হচ্ছিল... পরে আমাদের জেনারেটর চালাইয়া পানির ব্যবস্থা করছি। কিন্তু আগুন থামাতে আগুনের নিকটবর্তী ঘড়গুলো ভেঙ্গে দিতে দা/বটি পাই নাই
... এর জন্য সকল নাগরিকের উচিত অগ্নি নির্বাপনে মিনিমাম জ্ঞান থাকা...
>> এলাকায় বাড়ি ঘড় তোলার সময় এলাকাবাসীর অবশ্যই উচিত একটা জরুরী বিষয় লক্ষ্য রাখা... তা হলো অন্তত ফায়ার ব্রিগেটের গাড়ি ঢোকার জন্য পর্যাপ্ত রাস্তা যেন থাকে। নয়তো পুরা এলাকা পুরে গেলেও কিছু করার থাকে না
ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের হাহাকার যে কি লিখে বোঝানো যাবে না
...
আগুনের উত্তাপ যে কি ভয়াবহ কাল হারে হারে টের পাইছি.... আগুনে কাছে যাইতে খবর হইয়া গেছে
অফিসে যাওয়ার সময় দেখসি কি অবস্থা।
আহারে
মন্তব্য করুন