অনেকেই সমস্যায় পরছে ফুলফ্রেম আর ক্রপ বডি নিয়ে। আসলে বিষয়টা কি?
SLRএর সময় কালে কিন্তু এরম ফুল/হাফ (ক্রপ) বলতে কিছু ছিল না... ক্যাচাল্ডা লাগছে DSLR আসার পরে। এর লাইগ্গা সেই আমলের লুকগো এইসপ ক্যাচালে মাথা ঘামাইতে হয় নাই... মনোযুগ দিয়া খালি ফটুক তুলছে। তয় তাগোরে দুকানে যাইয়া এক্টা ফ্লিম কিন্তে হইতো আর বহুত হিসাপ নিকাশ কৈরা সবকিছু ভালোমত খিয়াল কৈরা ৩৬ খান ফটুক তুলতে পারতো
... কারণ ফ্লিম ক্যামেরার ক্যাপাসিটি সিল ৩৬টা ছবির
যখন DSLR মার্কেটে আইলো ... ঝামেলাটা বাধলো তখন... DSLRএ কোন ফ্লিম নাই... তার বদলে বসানো হইলো সেন্সর... সেন্সরকে ব্যাপক দায়িত্ব দিয়া বানানো হইলো। ক্যামেরার ভিত্রেই ছবিটারে প্রসেস কইরা ডিসপ্লেতে দেখানোরমত এক্টা বিশাল দায়িত্ব পাইয়া বসলে এই সেন্সর ভাইজানে। ফটুক তোলার লগে লগেই ছবি জমা রাখার জন্য মেমোরী/কার্ডের ব্যবস্থাও হইলো। তো এই সেন্সরের সাইজটা আসলো SLR এর ফ্লিমের স্ন্যাপের মাপে ;)। এইখানে একটা মজার বিষয় আছে... এই ফ্লিম ক্যামেরার প্রত্যেকটা স্ন্যাপ/ছবির জন্য যেই জায়গা... সেইটার মাপ হইলো 24mm x 36mm যেটাকে ৩৫মিমি ফ্লিম বলা হয়। আর ফুলফ্রেমের সেন্সরের সাইজও ২৪ x ৩৬
... ৩৫ মিমি।
এরম একটা ৩৫মিমি সাইজের সেন্সর তৈরীতে ব্যাপক খরচা... ম্যানুফেকচাররা ভাবলো এরম হইলে তো ব্যবসায় যুইত হইবো না ... কি করা... ম্যালা ভাবনা চিন্তা কইরা তারা সেন্সর থিক্কা কিছু অংশ মারিং কৈরা দিলো... তাতে খরচা কিছুটা কমলো। আর সেইটাই হইলো ক্রপ বডি 

সেন্সররে দুইটা গ্রুপে ভাগ কইরা দুইন্যাডারে ভাগাভাগি করলো :(।
পয়লাডা হইলো ফুল ফ্রেম সেন্সর আর
দ্বিতীয়ডা হইলো ক্রপ ফ্রেম সেন্সর।
এই ক্রপ এক এক কোম্পানী/মডেলে এক এক রকমের হয়।
নাইকনের মালিকরা তাগো সেন্সররে দুইখান ভাগে ভাগ করলো...
(ক) একটা ভাগে রাখলো ফুল ফ্রেম
(খ) আরেক ভাবে 1.5x ক্রপ... (এই ১.৫এক্সের দেড়গুন ফুলফ্রেমের সেন্সর)
ক্যানন ওয়ালারা আরেক কাঠি সরেশ... তারা তাগো ক্যামেরাকে ৩খান ভাগে ভাগ করলো...
(ক) ফুল ফ্রেম,
(খ) 1.3x ক্রপ, আর
(গ) 1.6x ক্রপ।

লাঞ্চের টাইম হইছে... যাইগা.. খুদাপেজ
বি.দ্র.: ক্যামেরা কিনার প্রথম দিকে ইথারের কাছ থেকে প্রথম ধারনা পাই। সো.. কৃতজ্ঞতা ফয়সাল আকরাম ইথার।





মন্তব্য করুন