ইউজার লগইন

ভাস্কর'এর ব্লগ

ফুটবল ফুটবল দুরন্ত ফুটবল (১)

১৯৭৮'এর কথা আমার ঠিক মনে পড়ে না। তয় ১৯৮২তে বিটিভিতে যখন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী খেলা দেখাইবো বইলা ঘোষণা দেওয়া হইলো ক্রিকেটপ্রেমী আমার বালকসুলভ প্রাণেও উৎসাহ তৈরী হইছিলো চরম। ম্যারাডোনা তখন কেবল বিস্ময় বালক হিসাবে পাওয়া খ্যাতি পার কইরা বড়দের আসরে খেলতে আসতেছে। প্রচারমাধ্যমগুলি তারে ঐ সময়ের পেলে বইলা অভিষিক্ত করতেছিলো মনে আছে। উদ্বোধনী দিনেই আগের আসরের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা আর বেলজিয়ামের খেলা। আমার বাপ

ব্রাজিল জিতছিলো তিন R-এর কল্যাণে, শেখ হাসিনাও তিন R-এর কান্ধে চাপলো?

এক.

দাউ দাউ পুড়ে যায় কায়েতটুলী

দাউ দাউ পুড়ে যায় কায়েতটুলী। ঝলসানো মাংসের গন্ধে বাতাস ভারী হইয়া উঠে। সাথে চলে আহাজারী। প্রিয়জন হারাইয়া ফেলা মানুষের আতর্নাদে পরিস্থিতি উসকায় না বরং আরো থমথমে হয়। অনুভূতিগুলি হয় পাথর পাথর। ঠিক যেই মুহুর্তে এই লেখায় মনোনিবেশ করছি তার আগমুহুর্তে সংখ্যাটা ছিলো ১৫৫...ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্টে তামিম ইকবাল ১৫৫ রান করতে পারলে এই মহল্লার অধিবাসীরাই হয়তো মিছিল বাইর করতো। আর এখন ১৫৫ দুঃখের বার্তাবহ হয়। আমি অজা

আমার দেশরে আওয়ামিরা কোন পথে পরিচালনা করতে চায়?

ঠিক এই মুহুর্তে কোন পত্রিকার ডিক্ল্যারেশন বাতিল হইলে বাঙালি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী মানুষ খুশী হইতেন?

ফেইসবুক ব্লক কইরা সরকার কীসের নিদর্শন দেখায়?

বাংলাদেশে ফেইসবুক ব্লক করার সিদ্ধান্তরে প্রতিবাদ জানাইয়া সাম্প্রতিক সময়ে যতো প্রতিবাদ হইছে তার প্রতিক্রিয়ায় কেউ না কেউ আইসা একটা বিশেষ মন্তব্য কইরা গেছে। সেই মন্তব্যের ভাষ্য হইলো এ আর নতুন কি! সরকারের কাছে কি এর চাইতে ভিন্ন কিছু প্রত্যাশা করা হইছিলো কি না?

ফেইসবুক বন্ধ কইরা কি আর হৃদয়ের স্পন্দন বন্ধ করা যায়?

রাজপথের আন্দোলন থামাইতে মিছিলের উপর গুলি চালানের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের মধ্য দিয়া যারা ক্ষমতা পরিচালনা শুরু করছিলো, জাতীয় নেতৃবৃন্দের ক্যারিক্যাচার ঠেকাইতে ফেইসবুক বন্ধ করাটা তো তাদের জন্য মৃদূ লাঠিচার্জের মতোন কোমল প্রতিরোধ। ১৯৭৩-এ এই আওয়ামি ফ্যাসিস্ট জান্তাই ভিয়েতনাম দিবসে কমিউনিস্ট পার্টির মিছিলে গুলি চালাইয়া প্রথম রাজনৈতিক খুনের নজীর স্থাপন করছিলো।

ডাইরী ৯৮

এক.
আহা আমার রুটিনবদ্ধ বিষন্নতা, আহা আমার যুক্তাক্ষর অন্তঃপ্রাণ। তোমাদিগের অস্তিত্ত্ব আর কতোকাল বয়ে যাবে পরম্পরায়? আহা আমার সময়, মাত্রা গুণে পড়ে আছে পথিমধ্যে। তারে ছোঁয়া গেলে আঙুলে আমার, জিহ্বা মেলে নিতাম তাহার স্বাদ।

ডাইরী ৯৭

এক.
যতো দূর যেতে চাই কখনোই তার কাছাকাছি যাওয়া হয় নাই। আমি দূর থেকে আলোকোজ্জ্বল নগরীতে নিয়নের রূপ বদলানো দেখি, কখনো জানি নি কি কথা রয়েছে লেখা নিয়ন শরীরে। আক্ষরিক মূর্খ হয়ে অন্ধকারে পড়ে থাকা সার। আলোকের বর্তীকারা দূরে জ্বলে নিভে আমার চাহিদারে দ্বন্দ্বে ফেলে দ্যায়...

আমার ঘরের সাদাটে স্যুইচ অপেক্ষায় থাকে তোমার কোমল আঙুলের...

দুই.

ডাইরী ৯৬

এক.
বিভাজন বড়ো কষ্টকর হয়। বাংলা ভেঙে গেলে রবি ঠাকুরের চোখ বেয়ে জল গড়ালেও তাই কেবল জোড়াসাঁকোর জমিদারী বিষয়ক লোভ মোহ মনে হয় নাই আমার...বিভাজন কষ্টটারে বড়ো স্বাভাবিক ঠেকে এই বেলা।

আর তাই মুসলিম নেতা সলিমুল্লাহরে অভিসম্পাত করেছি ভুল করে। সেও তো বাঁচাতে চেয়েছিলো তার নওয়াবী ক্ষমতারে...বিচ্ছিন্নতা কোনোকালে মানুষের আকাঙ্খিত নয়।

দুই.

ডাইরী ৯৫

এক.
কদিন ধরেই টানা চোখ খুলে বসে আছি।

একদা মাকোন্ডো শহরবাসীরা জেনেছিলো ঘুমের অভাবে স্মৃতিভ্রষ্ট হতে হয় মানুষেরে। তাই তারা কাগজে লিখছিলো অভিজ্ঞতা সমূহের নাম। আর আমার বারবার মনে হতে থাকে, অচীরেই আমি লিখতে ভুলে যাবো।

দুই.
সেই শৈশবের কাল থেকে ঝড়ের নৈকট্যে বেড়ে ওঠা। আর আজ ঝড়টাকে অচেনা মনে হলো। অচেনা ঝড়ের তান্ডব মিলিয়ে গেলো নিমেষেই...এই শহরটারে তার অচেনা লেগেছে?

তিন.

ডাইরী ৯৪

এক.
চোখে বিষাদের রেখাগুলি বৈশাখের তেজ উপেক্ষা করেছে আজ।

কালবৈশাখী কালের আকাশে যেমন মেঘ, উপেক্ষায় চলে জমিনের আব্দার। মমতা মাখানো আলো ছড়িয়ে দিয়েই তারা ফাঁদ পেতে রাখে চুপিসারে। তখন সাদাটে আলোর আড়ালে তারা তান্ডবের রেখা আঁকে ইচ্ছেমতো...

চোখে বিষাদের রেখাগুলি ক্রমে বিষাদ পরিধী ধরে বৃত্তবন্দি হয়...

দুই.

ডাইরী ৯৩

এক.
আজকাল আমার আক্রান্ত দিন যায় প্রায়শঃই। বয়সের আততায়ী দল পিছে লাগে চুপিসারে। তাদের গোপন বিদ্যায় আমার চোখ ফুলে লাল হয়। শরীরের প্রতি রন্ধ্রেরা দূর্বলতর...

মাত্র ছত্রিশ ঘন্টায় যদি এমনি হবে...তাহলে সমর ক্ষেত্রে সৈনিক কিরূপে জাগে রাত্রি-দিন!

দুই.
আমাকে নাও, আমাকে নাও বলে চীৎকার করতে করতে আমার সময় কাটে। যদিও আমাকে রেখেই সবাই চলে যায়...

তিন.

ডাইরী ৯২

এক.
যে ছেলেটার আশ্রয়ে আমি এক রাতে মরে পড়েছিলাম আয়েশে তার বিছানা দখল করে, তার সাথে দেখা হোলো আজ। কাকতালীয় ভাবেই আমার স্মৃতিরা ফিরে আসছে ঝাকে ঝাকে। যার ঘরে আমি; মৃত আমি বসে নিজের বিদীর্ন দেহটাকে দেখছিলাম আড়চোখে...সে ছেলেটা আজ আমার পাশেই লোক হয়ে বসে, বিস্ময়ে দেখছিলো আমারে, আমার অস্তিত্ত্বরে। দেখতে দেখতে আচমকা সে প্রশ্ন করেছে আমারে সুনসান নীরবতা ভেঙে,

ডাইরী ৯১

এক.
চাঁদের শোকে বিছানা ছেড়েছি আজ।

ধরো, আরো অনেক দিবস চাঁদবিহীন চলেছে...আমার ভাবতেই ভয় লাগে। আমি না হয় একলা রয়ে যাবো ঘুম ঘুম ক্লাসরুমে, আর সব প্রেমিকেরা পৃথিবীর অন্ধকারে হাতরে ফিরবে,

চাঁদের আলোয় থাকা তাহাদের ভ্রান্ত স্মৃতি...

বিভ্রান্ত মানুষ আমি স্মৃতিরে ডেকেছি ভ্রান্ত বলে। ঐদিকে স্মৃতিময়তা আমারে কুড়ে খায়, এমনকী ঘুমেও।

ডাইরী ৯০

..............................................................................
..............................................................................
..............................................................................
..............................................................................
..............................................................................