ইউজার লগইন

ভাস্কর'এর ব্লগ

হেথাক তুকে মানাইছে নারে, ইক্কেবারে মানাইছে নারে...(২)

এক.

হেথাক তুকে মানাইছে নারে, ইক্কেবারে মানাইছে নারে...

এক.

ডাইরী ১১৩

তবে পাহাড়েই যাই; পাহাড়ের কাছে প্রশ্ন রাখি, কোনক্ষণে পাহাড়েও নামে ধ্বস, কোনক্ষণে টলে গেছে পাহাড়ের ভিত?

এক.
কোন একদিন সমতল বলে কোন ভূমি ছিলো না হেথায় এমন বিশ্বাসে সাজিয়েছি চিন্তার রাশিমালা। পাহাড়ও টলেছে এমন আনন্দ বুকে নিয়ে ভেবেছি...কোন একক্ষণে নিমেষ ফুরাবার আগেই পাহাড় নিঃশেষ হবে।

অস্থির মানব জীবন জায়েজ হলো তবে...

ফুটবলের জীবন, জীবনের ফুটবল...(১)

এক.

ডাইরী ১১২

এক.
ভুলে গেছি কারখানার পথ, জলে ধোঁয়া পথের কাঁদায় পদচিহ্ন রেখে এসেছিলাম সেদিন। আজ দেখি তার 'পর দিয়ে ট্রাকের চাকায় চাকায় ঢেকেছে বিস্মৃতিরা। সেইদিন অন্ধকারে নিয়নের আলো ফুটছিলো বেশ...আজ বৃষ্টিতে ভেসেছে আলোকের রাতগুলি। কারখানা চলেছে বোরাকের পিঠে সময়ের শূন্যতায়।

দুই.

একটি কারখানা বিষয়ক কবিতা...

এক.
আমি এক কারখানা
বিরামহীন উৎপাদন করেছি তাদের।
যারা আজো চোখ মেলে
দেখে নাই মেলা কিছু।
আমার শ্রমিক ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে,
তার হাতুড়ি বাটাল পড়ে;
তবু নড়ে নাই যন্ত্রের সামর্থ্য।
যন্ত্রাদির সাথে শ্রমিকের কুস্তি চলে...
আমি কারখানা তবু ঠায় আচ্ছাদনের আড়ালে
শ্রমিকদের আর যন্ত্রাদিরে যতনে রেখেছি।

আমি প্রতিদিন যন্ত্র আর শ্রমিকের স্বার্থরক্ষা করে চলি
ঠেকাই রোদ্দুর-বৃষ্টিজল আর গোপনীয়তা...

বিবর্তনের পথ ধরে হরতাল: গণমানুষের হাতিয়ার যখন দলবাজদের মুঠিতে

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে দোকানপাট-যানবাহন বন্ধ করে এক অভিনব অসহযোগের কর্মসূচি নিয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধী। গুজরাটি ভাষার প্রচলিত শব্দ হরতাল নামে অভিহিত এই ধর্মঘট কর্মসূচি প্রতিবাদের ধরন হিসাবে সে সময় থেকেই উপমহাদেশীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি জনপ্রিয় পদক্ষেপ। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম হরতাল কর্মসূচি পালনের নজির পাওয়া যায়। স্বাধিকারের এই আন্দোলন যাত্রা থেকে স্বাধী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কাউন্সিলর নির্বাচন: পোকায় কাটা গাছের গোড়ায় গণতন্ত্রের জল...

সাফল্যের নিরীখে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ণ প্রকল্পগুলোকে এই কিছুদিন আগে পর্যন্তও এগিয়ে রাখা হতো বেশ খানিক। কিন্তু সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা গেছে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ার হার আবারো প্রায় পঞ্চাশ ভাগে উন্নীত হয়েছে। বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার প্রবণতাও ৪% হ্রাস পেয়ে ৯৩%'এ নেমে গেছে। এমনি একসময় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে শৈশবেই গনতান্ত্রিক চর্চার প্রতি উৎসাহী, পরমতসহিষ্ণুতা এবং শ

জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (তৃতীয় কিস্তি)

তবে তরুণ ইঞ্জিনিয়ার একটা বিষয়ে কোনরকম জবরদস্তি ছাড়াই খানিকটা কোমল প্রতিবাদী অবস্থান নিতে পারে বলে আমার মনে হয়: তাদের শোবার ঘরে একটা ভারী মার্বেল পাথরের টেবিলের উপর একটা নগ্ন পুরুষ মূর্তি রাখা ছিলো; মূর্তিটি তার নিটোল নিতম্বের উপর ভর দিয়ে রাখা বাম হাতে একটা বীনা ধরে আছে; আর ডানহাতের ভঙ্গীমাটা এমন যেনো এই মাত্র সে বীনার তারে আঙুল চালিয়েছে; ডান পাটা খানিকটা বাড়িয়ে রাখা, মাথাটা একটু ঝুকে আছে, কিন্তু চ

জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (দ্বিতীয় কিস্তি)

প্রথম কিস্তি

জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (একটি অনুবাদ প্রচেষ্টার শুরু)

কবি'র মা যখন ভাবতে চেষ্টা করেন, ঠিক কোথায় কবিকে পেটে ধরেছিলেন, ঘুরেফিরে কেবল তিনটি জায়গার কথা তার মাথায় আসে: একরাতে একটি পার্কের বেঞ্চ, এক বিকেলে কবি'র বাবার এক বন্ধুর এপার্টমেন্ট, কোন এক সুন্দর সকালে প্রাগের বাইরের একটা রোমান্টিক নিসর্গ।

পৃথিবীর ঠিকানায় আমরা খুব ভালো নাই রুদ্র'দা...

তখন আমি নিতান্তই কৈশোরকাল অতিক্রম করতেছি। মহল্লার বড় ভাই তপন বড়ুয়ার লগে শাহবাগে যাই। পিজির পিছনের বটগাছ তলায় বসি। আড্ডাবাজি চলে। সব প্রতিবাদী তরুণেরা কবিতা শোনায়। আর চলে প্রতিষ্ঠিত প্রাতিষ্ঠানিকগো গালাগালি। ঐ খান থেইকা উঠি যখন রাত বাড়তে থাকে। যাই আজিজ মার্কেটের দিকে। তখন মাত্র মার্কেটের নির্মাণ কাজ চলে। একটা দোকান একলা একলা বাণিজ্য করে। পাঠক সমাবেশ। আমরা দোকানের পিছনে সিঁড়ির নীচে ফরহাদ+মজহার টি স্

চট্টগ্রাম মেয়র র্নিবাচন: জনগণের চাইতে আভ্যন্তরীণ কোন্দলের ক্ষমতা অনেক বেশি...

যখন এই পোস্ট লিখতে শুরু করলাম তখন চট্টগ্রাম মেয়র নির্বাচনের ভোটাভুটি চলতেছে। আমি এক্কেরেই ঢাকার পোলা। চট্টগ্রামের সাথে আমার কোনরম রক্তের সম্পর্ক কোনকালে ছিলো না। বিভক্তির ষষ্ঠ ডিগ্রী দিয়া যদি জোরকৃত সম্পর্ক তৈরী করতে চাই তাইলে হয়তো মেয়র পদপ্রার্থীগো লগেও আমার সম্পর্ক বের কইরা ফেলা সম্ভব। হা হা হা। কিন্তু শহর চট্টগ্রাম আমার অনেক প্রাণের জায়গা। সেই নব্বই দশকের মধ্যভাগ থেইকা চট্টগ্রামে আমার যাতায়াত।

ডাইরী ১১১

এক.
পাহাড়ও ধ্বসে পড়ে মানুষের অপরাধে। চাপা পড়ে সরলতা আর অপরাধ; এক সাথে।

দুই.
পাহাড়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে এইবেলা এক মিনিট নীরব দাঁড়িয়ে ছিলাম। পাহাড়কে আর কতোটা সময় দেয়া যায় জীবনের!

তিন.
আর যারা মরে গেলো পাহাড়ের চাপে, তারা কেউ ছিলো না আমার। যতোটা চিনেছি পাহাড় ততোটা চিনি নাই মানুষেরে...

চার.
পাহাড়ের কোনকিছু হলেই আমার মনে পড়ে একদিন আমাদের পাহাড় সমীপে জীবন উৎসর্গ করবার কথা ছিলো...

ফুটবল ফুটবল দুরন্ত ফুটবল (২)

বিরাশি'র বিশ্বকাপের সময় আমি নিতান্ত'ই বালক আর ছিয়াশি সালে উত্তুঙ্গ কিশোর। বিরাশিতে আমার সুনির্দিষ্ট দলের প্রতি সমর্থন ছিলো না আর ছিয়াশিতে জার্মানি-জার্মানি বইলা আমি গলা কাঁপাই। এই পছন্দের বিষয়টা আমি অকপট কইতে পারি অন্যগো চাইতে আলাদা হওনের চেষ্টা থেইকা হইছিলো। বাঙালিরা তখন আর্জেন্টিনা ব্রাজিল শিবিরে বিভক্ত হইয়া গেছে অলরেডি। মধ্যবিত্ত শহুইরা হিসাবে পপ্যুলার চয়েসের বিরোধী হওনের যেই ভন্ডামির স্বভাব আত